বাংলাদেশের সংস্কৃতি

- সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলী | NCTB BOOK
3.1k

বাংলাদেশের সংস্কৃতি ভাষা, ধর্ম, সাহিত্য, শিল্পকলা, সঙ্গীত, নৃত্য, উৎসব এবং জীবনযাত্রার এক সমৃদ্ধ মিশ্রণ, যা হিন্দু, বৌদ্ধ, ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মের প্রভাবে গড়ে উঠেছে, যার মধ্যে পহেলা বৈশাখ, ঈদ, দুর্গাপূজাের মতো উৎসব, বাউল গান, জামদানি শাড়ি, নকশিকাঁথা, রিকশাচিত্র এবং লোকনাটক উল্লেখযোগ্য, যা বাঙালিদের দৈনন্দিন জীবন ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উন্নত জীবনযাত্রা
সার্বিক জীবনাচরণ
মার্জিত আচরণ
শিল্প ও সাহিত্য

আঞ্চলিক নৃত্য

1.9k

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধরণের নৃত্যের ঐতিহ্য বিদ্যমান। এই নৃত্যগুলো স্থানীয় সংস্কৃতি, রীতিনীতি , জীবনধারা এবং এবং বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটায়। নৃত্যগুলোতে গান, বাদ্যযন্ত্র এবং পোশাকের ব্যবহার করা হয়। নৃত্যগুলো সাধারণত বিভিন্ন উৎসব, অনুষ্ঠান এবং আচার-অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর জাতীয় নৃত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নৃত্যশিল্পীরা তাদের নৃত্যের প্রদর্শন করে। শামিম আরা নীপা বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী। তিনি নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 'নৃত্যাঞ্চল'-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তাছাড়া 'নৃত্য সম্রাট' খ্যাত বাংলাদেশের বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী গোলাম মোস্তফা । বাংলাদেশের বিখ্যাত নৃত্যশিল্পীদের আরো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন শিবলী ব্রত , মীনা আহমেদ , ফারহানা রুপা এবং নৃত্যশিল্পী রুনা লায়লাসহ প্রমুখ ।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নৃত্য

  • মণিপুরী - সিলেট অঞ্চলের নৃত্য ।
  • ঝুমুর - রংপুর, রাজশাহী অঞ্চলের নৃত্য ।
  • ধুপ - খুলনা, ফরিদপুর ও যশোর অঞ্চলের নৃত্য ।
  • বল (Bolan) - যশোর অঞ্চলের নৃত্য ।
  • জারি - ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ।
  • গম্ভীরা নাচ - রাজশাহী জেলার মুসলিম সমাজের পৃষ্ঠপোষকতায় গম্ভীরা নাচ-গানের বিস্তর রূপান্তর ঘটেছে। দুজন নানা নাতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সমকালীন সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, নৈতিকতা ইত্যাদি সংক্রান্ত সমস্যা নৃত্যগীতের মাধ্যমে তুলে ধরে।
  • ঘাটু নাচ - ঘাটু গানের সঙ্গে পরিবেশিত হয়। এর ধর্মীয় বা সামাজিক কোনো উপলক্ষ নেই। মনোরঞ্জন এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এটা কেবল বর্ষাকালে পরিবেশিত হয়।
  • পুতুল নাচ - পুতুলের অভিনয়াত্মক নাচ।
  • ফকির নাচ - মাদার পীরের উরস উপলক্ষে পরিবেশিত নৃত্য। পীরের অনুসারী ফকিরেরা আয়োজন করে।
  • বাউল নাচ - বাউলদের ধর্মাচারের অঙ্গ। এর গানগুলো তথ্যভিত্তিক। বাউল নাচের কোনো মৌলিক উপলক্ষ নেই। বাউল গান ও নাচের মূল প্রেরণা হচ্ছে ধর্মসাধনা।
  • লাঠি নাচ - মুহররম উপলক্ষে পরিবেশিত হয়। যুবকরা লাঠি হাতে দলবদ্ধভাবে নাচে। তাছাড়া ও লাঠি নাচ থারু জনগণের একটি সাংস্কৃতিক নৃত্য এবং এটি থারু লাঠি নাচ নামেও পরিচিত।
  • লেটো নাচ - লেটো গান ও অভিনয়ে অংশরূপে পরিবেশিত হয়।
  • খেমটা নাচ - খেমটা তালের সঙ্গে পরিবেশিত হয়। খেমটা নাচ গানের প্রধান বিষয় রাধাকৃষ্ণের প্রেম।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সিলেট অঞ্চলের
ঢাকা অঞ্চলের
যশোর অঞ্চলের
রংপুর অঞ্চলের

