ছন্দ ও অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের পারিভাষিক শব্দ ।বাংলা ব্যাকরণে এটি আলোচনা করা হলে ও এর পরিধি অনেক ব্যাপক। তাই আমরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য যতটুকু জানা প্রয়োজন তা সংক্ষেপে আলোচনা করেছি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ছন্দ কাব্যতত্ত্বের একটি পরিভাষা। রবীন্দ্রনাথের মতে, 'কথাকে তার জড়ধর্ম থেকে মুক্তি দেবার জন্যই ছন্দ।' ছন্দ কাব্যে এনে দেয় সংগীতের সুর লহরি। মাত্রা-নিয়মের যে বিচিত্রতায় কাব্যের ইচ্ছাটি বিশেষভাবে ধ্বনি-রূপময় হয়ে উঠে তাকেই ছন্দ বলে।
পঙ্ক্তি:
কবিতার প্রত্যেকটি লাইনকেই ভিন্ন ভিন্ন পঙ্ক্তি হিসেবে ধরা হয়, এতে অর্থের পরিসমাপ্তি ঘটুক আর নাই ঘটুক। যেমন-
'বুলেট ছুঁড়ে বুদ্ধিজীবী ছাত্র মারা
কৃষক বণিক দোকানী আর মজুর মারা
ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ মারা খুবই সহজ।'
- মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
(এখানে ৪টি পঙ্ক্তি)
অক্ষর:
বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর। যেমন- 'মা' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ; 'মামা' দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কিন্তু 'মাঠ' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কারণ মাঠ ব্যঞ্জনাত্মক শব্দ এবং তা ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না।
মুক্তাক্ষর: স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া বা স্বরধ্বনি যুক্ত অক্ষরকে মুক্তাক্ষর বলে। যেমন- মামা, বাবা, মারা ইত্যাদি।
বদ্ধাক্ষর: ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বদ্ধাক্ষর বলে। যেমন- বন, মাঠ, গাছ ইত্যাদি।
ছন্দ:
সংস্কৃত ভাষায় 'ছন্দ' শব্দের অর্থ কাব্যের মাত্রা। কোনো কিছুর মধ্যে পরিমিত ও শৃঙ্খলার সুষম ও যৌক্তিক বিন্যাসকে ছন্দ বলে।
বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ:
বাংলা ছন্দ তিন প্রকার। যথা: ১. স্বরবৃত্ত, ২. মাত্রাবৃত্ত, ৩. অক্ষরবৃত্ত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
যে ছন্দে সকল প্রকার মুক্তাক্ষর একমাত্রাবিশিষ্ট এবং বদ্ধাক্ষর শব্দের শেষে দুই মাত্রা, কিন্তু শব্দের আদিতে এবং মধ্যে একমাত্রা ধরা হয়, তাঁকে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বলে। একে যৌগিক বা কলামাত্রিক ছন্দ বলে।
উদাহরণ:
মরিতে চাহিনা আমি / সুন্দর ভুবনে (৮+৬)
মানবের মাঝে আমি / বাঁচিবারে চাই (৮+৬)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য
ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৮ বা ১০ মাত্রার হয়।
খ. এ ছন্দে লয় ধীর বা মধ্যম।
গ. এ ছন্দে শব্দের আদি ও মধ্যে বদ্ধাক্ষর একমাত্রা এবং শব্দের শেষে দুই মাত্রা হয়।
ঘ. এ ছন্দে সংযুক্ত বা অসংযুক্ত অক্ষর সমান ধরা হয়।
উদাহরণ: কেষ্টা = কে (১) + ষ্টা (১) = ২ অক্ষর।
বিভিন্ন ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর এর মাত্রা:
ছন্দ | মুক্তাক্ষর | বদ্ধাক্ষর |
| স্বরবৃত্ত | একমাত্রা | একমাত্রা |
| মাত্রাবৃত্ত | দুইমাত্রা | |
| অক্ষরবৃত্ত | দুইমাত্রা। তবে শব্দের প্রথমে ও মধ্যে থাকলে একমাত্রা। |
অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কৌষিতকী উপনিষদে প্রথম অলঙ্কার শব্দটি পাওয়া যায়: 'ব্রহ্মালঙ্কারেণ অলঙ্কৃত'। ষষ্ঠ শতাব্দীতে আচার্য দণ্ডী প্রথম অলঙ্কারের সংজ্ঞা দেন। তাঁর মতে, 'কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত অভীষ্ঠ অর্থ সংবলিত পদ বিন্যাসই অলঙ্কার।' যা দ্বারা সজ্জিত করা হয় বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়।
অলঙ্কার:
কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাব্যিক উপাদান ব্যবহার করে কাব্যকে গুণান্বিত করাই অলঙ্কার।
অলঙ্কার এর প্রকারভেদঃ
অলঙ্কার দুই প্রকার। যথা:
১. শব্দালঙ্কার,
২. অর্থালঙ্কার।
স্বরবৃত্ত ছন্দ:
যে ছন্দ রীতিতে উচ্চারণের গতিবেগ বা লয় দ্রুত অক্ষরমাত্রেই এক মাত্রার হয়, তাঁকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে। এ ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। এ ছন্দকে দলবৃত্ত বা লৌকিক ছন্দ বা শ্বাসাঘাত ছন্দ বা ছড়ার ছন্দ বলে।
উদাহরণ-
বৃষ্টি পড়ে / টাপুর টুপুর / নদেয় এল / বান
(মাত্রা - ৪/৪/৪/১)
শিব ঠাকুরের / বিয়ে হলো / তিন কন্যে / দান
(মাত্রা - ৪/৪/৪/১)।
স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য:
ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৪।
খ. এ ছন্দের লয় দ্রুত।
গ. যে কোনো অক্ষর (মুক্তাক্ষর বা বদ্ধাক্ষর) একমাত্রার।
উদাহরণ: আড়াল = আ (১) + ড়াল (১) = ২ স্বর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কৌষিতকী উপনিষদে প্রথম অলঙ্কার শব্দটি পাওয়া যায়: 'ব্রহ্মালঙ্কারেণ অলঙ্কৃত'। ষষ্ঠ শতাব্দীতে আচার্য দণ্ডী প্রথম অলঙ্কারের সংজ্ঞা দেন। তাঁর মতে, 'কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত অভীষ্ঠ অর্থ সংবলিত পদ বিন্যাসই অলঙ্কার।' যা দ্বারা সজ্জিত করা হয় বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়।
অলঙ্কার:
কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাব্যিক উপাদান ব্যবহার করে কাব্যকে গুণান্বিত করাই অলঙ্কার।
অলঙ্কার এর প্রকারভেদঃ
অলঙ্কার দুই প্রকার। যথা:
১. শব্দালঙ্কার,
২. অর্থালঙ্কার।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
শব্দালঙ্কার:
শব্দের ধ্বনিরূপের আশ্রয়ে যে সমস্ত অলঙ্কারের সৃষ্টি হয়, তাকে শব্দালঙ্কার বলে। অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ, বক্রোক্তি ইত্যাদি শব্দালঙ্কার।
অনুপ্রাস: একই বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার বিন্যাসকে অনুপ্রাস বলে। যেমন- 'কাক কালো কোকিল কালো কালো কন্যার কেশ।' (এখানে 'ক' বার বার ধ্বনিত হয়েছে।)
সরল অনুপ্রাস: কবিতার কোনো ছত্রে এক বা দুটি বর্ণ একাধিকবার ধ্বনিত হলে, তাকে সরল অনুপ্রাস বলে। যেমন-
'পেলব প্রাণের প্রথম পশরা নিয়ে।' - রবীন্দ্রনাথ।
(এখানে 'প' একাধিকবার ধ্বনিত হয়েছে।')
অন্ত্যানুপ্রাস: কবিতার এক চরণের শেষে যে শব্দধ্বনি থাকে অন্য চরণের শেষে তারই পুনরাবৃ্ত্তিতে যে অনুপ্রাস অলঙ্কারের সৃষ্টি হয় তার নাম অন্ত্যানুপ্রাস। অর্থাৎ কবিতার দু’টি চরণের শেষে যে শব্দধ্বনির মিল থাকে তাকেই অন্ত্যানুপ্রাস বলে। একে অন্ত্যমিলও বলা হয়ে থাকে।
যেমন: কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা,
দাড়ি মুখে সারি গান লা-শরীক আল্লাহ।
গুচ্ছানুপ্রাস: একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি যখন দুয়ের বেশি বার একই ছত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে গুচ্ছানুপ্রাস বলে। যেমন-
'না মানে শাসন, বসন বাসন অশন আসন যত।' - রবীন্দ্রনাথ।
('সন' ধ্বনির গুচ্ছানুপ্রাস)
যমক: যমক শব্দের অর্থ যুগ্ম। একই শব্দে একই স্বরধ্বনিসমেত একই ক্রমানুসারে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে একাধিকবার ব্যবহৃত হলে, তাকে যমক বলে। যেমন-
‘ভারত ভারত খ্যাত আপনার গুণে।’
(এখানে প্রথম ভারত হলো ভারতচন্দ্র এবং দ্বিতীয় ভারত হলো ভারতবর্ষ)
শ্লেষ: একটি শব্দ একবার ব্যবহৃত হয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ বলে। যেমন-
'কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ব্যাপ্ত চরাচর,
যাহার প্রভায় প্রভা পায় প্রভাকর।'
(এখানে প্রথম প্রভাকর হলো সূর্য এবং দ্বিতীয় প্রভাকর হলো সংবাদ প্রভাকর)
বক্রোক্তি: সোজাসুজি না বলে বাঁকা ভাবে কোনো বক্তব্য প্রকাশ পেলে তাকে বলে বক্রোক্তি। যেমন-
'গৌরিসেনের আবার টাকার অভাব কী।'
(এখানে টাকার অভাব নেই ভাবটি বাঁকা ভাবে ব্যক্ত হয়েছে)
অর্থালঙ্কার:
অর্থের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য বিধায়ক অলঙ্কারকে বলা হয় অর্থালঙ্কার। উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি ইত্যাদি অর্থালঙ্কার।
উপমা: একই বাক্যে ভিন্ন জাতীয় অথচ সাদৃশ্য বা সমান গুণবিশিষ্ট দুটি বস্তুর মধ্যকার সাদৃশ্য উল্লেখকে উপমা বলে।
উপমা অলঙ্কারের সাধারণত চারটি অঙ্গ থাকে। যথা:
ক. উপমেয় : যাকে তুলনা করা হয়।
খ. উপমান : যার সাথে তুলনা করা হয়।
গ. সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা করা হয়।
ঘ. সাদৃশ্যবাচক শব্দ: মত, সম, হেন, সদৃশ, প্রায় ইত্যাদি।
উদাহরণ-
‘বেতের ফলের মত তার মান চোখ মনে আসে।’
-জীবনানন্দ।
(এখানে উপমান- বেতের ফল, উপমেয়- চোখ, সাধারণ ধর্ম- মান এবং সাদৃশ্যবাচক শব্দ- মত)
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আশ্বিন এলেই মনে সেই ছোট্ট বেলা- কাশফুল, নদতীর, দশভুজা আর অসুর-বধের পালা। যা দেবীসর্ব্বভূতেষু শক্তিরূপেণসংস্থিতা। পাড়ায় পাড়ায় উৎসব। আলো, ধুপ, ধুনো, ঢাকের শব্দ। বিসর্জনের সন্ধ্যায় সেকিমন- খারাপ করা অনুভূতি। আজ এই মেট্রোপলিটন মনে ইট-চাপা ঘাসের মতো ইহলদে হয়ে জেগে আছে কিছু স্মৃতি। আশ্বিন এলে মায়ের মুখের মতোই মনে পড়ে তার মুখ।
রূপক: উপমেয়ের সাথে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে, তাকে রূপক অলঙ্কার বলে। যেমন-
‘জীবন-সিন্ধু মথিয়া যে কেহ আনিবে অমৃত বারি।’
-কাজী নজরুল ইসলাম।
(এখানে জীবন হলো উপমেয়, আর সিন্ধু হলো উপমান)
যে সাদৃশ্যমূলক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে ব্যতিরেক অলংকার বলে ।
শ্রেণিবিভাগ :
ব্যতিরেক অলংকার দুই প্রকার উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক ও অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক।
উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :
যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট হিসেবে দেখানো হয় তাকে উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলে ।
উদাহরণ :
১।যে জন না দেখিয়াছে বিদ্যার চলন
সেই বলে ভালো চলে মরাল বারণ ।
২। নবীন নবনী নিন্দিত করে দোহন করিছ দুগ্ধ।
অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :
যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলা হয় ।
উদাহরণ :
১। এ পুরির পথমাঝে যত আছে শিলা
কঠিন শ্যামার মতো কেহ নহে আর ।
২। কণ্ঠস্বরে বজ্র লজ্জাহত।
৩। কিসের এত গরব প্রিয়া
কথায় কথায় মান অভিমান
এবার এসো ত্যাগ করিয়া
ভাটায় ক্ষীণা তরঙ্গিনী
ফের জোয়ারে দুকূল ভাঙে
জোয়ার গেলে আর কি ফেরে
নারী তোমার জীবন গাঙে।
সমাসোক্তি: উপমেয়র উপর উপমানের ব্যবহার সমারোপিত হলে তাকে সমাসোক্তি অলঙ্কার বলে। যেমন-
'পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ।'
রবীন্দ্রনাথ।
(এখানে নিশ্চল পর্বতে চলিষ্ণু মেঘের গতিময়তা আরোপিত)
সমার্থক শব্দ
সমার্থক শব্দের অর্থ হলো সমার্থবোধক বা একার্থবিশিষ্ট শব্দ। বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে কিছু শব্দ আছে যা অন্য একটি শব্দের প্রতিশব্দ অর্থাৎ অন্য একটি শব্দের অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করে, এরূপ সম-অর্থ জ্ঞাপক ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বলে। প্রতিটি সমার্থক শব্দেই থাকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যঞ্জনা, ভিন্ন ভিন্ন ইতিহাস। সমার্থক শব্দের মাধ্যমে শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং রচনায় শব্দ বৈচিত্র্য আসে।
মূল শব্দ | সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ | মূল শব্দ | সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ |
| আল্লাহ্ | অন্তর্যামী, ঈশ্বর, খোদা, জগদীশ্বর, জগন্নাথ, দেব, ধাতা, প্রভু, বিধাতা, বিশ্বপতি, ভগবান, পরমাত্মা, মনিব, সুর, সৃষ্টিকর্তা, স্রষ্টা | অগ্নি | অনল, আগুন, কৃশানু, দহন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, শিখা, সর্বভুক, সর্বশুচি, পাবন। |
| অন্ধকার | অমা, অমানিশা, আঁধার, আঁধিয়ার, তম, তমঃ, তমসা, তিমির, তমিগ্র, শর্বর | অশ্রু | অশ্রুবারি, আঁখি-নীর, চোখের জল, নয়নজল, নেত্রজল, লোর |
| আলো | উদ্ভাস, আভা, জ্যোতি, দীপ্তি, দ্যুতি, নূর, প্রভা, বিভা, ভাতি | আনন্দ | আহলাদ, আমোদ, খুশি, পুলক, সুখ, প্রমোদ, প্রীতি, ফুর্তি, হর্ষ, হরষ |
| আকাশ | অন্তরীক্ষ, অম্বর, অভ্র, অনন্ত, আসমান, গগন, ব্যোম, নীলিমা, দ্যুলোক, শূন্য, নভঃ | ইচ্ছা | অভিপ্রায়, অভিলাষ, আগ্রহ, আকাঙ্ক্ষা, কামনা, বাঞ্ছা, বাসনা, মনোরথ, সাধ |
| ইতি | অবসান, অন্তিম, অন্ত্য, বিরাম, যবনিকা, শেষ, সমাপ্তি | ঊর্মি | কল্লোল, জোয়ার, ঢেউ, তরঙ্গ, বীচি, লহর, লহরী, হিল্লোল |
