যীশুর জন্মের চল্লিশ দিন পর যোসেফ ও মারীয়া শিশু যীশুকে যেরুসালেম মন্দিরে উৎসর্গ করতে নিয়ে গেলেন। ইহুদিদের এই বিশ্বাস ছিল যে সন্তান জন্ম দেওয়ার মধ্য দিয়ে একজন মহিলা অশুচি হয়ে যায়।

তাই তাকে শুচি হওয়ার জন্য মন্দিরে যেতে হতো। পুত্রসন্তানের জন্ম হলে মাকে চল্লিশ দিন পরে মন্দিরে যেতে হতো। আর কন্যা সন্তানের জন্ম হলে যেতে হতো আশি দিন পরে। সেখানে গিয়ে শিশুটিকে উৎসর্গ করতে হতো। শিশুটির পরিবর্তে একটি মেষশাবক উৎসর্গ করে বাবা-মা শিশুটিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা দরিদ্র বলে মেষশাবকের পরিবর্তে এক জোড়া ঘুঘু বা পায়রার ছানা উৎসর্গ করতে পারত। কাজেই যীশুর জন্মের চল্লিশ দিন পর যোসেফ ও মারীয়া তাঁদের শিশুপুত্র যীশুকে নিয়ে যেরুসালেম মন্দিরে গেলেন। দরিদ্র ছিলেন বলে তাঁরা মন্দিরে উৎসর্গ করলেন এক জোড়া ঘুঘু। মন্দিরে সিমিয়োন নামে একজন ধর্মগুরু ছিলেন। তিনি ছিলেন খুবই ধার্মিক ও ভক্তিপ্রাণ মানুষ।
তিনি মুক্তিদাতার আগমন নিজের চোখে দেখে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। যোসেফ ও মারীয়া শিশু যীশুকে মন্দিরে নিয়ে আসা মাত্রই সিমিয়োন চিনে ফেললেন যে ইনিই হলেন সেই মুক্তিদাতা, যাঁর অপেক্ষায় ইস্রায়েল জাতি এত দিন ধরে দিন গুনছিল। কাজেই সিমিয়োন শিশু যীশুকে কোলে নিয়ে ঈশ্বরের প্রশংসা করলেন। তিনি মুক্তিদাতাকে দেখতে পেয়েছেন বলে হৃদয়ে প্রশান্তি অনুভব করলেন।
Read more