সঙ্গীত

1.9k

বাংলা গান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মানুষ গান গেয়ে আসছে। বাংলা গানের ধারা ও ঐতিহ্য বহুমুখী ও সমৃদ্ধ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অসংখ্য গান বাংলার সংস্কৃতিতে গভীরভাবে প্রোথিত। যা রবীন্দ্র সংগীত নামে পরিচিত । রবীন্দ্র সংগীতের বিভিন্ন ধারার মধ্যে রয়েছে প্রেমের গান, আধ্যাত্মিক গান, প্রকৃতির গান, দেশাত্মবোধক গান, ইত্যাদি। কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গান বাংলার মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। যা নজরুল সঙ্গীত নামে পরিচিত । নজরুল সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারার মধ্যে রয়েছে বিদ্রোহী গান, প্রেমের গান, আধ্যাত্মিক গান, দেশাত্মবোধক গান, ইত্যাদি। বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকগান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল্যবান সম্পদ। লোকগানের বিভিন্ন ধারার মধ্যে রয়েছে বাউল গান, পাঁচালি, ভাটিয়ালি, জারি , সারি ইত্যাদি। আধুনিক বাংলা গানের মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্রের গান, পপ গান, রক গান, ফোক গান, ইত্যাদি।

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত

"আমার সোনার বাংলা, ....'। এ গানের রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল। গানটিতে বাংলার প্রকৃতির কথা প্রধানভাবে স্থান পায়। ১৩১২ বঙ্গাব্দে (১৯০৫ সাল) 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গানটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতানের স্বদেশ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। এটি গগণ হরকরার সুরের অনুকরণে রচনা করেন। চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার বিখ্যাত 'জীবন থেকে নেওয়া' কাহিনীচিত্রে এই গানের চলচ্চিত্রায়ন করেন। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর বাংলাদেশের সংবিধানে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। এটি ছিল মূলত একটি কবিতা। ২৫ চরণ বিশিষ্ট এই কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়। গানটির ইংরেজী অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান (Sayed Ali Ahsan (১৯২২-২০০২) । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা এবং শ্রীলংকার জাতীয় সঙ্গীতের সুরকার।

বাংলাদেশের রণ সঙ্গীত

রণ সঙ্গীত হলো এক প্রকার গান যা যুদ্ধের উদ্দীপনা জাগানোর জন্য গাওয়া হয়। বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের উৎপত্তি লক্ষ্য করা যায় মধ্যযুগে। রাজা-মহারাজারা যুদ্ধে যাওয়ার সময় সৈনিকদের উৎসাহিত করার জন্য 'বীরগীত' গাওয়া হত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রণ সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের মনে দেশপ্রেম ও সাহস জাগানোর জন্য বিভিন্ন রণ সঙ্গীত রচিত ও গাওয়া হয়েছিল। 'চল্ চল্ চল্', 'হে মুক্তিযোদ্ধা', 'এবার ফাঁসি দেওয়া হবে', 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' ইত্যাদি রণ সঙ্গীত আজও জনপ্রিয়। তবে কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক ১৯২৯ সালে লিখিত 'চল্ চল্ চল্' দাদরা তালের এই সঙ্গীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়। বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের রচয়িতা/ গীতিকার ও সুরকার কাজী নজরুল ইসলাম। 'চল্ চল্ চল্' গানটি 'শিখা' পত্রিকায় ১৯২৯ সালে (বাংলা ১৩৩৫ সালে) প্রথম প্রকাশ হয় । গানটির শিরোনাম ছিল 'নতুনের গান'। এটি 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। উৎসব অনুষ্ঠানে গানটির ২১ চরণ বাজানো হয়। বাংলাদেশের রণ সঙ্গীতের কলিঃ

"চল্ চল্ চল্
ঊর্ধ্বগগনে বাজে মাদল,
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল্ রে চল্ রে চল।
..........."

বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীত

ক্রীড়া সঙ্গীত হলো এক প্রকার গান যা খেলাধুলার উৎসাহ ও আনন্দ বর্ধন করে। বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের ঐতিহ্য দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের উৎপত্তি লক্ষ্য করা যায় মধ্যযুগে। 'পাল-গান' নামে পরিচিত এক প্রকার গান খেলাধুলার সময় গাওয়া হত। বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের গীতিকার / রচয়িতা সেলিমা রহমান এবং সুরকার খন্দকার নূরুল আলম। বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের কলিঃ

" বাংলার দূরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয়
ক্রীড়াজগতের শীর্ষে রাখবো আমরা শৌর্যের পরিচয়।,
সুন্দর দেহ, সুন্দর মন, বিধাতার সেরা দান
আরো সুন্দর করি ক্রীড়াচর্চায় উন্নত করি মহাপ্রাণ।
............"

জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গান

গানের কলি - "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি" । গানটির গীতিকার ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । এটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ।

গানের কলি - “মানুষ মানুষের জন্য” । গানটির গীতিকার , সুরকার ও শিল্পী ভূপেন হাজারিকা ।

গানের কলি - ”আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” । এটি প্রথমে ছিল আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর একটি কবিতা যা পরে গান হিসাবে সংকলিত হয়। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থে প্রথম প্রকাশিত হয়। গানটির গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী । গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ বর্তমানে সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং শিল্পী আব্দুল লতিফ ।

গানের কলি - “কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই” । গানটির গীতিকার মান্না দে। (ভারত) , সুরকার গৌরি প্রসন্ন মজুমদার ও শিল্পী সুপর্ণ কান্তি ঘোষ ।

গানের কলি - “এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলো যারা” । গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার , সুরকার আপেল মাহমুদ ও শিল্পী প্রথমে স্বপ্না রায় ও পরে রেবেকা সুলতানা ।

গানের কলি - “আমি বাংলার গান গাই” । গানটির গীতিকার ও সুরকার প্রতুল মুখপাধ্যায় এবং প্রথম গায়ক প্রতুল মুখপাধ্যায় বর্তমানে মাহমুদুজ্জামান বাবু

গানের কলি - “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি” । গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার , সুরকার আপেল মাহমুদ ও শিল্পী আপেল মাহমুদ ।

গানের কলি - “তুমি আজ কত দূরে” । গানটির গীতিকার প্রণব রায় , সুরকার সুবল দাশগুপ্ত ও শিল্পী জগন্ময় মিত্র।

গানের কলি - “এক নদী রক্ত পেরিয়ে” । গানটির গীতিকার ও সুরকার খান আতাউর রহমান , শিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহ ।

গানের কলি - “ধনে ধান্য পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা, তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা” । গানটির গীতিকার ও সুরকার দ্বিজেন্দ্র লাল রায় (ডি. এল, রায়) , শিল্পী সমবেত কণ্ঠ ।

গানের কলি - “মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে” । গানটির গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার , সুরকার ও শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ।

গানের কলি - “সালাম সালাম হাজার সালাম” । গানটির গীতিকার ফজলে খোদা , সুরকার ও শিল্পী আবদুল জব্বার ।

গানের কলি - “জয় বাংলা বাংলার জয়” । গানটির গীতিকার গাজী মাযহারুল আনোয়ার ও সুরকার আনোয়ার পারভেজ।

গানের কলি - “খাঁচার ভিতর অচিন পাখি” । গানটির গীতিকার লালন শাহ ও শিল্পী ফরিদা পারভীন ।

গানের কলি - “ একবার যেতে দেনা আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়” । গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার , সুরকার আপেল মাহমুদ ও শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ ।

গানের কলি - “কারা ঐ লৌহ কপাট, ভেঙ্গে ফেল কররে লোপাট” । গানটির গীতিকার , সুরকার ও শিল্পী কাজী নজরুল ইসলাম ।

গানের কলি - “এই পদ্মা এই মেঘনা এই যমুনা সুরমা নদীর তটে” । গানটির গীতিকার ও সুরকার আবু জাফর এবং শিল্পী ফরিদা পারভীন ।