| উচ্ছ্বাস | উল্লাস, বিকাশ, স্ফূর্তি, স্ফুরণ | ঋণ | কর্জ, দেনা, ধার, হাওলাত |
| কন্যা | মেয়ে, তনয়া, নন্দিনী, সুতা, দুহিতা, আত্মজা, দরিকা, পুত্রী, ঝি, বালা | কুহক | মায়া, ছলনা, ভেল্কি, ইন্দ্রজাল, প্রতারণা, ধোঁকা, ভ্রম, জাদু |
| কবুতর | কপোত, পায়রা, পারাবাত, নোটন, লোটন | কটি | কোমর, কাঁকাল, মাজা |
| কুল | জাতি, জাত, প্রবর, গোত্র, বংশ, সমাজ, বর্ণ, গোষ্ঠী, কৌলীন্য | কোকিল | পরভূত, পিক, কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, বসন্তদূত, মধুবন |
| কূল | তীর, তট, সৈকত, কিনারা, ধার, পুলিন, আশ্রয়, পাড় | কান্না | কাঁদা, রোদন, রোনাজারি, ক্রন্দন, কাঁদন, অশ্রুপাত |
| কাক | বায়স, পরভূৎ | কান | কর্ণম, শ্রবণ, শ্রুতি, শ্রবণেন্দ্রিয় |
| কেশ | চুল, অলক, কুন্তল, চিকুর, শিরোজ, শিরসিজ | কপাল | ললাট, ভাগ্য, ভাল, অদৃষ্ট, নিয়তি, নসিব, অলিক, বরাত |
| কপোল | গাল, গণ্ড (গণ্ডদেশ) | কলহ | ঝগড়া, বিবাদ, বিরোধ, কোন্দল, দ্বন্দ্ব, ঝগড়া-ঝাঁটি |
| ক্রোধ | রাগ, রোষ, গোসা, কোপ, উম্মা, উত্তেজনা | কুঁড়ি | কোরক, মুকুল, কলিকা, কলি, অফোটা ফুল |
| কলা | কদলী, রম্ভা, পত্রগোটা | কুটুম্ব | আত্মীয়, জ্ঞাতি, স্বগোত্রজ ব্যক্তি |
| কালো | অসিত, কৃষ্ণ, শ্যাম, শ্যামল, কানাই | খবর | সংবাদ, সন্দেশ, বার্তা, ফরমান, তথ্য, সমাচার, তালাস |
| কথা | বাণী, উক্তি, বচন, কথন, বচঃ, বাক্য, ভাষা, জবান, বাক্, বুলি, বোল | গঙ্গা | জাহ্নবী, ভাগীরথী, গোমতী, কাবেরী, সুরধনী |
| কেশব | বিষ্ণু, কৃষ্ণ, গোপাল, জনার্দন | গন্তব্য | অভীষ্ট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, মনজিল |
| খড়গ | কৃপাণ, অসি, তরবারি, তলোয়ার | ঘোড়া | ঘোটক, বাজী, অশ্ব, তুরগ, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, হয় |
| খ্যাতি | যশ, প্রসিদ্ধি, সুনাম, কীর্তি, সুখ্যাতি, অনিন্দ্য, নন্দিত | চোখ | অক্ষি, চক্ষু, নয়ন, নেত্র, লোচন, আঁখি, সিডর |
| গরু | গো, গাভী, ধেনু, পয়স্বিনী | জ্যোৎস্না | চন্দ্রিমা, চন্দ্রিকা, কৌমুদী, জোছনা, চন্দ্রালোক, চাঁদনী (কবিতায়) |
| ঘর | গৃহ, আলয়, আবাস, নিকেতন, নিবাস, আগার, বাটি, সদন, ভবন, ধাম | জিজ্ঞাসা | প্রশ্ন, শুধানো, পুছা, জেরা |
| চাঁদ | চন্দ্র, চন্দ্রমা, ইন্দু, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, হিমকর, বিধু, নিশাপতি, নিশাকর, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, সোম, মৃগাঙ্ক, দ্বিজরাজ, রজনীকান্ত, সিতকর, কলানাথ, কলানিধি, কুমুদনাথ, রাকেশ, সুধাময় | জল/পানি | অম্বু, অপ, নীর, পানি, সলিল, বারি, উদক, পয়, পয়ঃ, তোয়, প্রাণদ, বারুণ |
| ঢেউ | ঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী, উর্মিলহরী, জোয়ার, বীচি, কল্লোল, উল্লোল, হিল্লোল | ঝড় | ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা, তুফান, বাত্যা |
| তীর | তট, শর, বাণ, শায়ক, অবধি, পুলিন, আশ্রয় | দেহ | অঙ্গ, গাত্র, গা, গতর, কায়া, কলেবর, তনু, শরীর |
| দোকান | আপণ, বিপণি, পণ্য-বিচিত্রা, পণ্যগৃহ, পণ্যশালা | দিন | দিবস, দিবা, বাসর, অহ, অহ্ন, বার, রোজ |
| দক্ষ | নিপুণ, পটু, পারদর্শী, কর্মঠ, কর্মণ্য | দরিদ্র | নির্ধন, দীন, বিত্তহীন, কাতরহীন, গরিব, অসহায় |
| দর্প | দম্ভ, অহংকার, গর্ব, আস্ফালন, বড়াই | ধন | অর্থ, বিত্ত, সম্পদ, সম্পত্তি, বিভব, বৈভব, ঐশ্বর্য, দৌলত |
| নদী | তটিনী, সরিৎ, শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, প্রবাহিনী, গিরি নিঃস্রাব, গাঙ, মন্দাকিনী, কূলবর্তী, স্রোতোবহা, সমুদ্রবল্পতা, সমুদ্রকান্তা, কল্লোলিনী, কলম্বিনী | নারী | স্ত্রী, স্ত্রীলোক, মেয়ে, রমণী, মহিলা, কামিনী, ভামিনী, অঙ্গনা, রামা, বামা, ললনা, অবলা, আওরত, সামন্তিনী, মানবী, জেনানা, কান্তা |
| নর | পুরুষ, মর্দ, মানুষ, মানুষ্য, মানব, লোক, জন | পিতা | বাবা, আব্বা, জনক, জন্মদাতা, পিতৃ |
| পাখি | পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গম, দ্বিজ, খেচর, খগ, গরুড় | পুষ্প | কুসুম, রঙ্গন, ফুল, প্রসূন |
| পুকুর | পুষ্করিণী, জলাশয়, দীঘি, সরোবর | পেষণ | দলন, মর্দন, বাটা, চূর্ণন |
| পতাকা | কেতন, নিশান, ধ্বজা, ঝাণ্ডা, বৈজয়ন্তী | প্রাসাদ | অট্টালিকা, দালান, বালাখানা |
| পাথর | পাষাণ, প্রস্তর, মণি, অশ্বা, শিল, শিলা, কাঁকর | পয়জার | পাদুকা, জুতা, চর্মপাদুকা |
| পৃথিবী | বসুমতী, বসুন্ধরা, বসুধা, বসুমাতা, ধরা, ধরিত্রী, ধরাতল, মেদিনী, মহি, পৃথ্বী, অদিতি, অবনি, অখিল, ভূ, ভূলোক, ভুবন, ভূতল, উর্বী, বিশ্ব, জগৎ, ক্ষিতি, ক্ষিতিতল, মর্ত্য, দুনিয়া, জাহান, ধরণি, ধরাধাম | পদ্ম | পঙ্কজ, রাজীব, উৎপল, কমল, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, তামরস, নলিনী, কোকনদ, সরোজ, সরসিজ, পুষ্কর |
| পুত্র | ছেলে, তনয়, নন্দন, সুত, আত্মজ, তনুজ, পুত, দুলাল, দারক | প্রভাত | ঊষা, ভোর, প্রত্যূষ |
| পর্বত | অদ্রি, অচল, গিরি, পাহাড়, শৈল, নগ, ভূধর, মহীধর, মেদিনীধর, ক্ষিতিধর, শৃঙ্গী | পথ | রাস্তা, মার্গ, অয়ন, সরণি, সড়ক, নিগম, নির্গমন, রাহা, বাট |
| বিদ্যুৎ | তড়িৎ, সৌদামিনী, বিজলী, দামিনী, ক্ষণপ্রভা, অণুপ্রভা, চপলা, চঞ্চলা, শম্পা | বন | অরণ্য, অরণ্যানী, অটবি, জঙ্গল, কানন, বিপিন, বনানী, কুঞ্জ, কান্তার, গহন |
| পা | পদ, পাদ, চরণ | বজ্র | বাজ, অশনি, কুলিশ, দম্ভোলি, কঠিন, দৃঢ় |
| বায়ু | অনিল, বাতাস, বাত, বায়, পবন, সমীর, সমীরণ, মরণত, হাওয়া, গন্ধবহ, মরুৎ, মারুত, প্রভঞ্জন, শব্দবহ, জগদ্বল, জগৎপ্রাণ, সদাগতি, মাতরিশ্বা | বিজ্ঞ | বুধ, মনীষী, জ্ঞানী, পণ্ডিত, বিদ্বান, প্রতিভাধর, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ |
| ব্যবসায়ী | ব্যবসাদার, বেনে, বানিয়া, বণিক, সওদাগর, দোকানি | বিবর | গর্ত, গহ্বর, ছিদ্র, রন্ধ্র, বিল |
| ভ্রমর | মধুকর, মধুলেহ, মধুপ, ভোমরা, মৌমাছি, অলি, ভূঙ্গ, ষত্পদ, শিলীমুখ, দ্বিরেফ | ভয়ানক | ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ, অত্যন্ত, অতিশয়, ভীতিজনক |
| বানর | শাখামৃগ, বাঁদর, বান্দর | ভয় | ডর, ভীতি, ত্রাস, দর, শঙ্কা, আতঙ্ক |
| মন | চিত্ত, অন্তর, দিল, হিয়া, হৃদয়, পরাণ, মানসলোক, চিত্তপট, মনোজগৎ | মনোযোগ | অভিনিবেশ, মনোনিবেশ, প্রণিধান, একাগ্রতা, মনঃসংযোগ |
| মাতা | মা, জননী, গর্ভধারিণী, প্রসূতি, আম্মা, মাতৃ, জন্মদাত্রী, জনিকা | মেঘ | অভ্র, জলদ, জলধর, বারিদ, নীরদ, জীমূত, বলাহক, তোয়দ, পয়োদ, কাদম্বিনী |
| মৃদু | নরম, কোমল, হালকা, আলতো, অল্প, ধীর, হালকা | মৃত্যু | ইন্তেকাল, ইহলোকত্যাগ, সংবরণ, চিরবিদায়, জান্নাতবাসী হওয়া, দেহত্যাগ, প্রাণত্যাগ, পঞ্চত্বপ্রাপ্তি, পরলোকগমন, লোকান্তর গমন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা, স্বর্গলাভ, মরণ, নিপাত, মারা যাওয়া, পটল তোলা, মহাপ্রয়াণ |
| ময়ূর | কলাপী, কেকা, কেকী, শিখী, শিখণ্ডী, শিখণ্ডক, বহী/বর্হী, বর্হিণ | রানি | রাজ্ঞী, সম্রাজ্ঞী, সুলতানা, মহিষী, রাজপত্রী, বেগম। |
| মঙ্গল | কল্যাণ, শুভদ, শুভ, সু, সুখ, সমৃদ্ধি | রাজা | নরেন্দ্র, নরেশ, নৃপ, নৃপাল, নৃপেন্দ্র, নৃপতি, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল, মহীপাল, অধিরাজ, শাহ্, বাদশা। |
| যুদ্ধ | আহব, রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ, লড়াই, সংঘাত। | লাল | রক্ত, লোহিত, অরুণ, শোণ, রাতুল। |
| রাত্রি | রাত, শর্বরী, নিশি, নিশা, অমানিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, বিভাবরী, রজনী, যামিনী, ত্রিযামা, তামসী। | সমুদ্র | সাগর, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, উদধি, পয়োধি, পাথার, পারাবার, বারিধি, রত্নাকর, সিন্ধু, গাভ, নদীকান্ত, বারীশ, জীমূত, নীলাম্বু, অনুধি, দরিয়া। |
| রক্ত | রুধির, শোণিত, রাঙা, রক্তিম, রঞ্জিত, লাল, আবির, লহু | সত্ত্ব | সত্তা, অস্তিত্ব, স্বত্ত্বগুণ, প্রকৃতি, স্বভাব, আত্মা, প্রাণ, পরাক্রম, সাহস, প্রাণী, নির্যাস। |
| সূর্য | আদিত্য, তপন, দিবাকর, দিনকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা, অর্ক, দিনেশ, কিরণমালী, অংশুমালী, বিভাকর, বিভাবসু, মিহির, আফতাব, বিবস্বান, প্রভাকর, সুর, অরুণ। | স্বামী | নাথ, কান্ত, দয়িত, পতি, মনিব, প্রভু। |
| সাপ | সর্প, অহি, আশীবিষ, নাগ, ফণী, ভুজঙ্গ, ভুজঙ্গম, উরগ, পন্নগ, কাকোদর, বায়ুভূক, বিষধর, হরি। | সিংহ | কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, পারীন্দ্র, পশুরাজ, হরি, হর্যক্ষ। |
| সাদা | শুক্ল, শুভ্র, শুচি, শ্বেত, সিত, বিশদ, গৌর, ধবল, সফেদ | স্বর্গ | দেবলোক, দ্যুলোক, বেহেশত, সুরলোক, ত্রিদিব, ত্রিদশালয়, অমরালয়, অমরা, অমরাবতী, ইন্দ্রলোক, বেহেশত (ফারসি), জান্নাত (আরবি)। |
| স্ত্রী | ভার্যা, পত্নী, সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিণী, দার, দারা, দয়িতা, জায়া, কলত্র, বনিতা, কান্তা, বন্ধু, বউ। | সনাতন | নিত্য, চিরস্থায়ী, চিরন্তন, শাশ্বত। |
| সুন্দর | মনোরম, মনোহর, শোভন, সুদৃশ্য, চারু, সুচারু, সুদর্শন, ললিত, সুশ্রী, সুকান্ত, রম্য, রমণীয়, কান্তিমান, শোভাময়, লাবণ্যময়, অপরূপ, অনুপম। | শব্দ | ধ্বনি, রব, নাদ, নিনাদ, স্বন, নিশ্বন, আবার, আরব, আওয়াজ, স্বর। |
| স্বর্ণ | সোনা, সুবর্ণ, কাঞ্চন, হেম, হিরণ, কবুর, মহাধাতু। | হাতি | হস্তী, কুঞ্জর, কর, করী, গজ, মাতঙ্গ, রদী, রদনী, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত, পিল। |
| শত্রু | অরি, দুশমন, অমিত্র, অবন্ধু, বিরোধী, রিপু, বৈরী, প্রতিপক্ষ। | হাত | কর, বাহু, ভুজ, হস্ত, পাণি, হস্তক। |
| শ্রীঘর | জেল, জেলখানা, কারাগার, কারা, হাজতখানা, কয়েদখানা, বন্দিশালা। | ||
| হরিণ | মৃগ, কুরঙ্গ, ঋষ্য, শম্বর, সারঙ্গ, সুনয়ন। |
বিভিন্ন শব্দের প্রতিশব্দ
মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ |
| অরুম্ভদ | মর্মভেদী | অত্র | এখানে | অনীক | সৈনিক/সৈন্যদল |
| অরুণ | প্রভাত সূর্য | অলীক | অসত্য/মিথ্যা | অপোগণ্ড | নাবালক/অপদার্থ/অকর্মণ্য |
| অপলাপ | অস্বীকার | অপাঙ্গ | দৃষ্টিকোণ | অনুপম | মনোরম |
| উচ্ছণ্ড্য | উৎসর্গ | অবিহিত | অনুচিত | উচাটন | উৎকণ্ঠা |
| অবিমিশ্র | বিশুদ্ধ | অবিহিত | উত্তর দিক | উচাটন | মূর্খ/অপরিণত বুদ্ধি |
| অমরাবতী | স্বর্গ | অষ্টরম্ভা | শূন্য বা ফাঁকি | অতিশয় | সদাশয় |
| অত্যহিত | সর্বনাশ | অনন্তর | অতঃপর | অছি | অভিভাবক |
| অব্যূঢ় | অবিবাহিত | আদেশ | অনুশাসন | অভিরাম | রমণীয়/মনোরম/সুন্দর |
| আশিষ | অবিবাহিত | আধেক | অর্ধেক | অগ্নি-সহ | যা আগুনে পোড়ে না |
| আমানত | গচ্ছিত | আভরণ | অলংকার | আসার | প্রবল বৃষ্টিপাত/জলকণা |
| ইত্তেফাক | মিল/ঐক্য | উপাধান | বালিশ | ইনকিলাব | বিপ্লব/আন্দোলন |
| উদ্যত | বলিষ্ঠ | উপরোধ | অনুরোধ | ঊর্ণাজাল | মাকড়সার তৈরি জাল |
| উত্তম | প্রধান | উপক্রম | সূত্রপাত | উৎকুণ | উকুন |
| এপিটাফ | সমাধি-লিপি | ঐকতান | সমস্বর | কালকূট | তীব্রবিষ |
| কাদম্বিনী | মেঘমালা | কিরীট | মুকুট | কপর্দকহীন | নিঃস্ব |
| কুক্কুট | মোরগ | কর্বূর/কর্বুর | রাক্ষস | কানাসোঁআ | কানায় কানায় পূর্ণ |
| কুজ্বটিকা | কুয়াশা | কিণাঙ্ক | কড়া | ক্রোশ | তিন কিলোমিটার |
| কোষ্ঠী | জন্মপত্রিকা | খক্ষ | ভল্ল | কার্তিক | রূপবান/সুন্দর চেহারা |
| খাদির | খয়ের | গলাধঃকরণ | গিলে ফেলা | কেওয়াট | দরজা বা কপাট |
| গৃধ্র | শকুন | গুবাক | সুপারি | কোন্দা | তালগাছের নৌকা |
| জঙ্গম | গতিশীল | জাঙ্গাল | বাঁধ | মণ্ডুক | ভেক / ব্যাঙ |
| জুলমাত | অন্ধকার | ঝি | কন্যা | মঙ্গা | অভাব |
| ঠোঁট | চঞ্চু | তক্ষক | ছুতার | রাসভ | গাধা |
| তয়খানা | ভূগর্ভস্থ কক্ষ | দৌবারিক | দারোয়ান | শীকর | জলকণা |
| তণ্ডুল | চাল | পরাহত | পরাজিত | শকট | গাড়ী |
| প্রথিত | বিখ্যাত | প্রচুর | ভূয়িষ্ঠ | শিষ্টাচার | সদাচার |
| প্রাংশু | দীর্ঘকায় | পর্যঙ্ক | পালঙ্ক | সম্মার্জনী | ঝাঁটা |
| পনস | কাঁঠাল | প্রতীতি | বিশ্বাস | সংহারক | বিনাশকারী |
| প্রকৃত | যথার্থ | প্রাকার | প্রাচীর | সেতারা | তারকা |
| পোখরাজ | মণি বিশেষ | পরার্থ | পরোপকার | সুপ্ত | নিদ্রিত |
| পেলব | কোমল / মৃদু | প্রীণন | প্রীতিসম্পাদন | স্বাক্ষর | দস্তখত |
| পুন্ড্র | ইক্ষু | পল্বল | ডোবা | লেফাফা | মোড়ক |
| প্রকর্ষ | উৎকর্ষ | বিধুর | কাতর | কপোল | গাল |
| বদান্যতা | দানশীলতা | বিরাগী | উদাসীন | গুড়গুড়ি | ফরসি/নলযুক্ত হুঁকা |
| বাতুল | উন্মাদ | ব্রাত্য | পতিত | গুমটি ঘর | প্রহরীদের থাকার অপ্রশস্ত কুঠুরি |
| ব্রততী | লতা | বামেতর | ডান | জাফরি | চৌকা ছিদ্রের বেড়া |
