# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
kt_satt_page_type= 84675
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
kt_satt_page_type= 84683
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
kt_satt_page_type= 84686
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
থাকবে
থাকবে না
শূন্য
সবগুলো
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সংখ্যার ইতিহাস মানব সভ্যতার ইতিহাসের মতই প্রাচীন। পরিমাণকে প্রতীক দিয়ে সংখ্যা আকারে প্রকাশ করার পদ্ধতি থেকে গণিতের উৎপত্তি। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটলের মতে, প্রাচীন মিশরের পুরোহিত সম্প্রদায়ের অনুশীলনের মাধ্যমে গণিতের আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটে। তাই বলা যায় সংখ্যাভিত্তিক গণিতের সৃষ্টি যীশুখ্রিস্টের জন্মের প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে। এরপর নানা জাতি ও সভ্যতার হাত ঘুরে সংখ্যা ও সংখ্যারীতি অধুনা একটি সার্বজনীন রূপ ধারণ করেছে।
স্বাভাবিক সংখ্যার গণনার প্রয়োজনে প্রাচীন ভারতবর্ষের গণিতবিদগণ সর্বপ্রথম শূন্য ও দশভিত্তিক স্থানীয়মান পদ্ধতির প্রচলন করেন, যা সংখ্যা বর্ণনায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। পরে ভারতীয় ও চীনা গণিতবিদগণ শূন্য, ঋণাত্মক, বাস্তব, পূর্ণ ও ভগ্নাংশের ধারণার বিস্তৃতি ঘটান যা মধ্যযুগে আরবীয় গণিতবিদগণ ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেন। দশমিক ভগ্নাংশের সাহায্যে সংখ্যা প্রকাশের কৃতিত্ব মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম গণিতবিদদের বলে মনে করা হয়। আবার তাঁরাই একাদশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম বীজগণিতীয় দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান হিসেবে বর্গমূল আকারে অমূলদ সংখ্যার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসবিদদের ধারণা খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দের কাছাকাছি গ্রিক দার্শনিকরাও জ্যামিতিক অঙ্কনের প্রয়োজনে অমূলদ সংখ্যা, বিশেষ করে দুই-এর বর্গমূলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় গণিতবিদগণ বাস্তব সংখ্যাকে প্রণালীবদ্ধ করে পূর্ণতা দান করেন। দৈনন্দিন প্রয়োজনে বাস্তব সংখ্যা সম্বন্ধে শিক্ষার্থীদের সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। এ অধ্যায়ে বাস্তব সংখ্যা বিষয়ে সামগ্রিক আলোচনা করা হয়েছে।
বাস্তব সংখ্যার শ্রেণিবিন্যাস (Classification of Real Numbers)
বাস্তব সংখ্যা (Real Number) হলো এমন সব সংখ্যা যেগুলোকে সংখ্যা রেখায় প্রকাশ করা যায়। বাস্তব সংখ্যাকে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
বাস্তব সংখ্যার প্রকারভেদ
- স্বাভাবিক সংখ্যা (Natural Number)
- পূর্ণ সংখ্যা (Integer)
- মূলদ সংখ্যা (Rational Number)
- অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number)
- বাস্তব সংখ্যা (Real Number)
শ্রেণিবিন্যাস চিত্র

উদাহরণ
| সংখ্যা | শ্রেণি |
|---|---|
| 5 | স্বাভাবিক সংখ্যা, পূর্ণ সংখ্যা, মূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা |
| -3 | পূর্ণ সংখ্যা, মূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা |
| 0 | পূর্ণ সংখ্যা, মূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা |
| মূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা | |
| অমূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা | |
| π | অমূলদ সংখ্যা, বাস্তব সংখ্যা |
মনে রাখার উপায়
- সকল স্বাভাবিক সংখ্যা পূর্ণ সংখ্যা
- সকল পূর্ণ সংখ্যা মূলদ সংখ্যা
- সকল মূলদ সংখ্যা বাস্তব সংখ্যা
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
