যীশু তাঁর মা-বাবার প্রতি বাধ্যতা ও ভালোবাসা শুধু কথার মধ্য দিয়ে দেখাননি। তিনি কাজের মধ্য দিয়ে এগুলো প্রকাশ করেছেন। তিনি ত্রিশ বছর বয়স পর্যন্ত বাড়িতে কাটিয়েছেন। এ সময়ে নিশ্চয়ই তিনি মা-বাবার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। বাড়িতে তিনি কোনোক্রমেই শুয়ে-বসে কাটাননি। মা-বাবাকে তিনি তাঁদের কাজে সহায়তা করেছেন। দৈনন্দিন কাজকে তিনি কখনো ঘৃণা বা অবহেলা করেননি।
আমাদের জীবনেও এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে আমরা যেন মা-বাবাকে তাঁদের কাজে যথাসাধ্য সাহায্য করি। এতে আমাদের সম্মান কমে যাবে না বরং দৈহিক পরিশ্রম আমাদের দেহ ও মনের স্বাস্থ্য অটুট রাখবে। তাতে পড়াশোনায়ও আমাদের মন বসবে। কাজে সহায়তা করে আমরা মা-বাবার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বাধ্যতার প্রমাণ দিতে পারি।
| কাজ: বালক যীশুর কোন কোন গুণ তোমার কাছে অনুকরণীয় মনে হয় তার একটি তালিকা প্রস্তুত কর। |
Read more