| বিসর্জন | ত্যাগ | ভিষক | চিকিৎসক | জাহাকুল আবদ | গোলামের হাসি |
| পঞ্চম স্বর | কোকিলের সুরলহরী | মৃগয়া | হরিণ শিকার | টীকা ভাষ্য | ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ |
| প্রস্রবণ | ঝরণা/ফোয়ারা/নির্ঝর | রোজনামচা | দিনলিপি | প্রবীণ | অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি |
| বিজিত | পরাজিত | রসাতল | ধ্বংস | প্রতীকধর্মী | নিদর্শন জ্ঞাপক |
| বানি | গয়না তৈরির মজুরি | শ্লাগা | আত্মপ্রশংসা/গৌরব | পল্লব গ্রাহিতা | ভাসা ভাসা জ্ঞান |
| বেসাতি | কেনাবেচা | শুক্তি | ঝিনুক | পাণি গ্রহণ | বিবাহ/পরিণয় |
| মুখচোরা | লাজুক | সঁপা | সমর্পণ | পুষ্পারতি | ফুলের নিবেদন |
| সার্ধ | দেড় | সপ্তম সুরে | উচ্চ বা চড়া সুরে | সপ্তসুর | সাতটি সুর |
| সম | সমান | সন্তরি | উত্তাল | সমভিব্যাহারে | একত্রে গমন |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
যদি একটি শব্দ অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ বা ভাবার্থবোধক হয়, তবে শব্দ দুটিকে পরস্পরের বিপরীত শব্দ বলে।
- সাধারণত তিন উপায়ে বিপরীত শব্দ গঠন করা যায়। যথা:
ক. উপসর্গ যোগে: সুসময়-দুঃসময়।
খ. সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যোগে আলো-অন্ধকার।
গ. একটি শব্দের শেষে অন্য একটি শব্দ যোগ করে পুণ্যবান-পুণ্যহীন।
মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ | মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ | মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ | মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ |
| অকর্মক | সকর্মক | অকৃত্রিম | কৃত্রিম | অক্ষাংশ | দ্রাঘিমাংশ | অখ্যাতি | সুখ্যাতি |
| অগ্রিম | বকেয়া | অর্জন | বর্জন | অঢেল | সামান্য/কম | অচেতন | চেতন/সচেতন |
| অতীত | ভবিষ্যৎ | অদৃশ্য | দৃশ্যমান | অধম | উত্তম | অধঃ | ঊর্ধ্ব |
| অশান্তি | শান্তি/প্রশান্তি | অন্তঃ | বহিঃ | অক্ষম | সক্ষম | অনুরোধ | প্রত্যাখ্যান |
| অনুতপ্ত | অননুতপ্ত | অনুমেয় | অননুমেয় | অন্তর্জগৎ | বহির্জগৎ | অন্তরিন্দ্রিয় | বহিরিন্দ্রিয় |
| অন্তর্মুখী | বহির্মুখী | অন্তর্বাস | বহির্বাস | অন্বয় | অনন্বয় | অপ্রতিভ | সপ্রতিভ |
| অপরাধী | নিরপরাধ | অবলম্ব | নিরবলম্ব | অপচয় | উপচয়/সঞ্চয় | অবনত | উন্নত |
| অবকাশ | অনবকাশ | অবসর | অনবসর | অবহিত | অনবহিত | অর্বাচীন | প্রাচীন |
| অভিজ্ঞ | অনভিজ্ঞ | অভিপ্রেত | অনভিপ্রেত | অভ্যাস | অনভ্যাস | অবিকল্প | সবিকল্প |
| অভিমানী | নিরভিমানী | অভ্যস্ত | অনভ্যস্ত | অমর | মরণশীল | অবনতি | উন্নতি |
| অম্ল | মধুর | অলংকৃত | অনলংকৃত | অল্পতা | আধিক্য | অলস | পরিশ্রমী/কর্মঠ |
| অল্পপ্রাণ | মহাপ্রাণ | অহিংস | সহিংস | অসুর | সুর | অকর্মণ্য | কর্মঠ |
| অস্তগামী | উদীয়মান | অস্তি | নাস্তি | অতিকায় | ক্ষুদ্রকায় | অলীক | বাস্তব/সত্য |
| অনন্ত | অন্ত/সান্ত | অনুরক্ত | বিরক্ত | অনুরাগ | বিরাগ | অজ্ঞাত | জ্ঞাত/বিদিত |
| অধিত্যকা | উপত্যকা | অনাবিল | আবিল | অচল | সচল | অজ্ঞ | বিজ্ঞ/প্রাজ্ঞ/জ্ঞানী |
| অজ্ঞান | জ্ঞান/সজ্ঞান | অতিবৃষ্টি | অনাবৃষ্টি | অর্থ | অনর্থ | অন্ধ | চক্ষুষ্মান |
| অর্থী | প্রত্যর্থী | অধিক | অল্প | অন্ধকার | আলোক | অন্তরঙ্গ | বহিরঙ্গ |
| অধমর্ণ | উত্তমর্ণ | অণু | বৃহৎ | অনুগ্রহ | নিগ্রহ | অর্পণ | প্রত্যর্পণ/গ্রহণ |
| অনুলোম | প্রতিলোম | অনুমোদিত | অননুমোদিত | অনুকূল | প্রতিকূল | অমৃত | গরল/বিষ |
| অগ্র | পশ্চাৎ | অগ্রজ | অনুজ | অনাস্থা | আস্থা | অবতরণ | আরোহন/উত্তরণ |
| অতুলনীয় | অপাংক্তেয় | অনির্বাণ | নির্বাণ | অভয় | ভয় | অমরাবতী/স্বর্গ | নরক |
| অগ্রগামী | পশ্চাৎগামী | অনশন | অশন | অবিরল | বিরল | অন্ত্য | আদ্য |
| অহ্ন/দিন | রাত্রি | অন্তর | বাহির | অসীম | সসীম | আঁটসাঁট | ঢলঢলে/ঢিলেঢালা |
| আকুঞ্চন | প্রসারণ | আদিষ্ট | নিষিদ্ধ | আগত | অনাগত | আয়ত্ত | অনায়ত্ত |
| আকাশ | পাতাল | আদায় | অনাদায় | আত্ম | পর | আহত | অনাহত |
| আমির | ফকির | আবিষ্কৃত | অনাবিষ্কৃত | আপ্যায়ন | প্রত্যাখ্যান | আর্য | অনার্য |
| আশীর্বাদ | অভিশাপ | আসমান | জমিন | আস্তৃত | অনাস্তৃত | আলস্য | শ্রম/অনালস্য |
| আলসে | খাটিয়ে | আপদ | নিরাপদ | আসল | নকল | আবাসিক | অনাবাসিক |
| আসামি | ফরিয়াদি | আবশ্যিক | ঐচ্ছিক | আগ্রহ | অনাগ্রহ | আকস্মিক | চিরন্তন/স্থায়ী |
| আদেশ | নিষেধ | আনন্দ | নিরানন্দ | আবাহন | বিসর্জন | আসক্ত | অনাসক্ত |
| আঁটি | শাঁস | আগা | গোড়া | আপন | পর | আক্রমণ | প্রতিরক্ষা/প্রতিরোধ |
| আচার | অনাচার | আটক | ছাড়া/মুক্ত | আস্তীর্ণ | অনাস্তীর্ণ | আগমন | নির্গমন/প্রস্থান |
| আস্বাদিত | অনাস্বাদিত | আহূত | অনাহুত | আত্মীয় | অনাত্মীয় | আধুনিক | প্রাচীন/অনাধুনিক |
| আদি | অন্ত | আকর্ষণ | বিকর্ষণ | অভয় | ভয় | আর্দ্র/সিক্ত | শুষ্ক |
| আদান | প্রদান/দান | আদর | অনাদর | আশ্লেষ | বিশ্লেষ | আগম | লোপ/নির্গম |
| আশু | বিলম্ব | আকর্ষণ | বিকর্ষণ | আবির্ভাব | তিরোভাব | আপদ/বিপদ | সম্পদ |
| আমদানি | রপ্তানি | আয় | ব্যয় | আবশ্যক | অনাবশ্যক | আবদ্ধ | উন্মুক্ত/মুক্ত |
| আলসে | চটপটে | আশ্রয় | নিরাশ্রয় | আশা | নিরাশা | আলো | অন্ধকার/তিমির |
| আস্তিক | নাস্তিক | আনকোরা | পুরানো | আহার | অনাহার | আবৃত | অনাবৃত/উন্মুক্ত |
| আদৃত | অনাদৃত | ইতর | ভদ্র | আদিম | অন্তিম | আসক্তি | বৈরাগ্য/নিরাসক্তি |
| ইতিবাচক | নেতিবাচক | ইহকাল | পরকাল | ইস্তফা | যোগদান | ইষ্ট | অনিষ্ট |
| ইতি | আরম্ভ | ইচ্ছা | অনিচ্ছা | ইন্দ্রিয় | অতীন্দ্রিয় | ইজ্জত | বেইজ্জত |
| ইদানিং | তদানিং | ইদানীন্তন | তদানীন্তন | ইহা | উহা | ইহলোক | পরলোক |
| ঈশ্বর | নিরীশ্বর | ঈশান | নৈর্ঝত | ঈদৃশ | তাদৃশ | ঈষৎ | অধিক/প্রচুর |
| ঈপ্সা | অনীপ্সা | ঈপ্সিত | অনীন্সিত | উঁচু | নিচু | ঈর্ষা | প্রীতি/প্রশংসা |
| উঠন্ত | পরন্ত | উত্তরায়ণ | দক্ষিণায়ন | উত্তল | অবতল | উদ্যতি | প্রীতি/প্রশংসা |
| উপকৃত | অপকৃত | উৎকণ্ঠা | স্বস্তি | উদ্যত | বিরত | উদার | অনুদার/সংকীর্ণ |
| উন্মুখ | বিমুখ | উপগত | অপগত | উত্তরীয় | অন্তরীয় | উদ্বৃত্ত | ঘাটতি |
| উদ্যম | অনুদ্যম | উত্তর | দক্ষিণ | উত্থিত | পতিত | উত্তাপ/তাপ | নিরুত্তাপ/শৈত্য |
| উন্মীলন | নিমীলন | উল্লেখ | অনুল্লেখ | উদ্ধার | হরণ | উগ্র/করাল | সৌম্য/কোমল |
| উদিত | অস্তমিত | উদয় | অস্ত | উদ্দিষ্ট | নিরুদ্দিষ্ট | উত্তপ্ত/উষ্ণ | শীতল |
| উজান | ভাটি | উজার | ভরপুর | উচিত | অনুচিত | উর্বর | অনুর্বর/ঊষর |
| উত্তমর্ণ | অধমর্ণ | উতরানো | তলানো | উচ্চ | নিচ | উদ্ধত | বিনীত/নম্র |
| উক্ত | অনুক্ত | উচাটন | প্রশান্ত | উৎকর্ষ | অপকর্ষ | উদীয়মান | অপস্রিয়মাণ |
| উন্নীত | অবনমিত | উপকার | অপকার | উপচিকীর্ষা | অপচিকীর্ষা | উৎকৃষ্ট/প্রকৃষ্ট | অপকৃষ্ট/নিকৃষ্ট |
| উত্থান | পতন | উপস্থিত | অনুপস্থিত | উপরোধ | অনুরোধ | উন্নত | অবনত/অনুন্নত |
| ঊর্ধ্ব | অধঃ/নিম্ন | উহ্য | স্পষ্ট | উৎপত্তি | বিনাশ | উজ্জ্বল | অনুজ্জ্বল/ম্লান |
| এক | বহু | ঋজু | বক্র/বঙ্কিম | উৎসাহ | নিরুৎসাহ | ঊষা | গোধূলি/সন্ধ্যা |
| একান্ন | পৃথগন্ন | এ যুগ | সে যুগ | ঊর্ধ্বতন | অধস্তন | ঊর্ধ্বগামী | অধোগামী/নিম্নগামী |
| এরূপ | ওরূপ/সেরূপ | একূল | ওকূল | একতা | বিচ্ছিন্নতা | এপিঠ | ওপিঠ |
| একাল | সেকাল | এঁড়ে | বকনা | একা | সম্মিলিত | এলোমেলো | গোছানো |
| ঐহিক | পারত্রিক | ঐক্য | বিভেদ | ঐকমত্য | মতভেদ | একমত | দ্বিমত/বহুমত |
| ঐশ্বর্য | দারিদ্র্য | ঐচ্ছিক | আবশ্যিক | ঐদাসীন্য | আসক্তি | ঐতিহাসিক | অনৈতিহাসিক |
| ওঠা | নামা/বসা | ওস্তাদ | শাগরেদ | ঔৎসুক্য | অনাগ্রহ | ঔদ্ধত্য | বিনয় |
| কুঁড়ে | কুঠি/কোঠা | ঔচিত্য | অনৌচিত্য | ঔদার্য | কার্পণ্য | ঔজ্জ্বল্য | ম্লানিমা/অনৌজ্জ্বল্য |
| এক | বহু | ঋজু | বক্র/বঙ্কিম | উৎসাহ | নিরুৎসাহ | ঊষা | গোধূলি/সন্ধ্যা |
| একান্ন | পৃথগন্ন | এ যুগ | সে যুগ | ঊর্ধ্বতন | অধস্তন | ঊর্ধ্বগামী | অধোগামী/নিম্নগামী |
| এরূপ | ওরূপ/সেরূপ | একূল | ওকূল | একতা | বিচ্ছিন্নতা | এপিঠ | ওপিঠ |
| একাল | সেকাল | এঁড়ে | বকনা | একা | সম্মিলিত | এলোমেলো | গোছানো |
| ঐহিক | পারত্রিক | ঐক্য | বিভেদ | ঐকমত্য | মতভেদ | একমত | দ্বিমত/বহুমত |
| ঐশ্বর্য | দারিদ্র্য | ঐচ্ছিক | আবশ্যিক | ঐদাসীন্য | আসক্তি | ঐতিহাসিক | দ্বিমত/বহুমত |
| ওঠা | নামা/বসা | ওস্তাদ | শাগরেদ | ঔৎসুক্য | অনাগ্রহ | ঔদ্ধত্য | বিনয় |
| কুঁড়ে | কুঠি/কোঠা | ঔচিত্য | অনৌচিত্য | ঔদার্য | কার্পণ্য | ঔজ্জ্বল্য | ম্লানিমা/অনৌজ্জ্বল্য |
| কল্যাণ | অকল্যাণ | কড়ি | কড়িশূন্য | কপটতা | সরলতা | কৃতঘ্ন | কৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী |
| কলুষ | নিষ্কলুষ | কার্য | অকার্য | কুখ্যাত | সুখ্যাত | কেন্দ্রীকরণ | কৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী |
| কল্পনা | বাস্তব | ক্রেতা | বিক্রেতা | কুশাসন | সুশাসন | কলঙ্ক | সুনাম/খ্যাতি/অকলঙ্ক |
| কৃপণ | বদান্য | কৃশাঙ্গী | স্থুলাঙ্গী | আকুঞ্চন | প্রসারণ | কেলেঙ্কারী | খ্যাতি/সুনাম |
| কুৎসা | প্রশংসা | কর্মকর্তা | কর্মচারী | কৌতূহলী | নিস্পৃহ | ক্রয়/কেনা | খ্যাতি/সুনাম |
| কু | সু | কৃশ | স্থুল | কদাচার | সদাচার | কদাচিৎ | অনবরত/সর্বদা |
| কচি | ঝুনো/পাকা | ক্ষমা | শাস্তি | ক্ষণস্থায়ী | দীর্ঘস্থায়ী | কাপুরুষ | বীরপুরুষ/সাহসী |
| কুৎসিত | সুন্দর | কনিষ্ঠ | জ্যেষ্ঠ | কুটিল | সরল | কৃষ্ণ | শুক্ল/ধবল/শুভ্র |
| কেলেঙ্কারি | সুনাম | কুমেরু | সুমেরু | কালোয়াত | তালকানা | কর্কশ/কঠিন | কোমল |
| কুলীন | অন্ত্যজ | ক্ষীয়মান | বর্ধমান | ক্রোধ | প্রীতি | কৃতজ্ঞ | অকৃতজ্ঞ/কৃতঘ্ন |
| ক্ষয় | বৃদ্ধি | ক্ষতি | লাভ/ফায়দা | ক্রন্দন | হাস্য | কৃত্রিম | স্বাভাবিক/অকৃত্রিম |
| ক্ষুদ্র | বৃহৎ | কুরুচি | সুরুচি | কেজো | অকেজো | কপট | অকপট/সরল |
| ক্ষয়িষ্ণু | বর্ধিষ্ণু | ক্ষীণ | পুষ্ট | কেন্দ্রাভিগ | কেন্দ্রাতিগ | কড়ি | কোমল/কড়িশূন্য |
| খ্যাতনামা | অখ্যাতনামা | খানিক | অধিক | ক্ষিপ্র | মন্থর | ক্ষিপ্ত | শান্ত/প্রকৃতিস্থ |
| খল | সরল | খালি | ভরা | খরিদ | বিক্রি | খিড়কি | সিংহদ্বার/দেউড়ি |
| খাড়া | শোয়া/বসা | খাটুনি | আলসেমি | খালু | খালা | খুচরা | পাইকারী |
| খাঁটি | ভেজাল | খুঁত | নিখুঁত | খ্যাতি | অখ্যাতি | খোঁজ | নিখোঁজ |
| খেদ | অখেদ | খাতক | মহাজন | খরা | বাদল | খ্যাত | অখ্যাত |
| খুব | অল্প | খানিক | অধিক | গদ্য | পদ্য | খোলা | ঢাকা |
| গরিষ্ঠ | লঘিষ্ঠ | গুণ | দোষ | গ্রহণীয় | বর্জনীয় | গরীয়ান | লঘীয়ান |
| গ্রহীতা | দাতা | গরমিল | মিল | গণ্য | নগণ্য | গরিমা | লঘিমা |
| গূঢ় | ব্যক্ত | গ্রাহ্য | অগ্রাহ্য | গোপন | প্রকাশ | গোছালো | অগোছালো |
| গাঢ় | পাতলা | গোরা | কালা | গরম | ঠাণ্ডা | গম্ভীর | চপল/সহাস্য |
| গৃহীত | বর্জিত | গ্রহণ | বর্জন | গেঁয়ো | শহুরে | গুপ্ত | ব্যক্ত/প্রকাশিত |
| গ্রাম্য | নাগরিক/বন্য | গাম্ভীর্য | চাপল্য | গৌণ | মুখ্য | গৌরব | অগৌরব/লজ্জা |
| গৃহী | সন্ন্যাসী | গ্রীষ্ম | শীত | গুরু | লঘু/শিষ্য | গতি | স্থিতি |
| গঞ্জনা | প্রশংসা | গলগ্রহ | প্রতিপাল্য | গত | অনাগত | গভীর | অগভীর |
| ঘুমন্ত | জাগ্রত | ঘৃণিত | সমাদৃত | ঘাট | আঘাট | ঘোষধ্বনি | অঘোষধ্বনি |
| ঘটন | অঘটন | ঘৃণা | ভালোবাসা | ঘরোয়া | অঘরোয়া | ঘাতক | পালক |
| ঘোষিত | অঘোষিত | ঘাত | প্রতিঘাত | ঘর | বাহির | ঘোলা | স্বচ্ছ/পরিষ্কার |
| ঘরে | বাইরে | চিন্তনীয় | অচিন্তনীয় | ঘাটতি | বাড়তি | ঘন | তরল |
| চৌকস | হাবা/হাঁদা | চোখা | ভোঁতা | চূর্ণ | অচূর্ণ | চয়/সঞ্চয় | অপচয় |
| চোর | সাধু | চপল | গম্ভীর | চক্ষুষ্মাণ | অন্ধ | চল | অচল |
| চালক | চালিত | চঞ্চল | স্থির/নিশ্চল | কমজোর | ক্ষণকাল | চটুল | গম্ভীর/শান্ত |
| চলিত | সাধু | চড়াই | উৎরাই | চালু | অচল | চেতন | অচেতন/জড় |
| চিরন্তন | ক্ষণকালীন | চেনা | অচেনা | চিন্ময় | মৃন্ময় | চতুর | নির্বোধ/বোকা |
| চাক্ষুস | অগোচর | চরিত্রবান | চরিত্রহীন | চ্যুত | অচ্যুত | চিরায়ত | কদাচিৎ/সাময়িক |
| চমৎকার | কুৎসিত | ছেলে | বুড়ো | ছটফটে | শান্ত | ছেলেমি | বুড়োমি/পাকামি/জ্যাঠামি |
| ছোকরা | বুড়া | ছাড়া | ধরা | ছলনা | সততা | ছেঁড়া | আছেঁড়া |
| জমা | খরচ | ছায়া | রৌদ্র | ছানা | ধাড়ি | ছদ্ম | সত্য/আসল |
| জাহান্নাম | বেহেশত | জল | স্থল | জলচর | স্থলচর | জান্নাত | দোজখ |
