Relationship between Motivation and Productivity
প্রেষণা এবং উৎপাদনশীলতার মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক তথা ইতিবাচক ও নেতিবাচক সম্পর্ক আছে। কর্মীদের সঠিক মাত্রায় প্রেষণা দিতে পারলে তাদের মাধ্যমে মানসম্মত কাজ আদায় করা যায়। অন্যথায়, তাদের মাধ্যমে মানসম্মত কাজ করানো সম্ভব নয়। আর উৎপাদনশীলতা বলতে উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ ও উৎপন্ন দ্রব্যের অনুপাতকে বোঝায়।
অর্থাৎ, উৎপাদনশীলতা =উৎপাদন/উপকরণ
প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে হলে এর উপকরণের কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এটি নির্ভর করে কর্মীদের দক্ষতা ও কাজের প্রতি আগ্রহের ওপর। উপযুক্ত প্রেষণার ওপর কর্মীদের কাজের প্রতি এরূপ উৎসাহ-উদ্দীপনা নির্ভর করে। প্রেষণা কর্মীদের কাজ সম্পাদনে আগ্রহী করে তোলে। কর্মী যতই দক্ষ ও অভিজ্ঞ হোক না কেন, তারা কাজের প্রতি আগ্রহী না হলে বেশি উৎপাদন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, প্রেষণার ফলে কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে।
কর্মীদের উপযুক্ত প্রেষণা দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উপায়-উপকরণের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। এতে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও অর্জিত হয়। তাই প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনে কর্মীদের কর্মক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে তাদেরকে উৎসাহিত করা হয়।
প্রেষণা ও উৎপাদনশীলতার সম্পর্ক নিম্নোক্ত তিনটি চিত্রের সাহায্যে দেখানো যেতে পারে-

তাই বলা যায়, উৎপাদনশীলতা নির্ভর করে ব্যবহৃত মানবীয় ও অমানবীয় সব উপকরণের দক্ষ ব্যবহারের ওপর। আবার, উপকরণের দক্ষ ব্যবহার নির্ভর করে ব্যবস্থাপনার সফলতার ওপর। অপরদিকে ব্যবস্থাপনা যত সফলভাবে কর্মীকে কাজে অনুপ্রাণিত করতে পারবে, কর্মীর উৎপাদনশীলতা তত বাড়বে। তাই প্রেষণা এবং উৎপাদনশীলতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ও নির্ভরশীল।
Read more