গানের কলি - “চল চল চল ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল” । গানটির গীতিকার কাজী নজরুল ইসলাম ।

গানের কলি - “ একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল” । গানটির গীতিকার গাজী মাযহারুল আনোয়ার , সুরকার আনোয়ার পারভেজ এবং শিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ ।

গানের কলি - “তুমি কি দেখেছ কহু জীবনের পরাজয়” । গানটির গীতিকার মোঃ মুনিরুজ্জামান , সুরকার সত্য সাহা এবং শিল্পী আবদুল জব্বার ।

অন্যান্য বিখ্যাত বাংলা গান

গানের কলি - "ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়, ওরা কথায় কথায় শিকল পড়ায় মোদের হাতে পায়ে" । গানটির গীতিকার ও সুরকার আবদুল লতিফ ।

গানের কলি - “সোনা সোনা সোনা লোকে বলে সোনা” । গানটির গীতিকার ও সুরকার আবদুল লতিফ ।

গানের কলি - “আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই” । গানটির গীতিকার সিকানদার আবু জাফর ও সুরকার শেখ লুৎফর রহমান ।

গানের কলি - “পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে” । গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার ।

গানের কলি - “তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে” । গানটির গীতিকার ও সুরকার আপেল মাহমুদ ।

গানের কলি - “শূণ্য এ বুকে পাখি মোর আয়” । গানটির গীতিকার কাজী নজরুল ইসলাম ।

গানের কলি - “সব কটা জানালা খুলে দাও না” । গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু , সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল এবং শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ।

গানের কলি - “একাত্তরের মা জননী, কোথায় তোমার মুক্তি সেনার দল” । গানটির গীতিকার ও সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ।

গানের কলি - ”সুন্দর, সুবর্ণ, তারুণ্য লাবণ্য” । গানটির গীতিকার ও সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ।

গানের কলি - “সেই বেল লাইনের ধারে মেঠো পথটার পাড়ে” । গানটির গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান ও সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ।

গানের কলি - “পূর্ব দিগন্তে সর্ব উঠেছে” । গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার ও সুরকার সমর দাস ।

গানের কলি - “নোঙ্গর তোল তোল” । গানটির গীতিকার নইম গহর ও সুরকার সমর দাস ।

গানের কলি - “শোনো একটি মুজিবরের থেকে” । গানটির গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ও সুরকার অংশুমান রায় ।

গানের কলি - “ভাল আছি ভাল থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো” । গানটির গীতিকার রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ।

গানের কলি - ”খাচার ভিতর অচিন পাখি ” । গানটির গীতিকার ও সুরকার লালন ফকির এবং শিল্পী ফরিদা পারভীন ।

গানের কলি - “আমার দেশের মাটির গন্ধে ভরে আছে সারা মন” । গানটির গীতিকার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ।

গানের কলি - ”মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা” । গানটির গীতিকার অতুল প্রসাদ সেন ।

গানের কলি - “মুক্তির মন্দির সোপানো তলে” । গানটির গীতিকার মোহিনী চৌধুরী ও সুরকার কৃষ্ণচন্দ্র দে ।

গানের কলি - “যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই ” । গানটির গীতিকার ও সুরকার হাসান মতিউর রহমান ।

গানের কলি - “যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা” । গানটির গীতিকার নাসিম খান ও সুরকার সেলিম আশরাফ ।

গানের কলি - “একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা” । গানটির গীতিকার নইম গহর ও সুরকার অসিত রায় ।

গানের কলি - “রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি” । গানটির গীতিকার আবদুল কাশেম সন্দীপ ও সুরকার সুজেয় শ্যাম ।

গানের কলি - “মাগো ভাবনা কেন” । গানটির গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ও সুরকার সমর দাস ।

গানের কলি - “মাঝি নাও ছাইড়া দে ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে” । গানটির গীতিকার এম এস হেদায়েত ও সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল ।

গানের কলি - “বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা ” । গানটির গীতিকার ও সুরকার সলিল চৌধুরী ।

গানের কলি - “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে ” । গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদ ।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গীত