| জ্বলন | নির্বাপণ | জৈব | অজৈব | জ্ঞাত | অজ্ঞাত | জ্ঞেয় | অজ্ঞেয় |
| জ্ঞান | অজ্ঞান | জড় | চেতন | জয়ী | পরাজিত | জ্ঞাতসারে | অজ্ঞাতসারে |
| জুলুম | দয়া | জোর | কমজোর | জ্বলা | নেভা | জেতা | হারা/ঠকা |
| জনবহুল | জনবিরল | জোড় | বিজোড় | জিন্দা | মুর্দা | জ্ঞাতমূল | অজ্ঞাতমূল |
| জ্যেষ্ঠা | কনিষ্ঠা | জোয়ান | বুড়া | মৃত্যু | জন্ম | জাগ্রত | নিদ্রিত/সুপ্ত |
| জাগরণ | নিদ্রা/তন্দ্রা | জরা | যৌবন | জনাকীর্ণ | জনবিরল | জ্যোৎস্না | অমাবস্যা |
| জীবিত | মৃত/হত | জীবন | মরণ | জয় | পরাজয় | জোয়ার | ভাটা |
| জ্বলন্ত | নিভন্ত | জঙ্গম | স্থাবর | জিন্দাবাদ | মুর্দাবাদ | জালিয়াত | সজ্জন |
| জিত | হার | জ্যোতি | অন্ধকার | ঝাপস | পরিষ্কার | ঝানু | অপটু/আনাড়ি |
| জ্ঞানী | মূর্খ | জরিমানা | বখশিশ | ঝগড়া | ভাব | ঝটিতি | বিলম্ব |
| ঝুনা | কচি/কাঁচা | ঝাল | মিষ্টি | ঝঞ্ঝাট | নির্ঝঞ্ঝাট | ঝলমলে | মিটমিটে/ম্যাড়মেড়ে |
| টাটকা | বাসি | টান | ঢিলা | ঝি | বেটা/চাকর | টক | মিষ্টি |
| টিলা | খন্দ | টিমটিম | জ্বলজ্বল | টানা | পোড়েন | টগবগে | মেদা |
| ঠিক | বেঠিক | ঠাণ্ডা | গরম | ঠিকা | স্থায়ী | ঠগ | সাধু |
| ডুবা | ভাসা | ডাগর | ছোট/বেঁটে | ডাঙা | জল | ঠুনকো | মজবুত |
| ডাব | নারকেল | ডান | বাম | ডানপিঠে | শান্ত | ডগমগ | মনমরা |
| ঢোসা | হাল্কা | ঢলঢলে | আঁটসাঁট | ডুবন্ত | ভাসন্ত | ঢ্যাঙা | খাটো/বেঁটে |
| ঢের | অল্প | ঢাকা | খোলা | ঢোলা | আঁটসাঁট | ঢালু | সমতল/সমান/উঁচু |
| তিক্ত | মধুর/মিষ্ট | তলদেশ | ঊর্ধ্বদেশ | তরল | কঠিন | তরুণ | বৃদ্ধ |
| তৃরা | বিলম্ব/ধীরতা | তোয়াজ | তাচ্ছিল্য | তত | যত | তিরস্কার | পুরস্কার/প্রশংসা |
| তফাত | কাছে | তোলা | নামানো | তাজা | বাসি | ত্রাস | সাহস |
| ত্যাজ্য | গ্রাহ্য | তস্কর | সাধু | তৃপ্ত | অতৃপ্ত | তুষ্ট | রুষ্ট |
| তদীয় | মদীয় | তুলনীয় | অতুলনীয় | তীব্র | মৃদু | তাপ | শৈত্য/নিস্তাপ |
| তীক্ষ্ণ | স্থুল | ত্বরিত | শ্লথ | তালা | চাবি | তেলতেলে | খসখসে |
| তেজস্বী | তেজোহীন | তুহিন | উষ্ণতা | তাল | বেতাল | তিরষ্কার | পুরষ্কার |
| তপ্ত | শীতল | তন্ময় | মন্ময় | তদ্রূপ | যদ্রূপ | তিমির | আলো/প্রভা |
| তারুণ্য | বার্ধক্য | তরুণ | বৃদ্ধ/প্রবীণ | তিক্ত | মধুর/মিষ্ট | তীব্র | ক্ষীণ/লঘু/মৃদু |
| ত্যাগ | ভোগ | তির্যক | ঋজু/সরল | তেজী | মেদা/মন্দা | তেজ | নিস্তেজ |
| থামা | চলা | তামসিক | রাজসিক | ত্বরান্বিত | বিলম্বিত | তুখোড় | ভোঁতা/বোকা |
| থোড়া | জিয়াদা/বহুত | থেঁতো | আস্ত | থাকা | যাওয়া | থির | অথির (অস্থির) |
| দক্ষ | অদক্ষ | দিন | রাত্রি | দীর্ঘায়ু | স্বল্পায়ু | থোকা থোকা | একটা একটা |
| দেনাদার | পাওনাদার | দুষ্কর | সুকর | দুরূহ | সহজ | দুর্বিষহ | সুসহ |
| দাস | প্রভু | দেবর | ভাসুর | দর্শক | প্রদর্শক | দুর্গম | সুগম |
| দুর্মতি | সুমতি | দামি | সস্তা | দখল | বেদখল | দার | স্বামী |
| দাহ | শান্তি | দারিদ্র্য | ঐশ্বর্য | দণ্ড | পুরস্কার | দিবস | রজনী |
| দুর্বুদ্ধি | সুবুদ্ধি | দ্বিতীয় | অদ্বিতীয় | দ্বৈত | অদ্বৈত | দ্রুত | মন্থর |
| দোজখ | বেহেশত | দাবি | ছাড় | দলীয় | নির্দলীয় | দুর্নাম | সুনাম |
| দৃশ্য | অদৃশ্য | দুর্যোগ | সুযোগ | দীন | ধনী | দিবাকর | নিশাকর |
| দরাজদিল | কঞ্জুস | দমন | প্রশ্রয় | দুর্ভাগ্য | সৌভাগ্য | দক্ষিণায়ন | উত্তরায়ণ |
| দিগ্গজ | মহামূর্খ | দুর্জন | সজ্জন | দুর্বিনীত | ভদ্র/বিনীত | দয়া | নিষ্ঠুরতা/নির্দয়তা |
| দুরাচার | সদাচার | দেহী | বিদেহী | দেব | দৈত্য | দিশা | বিদিশা/দিশাহারা |
| দেশপ্রেমী | দেশদ্রোহী | দৈব | দুর্দৈব | দুষ্কৃতি | সুকৃতি | দারক/পুত্র | বিদিশা/দিশাহারা |
| দীর্ঘ | হ্রস্ব | দূর | নিকট | দুরন্ত | শান্ত | দয়ালু | নির্দয়/নিষ্ঠুর |
| দাতা | গ্রহীতা | দ্যুলোক | ভূলোক | দোষী | নির্দোষ | দান | গ্রহণ/প্রতিদান |
| দ্বিধা | নির্দ্বিধা | দুর্লভ | সুলভ | দোষ | গুণ | দিবা/দিবস | নিশি/রাত্রি |
| দুষ্ট | শিষ্ট | দেনা | পাওনা | দস্যু | ঋষি | দুর্বল | সবল/প্রবল |
| ধ্রুব | অধ্রুব | ধৈর্য | অধৈর্য | দৃঢ় | শিথিল | দরদি | নির্দয়/বেদরদি |
| ধনিক | শ্রমিক | ধরা | অধরা | ধীরগতি | দ্রুতগতি | ধার্মিক | নির্দয়/বেদরদি |
| ধৃষ্ট | নম্র/বিনয়ী | ধোয়া | আধোয়া | ধৃত | মুক্ত | ধারালো | ভোঁতা |
| ধেড়ে | কচি | ধনাত্মক | ঋণাত্মক | ধূর্ত | সরল/বোকা | ধনী | নির্ধন/দীন/দরিদ্র |
| ধাত্রী | ধাত্রা | নাবালক | সাবালক | ধবল | কৃষ্ণ | ধুপ (রৌদ্র) | ছায়া |
| ধন্যবাদার্হ | নিন্দাই | নিয়ন্ত্রিত | অনিয়ন্ত্রিত | ধ্বংস | সৃষ্টি | ধনবান | ধনহীন |
| নিরক্ষর | সাক্ষর | ধীর | অধীর | ধর্ম | অধর্ম | নিঃশ্বাস | প্রশ্বাস |
| নিরবয়ব | সাবয়ব | নিরীহ | দুর্দান্ত | নিকৃষ্ট | উৎকৃষ্ট | নিরপেক্ষ | সাপেক্ষ/অনিরপেক্ষ |
| নৈঃশব্দ্য | সশব্দ | নীরস | সরস | নির্গুণ | গুণী | নির্দেশক | অনির্দেশক |
| নিষ্ঠুর | দয়ালু | নম্র | উদ্ধত | নানা | এক | নিমীলিত | উন্মীলিত |
| নীরোগ | রুগ্ণ | নিন্দা | প্রশংসা | নিষেধ | আদেশ | নিদ্রা | জাগরণ |
| নিরাপদ | বিপন্ন | নামা | ওঠা | নিরত | বিরত | নিঃশেষ | অনিঃশেষ |
| নর | নারী | নিরবকাশ | সাবকাশ | নিরাশ্রয় | সাশ্রয় | নিরূপিত | অনিরূপিত |
| নিরবলম্ব | সাবলম্ব | নিশ্চয়তা | অনিশ্চয়তা | নৈতিকতা | অনৈতিকতা | ন্যূন | অধিক/অন্যূন |
| নির্দিষ্ট | অনির্দিষ্ট | নিগ্রহ | অনুগ্রহ | নম্রতা | ঔদ্ধত্য | নিঃস্ব/ফতুর | ধনিক/বিত্তবান |
| নিরর্থক | সার্থক | নিশ্চেষ্ট | সচেষ্ট | নিরাশা | আশা | নতুন | পুরোনো/পুরাতন |
| নির্মল | পঙ্কিল | নিত্য | নৈমিত্তিক | নির্জন | জনাকীর্ণ | নিন্দুক/নিন্দক | স্তাবক |
| নির্ভর | অনির্ভর | নরম | শক্ত/কঠিন | নিন্দুক | তোষামুদে | নিন্দা/নিন্দিত | প্রশংসা/প্রশংসিত |
| নিরাকার | সাকার | নির্বার | দুর্বার | নন্দিত | নিন্দিত | নিমগ্ন | উদাসীন/নির্লিপ্ত |
| নৈসর্গিক | কৃত্রিম | ন্যায় | অন্যায় | নাস্তিক | আস্তিক | নশ্বর | শাশ্বত/অবিনশ্বর |
| নগর | গ্রাম | নকল | আসল | নিজস্ব | পরস্ব | নেতিবাচক | ইতিবাচক |
| প্রসন্ন | বিষণ্ণ | নির্দয় | সদয় | নির্লজ্জ | সলজ্জ | নগণ্য | গণ্য |
| পক্ব | অপক্ব | পরার্থ | স্বার্থ | পুরোভাগ | পশ্চাদ্ভাগ | পূর্বাহ্ণ | পরাহ্ণ/অপরাহ্ণ |
| প্রকৃষ্ট | নিকৃষ্ট | প্রজ্বলন | নির্বাপণ | পুষ্ট | অপুষ্ট | প্রকাশিত | অপ্রকাশিত/গুপ্ত |
| প্রত্যর্থী | অর্থী | প্রবেশ | প্রস্থান | পাকা | কাঁচা | প্রমাণিত | অনুমিত/অপ্রমাণিত |
| প্রভাত | সন্ধ্যা | প্রবিষ্ট | প্রস্থিত | পণ্ডিত | মূর্খ | প্রীতি | অপ্রীতি |
| পক্ষ | প্রতিপক্ষ | পাওনা | দেনা | প্রায়শ | কদাচিৎ | প্রস্থান | আগমন/প্রবেশ |
| প্রবণতা | উদাসীনতা | পতন | উত্থান | প্রবল | দুর্বল | পরিশ্রমী | অলস |
| পূর্ণ | শূন্য/অপূর্ণ | প্রসারিত | সংকুচিত | প্রাথর্য | স্নিগ্ধতা | প্রকাশ্য | গোপনীয়/অপ্রকাশ্য |
| প্রাতিকূল্য | আনুকূল্য | প্রচ্ছন্ন | ব্যক্ত/প্রকট | প্রবীণ | নবীন | পারলৌকিক | ইহলৌকিক |
| প্রসারণ | সংকোচন | পরকীয় | স্বকীয় | প্রারম্ভ | সমাপ্তি | প্রত্যক্ষ | অপ্রত্যক্ষ/পরোক্ষ |
| পরকাল | ইহকাল | পার্থিব | অপার্থিব | পড়া | ওঠা | প্রীতিকর | অপ্রীতিকর |
| পতি | পত্নী | পুরোভাগ | পশ্চাদ্ভাগ | পূর্ব | পশ্চিম | পড়তি | উঠতি |
| পরিকল্পিত | অপরিকল্পিত | পূর্ববর্তী | পরবর্তী | পূর্ণিমা | অমাবস্যা | প্রকাশ | গোপন |
| পার্থিব | অপার্থিব | পরিত্যক্তা | গৃহীতা | পার্বত্য | সমতল | প্রকাশ্যে | নেপথ্যে/পরোক্ষে |
| পূর্বসূরি | উত্তরসূরি | প্রচুর | স্বল্প | পাপ | পুণ্য | পাক | নাপাক |
| প্রধান | অপ্রধান | ফুটন্ত | ঠাণ্ডা | পাইকারি | খুচরা | পাপী | নিষ্পাপ |
| পাইকার | ফড়িয়া | পালক | পালিত | পথ | বিপথ | প্রশান্তি | অশান্তি |
| পটু | অপটু | পরার্থ | স্বার্থ | পরাধীন | স্বাধীন | পূজক | পূজিত |
| প্রফুল্ল | বিমর্ষ/ম্লান | পুণ্যবান | পুণ্যহীন | প্রবেশ | প্রস্থান | প্রতিভাবান | প্রতিভাহীন |
| প্রশংসা | কুৎসা/নিন্দা | প্রভু | ভৃত্য | প্রবৃত্তি | নিবৃত্তি | প্রকৃত | বিকৃত/অপ্রকৃত |
| ফেল | পাস | ফালতু | আসল | প্রাচী | প্রতীচী | প্রাচ্য | প্রতীচ্য/পাশ্চাত্য |
| ফাজিল | চুপচাপ | ফাঁপা | নিরেট | ফরিয়াদি | আসামি | ফলন্ত | অফলা/নিষ্ফলা |
| ফরসা | কালো | ফল | নিস্ফল | ফকির | আমির | ফতে (জয়) | পরাজয় |
| বয়োজ্যেষ্ঠ | বয়ঃকনিষ্ঠ | বলিষ্ঠ | দুর্বল | বহির্ভূত | অন্তর্ভূত | ফলবান | ফলহীন/নিষ্ফল |
| বিজন | জনবহুল | বিতর্কিত | তর্কাতীত | বক্তা | শ্রোতা | বিকাশ | বিলয়/বিনাশ |
| বিফলতা | সফলতা | বিয়োগান্ত | মিলনান্ত | বিধর্মী | সধর্মী | বিপন্নতা | নিরাপত্তা |
| বন্দনা | গঞ্জনা | বাদ | প্রতিবাদ | বিশিষ্ট | সাধারণ | বিনয় | ঔদ্ধত্য/অবিনয় |
| বক্র | সরল | বাল্য | বার্ধক্য | ব্যর্থ | সার্থক | বৈধ | অবৈধ |
| বর | বধূ | বিকল | সচল | বিকর্ষণ | আকর্ষণ | বিরহ | মিলন |
| বামন | লম্বা/ঢ্যাঙা | বলী | দুর্বল | বাঁচা | মরা | বার্ধক্য | তারুণ্য/শৈশব |
| বিন্দু | রাশি | বাধা | বাধাহীনতা | বিলাপ | হাস্য | বন্দি | মুক্তি |
| বর্ধিষ্ণু | ক্ষয়িষ্ণু | বহাল | বরখাস্ত | বামপন্থী | ডানপন্থী | বিকি | কিনি |
| বিদ্যমান | অন্তর্হিত | বিরাগ | অনুরাগ | বিরক্ত | অনুরক্ত | বিশ্লেষণ | সংশ্লেষণ |
| বিদ্বান | মূর্খ | বহিরঙ্গ | অন্তরঙ্গ | বাহ্য | আভ্যন্তর | বিষণ্ণ | প্রসন্ন |
| বাউন্ডুলে | সংসারী | বাধ্য | অবাধ্য | বৃদ্ধি | হ্রাস | বিপথ | সুপথ |
| বদ | ভালো | বহুল | বিরল | বৃহৎ | ক্ষুদ্র | বরণ | বিসর্জন/বিদায় |
| বিজয়ী | বিজিত | বহিদৃষ্টি | অন্তর্দৃষ্টি | বাড়তি | কমতি | বিষ/গরল | অমৃত |
| বিকল্প | অবিকল্প | বিবাদ | বন্ধুতা | বাদলা | শুকনা | বন্য | গৃহপালিত/পোষা |
| বিমল | সমল | বিস্তৃত | সংক্ষিপ্ত | বন্ধু | শত্রু | বিলম্বিত | ত্বরান্বিত |
| বাহুল্য | সংক্ষেপ | বালক | বৃদ্ধ | বর্জন | গ্রহণ | বারি | অগ্নি |
| বাচাল | স্বল্পভাষী | বিষাদ | আনন্দ | বন্ধ | মুক্ত | বিশ্রী | শ্রী/সুশ্রী |
| বিবাদ | মিত্রতা | বাদী | বিবাদী | বিজ্ঞ | অজ্ঞ | বন্দোবস্ত | বেবন্দোবস্ত |
| বিধি | নিষেধ | বিরল | বহুল | বিদ্বান | মুর্খ | বিজেতা | বিজিত |
| বেহেশত | দোজখ | বাঁকা | সোজা | বন্ধন | মুক্তি | বিনীত | অবিনীত/উদ্ধত |
| বিশেষ | সামান্য | বোকা | চালাক | বন্ধুর | মসৃণ | বিরত | রত/নিরত |
| ব্যর্থ | সার্থক | বুদ্ধিমান | বুদ্ধিহীন | ভাটা | জোয়ার | বিপন্ন/বিপদ | নিরাপদ |
| ভাসা | ডোবা | ভদ্র | ইতর | ভুল | শুদ্ধ/নির্ভুল | ভূত | ভাবী/ভবিষ্যৎ |
| ভরা | খালি/ফাঁকা | ভাবনা | নির্ভাবনা | ভেজাল | খাঁটি | ভোঁতা | ধারাল/চোখা |
| ভাঙা | গড়া/আস্ত | ভাবিত | অভাবিত | ভগ্ন | পূর্ণ/অভগ্ন | ভক্ত | বিরাগী/অভক্ত |
| ভেজা | শুকনো | ভিন্ন | অভিন্ন | ভরন্ত | খালি | ভূমিকা | উপসংহার |
| ভুয়া | খাঁটি | ভোর | সাঁঝ | ভর্ৎসনা | প্রশংসা | ভৃত্য | প্রভু |
| ভব্য | অভব্য | ভোজন | উপবাস | ভালো | মন্দ | ভক্তি | অভক্তি/ঘৃণা |
| ভূস্বামী | ভূমিহীন | ভাব | অভাব | ভাটি | উজান | মধুর | তিক্ত |
| ভয় | সাহস | ভেদ | অভেদ | ভীরু | নির্ভীক | ভীতু | সাহসী |
| মানী | মানহীন | ভর্তি | উন/খালি | মনীষা | নির্বোধ | মান | অপমান |
| মহৎ | নীচ/ক্ষুদ্র | মৃদু | উগ্র/প্রবল | মহাত্মা | নীচাত্মা | মিল | গরমিল/অমিল |
| মৌন | মুখর | মঞ্জুর | নামঞ্জুর | মেঘলা | ফরসা | মূর্ত | বিমূর্ত |
| মুখরতা | মৌন | মূর্ত | বিমূর্ত | মহাপ্রাণ | অল্পপ্রাণ | মনোযোগ | অমনোযোগ |
| মজবুত | ঠুনকো | মাখা | আমাখা | মিথ্যা | সত্য | মিষ্টি | তেতো/টক/কষা |
| মন্থর | দ্রুত/ত্বরিত | মারা | আদর করা | মতি | দুর্মতি | মিত্রতা/মৈত্রী | শত্রুতা |
| মতৈক্য | মতানৈক্য | মরা | বাঁচা | মরমি | নিষ্ঠুর | মালিক | মজুর/চাকর |
| মিতব্যয়ী | অমিতব্যয়ী | মুখর | মৌনী | মুখ্য | গৌণ | মৌলিক | যৌগিক/সাধিত |
| মূর্খ | জ্ঞানী | মুক্ত | বন্দি | মনোনীত | অমনোনীত | মেঘাচ্ছন্ন | মেঘমুক্ত/নির্মেঘ |
| মৃত্যু | জন্ম | মিত্র | শত্রু | মৃত | জীবিত | মত্ত | নির্লিপ্ত |
| মসৃণ | বন্ধুর | মাগনা | কষ্টার্জিত | মলিন | উজ্জ্বল | মিঠা | তিতা |
| মন্দ | ভালো | যোজক | বিয়োজক | যশ | অপযশ/কলঙ্ক | যুক্ত | বিযুক্ত/মুক্ত |
| যথা | তথা | যুদ্ধ | শান্তি | যাদৃশ | তাদৃশ | যতি | সংযতী/যতিহীন |
| যৌবন | বার্ধক্য | যাবৎ | তাবৎ | যত | তত | যখন | তখন |
| যৌথ | একক | যাত্রা | অযাত্রা | যেমন | তেমন | যজমান | তখন |