স্বাভাবিক সংখ্যা (Natural Number): 1, 2, 3, 4, ... ইত্যাদি স্বাভাবিক সংখ্যা বা ধনাত্মক অখণ্ড সংখ্যা । 2, 3, 5, 7, ... ইত্যাদি মৌলিক সংখ্যা এবং 4, 6, 8, 9, ... ইত্যাদি যৌগিক সংখ্যা । দুইটি স্বাভাবিক সংখ্যার গ.সা.গু. 1 হলে এদেরকে পরস্পরের সহমৌলিক সংখ্যা বলা হয়। যেমন 6 ও 35 পরস্পরের সহমৌলিক।
গণনার জন্য ব্যবহৃত ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যাগুলোকে স্বাভাবিক সংখ্যা বলা হয়। সাধারণভাবে ১ থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া সংখ্যাগুলোই স্বাভাবিক সংখ্যা।
উদাহরণ
প্রকাশ
স্বাভাবিক সংখ্যার সেটকে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বৈশিষ্ট্য
- স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো সবসময় ধনাত্মক হয়।
- এতে ভগ্নাংশ বা দশমিক সংখ্যা থাকে না।
- ০ সাধারণত স্বাভাবিক সংখ্যার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- স্বাভাবিক সংখ্যার কোনো শেষ নেই।
মনে রাখার উপায়
গণনা করার জন্য যেসব সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই স্বাভাবিক সংখ্যা।
যেমন: ১টি বই, ২টি কলম, ৩টি খাতা ইত্যাদি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মৌলিক সংখ্যা (Prime Number): যে সকল স্বাভাবিক সংখ্যার মাত্র দুটি গুণনীয়ক থাকে— ১ এবং সংখ্যাটি নিজে, তাদের মৌলিক সংখ্যা বলা হয়।
উদাহরণ
প্রকাশ
মৌলিক সংখ্যার কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক নেই, তবে সাধারণত Prime Number হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
বৈশিষ্ট্য
- মৌলিক সংখ্যার গুণনীয়ক মাত্র দুটি।
- ১ মৌলিক সংখ্যা নয়।
- ২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
- ২ ছাড়া সকল মৌলিক সংখ্যা বিজোড়।

মনে রাখার উপায়
যে সংখ্যাকে শুধু ১ এবং নিজে ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে নিঃশেষে ভাগ করা যায় না, সেটিই মৌলিক সংখ্যা।
যেমন: ৫ কে শুধু ১ ও ৫ দিয়ে ভাগ করা যায়।
Key Notes:
১-১০ পর্যন্ত মোট ৪ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7
১-২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-২০ পর্যন্ত মোট ৮ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19
১-৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-৩০ পর্যন্ত মোট ১০ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29
১-৪০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-৪০ পর্যন্ত মোট ১২ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37
১-৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-৫০ পর্যন্ত মোট ১৫ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37, 41, 43, 47
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-১০০ পর্যন্ত মোট ২৫ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37, 41, 43, 47, 53, 59, 61, 67, 71, 73, 79, 83, 89, 97
১-২০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা
১-২০০ পর্যন্ত মোট ৪৬ টি মৌলিক সংখ্যা রয়েছে। । সেগুলো হলো : 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37, 41, 43, 47, 53, 59, 61, 67, 71, 73, 79, 83, 89, 97, 101, 103, 107, 109, 113, 127, 131, 137, 139, 149, 151, 157, 163, 167, 173, 179, 181, 191, 193, 197, 199
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
যৌগিক সংখ্যা (Composite Number)
যে সকল স্বাভাবিক সংখ্যার দুইয়ের বেশি গুণনীয়ক থাকে, তাদের যৌগিক সংখ্যা বলা হয়। অর্থাৎ, যে সংখ্যাকে ১ এবং নিজে ছাড়া অন্য সংখ্যা দিয়েও নিঃশেষে ভাগ করা যায়, সেটিই যৌগিক সংখ্যা।
উদাহরণ
বৈশিষ্ট্য
- যৌগিক সংখ্যার গুণনীয়ক দুইয়ের বেশি হয়।
- ৪ হলো ক্ষুদ্রতম যৌগিক সংখ্যা।
- সব জোড় সংখ্যা যৌগিক, তবে ২ ব্যতিক্রম।