  • জারি (Jaari) - ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
  • গম্ভীরা (Gombhira) - চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বৃহত্তর রাজশাহী) অঞ্চলের গান।
  • চটকা (Chatka) - রংপুর অঞ্চলের গান।
  • ভাওয়াইয়া (Bhaoyaiya) - রংপুর অঞ্চলের গান। মূলত গরুর গাড়ী চালকদের মুখে এ গান শোনা যায়। বাংলাদেশের রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
  • গাজীর গীত (Gajir geet) - রংপুর অঞ্চলের গান ।
  • ভাটিয়ালী (Bhatiali) - ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান। জেলে-মাঝিদের গান হিসাবে সুপরিচিত। যেমন: ও কি গাড়িয়াল ভাই কত রব আমি পন্থের দিকে চায়ারে। যেদিন গাড়িয়াল উজান যায়, .... কত কাঁদিম মুই নিধুয়া পাথারে রে।
  • ভান্ডারী (Bhandari) - চট্টগ্রাম অঞ্চলের গান ।
  • সারি (Shaari) - নৌকাবাইস প্রতিযোগিতার সময় পরিবেশিত গান ।
  • কীর্তন (Kirtan) - রাধাকৃষ্ণের প্রশংসাসূচক গান।
  • পালা (Pala) - সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণার হাওড় অঞ্চলের গান। এটি মূলত দুইপক্ষের মধ্যে গানের প্রতিযোগিতা।
  • মুর্শিয়া (Mursiya) - শিয়া মতাবলম্বীদের পশ্চিমা ভাবধারার গান ।
  • লেটোস গান (Letto's song) - ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান ।
  • বাউল গান - 'বাউল' শব্দটি এসেছে বাউর' শব্দ থেকে যার অর্থ হচ্ছে বাতুল অথবা পাগল। বাউলরা কখনো রীতিবন্ধনের মধ্যে আবদ্ধ থাকতে চান না। তারা সংসারত্যাগী মুক্ত পুরুষ। বাউলদের সাধনাই হচ্ছে সঙ্গীতচর্চা। UNESCO ২০০৫ সালে বাউল গানকে Heritage of Humanity (মানবতার ধারক) বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাজী নজরুল ইসলাম
শামছুর রাহমান
সুকান্ত কুমার

উৎসব

1.8k

বাংলাদেশের উৎসব বলতে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনকে বোঝায়, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পহেলা বৈশাখ (বাংলা নববর্ষ), ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা, দুর্গা পূজা, এবং ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা দিবস; এছাড়া নবান্ন, পহেলা ফাল্গুন, বুদ্ধ পূর্ণিমা, বড়দিন, বৈসাবি, নৌকা বাইচ ও রথযাত্রার মতো নানা ধরনের উৎসব এখানে পালিত হয়, যা দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির পরিচয় বহন করে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নববর্ষ / পহেলা বৈশাখ

1.7k

পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন এবং বাংলাদেশে এটি নববর্ষ হিসেবে সর্বজনীন লোকউৎসবের রূপে পালিত হয়। অতীতের গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে আনন্দ, কল্যাণ ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় বরণ করা হয়। এর সূচনা মুঘল সম্রাট আকবরের সময়ে ফসলি সন প্রবর্তনের মাধ্যমে, যা পরে বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। একসময় কৃষিনির্ভর সমাজে খাজনা পরিশোধ, হালখাতা ও মেলার মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপিত হতো; বর্তমানে তা গ্রাম ও শহরজীবনে সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। বৈশাখী মেলা, লোকগান, নৃত্য, নাটক, খেলাধুলা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার এই উৎসবের প্রধান আকর্ষণ। ঢাকায় রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান এবং চারুকলার শোভাযাত্রা নববর্ষ উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের বৈসাবি উৎসব নববর্ষকে ভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ করেছে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

আনন্দ শোভাযাত্রা
মঙ্গল শোভাযাত্রা
বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা
উপরের কোনটিই নয়
সম্রাট বাবর
ইলিয়স শাহ্
ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ্
সম্রাট আকবর

