১৯৩৮ খ্রীষ্টাব্দে প্রিয়নাথ ঢাকায় বদলি হয়ে আসেন। সে সময় ঢাকা ও কলকাতা বেতারে বড়দিন ও পুণ্য সপ্তাহে খ্রীষ্টীয় সংগীত, গীতি আলেখ্য এবং নাটিকা পরিবেশন করা হতো। আর এ কাজে দক্ষ প্রিয়নাথের উপর গুরুদায়িত্ব ছিল তাঁর সফল বাস্তবায়নের কাজ। ঢাকায় থাকাকালীন তিনি বেশ কয়েকবার বেতারে খ্রীষ্টধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। জীবনের শেষ দিকে প্রিয়নাথ শ্রীরামপুরে বদলি হয়ে যান। সেখানে তাঁকে খ্রীষ্টীয় সাহিত্যবিষয়ক কর্মে নিযুক্ত করা হয়। ধর্মীয় নাটক লেখক হিসেবে তিনি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেন। তাছাড়া কবিতা, গল্প, কবিগানও তিনি রচনা করেন। তাঁর কর্মের ডালি বিশ্লেষণ করলে খুব সহজে বলা যায়, তিনি বড়মাপের একজন সাহিত্যিক ছিলেন।
প্রার্থনাশীল মানুষ হিসাবে ঈশ্বরভক্ত প্রিয়নাথ জীবনের শেষ সময়টুকু কাটিয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি কলকাতার শ্রীরামপুরেই ছিলেন। অবশেষে ১৯৫৭ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই ডিসেম্বর ভোর রাতে ঈশ্বরের সেবক প্রিয়নাথ বৈরাগী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ তিনি আমাদের মাঝে সশরীরে নেই। তবে তাঁর প্রতিটি গানের বাণী ও সেবাকর্মের মধ্যে তিনি জীবন্ত রয়েছেন।
| কাজ: প্রিয়নাথ বৈরাগীর সেবাকর্মগুলোর মধ্যে প্রধানত কোনটি তুমি অর্জন করতে চাও এবং কীভাবে, তা লেখ। |
Read more