ঈশ্বর হলেন রক্ষা ও পালনকারী। তিনি সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে আমাদের রক্ষা করেন। মানুষ ঈশ্বরের কাছ থেকে এই গুণটি পেয়েছে। একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়াতে পারে এবং বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। সমস্যা থেকে মুক্তির পথ দেখাতে পারে। ভয়ের সময় অভয় দিতে পারে। দুঃখের সময় আনন্দ দিতে পারে। ব্যস্ততার সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। এভাবে মানুষ মুক্তিদায়ী ও রক্ষাকারীর ভূমিকা পালন করে। প্রলোভনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পথ দেখাতে পারে। চিকিৎসক রোগীকে রোগমুক্ত করতে পারে। ঈশ্বর তাঁর পুত্র যীশুকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন মানুষের মুক্তির জন্য। মুক্তিদাতা যীশুর সাথে আমাদের উদ্ধার বা মুক্তিকাজের পার্থক্য হলো: তিনি আমাদেরকে পাপের হাত থেকে পরিত্রাণ দিয়েছেন। আমরা কিন্তু সেই পরিত্রাণ বা মুক্তি দিতে পারি না। তবে যীশুর মুক্তির বার্তাটিই আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিই। পবিত্র আত্মা যে দানগুলো আমাদের দিয়েছেন, সেগুলো দিয়ে আমরা অন্যদের সহায়তা করতে পারি। কিন্তু আমরা সেই গুণগুলো অন্য মানুষকে দিতে পারি না।
| কাজ: জোড়ায় জোড়ায় বসে আলাপ কর তুমি কীভাবে অন্যদের উদ্ধার বা রক্ষা করতে পার। |