- ১ যৌগিক সংখ্যা নয়।
মনে রাখার উপায়
যে সংখ্যাকে ১ এবং নিজে ছাড়া অন্য সংখ্যা দিয়েও ভাগ করা যায়, সেটিই যৌগিক সংখ্যা। উদাহরণ: ৬ কে ১, ২, ৩ ও ৬ দিয়ে ভাগ করা যায়, তাই ৬ একটি যৌগিক সংখ্যা।

১-১০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ৪ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9
১-২০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ১১ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, 20
১-৩০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ১৯ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, 20, 21, 22, 24, 25, 26, 27, 28, 30
১-৪০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ২৭ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, 20, 21, 22, 24, 25, 26, 27, 28, 30, 32, 33, 34, 35, 36, 38, 39, 40
১-৫০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ৩৪ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, 20, 21, 22, 24, 25, 26, 27, 28, 30, 32, 33, 34, 35, 36, 38, 39, 40, 42, 44, 45, 46, 48, 49, 50
১-১০০ পর্যন্ত যৌগিক সংখ্যা
মোট ৭৪ টি যৌগিক সংখ্যা রয়েছে।
4, 6, 8, 9, 10, 12, 14, 15, 16, 18, 20, 21, 22, 24, 25, 26, 27, 28, 30, 32, 33, 34, 35, 36, 38, 39, 40, 42, 44, 45, 46, 48, 49, 50, 51, 52, 54, 55, 56, 57, 58, 60, 62, 63, 64, 65, 66, 68, 69, 70, 72, 74, 75, 76, 77, 78, 80, 81, 82, 84, 85, 86, 87, 88, 90, 91, 92, 93, 94, 95, 96, 98, 99, 100
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সহমৌলিক সংখ্যা (Coprime / Relatively Prime Number)
দুইটি স্বাভাবিক সংখ্যার গ.সা.গু. 1 হলে এদেরকে পরস্পরের সহমৌলিক সংখ্যা বলা হয়। যেমন 6 ও 35 পরস্পরের সহমৌলিক।
যে দুটি বা ততোধিক স্বাভাবিক সংখ্যার মধ্যে ১ ছাড়া আর কোনো সাধারণ গুণনীয়ক থাকে না, তাদেরকে সহমৌলিক সংখ্যা বলা হয়। অর্থাৎ, দুইটি সংখ্যার গ.সা.গু (GCD) যদি ১ হয়, তাহলে তারা সহমৌলিক সংখ্যা।

গাণিতিক শর্ত
উদাহরণ
(8, 15), (7, 9), (5, 12), (4, 9)
ব্যাখ্যা
- 8 এর গুণনীয়ক: 1, 2, 4, 8
- 15 এর গুণনীয়ক: 1, 3, 5, 15
এখানে সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১, তাই 8 ও 15 সহমৌলিক সংখ্যা।
বৈশিষ্ট্য
- সহমৌলিক সংখ্যা সবসময় জোড়া আকারে থাকে।
- এদের মধ্যে সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১ থাকে।
- এরা মৌলিক বা যৌগিক হতে পারে, কিন্তু শর্ত হলো GCD = 1 হতে হবে।
মনে রাখার উপায়
যে দুটি সংখ্যার মধ্যে ১ ছাড়া আর কোনো সাধারণ গুণনীয়ক নেই, সেটাই সহমৌলিক সংখ্যা।
উদাহরণ: 9 ও 16 → সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১, তাই সহমৌলিক।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পূর্ণসংখ্যা (Integer) : শূন্যসহ সকল ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অখণ্ড সংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যা বলা হয়। অর্থাৎ ..., −3, −2, −1, 0, 1, 2, 3, ... ইত্যাদি পূর্ণসংখ্যা ।
প্রকাশ
পূর্ণসংখ্যার সেটকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
বৈশিষ্ট্য
- পূর্ণসংখ্যায় ধনাত্মক ও ঋণাত্মক উভয় সংখ্যা থাকে।
- শূন্য (0) একটি পূর্ণসংখ্যা।
- এতে কোনো ভগ্নাংশ বা দশমিক সংখ্যা থাকে না।
- এটি অসীম সংখ্যার সমষ্টি।
মনে রাখার উপায়
স্বাভাবিক সংখ্যা + শূন্য + স্বাভাবিক সংখ্যার ঋণাত্মক মান = পূর্ণসংখ্যা।
যেমন: -5, -4, -3, -2, -1, 0, 1, 2, 3, 4, 5
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ধনাত্মক সংখ্যা (Positive Number) : শূন্য থেকে বড় সকল বাস্তব সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যা বলা হয়। যেমন, ইত্যাদি ধনাত্মক সংখ্যা।