| যোগ | বিয়োগ | যাচিত | অযাচিত | সংযমী | অসংযমী | যোজন | বিয়োজন |
| যাযাবর | গৃহী | যুগল | একক | যুগ্ম | অযুগ্ম | যত্ন | অযত্ন/অবহেলা |
| রসাল | শুকনো | রোগগ্রস্ত | রোগমুক্ত | রোদ | বৃষ্টি | রমণীয় | কুৎসিত |
| রাজা | রাণী/প্রজা | রত | বিরত | রুদ্ধ | মুক্ত | রাজি | নারাজ/গররাজি |
| রক্ষক | ভক্ষক | রাত্রি | দিবস/দিন | রুষ্ট | তুষ্ট | রজত/রৌপ্য | স্বর্ণ |
| রুগ্ণ | সুস্থ | রাগ | বিরাগ | রোগী | নিরোগ | রোগ | নিরোগ/স্বাস্থ্য |
| রামছাগল | পাতিছাগল | রোষ | প্রসাদ | রদ | চালু | রাহুগ্রস্ত | রাহুমুক্ত |
| রুষ্ট | তুষ্ট | লেজ | মাথা | রিক্ত | পূর্ণ | রসিক | বেরসিক |
| লেখক | পাঠক | লোভী | নির্লোভ | লেশ | যথেষ্ট | লাল | কাল/নীল/সবুজ |
| লঘিষ্ঠ | গরিষ্ঠ | লাজুক | নির্লজ্জ | লিপ্ত | নির্লিপ্ত | লাভ | ক্ষতি/লোকসান |
| শত্রু | মিত্র | লগ্ন | চ্যুত | লক্ষ্মী | অলক্ষ্মী | লেখ্য/লেখা | কথ্য/বলা |
| শ্রীযুক্ত | শ্রীহীন | শ্রদ্ধা | ঘৃণা | লায়েক | নালায়েক | লুপ্ত | সৃষ্ট/অস্তিত্ববান |
| শান্ত | দুরন্ত | শহিদ | গাজী | শিষ্ট | অশিষ্ট | শাসক | শাসিত |
| শাগরেদ | ওস্তাদ | শয়ন | উত্থান | শ্রেষ্ঠ | নিকৃষ্ট | শীঘ্র | বিলম্ব |
| শুকনো | ভেজা | শ্বেতকায় | কৃষ্ণকায় | শর্তাধীন | নিঃশর্ত | শারীরিক | মানসিক |
| শোক | হর্ষ/আনন্দ | শিব | অশিব | শঠ | সাধু | শালীন | অশালীন |
| শিষ্য | গুরু | শীত | গ্রীষ্ম/গরম | শীতল | উষ্ণ | শ্রম | বিশ্রাম/আলস্য |
| শ্যামল | গৌরাঙ্গ | শক্তি | দুর্বলতা | শায়িত | উত্থিত | শ্রী | কুশ্রী/বিশ্রী/শ্রীহীন |
| শিশু | বৃদ্ধ | শিখর | নিম্নদেশ | শূন্য | পূর্ণ | শবল (বিচিত্র) | একবর্ণা |
| শ্লীল | অশ্লীল | শুভ | অশুভ | শয়তান | ফেরেশতা | শর্বরী (রাত) | দিবস |
| শ্বাস | প্রশ্বাস | শীর্ণ | স্থূল | শুষ্ক | সিক্ত | শর্তসাপেক্ষ | শর্তহীন/নিঃশর্ত |
| শহুরে | গেঁয়ো | শুভ্র | কৃষ্ণ | শিক্ষক | ছাত্র | শাক্ত | অশাক্ত |
| শাসন | সোহাগ | শিরোদেশ | পাদদেশ | শড়া | টাটকা | শুচি | অশুচি |
| শ্রমিক | মালিক | শোভন | অশোভন | শিথিল | সুদৃঢ় | ষাঁড় | গাভি/গাই |
| ষণ্ডা | দুর্বল | সহযোগী | প্রতিযোগী | সবাক | নির্বাক | সওয়াল | জবাব |
| সংস্কৃতি | অপসংস্কৃতি | সংগত | অসংগত | সংযম | অসংযম | সংশ্লিষ্ট | বিশ্লিষ্ট |
| সচেষ্ট | নিশ্চেষ্ট | সকর্মক | অকর্মক | সক্ষম | অক্ষম | সচল | নিশ্চল |
| সত্বর | মন্থর/অত্বর | সচ্ছল | অসচ্ছল | সজীব | নির্জীব | সঠিক | বেঠিক |
| সমবেত | ছত্রভঙ্গ | সদর | অন্দর | সদৃশ | বিসদৃশ | সম্পদ | বিপদ/দারিদ্র্য/অভাব |
| সমাপ্ত | আরম্ভ | সরবতা | নীরবতা | সাদৃশ্য | বৈসাদৃশ্য | সপ্রতিভ | অপ্রতিভ |
| সম্মুখে | পশ্চাতে | সাফল্য | ব্যর্থতা | সাচ্চা | ভুয়া | সাম্প্রদায়িক | অসাম্প্রদায়িক |
| সাবালিকা | নাবালিকা | সুষম | অসম | সুদর্শন | কুদর্শন | সাহসিকতা | ভীরুতা |
| শৌখিন | পেশাদার | সৌরমাস | চান্দ্রমাস | স্বমত | পরমত | স্থলভাগ | জলভাগ |
| স্বাভাবিক | অস্বাভাবিক | সাকার | নিরাকার | সুগম | দুর্গম | সফল | বিফল |
| সন্নিকৃষ্ট | বিপ্রকৃষ্ট | সঞ্চয় | অপচয় | স্বার্থ | পরার্থ | স্থাবর | জঙ্গম/অস্থাবর |
| সার্থক | নিরর্থক/ব্যর্থ | সান্ত | অনন্ত | স্বাধীন | পরাধীন | সুখ | দুঃখ/দুখ |
| সহিষ্ণু | অসহিষ্ণু | সুধা | বিষ/গরল | সবল | দুর্বল | সুখ্যাতি | নিন্দা/কুখ্যাতি |
| সুকৃতি | দুষ্কৃতি | সন্ধ্যা | প্রভাত | সহযোগ | অসহযোগ | সাক্ষর | নিরক্ষর |
| সচ্চরিত্র | দুশ্চরিত্র | সংকোচন | প্রসারণ | সংযুক্ত | বিযুক্ত | সংশ্লেষণ | বিশ্লেষণ |
| সদয় | নির্দয় | সক্রিয় | নিষ্ক্রিয় | সচরাচর | কদাচিৎ | সংহত | বিভক্ত/অসংহত |
| সমার্থক | ভিন্নার্থক | সজাগ | নিদ্রিত | সজ্জন | দুর্জন | সচেতন | অচেতন |
| সম্প্রসারণ | সংকোচন | সধবা | বিধবা | সবীজ | নির্বীজ | সমাপিকা | অসমাপিকা |
| সাঁঝ | সকাল | সসীম | অসীম | সতী | অসতী | সাম্য | অসাম্য/বৈষম্য |
| সিক্ত | শুষ্ক | সাবালক | নাবালক | সশস্ত্র | নিরস্ত্র | সাধু | তস্কর/অসাধু |
| স্তুতি | নিন্দা | স্তাবক | নিন্দুক | স্বর্গ | নরক | স্বাতন্ত্র্য | সাধারণত্ব/অস্বাতন্ত্র্য |
| স্ববাস | প্রবাস | সমীচীন | অসমীচীন | স্বল্পভাষী | বাচাল | স্থূল | সূক্ষ্ম/কৃশ/তীক্ষ্ণ |
| সুপ্ত | জাগ্রত | স্নিগ্ধ | রুক্ষ | স্নেহ | বিরাগ | সমক্ষে | পরোক্ষে/অসমক্ষে |
| স্বল্পবাক্ | মিতবাক্ | সমস্ত | অংশ | সদাচার | কদাচার | সংক্ষেপ | বিস্তার/বাহুল্য |
| সংযোজন | বিয়োজন | সুলভ | দুর্লভ | সলজ্জ | নির্লজ্জ | সিদ্ধ | নিষিদ্ধ/অসিদ্ধ |
| সংক্ষিপ্ত | বিস্তৃত | সত্য | মিথ্যা | সজ্ঞান | অজ্ঞান | সমতল | বন্ধুর/অসমতল |
| সঙ্কুচিত | প্রসারিত | সদর্থক | নঞর্থক | সিধা | উল্টা | সাম্য | অসাম্য/বৈষম্য |
| সংশয় | প্রত্যয় | সংশ্লেষণ | বিশ্লেষণ | সুশীল | দুঃশীল | সহোদর | বৈমাত্রেয় |
| সরস | নীরস | সরব | নিরব | স্বকীয় | পরকীয় | সৃষ্টি | ধ্বংস/লয় |
| স্বতন্ত্র | পরতন্ত্র | সার | অসার | সচেষ্ট | নিশ্চেষ্ট | সাধু | তস্কর/চোর |
| স্থির | চঞ্চল | সম্বল | নিঃসম্বল | সংকোচ | নিঃসঙ্কোচ | সৌম্য | উগ্র/করাল |
| সংকীর্ণ | প্রশস্ত | সরল | কুটিল | সুরভি | পুতি | সুধা/অমৃত | হলাহল/বিষ |
| স্মরণ | বিস্মরণ | সাদা | কালো | সমষ্টি | ব্যষ্টি | সুবহ | দুর্বহ |
| সহযোগ | অসহযোগ | সফল | বিফল | স্বনামী | বেনামী | সুন্দর | কুৎসিত |
| সুনজর | কুনজর | সমৃদ্ধিশালী | সমৃদ্ধিহীন | সাফল্য | ব্যর্থতা | সন্ধি | বিগ্রহ/বিবাদ |
| হার | জিত | হাস্য | ক্রন্দন | হরদম | কালেভদ্রে | হিংসা | অহিংসা |
| হর্ষ | বিষাদ/শোক | হালকা | ভারী | হিত | অহিত | হাজির | গরহাজির |
| হর্তা | কর্তা | হতবুদ্ধি | স্থিতবুদ্ধি | হুঁশ | বেহুঁশ | হাল | বেহাল/সাবেক |
| হক | নাহক | হাসি | কান্না | হরণ | পূরণ | হৃদ্য | ঘৃণা |
| হ্রাস | বৃদ্ধি | হৃদ্যতা | কপটতা | হত | নিহত | হিসেবি | বেহিসেবি |
বাক্যে বিপরীতার্থক শব্দের প্রয়োগ:
- যুদ্ধে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে।
- ব্যবসায়ে লাভ-ক্ষতি আছেই।
- জীবনে হাসি-কান্না পর্যায়ক্রমে আসে।
- সাগরে জোয়ার-ভাটায় পানির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
- হালকা আর ভারি যন্ত্রগুলো ধোয়ামোছা কর।
- ‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?’
- এ জগৎ হরণ-পূরণের মেলা।
- খেলায় হার-জিত আছেই।
- পরাধীন হয়ে সুখভোগের চেয়ে স্বাধীন হয়ে দুঃখ ভোগ করাও ভাল।
- ছেলেটি বড়ই চঞ্চল, কিন্তু মেয়েটি কেমন ধীর-স্থির।
- সবলের সদম্ভ অত্যাচার দুর্বল আর কত দিন সইবে?
- সাহস দিয়ে ভয়কে জয় কর।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
পারিভাষিক শব্দ
প্রতিটি শাস্ত্রের নিজস্ব শব্দ আছে যা তার পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা উল্লেখ করা হলো:
বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ |
| Aboriginal | আদিবাসী | A to Z | সম্পূর্ণভাবে | Armour | বর্ম |
| Abbreviation | সংক্ষেপণ | Analogy | উপমা | Assassination | গুপ্তহত্যা |
| Abstract | বিমূর্ত | Anarchy | নৈরাজ্য | Autonomous | স্বায়ত্তশাসিত |
| Anonymous | অনামা | Anatomy | শরীরবিদ্যা | Amicus Curiae | আদালতের বন্ধু |
| Affidavit | হলফনামা | Annotation | টীকা | Autobiography | আত্মজীবনী |
| Amplitude | বিস্তার | Allegory | রূপক | Architect | স্থপতি |
| Amplification | পরিবর্ধন | Attested | সত্যায়িত | Alias | ওরফে |
| Archetype | আদিরূপ | Anticipation | প্রাকচিন্তন | Ambiguous | দ্ব্যর্থক |
| Agora | মুক্তাঞ্চল | Bribe | উৎকোচ/ঘুষ | Background | পটভূমি |
| Bond | প্রতিজ্ঞাপত্র | Biography | কড়চা | Bugger | জঘন্য ব্যক্তি |
| Blockade | অবরোধ | Boycott | বর্জন | Bail | জামিন |
| Blue Print | প্রতিচিত্র | Barren | ঊষর | Caretaker | তত্ত্বাবধায়ক |
| Cancer | কর্কট রোগ | Cabinet | মন্ত্রিপরিষদ | Coup | অভ্যুত্থান |
| Curtail | সংক্ষিপ্ত করা | Coatting | আবরণ | Cartoon | ব্যঙ্গচিত্র |
| Civil Society | সুশীল সমাজ | Chancellor | আচার্য | Cease Fire | অস্ত্র সংবরণ |
| Covenant | চুক্তিপত্র | Circular | প্রচারপত্র | Constipation | কোষ্ঠকাঠিন্য |
| Current Account | চলতি হিসাব | Curfew | সান্ধ্যআইন | Consumer goods | ভোগ্যপণ্য |
| Co-opted | সহযোজিত | Curriculum | পাঠ্যক্রম | Consumer goods | সহকর্মী |
| Climax | মহামুহূর্ত | Dilly dally | অযথা দেরি করা | Equation | সমীকরণ |
| Defence | প্রতিরক্ষা | Deadlock | অচলাবস্থা | Eradicaiton | উচ্ছেদ |
| Divulge | প্রকাশ করা | Executive | নির্বাহী | Epicurism | ভোগবাদ |
| Exhibition | প্রদর্শনী | Excise Duty | আবগারী শুল্ক | Extension | সম্প্রসারণ |
| Embassy | দূতাবাস | Epic | মহাকাব্য | Edition | সংস্করণ |
| Final | সমাপ্তি | Flora | উদ্ভিদকুল | For Good | চিরতরে |
| File | নথি | Filing | নথিভুক্তি | Forgery | জালিয়াতি |
| General Manager | মহাব্যবস্থাপক | Glossary | টীকাপঞ্জি | Hydrogen | উদ্জান |
| Graduate | স্নাতক | Genocide | গণহত্যা | Housing | আবাসন |
| Guideline | নির্দেশনা | Gazette | ঘোষণাপত্র | Hierarchy | আধিপত্য পরম্পরা |
| Handy | ব্যবহারে সুবিধাজনক | Hypothesis | অনুমান | Hightide | জোয়ার |
| Hybrid | সঙ্কর | Homicide | নরহত্যা | Hand bill | প্রচারপত্র |
| Horizontal | অনুভূমিক | Industrious | পরিশ্রমী | Issue | প্রচার |
| Intellectual | বুদ্ধিজীবী | In abeyance | স্থগিত করা | Loggerheads | দা-কুমড়া সম্পর্ক |
| Indigenous | স্বদেশী | Index | সূচক | Lyric | গীতিকবিতা |
| Jerhin | আটসাট জামা | Job | চাকরি | Lease | ইজারা |
| Justification for | সমর্থন | Jail code | কারাবিধি | Lass | বালিকা |
| Key-note | মূলভাব | Knavery | প্রতারণা | Mince | কিমা করা |
| Manager | ব্যবস্থাপক | Modernism | আধুনিকতাবাদ | Migratory bird | অতিথি পাখি |
| Microbiology | অনুজীব বিজ্ঞান | Meteor | উল্কা | Phonology | ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান |
| Nebula | নীহারিকা | Nationalism | জাতীয়তাবাদ | Payer | দাতা |
| Null and void | বাতিল | Nota Bene (N.B) | লক্ষণীয় | Pact | চুক্তি |
| Oxygen | অম্লজান | Odds and ends | এটা সেটা | Pensive | বিষণ্ণ |
| Overrule | বাতিল করা | Obligatory | বাধ্যতামূলক | Postage | ডাকমাশুল |
| Post graduate | স্নাতকোত্তর | Provoke | উস্কানি দেওয়া | Polygamy | বহুবিবাহ |
| Post graduate | সাময়িকী | Parole | সাময়িক মুক্তি | Quarterly | ত্রৈমাসিক |
| Periodical | প্রখ্যাত | Play truant | স্কুল থেকে পালানো | Quorum | গণপূর্তি |
| Radio | বেতার | Relevant | প্রাসঙ্গিক | Quack | হাতুড়ে |
| Review | পুনঃনিরীক্ষণ | Range | এলাকা | Quotation | মূল্যজ্ঞাপন |
| Study Leave | শিক্ষাবকাশ | Surgeon | শল্য চিকিৎসক | sanction | মঞ্জুরি |
| Secretary | সচিব | Stigma | লজ্জা বা কলঙ্ক চিহ্ন | Summit | শীর্ষ |
| Secretariat | সচিবালয় | Sleeping partner | নিষ্ক্রিয় অংশীদার | Satellite | উপগ্রহ |
| Subjudice | বিচারাধীন | Sponsor | পৃষ্ঠপোষক | Script | হস্তলিপি |
| Scarcity | স্বল্পতা | Subconscious | অবচেতন | Training | প্রশিক্ষণ |
| Superstitious | কুসংস্কারাচ্ছন্ন | Scroll | লিপি | Treasurer | কোষাধ্যক্ষ |
| Transparent | স্বচ্ছ | Transliteration | প্রতিবর্ণীকরণ | Take to task | তিরস্কার করা |
| Transparency | স্বচ্ছতা | Trilogy | ত্রয়ী | Time to again | বারবার |
| United Kingdom | যুক্তরাজ্য | Unstamped | সিলমোহরবিহীন | Wisdom | প্রজ্ঞা |
| United States | যুক্তরাষ্ট্র | Ultimatum | চরমপত্র | Worship | পূজা |
| Virile | পুরুষোচিত | Vertical | উল্লম্ব | Whirlpool | ঘূর্ণি |
| Vivid | প্রাণবন্ত | Vocation | বৃত্তি | Western | পশ্চিমা |
| Zenith | শীর্ষ | Zoology | প্রাণিবিদ্যা | Legal statement | জবানবন্দি |
| Referendum | গণভোট | Gratuity | পারিতোষিক |
সাহিত্য সম্পর্কিত শব্দ:
শব্দ | অর্থ | শব্দ | অর্থ |
| Alliteration | অনুপ্রাস | Antithesis | পরস্পরবিরোধী শব্দাবলি ব্যবহার |
| Allegory | রূপকধর্মী রচনা | Apostrophe | সম্বোধন অলঙ্কার |
| allusion | পরোক্ষ উল্লেখ/ইঙ্গিত | Assonance | স্বরানুপ্রাস |