বর্ষপঞ্জিকা

1.6k

বাংলা বর্ষপঞ্জি বা বঙ্গাব্দ হলো বঙ্গ অঞ্চলে প্রচলিত একটি সৌর বর্ষপঞ্জি, যার সংশোধিত রূপ বাংলাদেশে জাতীয় ও সরকারি বর্ষপঞ্জি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামে এর পূর্ববর্তী সংস্করণ চালু আছে। বাংলা সনের শূন্য বছর ধরা হয় ৫৯৩/৫৯৪ খ্রিস্টাব্দ, আর নববর্ষ পালিত হয় পহেলা বৈশাখে। বঙ্গাব্দের উৎপত্তি নিয়ে মতভেদ রয়েছে—কেউ ৭ম শতকের রাজা শশাঙ্ককে, কেউ সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে, আবার কেউ মুঘল সম্রাট আকবরের ফসলি সন সংস্কারকে এর ভিত্তি মনে করেন। ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশে সরকারি ভাবে বর্ষপঞ্জি সংস্কার গৃহীত হয় এবং ২০১৫–২০১৯ সময়ে চূড়ান্ত বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বয় করা হয়, যাতে মাসের দিনসংখ্যা নির্দিষ্ট হয় এবং অধিবর্ষ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে ১২টি মাস, সাত দিনের সপ্তাহ ও সৌর গণনারীতি অনুসৃত হয়, যা বাঙালির সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

২৪ ভাদ্র, ১৪২৮
২৬ ভাদ্র, ১৪২৮
২৪ আশ্বিন, ১৪২৮
২৬ আশ্বিন, ১৪২৮
সম্রাট আকবর
নবাব আলীবর্দী খাঁ
লক্ষ্মণ সেন
আবুল ফজল

১৯৯০ সালের ৩রা আগস্ট

১৯৯০ সালের ৩রা মে

১৯৯০ সালের ৩ রা জুলাই

১৯৯০ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর

বিখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

2.5k
Please, contribute by adding content to বিখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব.
Content

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন

2k
  • ১৯১৪ সালের কিশোরগঞ্জ জেলার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। জয়নুল আবেদীন বাংলার শিল্পাচার্য ছাড়াও বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার অগ্রদূত।

তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মের-

  • "ম্যাডোনা ১৯৪৩; দাঁড়টান: গ্রামীণ রমণী; দুই জিপসী রমণী: রমণীর চুল বাঁধা; ও মনপুরা খঙড় অন্যতম ।
  • তিনি চারু ও কারুকলা ইনস্টিটিউট ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠাতা করেন।
  • সোনারগাঁয়ের লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠাতা করেন- ১৯৭৫ সালে ।
  • ১৯৭৬ সালে ঢাকায় তিনি পরলোক গমন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পটুয়া কামরুল হাসান

2.3k
  • কামরুল হাসান এর জন্ম ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর, কলকাতায়।
  • শিল্পী জয়নুল আবেদীনের সাথে যোগ দেন আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার কাজে।
  • আমাদের লোকশিল্পের ধারাকে উজ্জীবিত ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তিনি নানারকম পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের ধারা তৈরি করেন।
  • তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের রূপকার। তার বিখ্যাত পোস্টারগুলো: "এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে","দেশ আজ বিশ্ব বেহায়ার খপ্পরে”
  • বাংলার শ্রেষ্ঠ পটুয়া কামরুল হাসান মৃত্যুবরণ করেন ১৯৮৮ সালে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পটুয়া কামরুল হাসান
জয়নুল আবেদীন
নভেরা আহমেদ
দীনেশ চন্দ্র ঘোষ
জয়নুল আবেদীন
পটুয়া কামরুল ইসলাম
সৈয়দ আলী আহসান
শিব নারায়ণ দাশ
কাজী আবুল ওয়াদুদ
শিব নারায়ণ দাশ
পটুয়া কামরুল ইসলাম
সৈয়দ আলী আহসান

এস এম সুলতান

2k
  • এস এম সুলতান ১৯২৩ সালে নড়াইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
  • সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০০১ সালের সুলতানের বসতবাড়ি সংলগ্ন শিশুস্বর্গ ও সুলতানের স্মৃতি সংগ্রহশালা নির্মাণ করে।
  • বাংলাদেশ সরকার তাকে 'আর্টিষ্ট ইন রেসিডেন্ট' সম্মানে ভূষিত করে।
  • ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ম্যান অব এশিয়া পদকে ভূষিত করে।