অর্থাৎ, সংখ্যা রেখায় যেসব সংখ্যা শূন্যের ডান পাশে অবস্থান করে, সেগুলোই ধনাত্মক সংখ্যা।
গাণিতিক প্রকাশ
উদাহরণ
বৈশিষ্ট্য
- ধনাত্মক সংখ্যা সবসময় শূন্যের চেয়ে বড়।
- এগুলো পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশ বা অমূলদ সংখ্যা হতে পারে।
- সংখ্যা রেখায় শূন্যের ডান পাশে অবস্থান করে।
- এগুলো অসীম সংখ্যক হতে পারে।
মনে রাখার উপায়
যে সকল সংখ্যার আগে “+” চিহ্ন থাকে বা কোনো ঋণাত্মক চিহ্ন (-) থাকে না, সেগুলো ধনাত্মক সংখ্যা। অর্থাৎ “zero এর ডান পাশে থাকা সব সংখ্যা = ধনাত্মক সংখ্যা”।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ঋণাত্মক সংখ্যা (Negative Number) : শূন্য থেকে ছোট সকল বাস্তব সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়। যেমন, ইত্যাদি ঋণাত্মক সংখ্যা।
অর্থাৎ, সংখ্যা রেখায় যেসব সংখ্যা শূন্যের বাম পাশে অবস্থান করে, সেগুলোই ঋণাত্মক সংখ্যা।
গাণিতিক প্রকাশ
উদাহরণ
বৈশিষ্ট্য
- ঋণাত্মক সংখ্যা সবসময় শূন্যের চেয়ে ছোট।
- এগুলোর আগে অবশ্যই “-” চিহ্ন থাকে।
- সংখ্যা রেখায় শূন্যের বাম পাশে অবস্থান করে।
- এগুলো পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশ বা অমূলদ সংখ্যা হতে পারে।
মনে রাখার উপায়
যে সকল সংখ্যার আগে “-” চিহ্ন থাকে এবং মান শূন্যের চেয়ে ছোট, সেগুলো ঋণাত্মক সংখ্যা। অর্থাৎ “zero এর বাম পাশে থাকা সব সংখ্যা = ঋণাত্মক সংখ্যা”।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Choose the correct answer
অঋণাত্মক সংখ্যা (Non-negative Number) : শূন্যসহ সকল ধনাত্মক সংখ্যাকে অঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়। যেমন, ইত্যাদি অঋণাত্মক সংখ্যা।
যে সকল সংখ্যা শূন্য (0) অথবা শূন্যের চেয়ে বড়, তাদের অঋণাত্মক সংখ্যা বলা হয়। অর্থাৎ, যেসব সংখ্যা ঋণাত্মক নয়, সেগুলোই অঋণাত্মক সংখ্যা।
গাণিতিক প্রকাশ
উদাহরণ
বৈশিষ্ট্য
- অঋণাত্মক সংখ্যা কখনো শূন্যের ছোট হয় না।
- শূন্য (0) একটি অঋণাত্মক সংখ্যা।
- সকল ধনাত্মক সংখ্যা অঋণাত্মক সংখ্যা।
- এগুলো পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশ বা অমূলদ সংখ্যা হতে পারে।
মনে রাখার উপায়
যে সকল সংখ্যা 0 অথবা 0 এর চেয়ে বড়, সেগুলোই অঋণাত্মক সংখ্যা। অর্থাৎ “minus (-) চিহ্ন নেই বা শূন্য আছে = অঋণাত্মক সংখ্যা”।
মূলদ সংখ্যা (Rational Number) : আকারের কোনো সংখ্যাকে মূলদ সংখ্যা বলা হয়, যখন p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0 । যেমন = ইত্যাদি মূলদ সংখ্যা। যে কোনো মূলদ সংখ্যাকে দুইটি সহমৌলিক সংখ্যার অনুপাত হিসাবেও লেখা যায়। সকল পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশই মূলদ সংখ্যা।
সাধারণ রূপ
যেখানে, p = লব (পূর্ণ সংখ্যা) q = হর (পূর্ণ সংখ্যা, q ≠ 0)
উদাহরণ
বৈশিষ্ট্য
- মূলদ সংখ্যা ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা যায়।
- পূর্ণসংখ্যা সবই মূলদ সংখ্যা (যেমন: 5 = 5/1)।
- এর দশমিক রূপ হয় সসীম বা পুনরাবৃত্ত (repeating)।
- হর কখনো শূন্য হতে পারে না।
মনে রাখার উপায়
যে সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাত (p/q) আকারে লেখা যায়, সেটিই মূলদ সংখ্যা। অর্থাৎ “fraction আকারে লেখা যায় = rational number”।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number) : যে সংখ্যাকে আকারে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0, সে সংখ্যাকে অমূলদ সংখ্যা বলা হয়। পূর্ণবর্গ নয় এরূপ যে কোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল কিংবা তার ভগ্নাংশ একটি অমূলদ সংখ্যা। যেমন √2 = 1.414213..., √3 = 1.732.... 1.118..., ইত্যাদি অমূলদ সংখ্যা। কোনো অমূলদ সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাত হিসাবে প্রকাশ করা যায় না ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more