| Blank Verse | অমিত্রাক্ষর ছন্দ | Couplet | দ্বিপদী শ্লোক |
| Ballad | লোকগাঁথা | Chiasmas | বাক্যালঙ্কার |
| Bibliography | গ্রন্থ ও রচনাবলির তালিকা | Epistolary novel | পত্রোপন্যাস/চিঠির আকারে রচিত উপন্যাস |
| Hyperbole | অতিশয়োক্তি | Limeric | এক ধরনের ছোট কবিতা |
| Haiku | বিশেষ আঙ্গিকের জাপানি কবিতা | Limerick | মজাদার ছড়া |
| Lingua Franca | সংযোগ ভাষা | Lyric | গীতি কবিতা |
| Irony | বিদ্রুপ | Magnum Opus | বড় মাপের সাহিত্যকর্ম |
| Metaphor | রূপকালঙ্কার | Melodrama | গীতি নাটক / অতিনাটক |
| Metonymy | বাক্যালঙ্কারবিশেষ লক্ষণা | Paradox | আপাত বিরোধী হলেও সত্য |
| Onomatopoeia | অনুকার শব্দ | Personification | ব্যক্তিরূপ দান |
| Oxymoron | বিপরীতালঙ্কার | Pun | শ্লেষালঙ্কার / দ্ব্যর্থক শব্দ প্রয়োগ |
| Synecdoche | লক্ষণা | Simile | সুস্পষ্ট তুলনামূলক |
| Understatement | ন্যূনোক্তি | Satire | সুস্পষ্ট তুলনামূলক |
| Anecdote | কোনো ব্যক্তি বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছোট-খাটো আকর্ষণীয় মজার গল্প | Anaphora | কোনো বাণী অথবা কোনো বাক্যের মধ্যে একই শব্দ বা শব্দাংশের বারবার উচ্চারণ বা ছন্দ অনুপ্রাস |
| Epitaph | সমাধিফলকে খোদিত করার মতো উপযুক্ত সাহিত্যিক রচনা | Euphemism | শ্রুতিকটু পদের পরিবর্তে কোমলতর পদের প্রয়োগ |
| Litotes | এক জাতীয় অর্থালঙ্কার যাতে নঞর্থক শব্দের সাহায্যে তার বিপরীত সদর্থক ভাবটিকেই জোরালোভাবে প্রকাশ করা হয় | ||
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাগধারা শব্দের অর্থ কথা বলার "বিশেষ ঢং বা রীতি " । এটা এক ধরনের গভীর ভাব ও অর্থবোধক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ । বাগধারা বা বাগ্বিধি কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশকরে থাকে তাঁকে বাগ্বিধি বা বাগধারা বলে । যেমন- অরণ্যে রোদন- অর্থ : নিষ্ফল আবেদন = কৃপণের কাছে চাঁদ চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।
বাগধারা : অ | ||
| অ আ ক খ: প্রাথমিক জ্ঞান | অতি দর্পে হত লঙ্কা: অহংকারের পতন | অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ / অকেজো |
| অথৈ জলে পড়া: দিশেহারা হওয়া | অকাল বোধন: অসময়ে আবির্ভাব | অন্ধকারে ঢিল মারা: আন্দাজে কাজ করা |
| অকূল পাথার: ভীষণ বিপদ | অগ্নিশর্মা: নিরতিশয় ক্রুদ্ধ / ক্ষিপ্ত | অগাধ (গভীর) জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি |
| অর্ধচন্দ্র: গলাধাক্কা | অগত্যা মধুসূদন: অনন্যোপায় হয়ে | অনধিকার চর্চা: সীমার বাইরে পদক্ষেপ |
| অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া | অজগর বৃত্তি: আলসেমি | অদৃষ্টের পরিহাস: ভাগ্যের বিড়ম্বনা |
| অন্ধকার দেখা: হতবুদ্ধি | অষ্টরম্ভা: কাঁচকলা / ফাঁকি | অন্তর টিপুনি: গোপন ব্যথা / মর্মপীড়াদায়ক |
| অগ্নিপরীক্ষা: কঠিন পরীক্ষা | অমাবস্যার চাঁদ: দুর্লভ বস্তু | অলক্ষ্মীর দশা: শ্রীহীনতা / দারিদ্র্য |
| অঞ্চল প্রভাব: স্ত্রীর প্রভাব | অক্ষরে অক্ষরে: সম্পূর্ণভাবে | অহিনকুল সম্বন্ধ: ভীষণ শত্রুতা |
| অস্থির পঞ্চক: কিংকর্তব্যবিমূঢ় | অকালের বাদলা: অপ্রত্যাশিত বাধা | অরণ্যে রোদন: নিষ্ফল আবেদন / বৃথা চেষ্টা |
| অক্ষয় বট: প্রাচীন ব্যক্তি | অলছ-তলছ: উদ্দাম, বাধাহীন | অন্নজল ওঠা: আয়ু বা সময় শেষ হওয়া |
| অশ্বমেধ যজ্ঞ: বিপুল আয়োজন | অকড়িয়া: ধনহীন | অষ্টমঙ্গলা: আনন্দের রেশ থাকাবস্থা |
| অষ্টকপাল: হতভাগ্য | অকালপক্ব: ইঁচড়ে পাকা | অন্ধিসন্ধি: ফাঁকফোকর/গোপন তথ্য |
| অকালকুসুম: অসম্ভব জিনিস | অপোগণ্ড: অকর্মণ্য / অপ্রাপ্ত বয়স্ক | অমৃতে অরুচি: পছন্দসই খাবারে অনিচ্ছা |
| অঙ্কুশ তাড়না: অন্তর্গত আঘাত | অসূর্যম্পশ্যা: গৃহে অন্তরীণ | অসার-সুসার: সুবিধা-অসুবিধা |
| অবরে-সবরে: কালে-ভদ্রে | অনন্তশয্যা: শেষ শয্যা | অন্নপ্রাশনের ভাত: উঠে আসা |
| অঙ্গ জল হওয়া: শীতল | অথৈ জল: ভীষণ বিপদ | অগতির গতি: নিরুপায়ের সহায় |
| অক্ষর পরিচয়: সামান্য বিদ্যা | অকট বিকট: ছটফটানি | অম্বল চাখা: ক্রমাগত জায়গা বদল |
| অগ্নিবান: তীক্ষ্ম ও যন্ত্রণাদায়ক | অঙ্গের ভূষণ: স্বভাবের বৈশিষ্ট্য | অনুনয়-বিনয়: সনির্বন্ধ অনুরোধ |
| অকর্মার ধাড়ি: অত্যন্ত অলস | অগ্নিগর্ভ: বলিষ্ঠ / তেজঃপূর্ণ | অপাট করা: বিশৃঙ্খলা করা |
| অভদ্রা লাগা: পড়া | অস্তব্যস্ত: অতি ব্যস্ত | অষ্টাবক্র : কুৎসিত |
| অসাজন্ত: বেমানান | অন্ধের যষ্ঠি বা অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন | অস্থির পাজক: কিংকর্তব্যবিমূঢ় |
| অগাকাণ্ড / অঘাচণ্ডি / অঘারাম: নির্বোধ / বোকা | অগস্ত্য যাত্রা: শেষ বিদায় / চির দিনের জন্য প্রস্থান | অগা মেরে যাওয়া: বোকা হয়ে যাওয়া / অকর্মণ্য হয়ে যাওয়া |
| অনুরোধে ঢেঁকি গেলা: অনুরোধে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু করা | অষ্টবজ্র সম্মিলন: প্রতিভাবান ব্যক্তিদের একত্র সমাবেশ | অক্ষয়ভাণ্ডার: যে ভাণ্ডারের ধন কখনো ফুরোয় না |
| অক্ষয় অব্যয়: কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন হয় না | অকূলে কূল পাওয়া: নিরূপায় অবস্থা থেকে উদ্ধার পাওয়া | অতি চালাকের গলায় দড়ি: বেশি চালাকির অশুভ পরিণাম |
| অগড়-বগড় / অগড়ম-বগড়ম: অর্থহীন বা আবোল তাবোল কথা / পাগলের প্রলাপ | ||
বাগধারা : আ | ||
| আকাশের চাঁদ: দুর্লভ বস্তু | আকাশ থেকে পড়া: অপ্রত্যাশিত | আউলিয়া চাঁদ: যে অল্পেই আকুল হয় |
| আকাশ পাতাল: প্রচুর ব্যবধান | আক্কেল সেলামি: নির্বুদ্ধিতার দণ্ড | আকাশে তোলা: অতিরিক্ত প্রশংসা করা |
| আদায় কাঁচকলায়: শত্রুতা | আক্কেল গুড়ুম : হতবুদ্ধি / স্তম্ভিত | আকাশ ভেঙ্গে পড়া: হঠাৎ বিপদ হওয়া |
| আক্কেল দাঁত ওঠা: পাকা বুদ্ধি | আগুনে ঘি ঢালা: রাগ বাড়ানো | আকাশ কুসুম: অবাস্তব / অলীক ভাবনা |
| আদিখ্যেতা: ন্যাকামি | সাপে নেউলে : শত্রুতা | আদা জল খেয়ে লাগা : প্রাণপণ চেষ্টা করা |
| আট কপালে : হতভাগ্য | আধা খেঁচড়া: বিশৃঙ্খলা | আঙুল ফুলে কলাগাছ: হঠাৎ ধনী হওয়া |
| আবোল-তাবোল : বাজে কথা | আঁতে ঘা: মনে ব্যথা দেয়া | আদার ব্যাপারী: সামান্য বিষয়ে ব্যস্ত ব্যক্তি |
| আমড়া কাঠের ঢেঁকি: অপদার্থ | আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি গল্প | আমড়াগাছি করা: প্রতারণাপূর্ণ তোষামোদ |
| আমতা আমতা করা: ইতস্তত করা | আড়ি পাতা: লুকিয়ে লুকিয়ে শোনা | আচাতুয়ার বোম্বাচাক: অসম্ভব ব্যাপার |
| আহলাদে আটখানা: অত্যন্ত খুশী | আকাশ ধরা: বৃষ্টি বন্ধ হওয়া | আখাম্বা : বেখাপ্পা |
| আটাশে ছেলে: দুর্বল ছেলে | আঠারো আনা: বাড়াবাড়ি / সম্ভাবনা | আকাশে থুথু ফেলা: নিজেরই ক্ষতি করা |
| আতান্তরে পড়া: বিপদে পড়া | আতারি কাতারি: ছটফটে ভাব | আয়োসুয়ো: সধবা স্ত্রীলোকের দল |
| আদমের কাল: সুপ্রাচীন কাল | আদাড়ের হাঁড়ি: সামান্য লোক | আঁজল-পাঁজল: ঝাঁকুনি দেওয়া |
| আমগন্ধি: কাঁচা গন্ধযুক্ত | আমি করা: আত্মপ্রশংসা | আকালকেঁড়ে : দীনহীন / ভিখারি |
| আর আর: অন্যান্য | আলেয়ার আলো: দুর্লভ বস্তু | আগাগাছতলা: আগাগোড়া / আদ্যন্ত |
| আহ্লাদে ফুটকড়াই: হেসে কুটিকুটি | আঁকুপাঁকু করা: ছটফটানি | আনাই-ধানাই: আবোল-তাবোল |
| আঁচল ধরে বেড়ানো: ব্যক্তিত্বহীন | আকাট মূর্খ: নিরেট বোকা | আয়োমুয়ো: সবধা স্ত্রীলোকের দল |
| আহ্লাদি পুতুল: আদুরে অকর্মণ্য | আনাড়ি: অপটু, অনভিজ্ঞ | আগড়ম বাগড়ম: অর্থহীন কথা / অনাবশ্যক বক্ বক্ |
| আআঁটকুড়ো: নিঃসন্তান | আউপাতালি: কাঁদুনে | আলালের ঘরের দুলাল : অতি আদরে নষ্ট পুত্র |
| আওরানো: ব্যথা হওয়া | আঁওল: প্রসব করা | আঠার মাসে বছর: দীর্ঘসূত্রিতা / কুঁড়ে স্বভাব |
| আঁকড়া-আঁকড়ি: টানাটানি | আটুবাঁটু: জড়োসড়ো | আদাড়ের হাঁড়ি: তুচ্ছ / অনাদৃত ব্যক্তি |
| আককুটে: অমিতব্যয়ী/বেহিসাবি | আঞ্জাআঞ্জি: কোলাকুলি | আক্কেলমন্ত / আক্কেলমন্দ: বিবেচনা করে এমন |
| আটুপাটু: অতি উৎসাহ | আদুড়চুলি: ঘোমটা খোলা | আটখান করা/ আটখানা করা: টুকরো টুকরো করা |
| আধহারা: রোগাটে | আপকেওয়ান্তে: চাটুকার | আষাঢ়ান্ত বেলা: দীর্ঘস্থায়ী বেলা |
| আপনহারা: বিভোর | আলুথালু: এলোমেলো | আসরে নামা: আবির্ভূত হওয়া |
| আজবখানা / আজবঘর: জাদুঘর | আষ্টেপৃষ্ঠে: সর্বাঙ্গে | আস্তাকুঁড়ের পাতা: নিচ ব্যক্তি |
| আউছিয়া করা: নিন্দে করা | আঁদরু পেঁদরু: ব্যঙ্গার্থে | আগন্যাংলা: অগ্রবর্তী |
| আপন পায়ে কুড়াল মারা : নিজের অনিষ্ট নিজে করা | আসলে মুষল নেই, ঢেঁকিঘরে চাঁদোয়া: ঠিকমতো ব্যবস্থা গ্রহণের অভাব | |
বাগধারা : ই | ||
| ইঁদুর কপালে: নিতান্ত মন্দ ভাগ্য | ইলশে গুঁড়ি : গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি | ইতর বিশেষ: পার্থক্য / ভেদাভেদ |
| ইঁচড়ে পাকা: অকালপক্ব | ইতর: বদমেজাজী | ঈদের চাঁদ: অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু |
| ইন্দ্রপতন: বিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যু | ইষ্টনাম জপা: স্রষ্টাকে স্মরণ | ইন্দ্রের শচী: যিনি যখন যার কাছে থাকেন তখন তিনি তার |
| ইতুনিদকুঁড়ে: অলস | ইনিয়ে বিনিয়ে: ঘুরিয়ে ফিরিয়ে | ইতিকথা: কাহিনী / ইতিহাস / উপকথা |
| ইটি-সিটি: এ জিনিস সে জিনিস | ইস্কুপের প্যাঁচ: কুটিল বুদ্ধি | ইকড়ি-মিকড়ি: ছোটদের খেলাবিশেষ |
| ইতস্তত করা: সংকোচ করা | ইয়ারবকসি: বন্ধুবান্ধব / রসিক লোক | ইল্লতে কাণ্ড: নোংরা ব্যাপার / নোংরা কাণ্ড |
বাগধারা : উ | ||
| উলুখাগড়া: গুরুত্বহীন লোক | উড়ো কথা: গুজব | উঠে পড়ে লাগা: বিশেষভাবে চেষ্টা করা |
| উজানের কৈ: সহজলভ্য | উড়ো চিঠি: বেনামি পত্র | উড়নচণ্ডী: অমিতব্যয়ী / উচ্ছৃঙ্খল |
| উভয় সংকট: শাখের করাত | উনিশ-বিশ: সামান্য পার্থক্য | উত্তম মধ্যম: প্রহার / পিটুনি / মারা |
| উকর-ধাকর: এলোপাথাড়ি | উজলপাঁজল: উথাল-পাথাল | উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা |
| উড়নপেকে: অপব্যয়ী | উটকো লোক: অচেনা লোক | উপোসি ছারপোকা: অভাবগ্রস্থ লোক |
| উসখুস করা: ছটফট করা | উঁচু কপালে: ভাগ্যবান | উদোমাদা: অতি সরল ও বোকাসোকা |
| উদোগেঁড়ে: আলসে | উস্তন খুস্তন করা: জ্বালাতন করা | উপুরহস্ত করা: দান করা |
| উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে: একের অপরাধে অপরকে দায়ী করা | উলু বনে মুক্তা ছড়ানো: অস্থানে মুল্যবান দ্রব্য প্রদান / সম্প্রদান করা | উজুবাট: সোজা রাস্তা |
| উপরোধে ঢেঁকি গেলা: অনুরোধে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু করা | ||
বাগধারা : ঊ | ||
| ঊনপঞ্চাশ বায়ু: পাগলামি | ঊর্মিমালী: সমুদ্র | ঊনপাঁজুরে: হতভাগ্য / অপদার্থ / দুর্বল |
| ঊনকোটি চৌষট্টি: প্রায় সম্পূর্ণ | ঊরা: আবির্ভূত হওয়া | ঊর্ধ্বদেহ: মৃত্যুর পরে প্রাপ্ত শরীর |
| ঊরুস্তম্ভ: ফোঁড়া জাতীয় রোগ | ঊর্জস্বল: বলবান | ঊর্ধ্ববাহ: হাত উপরে তুলে আছে এমন |
| ঊর্ধ্বচারী: উচ্চাকাঙ্ক্ষী | ঊর্ধ্বনেত্র: উদাস দৃষ্টি | ঊর্মিভঙ্গ: সমুদ্রাদির আছড়ে পড়া তরঙ্গ |
| ঊনো বর্ষায় দুনো শীত: যে বছর বৃষ্টি কম হয়, সে বছর শীত বেশি পড়ে | ঊর্ধ্বলোক: স্বর্গ | |
বাগধারা : এ | ||
| এলেবেলে: নিকৃষ্ট | এক ডাকের পথ: কাছাকাছি | এক চোখা: পক্ষপাতিত্ব / পক্ষপাতদুষ্ট |
| এক হাত লওয়া: প্রতিশোধ নেয়া | একা দোকা: নিঃসঙ্গ | এক গোয়ালের গরু: একই শ্রেণিভুক্ত |
| এলকুমি-বেলকুমি: অঙ্গভঙ্গি | এলাহি কাণ্ড: বিরাট আয়োজন | এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো: একই স্বভাবের |
| এক বনে দুই বাঘ : প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী | এণ্ডায় গণ্ডায়: গোঁজামিল দেওয়া | এক কথার মানুষ: দৃঢ় সংকল্প ব্যক্তি |
| এক লহমায় : এক মুহূর্তে | এক ছাঁচে ঢালা: সাদৃশ্য | এককে একুশ করা: অযথা বাড়ানো |
| এসপার ওসপার: মীমাংসা | একা ঘরে গিন্নি: কর্তৃত্ব | একাদশে বৃহস্পতি: সৌভাগ্যের বিষয় / সুসময় |
| এঁড়ে তর্ক: যুক্তিহীন তর্ক | এলতলা-বেলতলা: এদিক-ওদিক | এলাকাঁড়ি: অমনোযোগ দেখানো |
| এক ঢিলে দু'পাখি: এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করা | এক ঢিলে দু'পাখি: এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করা | এক যাত্রায় পৃথক ফল: একই কাজের ভিন্ন প্রাপ্তি |
| এলোপাতাড়ি/এলোপাথাড়ি/এলোধাবাড়ি: বিশৃঙ্খলা | এক মাঘে শীত যায় না: বিপদ একবারই আসে না | |
বাগধারা : ও | ||
| ওষুধ পড়া: প্রভাব পড়া | ঔষধ ধরা: সক্রিয় হওয়া | ওজন বুঝে চলা: আত্মসম্মান রক্ষা করা |
| ওলা-ওঠা প্রতি ঘরে: মহামারি | ওষুধ করা: বশ করা | ওৎ পাতা: সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকা |
| ওলা ওঠা: কলেরা রোগ | ওঝার ঘাড়ে ভূত: বিপদগ্রস্থ কাণ্ডারী | |
বাগধারা : ক | ||
| কাগুজে বাঘ: মিথ্যা জুজু | কাঁচা পয়সা : নগদ উপার্জন | কলির সন্ধ্যা: দুর্দিনের সূত্রপাত হওয়া |
| কেবলা হাকিম: অনভিজ্ঞ | কাঁচা হাত: অপক্ব | কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা: অল্প বয়সে বিগড়ানো |
| কল্কে পাওয়া: পাত্তা পাওয়া | কাঠের পুতুল: নির্জীব / অসার | কাঁঠালের আমসত্ত্ব: অসম্ভব বস্তু / ব্যাপার |
| করাতের দাঁত: উভয় সংকট | কুনো ব্যাঙ: সীমিত জ্ঞান | কৈ মাছের প্রাণ: দীর্ঘজীবী/ যা সহজে মরে না |
| কেতাদুরস্ত: পরিপাটি | কাছা ঢিলা: অসাবধান | কত ধানে কত চাল: টের পাওয়ানো |
| কাঁটার জ্বালা: অসহ্য দুঃখ | কথার কথা: গুরুত্বহীন কথা | কান ভারী করা: কুপরামর্শ দেওয়া |
| কথা দেয়া: অঙ্গীকার করা | কথা চালা: রটনা করা | কুরুক্ষেত্রের কাণ্ড: মহাকলহ / তুলকালাম |
| কাক নিদ্রা: অগভীর সতর্ক নিদ্রা | কেঁচে গণ্ডূষ: নতুন করে আরম্ভ করা | কথা কাটাকাটি করা: বাদ-প্রতিবাদ করা |
| কলুর বলদ: একটানা খাটুনি | কান পাতলা: সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ | কোলে পিঠে মানুষ করা: লালন পালন করা |
| কালে ভদ্রে : কদাচিৎ | কানে তুলো দেয়া: ভ্রুক্ষেপ না করা | কিল খেয়ে কিল চুরি: অপমান সয়ে চুপ থাকা |
| কান কাটা: বেহায়া | কানে খাটো: যে কম শুনতে পায় | কুলে কালি দেয়া: বংশে কলঙ্ক আনা |
| কুল কাঠের আগুন: তীব্র জ্বালা | কান খাড়া করা: মনোযোগী হওয়া | কুম্ভকর্ণের ঘুম / নিদ্রা: দীর্ঘদিনের আলস্য |
| কচ্ছপের কামড় : নাছোড়বান্দা | কড়ায় গণ্ডায়: সম্পূর্ণ / পুরোপুরি | কাকতালীয় ব্যাপার: কার্যকরণহীন ঘটনা |
| কুলোপনা চক্কর: সারহীন আড়ম্বর | কলা দেখানো: ফাঁকি দেয়া | কানে তোলা: কোনো কথা উত্থাপন করা |
| কুড়ের বাদশা: ভয়ানক অলস | কংস মামা: নির্মম আত্মীয় | কমলি ছাড়ে না: নাছোড়বান্দার পাল্লায় পড়া |
| কাকভূষণ্ডি: দীর্ঘায়ু ব্যক্তি | কতশত: অসংখ্য | কাঁচা ধানে মই দেয়া: তৈরি জিনিস নষ্ট করা |
| কথার ফুলঝুরি: বাকপটুতা | কানি খাওয়া: পক্ষপাতিত্ব | ক-অক্ষর গোমাংস: অশিক্ষিত ব্যক্তি/বর্ণ পরিচয়হীন |
| কলমির ঝাড়: বংশে বহু লোক | কচু পোড়া: অখাদ্য | কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা: শত্রু দিয়ে শত্রু নিধন |
| কড়ার ভিখারি: দীন | কড়ি কপালে : ভাগ্যবান | কিলিয়ে কাঁঠাল পাকানো: অসম্ভবকে সম্ভব করা |
| কথার মানুষ: কথা ঠিক রাখে এমন | কপাল ঠুকে লাগা: প্রত্যয় নিয়ে | কড়িকাঠ গনা: কাজ না করে কালহরণ |
| কপোল-কল্পনা: মনগড়া কথা | করে খাওয়া: জীবিকা উপায় পাওয়া | কিল খেয়ে কিল হজম : অপমান গোপন করা |
| কটু কাটব্য: তিরস্কার | কলমি কাপ্তেন: দরিদ্র কিন্তু বিলাসী | কচকচি/কচকচানি: তর্ক-বিতর্ক / বাদ-প্রতিবাদ |
| কাজের থই: কাজের সীমা | কানখড়কে: যার কান খুব সজাগ | কানু ছাড়া গীত নাই: একমাত্র অবলম্বন |
| কায়দা হওয়া: বশে আসা | কার্তিকে ঝড়: অসময়ে ঝড় | কানাগরুর ভিন্ন পথ: অস্থানে সুনির্দেশনা |
| কাট-গোঁয়ার: অত্যন্ত একগুঁয়ে | কাটনার কড়ি: সামান্য উপার্জন | কায়েতের ঘরের ঢেঁকি: অপদার্থ লোক |
| কাবুতে পাওয়া: বাগে পাওয়া | কালাপানি পার: দ্বীপান্তরে যাওয়া | কুমড়ো কাটা বটঠাকুর: অকর্মণ্য লোক |
| কিম্ভুতকিমাকার : অদ্ভুত ও কুৎসিত | কাঁজি ভক্ষণ নামে গোয়ালা: হতভাগ্য | কুমিরের সান্নিপাত: অসম্ভব ব্যাপার |
| কুঁচো বাসন: ছোটখাটো থালাবাটি | কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড: তুমুল হট্টগোল | কলি ফেরানো: দেয়ালে চুনকাম করা |
| কুঁজড়োপনা: ঝগড়াটে স্বভাব | কুবেরের ভাণ্ডার: অফুরন্ত ঐশ্বর্য | কেঁচো যাওয়া: পণ্ড হয়ে যাওয়া |
| কেস কেরোসিন: গুরুতর ব্যাপার | কেল্লা ফতে: জয়লাভ | কপাল ফেরা: সৌভাগ্য লাভ |
| কেঁদো বাঘ: বিশাল বাঘ | কচু বনের কালাচাঁদ: অপদার্থ | কুম্ভীরাশ্রু: মায়াকান্না / কপট অশ্রু |
| কেষ্ট-বিষ্টু: বিশিষ্ট ব্যক্তি | কাষ্ঠ হাসি: কপট হাসি | কৃষ্ণের জীব: দুর্বল ও অসহায় প্রাণী |
| কাকস্নান: অসম্পূর্ণ গোসল | কাজির বিচার: গোঁজামিল বিচার | কপাল কাটা: অদৃষ্ট মন্দ হওয়া |
| কাজের কাজি: উপযুক্ত ব্যক্তি | কাবু করা: শক্তিহীন করা | কাশীলাভ: কাশীতে মৃত্যু এবং স্বর্গলাভ |
| কাটমোল্লা: ধর্মান্ধ মুসলমান | কাঠখোট্টা: নিরস | করদানি করা: বাহাদুরি করা |
| কারিকুরি: প্রতারণা | কালামুখো: নির্লজ্জ | কিপটের জাসু: অত্যন্ত কৃপণ |
| কুঁদু লেপনা: ঝগড়াটে স্বভাব | কেন্নোর আড়ি: একরোখা ভাব | কু ডাকা: অমঙ্গলের আশঙ্কা করা |
| কু চক্করে: কুটিল | ক্যাভাভ্যারাম: কদাকার | কেউ কেটা: সামান্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি (নেতিবাচক) |
| কেঁচো খুঁড়তে সাপ: সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি | কথা দিয়ে কথা নেয়া : কৌশলে মনের কথা বের করা | কলমের খোঁচা: অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে লিখিত আদেশ |
| কালনেমির লঙ্কাভাগ: মাত্রাতিরিক্ত আশা করে নিরাশ হওয়া | কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন: যার যে গুণ নেই সে গুণের ভান করা | কুপমন্ডুক: সীমিত জ্ঞানের মানুষ / সংকীর্ণমনা ব্যক্তি / ঘরকুনো |
| কুনকি হাতি: যে পোষা হস্তিনী বণ্য হাতি ধরতে সাহায্য করে / কৌশলে অন্যকে বশ করা | ||
বাগধারা : খ | ||
| খড়ে দজ্জাল: প্রচণ্ড অত্যাচারী | খণ্ড প্রলয়: তুমুল কাণ্ড | খেরো খাতা: বাজে হিসাবের খাতা |
| খণ্ড কপাল: দুর্ভাগ্য | খাবি খাওয়া: ছটফট করা | খোল নলচে বদলানো: আমুল পরিবর্তন |
| খিচুড়ি পাকানো: জটিল করা | খেজুরে আলাপ: অকাজের কথা | খোদার উপর খোদকারি: অসংগত হস্তক্ষেপ |
| খেউর গাওয়া: গালাগালি করা | খ্যাংরাকাঠি: বিসদৃশরকম রোগা | খইয়ের বন্ধনে পড়া: মুশকিলে পড়া |
| খামকাজ: ভুলকাজ | খুদে রাক্ষস: পেটুক মানুষ | খোদার খাসি: ভাবনা চিন্তাহীন / হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি |
| খুরে খুরে দণ্ডবৎ: হার স্বীকার | খয়ের খাঁ: চাটুকার | খাল কেটে কুমির আনা: নিজ দোষে বিপদে পড়া |
| খাতির জমা: নিরুদ্বিগ্ন | খাতা খোলা: লেনদেন শুরু করা | খেলার ছলে: হালকাভাবে |
| খোসাপুরু: অনুভূতিহীন | ||
বাগধারা : গ | ||
| গণেশ উল্টানো: ফেল মারা | গা করা: উদ্যোগ নেয়া | গজকচ্ছপের লড়াই: প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা |
| গলায় গলায় ভাব: সৌহার্দ্য | গোকুলের ষাঁড়: স্বেচ্ছাচারী / ভবঘুরে | গোদের উপর বিষফোড়াঁ : যন্ত্রণার উপর যন্ত্রণা |
| গা ঢাকা দেয়া: আত্মগোপন করা | গড্ডলিকা প্রবাহ: অন্ধ অনুকরণ | গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো : পরে পরে সমাধান |
| গো-মূর্খ: জড়বুদ্ধি | গণ্ডায় আণ্ডা দেয়া: ফাঁকি দেয়া | গলবস্ত্র হওয়া: বিনীতভাবে অনুরোধ |
| গৌরচন্দ্রিকা: ভূমিকা / ভণিতা | গঙ্গা পাওয়া: মারা যাওয়া | গোবরে পদ্মফুল: নীচ কুলে মহৎ ব্যক্তি |
| গোডিমওয়ালা শিশু: দুধের বাচ্চা | গুণ গাওয়া: প্রশংসা করা | গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো: কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা |
| গয়ংগচ্ছ: ঢিলেমি | গরজ বড় বালাই: প্রয়োজনে গুরুত্ব | গায়ে মানে না আপনি মোড়ল : স্বয়ংসিদ্ধ নেতা |
| গলায় পা দেওয়া: পীড়ন করা | গা তোলা: উঠা | গরিবের ঘোড়া রোগ: অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা |
| গুরুচণ্ডালী: উঁচু-নিচুর সহাবস্থান | গৌরীসেনের টাকা: অফুরন্ত অর্থ | গোবর গণেশ: অকর্মণ্য / নিরেট মূর্খ |
| গণ্ডগ্রাম: বড়গ্রাম / অজপাড়াগাঁ | গোবৈদ্য: আনাড়ি চিকিৎসক | গোঁয়ার গোবিন্দ: নির্বোধ অথচ হঠকারী |
| গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য | গায়ে হাত তোলা: প্রহার করা | গেঁড়াকল: লোককে ঠকাবার কৌশল |
| গলাগলি: ঘনিষ্ঠতা | গোল্লায় যাওয়া: অধঃপাতে যাওয়া | গায়ে পড়া: অনধিকার চর্চা / অযাচিত |
| গোঁফ খেজুরে: নিতান্ত অলস | গোড়ায় গলদ: শুরুতে ভুল | গ্যাঁট হয়ে বসা: অনড় অটল হয়ে বসা |
| গাছপাথর: হিসাব নিকাশ | গলগ্রহ: পরের বোঝা হয়ে থাকা | গঁদের গঁদ: অতিদূর সম্পর্কিত ব্যক্তি |
| গর্দভরাগিণী: কর্কশ সুর | গণ্ডি লাগা: মোটা হওয়া | গুলতানি করা: বাজে আড্ডা দেওয়া |
| গভীর গাড্ডা: গভীর সমস্যা | গররাজি: অনিচ্ছুক | গোষ্ঠির তুষ্টি করা: অনর্থক করা |
| গাঁতের মাল: চোরাই মাল | গাব করা: গায়েব করা | গুবলেট করা: ভেস্তে দেওয়া |
| গুলপট্টি: অশোভন আচরণ | গুলি মারা: তোয়াক্কা না করা | গোলে হরিবল: বিশৃঙ্খলা |
| গরু মেরে জুতো দান: বড় ক্ষতি করে সামান্য পূরণ | গায়ে কাঁটা দেয়া: ভয়ে শিউরে ওঠা / রোমাঞ্চ হওয়া | গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না: নিজ দেশে গুণীর কদর নেই |
| গাছে তুলে মই কাড়া : সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা | গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: প্রাপ্তির পূর্বেই ভোগের আয়োজন | গজেন্দ্রগমন বা গদাই লস্করি চাল: মৃদু মন্থর গমন বা আলসেমি |
| গাছে না উঠতে এক কাঁদি: কাজে অবতীর্ণ হওয়ামাত্র প্রাপ্তির আশা | গোড়ায় কেটে আগায় জল ঢালা: জ্ঞাতসারে ক্ষতি করে পরে সংশোধনের প্রয়াস | |
বাগধারা : ঘ | ||
| ঘা খাওয়া: কষ্ট পাওয়া | ঘাঘু: অভিজ্ঞ / চালাক | ঘোড়া রোগ: সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ |
| ঘাটের মরা: অতি বৃদ্ধ | ঘোড়ার ডিম: অলীক বস্তু | ঘরে আগুন দেয়া: সংসারে বিবাদ বাধানো |
| ঘটিরাম: অপদার্থ / অযোগ্য | ঘর ভাঙানো: সংসার বিনষ্ট করা | ঘরের শত্রু বিভীষণ: যে গৃহে বিবাদ করে |
| ঘরভেদী বিভীষণ: কপট স্বজন | ঘোড়ার ঘাস কাটা: বাজে কাজ করা | ঘর থাকতে বাবুই ভিজা : সুযোগ থাকতে নষ্ট |
| ঘুঘু চরানো: সর্বনাশ করা | ঘোড়ার ঘাস কাটা: বাজে কাজ করা | ঘাট মানা: অন্যায় স্বীকার করা |
| ঘুমগড়ে: ঘুমকাতুরে | ঘাড়ে-গর্দানে: অত্যন্ত মোটা | ঘুণ হওয়া: দক্ষতা লাভ করা |
| ঘা খাওয়া: আঘাত পাওয়া | ঘেঁষ দেয়া: আমল দেয়া | ঘণ্টাগরুড়: অকর্মণ্য লোক |
| ঘোড়ার কামড়: দৃঢ় পণ | ঘরাঘরি: নিজেদের মধ্যে | ঘরের ঢেঁকি কুমীর: বলিষ্ঠ ও ভোজনপটু অথচ অলস |
| ঘরপোড়া গরু: বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি | ঘর জ্বালানো পর ভুলানো: আত্মীয়ের কষ্টদায়ক অথচ অপরের প্রিয় | ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো: ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কর্ম করা |
| ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়া: আরামের সম্ভাবনা দেখে পরিশ্রম ত্যাগ | ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া: মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা | |
বাগধারা : চ | ||
| চিনির পুতুল: শ্রমকাতুরে | চোখ কপালে তোলা: বিস্মিত হওয়া | চিনির বলদ: নিম্ফল পরিশ্রম / পরিশ্রম কাতর |
| চুনকালি দেয়া: কলঙ্ক দেয়া | চোখের মণি: অত্যন্ত প্রিয় বস্তু | চোখের মাথা খাওয়া: না দেখতে পাওয়া |
| চোরাবালি: অদৃশ্য বিপদাশঙ্কা | চোখের নেশা: রূপের মোহ | চশমখোর: সম্পূর্ণ বেহায়া / নির্লজ্জ |
| চোখ পাকানো: ক্রুদ্ধ হওয়া | চটকের মাংস: সামান্য জিনিস | চোখের চামড়া / পর্দা: চক্ষুলজ্জা |
| চড়কগাছ: অত্যন্ত দীর্ঘকায় | চাঁদ কপালে : ভাগ্যবান | চতুর্ভুজ হওয়া: উৎফুল্ল হওয়া |
| চর্বিত চর্বণ: পুনরাবৃত্তি | চোদ্দবুড়ি: প্রচুর | চড়ুই পাখির প্রাণ: ক্ষীণজীবী লোক |
| চোখ নাচা: শুভাশুভের লক্ষণ | চেটেনেটে: কমবয়সী বধূ | চুলের টিকি না দেখা যাওয়া: অদর্শন হওয়া |
| চাপান-উতোর: পারস্পরিক সন্দেহ | চোখের বালি: শত্রু / অপ্রিয় ব্যক্তি | চক্ষুকর্ণের বিবাদ ভঞ্জন: নিঃসন্দেহ হওয়া |
| চক্ষের পুতলি: আদরের ধন | চাচা আপন প্রাণ বাঁচা: স্বার্থপর | চক্ষু চড়কগাছ: বিস্ময়ে চোখ বড় হওয়া |
| চাঁদের হাট: প্রিয়জনের সমাগম | চুনোপুঁটি: সামান্য লোক | চুল পাকানো: অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা |
| চক্ষুদান করা: চুরি করা | চোখে ধুলো দেওয়া: ঠকানো | চোরা রাত: চুরি করার পক্ষে প্রশস্ত |
| চিনে জোঁক: নাছোড়বান্দা | চকরা কানা: চোখ থেকেও কানা | চিচিং ফাঁক: গোপন রহস্যের প্রকাশ |
| চারা না থাকা: গতি না থাকা | চণ্ডালের রাগ: অত্যন্ত রাগ | চোখে সরষে ফুল দেখা: বিপদে দিশেহারা হওয়া |
| চোখে ঠুলি পরা: উপেক্ষা করা | চিত্রগুপ্তের খাতা: যে খাতায় সবকিছু পাওয়া যায় | চড় মেরে গড় করা: আগে অপমান করে শেষে সম্মান |
বাগধারা : ছ | ||