তার উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম

  • 'তুলির আচড়ে দেশ' পাট কাটা, ধান কাটা, চর দখল, জলকে চলা, ধান ভানা ইত্যাদি।
  • এস এম সুলতান মৃত্যুবরণ করে- ১৯৯৪ সালে ।
Content added By

জহির রায়হান

1.8k
  • জহির রায়হান একাধারে বিশিষ্ট লেখক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি চলচ্চিত্র পরিচালক।
  • তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো হাজার বছর ধরে, বরফগলা নদী, শেষ বিকেলের মেয়ে, আরেক ফাল্গুন অন্যতম। সংসার, বেহুলা, তার চলচ্চিত্র।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

চাষী নজরুল ইসলাম
জহির রায়হান
খান আতাউর রহমান
তারেক মাসুদ
চাষী নজরুল ইসলাম
ফেরদৌস হায়দার
জহির রায়হান
তারেক মাসুদ

হিরালাল সেন

1.5k
  • বাংলা চলচ্চিত্রের জনক হীরা লাল সেন ১৮৬৬ সালে মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
  • ১৮৯৮ সালে চলচিত্রের জন্য যান্ত্রিক সাজসরঞ্জাম ক্রয় করে।
  • কলকাতার “ক্লাসিক থিয়েটার" এ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু করেন।
  • ছোট ভাই মতি লাল সেন কে নিয়ে গড়ে তোলেন রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানি।
  • তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির সংখ্যা প্রায় ৪০টি। বাংলা চলচিত্র ইতিহাসে তিনি প্রথম পুরুষের মর্যাদায় অধিষ্টিত।

Content added By

এফ আর খান

1.9k
  • তিনি ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
  • পৈতৃক নিবাস ছিল মাদারীপুর জেলায়।
  • স্থাপত্য কলায় তাঁর অসাধারণ কৃতিত্ব রয়েছে।
  • সিয়ার্স টাওয়ার বিশ্বের উচ্চতম গগন চুম্বী এর নকশা করেন।
  • ২৬ মার্চ ১৯৮২ সালে জেদ্দায় এক বিমান দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

স্থপতি
ক্যান্সার চিকিৎসক
আণবিক বিজ্ঞানী
কম্পিউটার বিজ্ঞানী

ড. কুদরত-ই-খুদা

1.7k
  • রসায়নবিদ, শিক্ষাবিদ কুদরত-ই-খুদা ১৯০০ সালে।
  • ভারতের বীরভূমের মাড়গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
  • বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য যে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয় বহু সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে। দায়িত্ব পালনের অভিঙ্গ বিজ্ঞানী ড. কুদরত-ই-খুদা তার সভাপতি নির্বাচিত হন এবং তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট প্রণীত হয়।
  • ১৯৭৭ সালের ৩ নভেম্বর তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
Content added By

ওস্তাদ আলাউদ্দীন খাঁ

1.4k
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিবপুর ১৮৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
  • তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সঙ্গীত শিল্পী।
  • হেমন্দ্র, দুর্গেশ্বরী, যেম বাহার, প্রভাতকেশী, হেম বেহাগী, মদন মঞ্জুরী, আরাঠোনা ইত্যাদি রাগরাগিনীর স্রষ্ঠ ।
  • ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পরলোক গমণ করেন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

লালন ফকির

2.2k
  • লালন ফকির ১৭৭৪ সালে ঝিনাইদহের হরিশপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
  • ছেলেবেলায় তার পরিবার তাকে ত্যগ করে।
  • তখন সিরাজ সাই নামে এক বাউল তাকে আশ্রয় দেয়।
  • তিনি একাধারে বাউল সাধক, গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
  • তাকে 'বাউল সম্রাট' হিসাবেও অভিহিত করা হয়।
  • তিনি কুষ্টিয়ায় তার আখড়া গড়ে তোলেন।
  • ১৮৯০ সালে নিজ আখড়ায় মারা জান।
Content added By

হাসান রাজা

1.6k
  • উনিশ শতকের সর্বাপেক্ষা খাতনামা বাউল ছিলেন।
  • ১৮৮৫ সালে সুনামগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন।
  • ১৯২২ সালে মারা যান।
  • বিখ্যাত গান: নেশা লাগিলরে, হাসন রাজা পেয়ারির প্রেমে মজিলোরে/লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ি ভালানা আমার।
Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...