Concept of Racism
কোনো নরগোষ্ঠীর প্রতি ভিন্ন গাত্রবর্ণের অন্য নরগোষ্ঠী বা জনগোষ্ঠী গাত্রবর্ণের ভিন্নতার কারণে যে অসাম্যমূলক আচরণ করে তা-ই বর্ণবাদ। গাত্রবর্ণের ভিন্নতার জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বৈষম্যমূলক আচরণের নীতি বর্ণবাদ। ইংরেজি Race শব্দ থেকে Racism বা Racialism শব্দের উৎপত্তি, যার বাংলা প্রতিশব্দ বর্ণবাদ। সাধারণত বর্ণবাদ বলতে বোঝায় মানুষের দৈহিক গঠন, গায়ের রং, ধর্ম, বংশপরিচয়, আবাসস্থল প্রভৃতির বিচারে মানুষকে বিভক্ত করে কাউকে উচ্চ শ্রেণির আবার কাউকে নিম্ন শ্রেণির মানুষ হিসেবে শ্রেণিকরণের মাধ্যমে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের তারতম্য করা।
সংখ্যালঘিষ্ঠ শ্বেতাঙ্গ দ্বারা শাসিত দক্ষিণ আফ্রিকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষ্ণকায়দের প্রতি যে অমানবিক বৈষম্যমূলক আচরণ ও নীতি অনুসৃত হয় তা-ই বর্ণবাদ; দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় ভাষায় যাকে বলে Apartheid- অর্থাৎ আলাদাকরণ। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ সরকার ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে যে বর্ণবৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে তাকে Apartheid বলা হয়। অর্থাৎ বর্ণ-বর্ণ পৃথকীকরণ।
বর্ণবাদ প্রত্যয়টি বর্ণবাদে বিশ্বাসী নৃবিজ্ঞানীদের ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। তাদের মতে, বিভিন্ন নরগোষ্ঠী (ককেশয়েড, অস্ট্রালয়েড, মঙ্গোলয়েড, নিগ্রোয়েড) বিভিন্ন জৈব বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এবং জৈব বৈশিষ্ট্যের কারণে এক নরগোষ্ঠী থেকে অন্য নরগোষ্ঠী উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট হয়। উৎকৃষ্ট নরগোষ্ঠী জ্ঞান-বিজ্ঞান, সংস্কৃতি-
সভ্যতায় অভাবনীয় উন্নতি সাধন করেছে। নিকৃষ্ট বা নীচ জনগোষ্ঠী নিষ্কর্মা, অসভ্য, অমার্জিত, দাস ও পশ্চাদগামী প্রজা। যেহেতু উৎকৃষ্টরা সভ্যতার ধারক-বাহক, তাই তাদের রক্তের পবিত্রতা ও বিশুদ্ধতা রক্ষা করা প্রয়োজন। অন্যথায় প্রগতি ব্যাহত হবে। উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্টের মধ্যে অবাধ রক্ত সংমিশ্রণ হলে সভ্যতার ধ্বংস অনিবার্য। ফলে দেখা যাচ্ছে বর্ণবাদী নৃবিজ্ঞানীরাই বর্ণবৈষম্য সৃষ্টির ইন্ধনদাতা। তাদের এ ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা উপযুক্ত পরিবেশে যেকোনো নরগোষ্ঠীই প্রগতির ধারায় অবদান রাখতে সক্ষম। উদাহরণ হিসেবে মঙ্গোলিয়ান নরগোষ্ঠীর দেশ চীন ও জাপানের নাম নেওয়া যায়।
কাজেই নরগোষ্ঠীর উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্টের ধারণা, বিশ্বাস ও মনোভাবই বর্ণবৈষম্যবাদ। সমাজবিজ্ঞানী জেরি অ্যান্ড জেরি সমাজবিজ্ঞান অভিধানে বলেন, "বর্ণবৈষম্যবাদ হলো এরূপ বিশ্বাস, আদর্শ ও সামাজিক প্রক্রিয়ার এক ধারণাগুচ্ছ, যা একটি নরগোষ্ঠীকে ধারণাকৃত সদস্যতার ভিত্তিতে অন্যদের থেকে বৈষম্যমূলক বলে জ্ঞান করে।"
জন এম. সেপার্ড তার সমাজবিজ্ঞান গ্রন্থে বলেন, "বর্ণবাদ হলো একটি আদর্শ, যা একটি জনগোষ্ঠীর দৈহিক বৈশিষ্ট্যকে তাদের মনস্তাত্ত্বিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকৃষ্টতা-নিকৃষ্টতার সাথে সম্পর্কিত করে।"
বর্ণবাদ উদ্ভবের পটভূমি
আফ্রিকায় বর্ণবাদের সূচনা ঔপনিবেশিক শাসনের মাধ্যমে। আর আমেরিকায় বর্ণবাদের সূচনা সপ্তদশ শতকে দাসপ্রথার প্রসারের ফলে। আফ্রিকা কালোদের আবাসভূমি। ইউরোপীয়রা আফ্রিকা আবিষ্কারের পর পনেরো শতক থেকে সপ্তদশ শতক পর্যন্ত মাত্র ১০% আফ্রিকায় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। সপ্তদশ শতকে সেখানে তারা উপনিবেশ গড়ে তোলে। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গরা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় স্থায়ী আবাস গড়ে তোলে এবং উনিশ শতকে তারা আফ্রিকার ৯০% অঞ্চল দখল করে নেয়। পর্তুগিজ, ওলন্দাজ এবং সর্বশেষ ফরাসিরা আফ্রিকায় প্রথমে দাসব্যবসা শুরু করে এবং পরে খামার গড়ে তুলতে শুরু করে। তাদের খামারে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গরা শ্রমিক হিসেবে কাজ পায়। ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ঘটতে থাকলে তারা শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়। ডাচ কোম্পানি স্থানীয় অধিবাসীদের সঙ্গে বিয়ের জন্য অভিভাবকহীন শ্বেতাঙ্গ নারী বা বালিকাদের ইউরোপ থেকে আমদানি করে। এভাবেই আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। আরব ও তুর্কি দাসব্যবসায়ীরা কৃষ্ণাঙ্গদের আফ্রিকা থেকে আমদানি করে আমেরিকায় চালান করতে থাকে। এ জঘন্য ব্যবসা দাসপ্রথার জন্ম দেয়। দাসপ্রথা ঔপনিবেশিক যুগের উত্তরাধিকার। দাসপ্রথা সামাজিক স্তরবিন্যাসের অন্যতম প্রধান কারণ। এটি অসম সামাজিক সম্পর্কের চরম নিদর্শন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হলো একটি অভিবাসী রাষ্ট্র। আমেরিকা আবিষ্কারের পরই ঔপনিবেশিক শাসনের সুযোগ নিয়ে ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গরা আমেরিকায় পাড়ি জমায়। সংখ্যালঘিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠদের শাসন-শোষণ করার জন্য নানা বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে। বর্ণবাদে বিশ্বাসী নৃবিজ্ঞানীরা শ্বেতাঙ্গদের উৎকৃষ্ট ও অশ্বেতাঙ্গদের নিকৃষ্ট বলে নরগোষ্ঠী বিভাজন করেন। এ বিভাজন ও পৃথকীকরণই সমাজব্যবস্থায় বর্ণবাদের জন্ম দেয়। শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এ রকম একটা মিথ তৈরি হয় যে, তারাই সভ্য। তারাই শ্রেষ্ঠ রক্তের অধিকারী। অশ্বেতাঙ্গরা অসভ্য, বর্বর; এরা দেখতে বিশ্রী। এ অহংবোধ তাদের মধ্যে এক ধরনের নীচ মানসিকতার জন্ম দেয়। শ্বেতাঙ্গরা দেখতে সুন্দর ও সুঠাম দেহের অধিকারী বলে অপেক্ষাকৃত উন্নত কাজগুলো তারা করবে বলে স্থির করে। কৃষ্ণাঙ্গরা দেখতে বিশ্রী বলে নিম্নমানের কাজ তাদেরই মানায়। এ শ্রমবিভাজনই বর্ণবাদের রূপ নেয়। আমেরিকার শ্বেতাঙ্গদের ধারণা, কৃষ্ণাঙ্গরা সবাই ক্রীতদাস। তাই দাসত্বসুলভ ও অমর্যাদাকর আচরণই তাদের প্রাপ্য। ইউরোপীয়দের সংখ্যা আফ্রিকায় বাড়তে থাকলে তারা নিজেদের সুবিধার্থে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ইত্যাদি এবং শ্বেতাঙ্গ সমাজ গড়ে তোলে। বিভাজন অতিমাত্রায় প্রকাশ পেলে সৃষ্টি হয় চাপা সংঘাতের। উৎকৃষ্ট ও নিকৃষ্টতার জটিল দ্বন্দ্বে অসম বর্ণের মধ্যে যে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হয় তা-ই বর্ণবাদ।
১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের ৩১শে মে কেপ কলোলি, নাটাল, ট্রান্সভাল ও অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট- এ চারটি ব্রিটিশ উপনিবেশের মিলনে গঠন করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ইউনিয়ন। প্রথম গভর্নর জেনারেল হন ভাইকাউন্ট গ্লাডস্টোন এবং প্রধানমন্ত্রী হন জেনারেল বোথা। ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে ইউনিয়নটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ইউনিয়ন থাকাকালীন অর্থাৎ ১৯১০-৬০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যেই বর্ণবাদের চরম রূপ লক্ষ করা যায়, যা উনবিংশ শতকের নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা ইউনিয়ন শুরু থেকে পৃথকীকরণ ও সমন্বয়করণ নীতি অনুসরণ করে। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বর্ণবাদ প্রকট রূপ না নিলেও ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ন্যাশনালিস্ট পার্টি দেশের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বর্ণবাদ আফ্রিকার সরকারি নীতিতে পরিণত হয়। ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার ৭টি বর্ণবাদসংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করে, যা ছিল মূলত বর্ণবাদের ৭টি স্তম্ভ। এ আইনগুলো মানুষে মানুষে বিভেদ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আইনগুলো নিম্নরূপ:
১। জনসংখ্যা নিবন্ধীকরণ আইন (১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ) এ আইনে আফ্রিকার সকল নবজাতকের বর্ণ ও গোত্র অনুযায়ী নিবন্ধীকরণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
২। আবাসভূমি পৃথকীকরণ আইন (১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ): এ আইনের দ্বারা কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের আবাসভূমি পৃথক করা হয়।
