মারীয়া ও যোসেফের ঘরে তিনি জন্ম নিয়েছেন। তাঁদের আদর-যত্নে তিনি বড় হয়েছেন। বাবা-মায়ের প্রতি বাধ্যতার মতো প্রয়োজনীয় গুণটি তাঁর মধ্যে ছিল। তাই তিনি মন্দিরের আলোচনা ফেলে রেখে বাবা-মায়ের সাথে নাজারেথে ফিরে গেলেন। পরিবারের সমস্ত কাজকর্মে তিনি অংশগ্রহণ করতেন। তিনি দৈহিকভাবে বড় হতে লাগলেন। এর পাশাপাশি তিনি বিদ্যাশিক্ষা, ধর্মীয় জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাও লাভ করতে লাগলেন। ঈশ্বরের ও মানুষের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে লাগল। ঈশ্বরের কাছ থেকে পেতে লাগলেন প্রজ্ঞা আর মানুষের কাছ থেকে পেতে লাগলেন স্নেহ-ভালোবাসা। এভাবে তিনি একজন পরিপক্ব মানুষ হতে লাগলেন।
| কাজ: যীশুর শৈশবের সাথে তোমার শৈশবের কোন কোন দিকে মিল খুঁজে পাও তা নিজের খাতায় । |
Content added By
Read more