মণ্ডলীর পালক হিসাবে প্রিয়নাথ বৈরাগীর অবদান (৩.৩)

প্রিয়নাথ বৈরাগী - খ্রীষ্টধর্ম শিক্ষা - ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB BOOK

167

খ্রীষ্ট বিশ্বাসী প্রিয়নাথ সুশিক্ষিত ও বিচক্ষণ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৯১৫ খ্রীষ্টাব্দে চলে যান ভারতের শ্রীরামপুর। সেখানে শ্রীরামপুর কলেজ থেকে ধর্মতত্ত্বের উপর উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেন। ধর্মতত্ত্বে ডিগ্রি গ্রহণকালীন তার আগ্রহ, ইচ্ছা ও বহুমুখী গুণ এবং প্রতিভার ছাপ লক্ষ করা যায়। ফলে মিশনারি কর্তৃপক্ষ তাঁকে পালক হিসাবে নিয়োগ দেন। একজন আধ্যাত্মিক পালক হিসেবে তাঁর বাণী প্রচারের সুনাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মণ্ডলীর সকল লোক তাঁর সংগীতের ভক্ত হয়ে পড়ে। যুবক-যুবতীরা দল বেঁধে আসত তাঁর গান শুনতে। এই সময়েই তাঁর লেখা গান ও সুর করা গান সকলের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। মণ্ডলীর কাজ করার সময় কর্তৃপক্ষ ও তাঁর মায়ের অনুরোধে ইছাময়ীকে বিয়ে করেন। ইছাময়ী তখন ছিলেন মিশন স্কুলের প্রধান শিক্ষয়িত্রী। স্ত্রী হিসেবে তিনি ছিলেন অসাধারণ। প্রিয়নাথ বৈরাগীকে খ্রীষ্টের বাণী প্রচারে তিনি সার্বক্ষণিক সাহায্য করতেন। ১৯২৫ খ্রীষ্টাব্দে তিনি শ্রীরামপুর থেকে চলে আসেন নিজ গ্রাম ইন্দুরকানিতে। সুসমাচার প্রচারে আবার তাঁর ডাক আসে। তিনি চলে যান ভারতের রাজস্থানে। কিছুদিন প্রচার করার পর সেখানকার আবহাওয়ায় খাপ খাওয়াতে না পারায় তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। পরে তিনি আবার নিজ গ্রামে চলে আসেন।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...