৩।ভূমি আইন: এ আইনের দ্বারা দক্ষিণ আফ্রিকার ১৩% অনুর্বর ভূমি ২০.৬ মিলিয়ন কৃষ্ণাঙ্গের জন্য নির্ধারণ করা হয়। অথচ মোট জনসংখ্যার ভাগ ছিল কৃষ্ণাঙ্গ।
৪। পাস আইন: ১৬ বছরের উপরে প্রত্যেক কৃষ্ণাঙ্গ নরনারীকে পুলিশকে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করা এ আইনে বাধ্যতামূলক করা হয়।
৫। নাগরিক আইন: এ আইনে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়।
৬। পৃথক সুবিধা আইন: কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের জন্য পৃথক পৃথক নাগরিক সুবিধা এ আইনের মাধ্যমে করা হয়।
৭। অনৈতিক আইন: এ আইনের মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে। করা হয়। বাহিক বা যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ
বর্ণবাদের কারণ
বর্ণবাদ সৃষ্টির কারণকে রাজনৈতিক, ধর্মীয়, জাতিগত, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক- এ পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যেগুলোর একটির সাথে অন্যটির সম্পৃক্ততা আছে।
রাজনৈতিক কারণ
শ্বেতাঙ্গরা কালোদের রাজনৈতিক সচেতনতাকে ভীতির নজরে দেখত। তাদের ধারণা ছিল, কৃষ্ণাঙ্গরা নেতৃত্বদানে অযোগ্য। তারা মনে করত, কালোরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলে শ্বেতাঙ্গদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হুমকি আসবে। তাই তারা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকারবঞ্চিত করার প্রয়াস নেয়। শ্বেতাঙ্গদের এ দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণবাদের একটি কারণ।
ধর্মীয় কারণ
ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গরা বিশেষ করে ক্যালভিন খ্রিষ্টানরা এ রকম ধারণা পোষণ করত যে, সকল অখ্রিষ্টীয় ব্যক্তিই অসভ্য, নীচ জাতির সন্তান এবং তারা সকলেই স্বর্গীয় অনুগ্রহ লাভে বঞ্চিত। অর্থাৎ সাদা-কালোর মধ্যে একটা বৈষম্যমূলক রেখা টানতে ক্যালভিনের মতবাদ সাহায্য করে। কাজেই ধর্মীয় ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি বর্ণবাদের জন্ম দেয়।
জাতিগত কারণ
বিশ্বে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারাই বর্ণবাদের বিকাশ ঘটেছে; বিশেষ করে আফ্রিকায়। অশ্বেতাঙ্গরা জাতি হিসেবে শ্রেষ্ঠ নয় বলে শ্বেতাঙ্গরা সর্বক্ষেত্রেই নিজেদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে। ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা আফ্রিকায় কাজের সন্ধানে পাড়ি জমায়। জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের মিথকে কাজে লাগিয়ে শ্বেতাঙ্গরা আফ্রিকায় নিগ্রো ও ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের শোষণ করে, যা বর্ণবাদ সৃষ্টিকে ত্বরান্বিত করে।
অর্থনৈতিক কারণ
আফ্রিকায় বর্ণবাদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ অর্থনৈতিক। আফ্রিকা খনিজ সম্পদে ভরপুর। উনবিংশ শতাব্দীতে খনিজ সম্পদ আবিষ্কৃত হতে থাকলে ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গরা খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি আরও বেশি বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু করে। নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থে কালোদের সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার নীতি গ্রহণ করে। এ লক্ষ্যে তারা আইনও প্রণয়ন করে, যা বর্ণবাদ ও বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরিতে সহায়ক হয়।
সাংস্কৃতিক কারণ
শ্বেতাঙ্গরা সাংস্কৃতিক কারণেও বর্ণবাদনীতি গ্রহণ করে। রেনেসাঁ-পরবর্তী সময়ে ইউরোপীয়রা সমগ্র বিশ্বের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে। কৃষ্ণাঙ্গরা ছিল জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে। তাই শ্বেতাঙ্গরা বর্ণবাদনীতির মাধ্যমে নিজেদের সাংস্কৃতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার বর্ণবাদী নীতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হয়।
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন-ড. সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী স্যারে এর লেখা বই
Read more