টেলিকনফারেন্স-এর ব্যবহার (৮.২৫)

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র - ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা - এইচএসসি | NCTB BOOK

10

Uses of Teleconference

ক্রমবর্ধমান ব্যবসায় কার্যক্রম সম্প্রসারণের ফলে বিশ্বব্যাপী টেলিকনফারেন্সের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। আধুনিক ব্যবসায়ে টেলিকনফারেন্সের ব্যবহার বা সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ-

  • ব্যয় ও সময় বাঁচায় (Saving cost and time): টেলিকনফারেন্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো এর মাধ্যমে পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী নির্বাহীদের যাতায়াত ব্যয় ও সময় বেঁচে যায়।
  • শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহার (Use in educational sector): বর্তমানে উন্নত বিশ্বের শিক্ষা ক্ষেত্রে অর্থাৎ, কলেজ-
    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টেলিকনফারেন্স বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাবিষয়ক উপাদান বিনিময়, পারস্পরিক আলোচনা প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
  • প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন (Training and development): টেলিকনফারেন্স বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বর্তমানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং কৃষি, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবারকল্যাণ প্রভৃতি বিষয়ে উন্নয়ন কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
  • উন্নত যোগাযোগ (Developed communication): টেলিকনফারেন্স তথা অডিও ও ভিডিও কনফারেন্স তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি। এরূপ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো স্থানের লোকজন অন্য যেকোনো স্থানের লোকজনের সাথে সরাসরি এবং তাৎক্ষণিক সভায় মিলিত হয়ে যোগাযোগ করতে পারে।
  • ব্যবসায়ের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ (Controlling in business activity): টেলিকনফারেন্স পদ্ধতিতে শীর্ষ নির্বাহীরা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিস্তৃত অধীনস্থ নির্বাহীদের তত্ত্বাবধান করতে পারেন। এভাবে তারা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রমের ওপর সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
  • চেহারা দর্শন সুবিধা (Face watching facility): টেলিকনফারেন্স ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ প্রেরক এবং প্রাপক কম্পিউটার মনিটরের মাধ্যমে মুখোমুখি যোগাযোগের সুযোগ পায়। ফলে যোগাযোগের পক্ষসমূহ একে অন্যের চেহারার প্রকাশ, অঙ্গভঙ্গি প্রভৃতি অবাচনিক যোগাযোগের ভাষা দেখতে পারে।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...