| ছ কড়া ন কড়া: সস্তা দর | ছারখার হওয়া: ধ্বংস হওয়া | ছাগল টাঙানো: লম্বা জায়গা নেওয়া |
| ছা-পোষা: অত্যন্ত গরিব | ছুঁচোর কেত্তন: অবিরাম কলহ | ছয়কে নয় নয়কে ছয় : অপচয় করাছিনিমিনি |
| ছামনি নাড়া: দৃষ্টি বিনিময় | ছিঁচ কাঁদুনে: অল্পেই কাঁদে এমন | ছেলের হাতের মোয়া: সহজলভ্য বস্তু |
| ছাঁদনা তলা: বিবাহের মণ্ডপ | ছক কাটা: পূর্ব পরিকল্পনা | ছাতা দিয়ে মাথা রাখা : বিপদে সাহায্য করা |
| ছটকে পড়া: বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া | ছটফটানি: অস্থিরতা / উদ্বিগ্ন | ছক্কা পাঞ্জা করা: লম্বা লম্বা কথা বলা |
| ছব্বা: রূপ / মুখশ্রী | ছরকট: বিশৃঙ্খলা | ছাতরা-ভাতরা: নোংরা / এলোমেলো |
| ছাই করা: কাজ পণ্ড করা | ছলাপাতা: ছলনা করা | ছাতি ফাটা: তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাওয়া |
| ছাতি ঠোকা: আস্ফালন করা | ছিরিছাঁদ: সৌন্দর্য | ছেঁড়া মামলা: তুচ্ছ কিন্তু ঝঞ্ঝাটপূর্ণ ব্যাপার |
| ছুট করানো: পরিশ্রম করানো | ছেঁকে ধরা: ঘিরে ধরা | ছেঁড়া চুলে খোঁপা বাধা: পরকে আপন করার চেষ্টা |
| ছেঁড়াখোঁড়া: ছিন্নবিচ্ছিন্ন | ছেঁদো কথা: অসার বা বাজে কথা | ছেঁড়া কথা: বাজে কথা / অর্থহীন বা অসার কথা |
| ছেনালি: নারীর নষ্টামি | ছোটঘর: নীচ বংশ | ছেঁদামালা: অপব্যয়ী লোক |
| ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা: সামান্য স্বার্থে দুর্নামের অর্জন | ছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো: সামান্যের বিশেষ প্রয়োজন | ছাই চাপা আগুন: অপ্রকাশিত প্রতিভা / গোপন গুণ |
বাগধারা : জ | ||
| জগদ্দল পাথর: গুরুভার | জিলাপির প্যাঁচ: কুটিলতা | জগাখিচুড়ি পাকানো: গোলমাল বাধানো |
| জলাঞ্জলি দেয়া: বিসর্জন দেয়া | জড়ভরত: নিষ্ক্রিয় ব্যক্তি | জাহান্নামে যাওয়া: গোল্লায় যাওয়া |
| জবড়জং: এলোমেলো | জলভাত: সহজলভ্য | জলে কুমির ডাঙায় বাঘ: উভয় সঙ্কট |
| জলযোগ: হালকা খাবার | জলপান: হালকা খাবার | জলগ্রহণ না করা: সম্পর্ক না রাখা |
| জলপানি: বৃত্তি | জলের দাগ: ক্ষণস্থায়ী | জাত খাওয়া: জাতিভ্রষ্ট করা / জাতি নষ্ট করা |
| জক (জগ) দেওয়া: ঠকানো | জিগির তোলা: ধ্বনি দেওয়া | জামাই আদর: প্রচুর আদর-যত্ন |
| জীয়ন্তে মারা: জীবনৃত | জোড়ের পায়রা: ঘনিষ্ঠ বন্ধু | জুয়াচুরি / জোচ্চরি: লোক ঠকানো |
| জান কবুল: প্রাণপণ চেষ্টা | জরদগব: অপদার্থ | জো-হুকুম / জো-হুজুর: তোষামোদকারী |
| জেলঘুঘু: যে ব্যক্তি বারবার জেল খাটে | জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ: ছোটবড় সব কাজ | |
বাগধারা : ঝ | ||
| ঝাড়েবংশে: সবসুদ্ধ | ঝালাপালা: কর্ণপীড়া | ঝড়ো কাক: দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তি / বিপর্যস্ত অবস্থা |
| ঝাঁকের কৈ: একই দলের লোক | ঝিঙেফুল ফোটা: আয়ু ফুরিয়ে আসা | ঝোলে অম্বলে এক করা: মিশিয়ে ফেলা |
| ঝাঁকি দর্শন: ক্ষণিক দেখা | ঝড়তি-পড়তি: ছোটখাটো অংশ | ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ মতো কাজ করা |
| ঝোলের লাউ অম্বলের কদু: সব পক্ষের মন জুগিয়ে চলা | ঝরাপাতা: জীর্ণশীর্ণ লোক / গুরুত্বহীন বা বাতিল হয়ে যাওয়া লোক | ঝিকে মেরে বউকে শেখানো : একজনের মাধ্যমে অপরকে শিক্ষাদান |
বাগধারা : ট | ||
| টইটম্বুর: ভরপুর | টাকার আন্ডিল: প্রভৃত বিত্ত | টক্কর দেয়া: প্রতিযোগিতা করা |
| টাকার গরম: ধনের অহংকার | টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া | টানাপোড়েন: দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থা / উভয়সঙ্কট |
| টীকাভাষ্য: দীর্ঘ আলোচনা | টাকার কুমির: বিত্তশালী | টিমে তেতালা: অতিশয় মন্থর গতি |
| টুলো পণ্ডিত: পুঁথিগত বিদ্যাসার | টাকাটা সিকিটা: খুব সামান্য টাকা | টেক্কা দেয়া / টেক্কা মারা : পরাজিত করা |
| টুপ ভুজঙ্গ: নেশায় বিভোর | টেন্ডাই-মেন্ডাই: আস্ফালন | চেংরাগেটে: বেঁটে ও মোটাসোটা |
| টেকে গোঁজা: আত্মসাৎ করা | টুপি পরানো: খোসামোদ করা | টাল সামলানো: বিপদ হতে মুক্তি |
| টনটনে: অত্যন্ত সতর্ক | টপ্পা মারা: দায়িত্বহীন জীবন | টসকানো: স্বাস্থ্য খারাপ হওয়া |
| টাল যাওয়া: মৃতপ্রায় লোক | টালাটালি: নাড়ানাড়ি | টাকার শ্রাদ্ধ: প্রচুর টাকা অপব্যয় |
| টুসকির মাল: ভঙ্গুর জিনিস | টেরিয়ে যাওয়া: অবাক হওয়া | টুকনি হাত করা: নিঃস্ব হওয়া |
| টেপাগোঁজা: চাপাচাপি | টুলোপণ্ডিত: টোলের শিক্ষক | টেরি কাটা: মাথার চুলে সিঁথি করা |
বাগধারা : ঠ | ||
| ঠুটো জগন্নাথ: অকর্মণ্য | ঠোঁট ফুলানো: অভিমান করা | ঠেলার নাম বাবাজী: চাপ পড়ে কাবু |
| ঠেক খাওয়া: বাধা পাওয়া | ঠোঁট কাটা: স্পষ্টভাষী | ঠাট বজায় রাখা: অভাব চাপা রাখা |
| ঠোলাপাতি: বনভোজন | ঠারে ঠারে: ইঙ্গিতে | ঠেকা মেয়ে: চিরকুমারী |
| ঠাঁই নাড়া: জায়গা বদল | ঠাড়মোড়: ভয়ে আড়ষ্ট | ঠোঁট উল্টানো: বড় করা / গর্ব করা |
| ঠাড়াঠাড়ি: চোখের ইশারা | ঠুকে দেওয়া: প্রহার করা | ঠাণ্ডা লড়াই: গোপনে বিরোধিতা |
| ঠোঁট টেপা: মুখ বন্ধ করা | ঠ্যাটা: একগুঁয়ে / অবাধ্য | ঠাটঠকম: হাবভাব / চালচলন |
| ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় : পরিণামে শূন্য লাভ / আদর্শহীনতার প্রাচুর্য | ||
বাগধারা : ড | ||
| ডাকাবুকো : দুরন্ত / নির্ভীক | ডামাডোল: গোলযোগ | ডান (দক্ষিণ) হাতের ব্যাপার: ভোজন |
| ডুমুরের ফুল: বিরল বস্তু | ডকে ওঠা: নষ্ট হওয়া | ডুবে ডুবে জল খাওয়া: গোপনে কাজ করা |
| ডিমে রোগা : চির রুগ্ন | ডকে তোলা: বাতিল বা নষ্ট করা | ডানাকাটা পরি: পরমা সুন্দরী (ব্যঙ্গার্থে) |
| ডঙ্কা মারা: বড় গলায় বলা | ডবকে ওঠা: যৌবনপ্রাপ্ত হওয়া | ডাকা দেওয়া / ডাকা মারা: ডাকাতি করা |
| ডানপিটে: দুরন্ত / দুঃসাহসিক | ডিগডিগে: অত্যন্ত কৃশ বা সরু | ডিমে রোগা: ছেলেবেলা থেকেই রোগা |
| ডাকের সুন্দরী: অত্যন্ত সুন্দরী | ডগিডগি: কচি বা জালি ডগাবিশিষ্ট | ড্যাব ড্যাব: বড় বড় ও ভাষাহীন চোখের ভাব |
| ডাইনে আনতে বাঁয়ে কুলোয় না: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি | ডাইনির কোলে ছেলে সঁপা: ভক্ষককেই রক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া | |
বাগধারা : ঢ | ||
| ঢাক পেটানো: প্রচার করা | ঢেঁকির কচকচি: কলহ | ঢাকের বাঁয়া: মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয় |
| ঢাকের কাঠি: তোষামুদে | ঢাকে কাঠি পড়া: সূচনা হওয়া | ঢলাঢলি: পরস্পর কেলেঙ্কারি |
| টেটরা পেটা: ব্যাপক প্রসার | ঢেঁকি অবতার: নির্বোধ লোক | ঢেরা সই: নিরক্ষর লোকের সই |
| ঢেউগোনা: অকাজে সময় নষ্ট | ঢেঁকির কুমির: অপদার্থ | ঢিমে তালে চলা: ধীরে ধীরে চলা |
| ঢি ঢি পড়া: কলঙ্ক | ঢং টাঙাতি: লম্পট / প্রতারক | ঢাক পড়ে যাওয়া: চারদিকে প্রচার হওয়া |
| ঢনা-ধরা: অন্তঃসারশূন্য | ঢং করা: ন্যাকামি করা | ঢক্কা নিনাদ / ঢাক বাজানো : উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা |
| ঢুলুঢুলু: তন্দ্রালুতা | ঢিমে তেতালা: মৃদুগতি | ঢেপসা / ঢ্যাপসা : বেমানান রকমের মোটা |
| ঢাক ঢাক গুড় গুড়: লুকোচুরি / গোপন রাখার প্রয়াস | ঢেঁকি না কুলো / না ঢেঁকি না কুলো: অন্নসংস্থানের উপায় না থাকা | ঢিপির মাকাল: দেখতে সুন্দর বা হৃষ্ট হলেও আসলে অকর্মণ্য বা গুণহীন |
বাগধারা : ঢ | ||
| তুর্কি নাচন: নাজেহাল অবস্থা | তিলকে তাল করা: অতিরঞ্জিত করা | তেলে বেগুনে জ্বলা: ক্রোধে অগ্নিশর্মা হওয়া |
| তাক লাগা: আশ্চর্য হওয়া | ত-খরচ: বাজে খরচ | তীর্থের কাক: সাগ্রহে প্রতীক্ষাকারী |
| তোলা হাঁড়ি: গম্ভীর | তামার বিষ: অর্থের কুপ্রভাব | তক্কে তক্কে থাকা: গোপনে সতর্ক থাকা |
| তুলসী বনের বাঘ: ভণ্ড | তালকানা: বেতাল হওয়া | তেল নুন লাকড়ি: মৌলিক প্রয়োজন |
| তয়নাত করা: স্থির করা | তেল কাজলা: চকচকে | তারে নাচন: দুরবস্থার একশেষ |
| তিনঠণ্ডে: লাঠিহাতে বুড়ো | তাসের ঘর: ক্ষণস্থায়ী বস্তু | তালপাতার সেপাই: অতিশয় দুর্বল |
| তুষের আগুন: দগ্ধকারী দুঃখ | ত্রিশম্ভুদশা: দোটানা অবস্থা | তিন মাথা এক হওয়া: খুব বৃদ্ধ হওয়া |
| তুবড়ি ছোটা: বেশি কথা বলা | তেল বাড়া: অহংকার | তাথৈ তাথৈ নাচা: আনন্দে উদ্বেল হওয়া |
| তাল সামলানো: শেষ রক্ষা | তেলও কম ভাজাও মচমচে অল্প উপকরণে ভালো ব্যবস্থা | তরবেতর: নানারকম |
| তালগাছের আড়াই হাত: কোনো কাজের শেষ ও সবচেয়ে কঠিন অংশ | ||
বাগধারা : ত | ||
| তুর্কি নাচন: নাজেহাল অবস্থা | তিলকে তাল করা: অতিরঞ্জিত করা | তেলে বেগুনে জ্বলা: ক্রোধে অগ্নিশর্মা হওয়া |
| তাক লাগা: আশ্চর্য হওয়া | ত-খরচ: বাজে খরচ | তীর্থের কাক: সাগ্রহে প্রতীক্ষাকারী |
| তোলা হাঁড়ি: গম্ভীর | তামার বিষ: অর্থের কুপ্রভাব | তক্কে তক্কে থাকা: গোপনে সতর্ক থাকা |
| তুলসী বনের বাঘ: ভণ্ড | তালকানা: বেতাল হওয়া | তেল নুন লাকড়ি: মৌলিক প্রয়োজন |
| তয়নাত করা: স্থির করা | তেল কাজলা: চকচকে | তারে নাচন: দুরবস্থার একশেষ |
| তিনঠঙে: লাঠিহাতে বুড়ো | তাসের ঘর: ক্ষণস্থায়ী বস্তু | তালপাতার সেপাই: অতিশয় দুর্বল |
| তুষের আগুন: দগ্ধকারী দুঃখ | ত্রিশঙ্কুদশা: দোটানা অবস্থা | তিন মাথা এক হওয়া: খুব বৃদ্ধ হওয়া |
| তুবড়ি ছোটা: বেশি কথা বলা | তেল বাড়া: অহংকার | তাথৈ তাথৈ নাচা: আনন্দে উদ্বেল হওয়া |
| তাল সামলানো: শেষ রক্ষা | তাল সামলানো: শেষ রক্ষা | তেলও কম ভাজাও মচমচে: অল্প উপকরণে ভালো ব্যবস্থা |
| তরবেতর: নানারকম | তালগাছের আড়াই হাত : কোনো কাজের শেষ ও সবচেয়ে কঠিন অংশ | |
বাগধারা : থ | ||
| থ বনে যাওয়া: স্তম্ভিত হওয়া | থানা পুলিশ করা: নালিশ করা | থতমত খাওয়া: কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া |
| থুরে দেওয়া: জব্দ করা | থৈ পাওয়া: সীমা পাওয়া | থোড়াই কেয়ার করা: গ্রাহ্য না করা |
| থরহরি কম্প: ভয়ে প্রচণ্ড কাঁপা | থ পাতা: স্থায়ীভাবে কিছু করা | থমক লাগা: থমকে যাওয়া / চমক লাগা |
| থাউকি বেলা: বিকালবেলা | থোবড়া নাড়া: বিশ্রীভাবে মুখ নাড়া | থাতামুতা / থাতামুতো: জোড়াতালি দেওয়া |
| থোর বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোর: একঘেয়ে ব্যাপার | ||
বাগধারা : দ | ||
| দা-কুমড়া: অহিনকুল / শত্রুতা | দস্ত-ব-দস্ত: হাতে-হাতে | দুধে ভাতে থাকা: ভোগে বা ঐশ্বর্যে থাকা |
| দক্ষযজ্ঞ: ব্যাপক আয়োজন | দুধের মাছি: সুসময়ের বন্ধু | দাঁও মারা: মোটা অংক লাভ করা |
| দহরম মহরম: অন্তরঙ্গতা | দু'কান কাটা: বেহায়া | দৈত্যকুলে প্রেহ্লাদ: খারাপ বংশে ভালো মানুষ |
| দানোয় পাওয়া: ভুতে পাওয়া | দড়ি-কলসি: আত্মহত্যার উপায় | দিগ্ধেড়েঙ্গা: বেমানান রকমের লম্বা |
| দফা নিকেশ: সমূহ সর্বনাশ | দহলা-নহলা করা: ইতস্তত করা | দাঁতে দড়ি দিয়ে পড়ে থাকা: অনাহারে থাকা |
| দেঁতো হাসি: কৃত্রিম হাসি | দহলা-নহলা করা: ইতস্তত করা | দুধে-ভাতে থাকা: ভালোভাবে থাকা |
| দিন ফুরানো: আয়ু শেষ | দু নৌকায় পা: উভয় সংকট | দক্ষিণার জোরে: টাকা পয়সা দিয়ে |
| দঁক ভাঙা : জলকাঁদা ভাঙা | দড়েবড়ে: তাড়াহুড়ো করে এমন | দাঁতে কুটো করা: হীনভাবে জীবনযাপন করা |
| দলাই মলাই: অঙ্গমর্দন | দশকথা: নানারকম কটু কথা | দিন ঘনানো: সুখের দিন শেষ হওয়া |
| দশবাই চণ্ডী: রাগী স্ত্রীলোক | দাতাকর্ণ: উদার ও দানশীল | দেবদ্বিজ মানা: ধর্মে বিশ্বাস থাকা |
| দায়-দৈব: ছোট-বড় সমস্যা | দিগ্গজ পণ্ডিত: বড় পণ্ডিত | দয়ে মজানো: বিপদে ফেলা / সর্বস্বান্ত করা |
| দিশপাশ: কুলকিনারা / সীমা | দুধের ছেলে: কচি ছেলে | দিনগত পাপক্ষয়: গতানুগতিকভাবে দিনাতিপাত করা |
| দুয়ো দেয়া: তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা | দুরমুশ করা: প্রহার করা | দাঁড়কাকের ময়ূরপুচ্ছ: অনুকরণের হাস্যকর চেষ্টা |
| দন্তস্ফুট করা: কঠিন বিষয়ে প্রবেশ | দোল-দুর্গোৎসব: আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান | দুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষা: যত্ন করে শত্রু পোষা |
| দোজবরে: দ্বিতীয়বার যে বিয়ে করতে চায় বা করেছে | দুধের সাধ ঘোলে মিটানো : ভালোর অভাব মন্দ দিয়ে পূরণ | দু'মুখো সাপ: দু'জনকে দু'রকম কথা বলে শত্রুতা সৃষ্টিকারী |
| যেমন দান তেমন দক্ষিণা: কম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিকৃষ্ট কাজ | দোপড়া: এক জায়গায় বিয়ে স্থির হওয়ার পরে বা প্রাক্বিাহ অনুষ্ঠানের পর অন্য জায়গায় বিয়ে | |
বাগধারা : ধ | ||
| ধোপার গাধা: পরের জন্য খাটা | ধনুর্ভঙ্গ পণ: কঠিন প্রতিজ্ঞা | ধাপার মাঠ: আবর্জনা ফেলার স্থান |
| ধর লক্ষ্মণ: অতি অনুগত | দুধে ধোয়া তুলসীপাতা: নির্দোষ | ধড়ে প্রাণ আসা: বিপদ থেকে উদ্ধার |
| ধুয়ো তোলা: অজুহাত বের করা | ধরতাই বুলি: চালু কথা | ধান দিয়ে লেখাপড়া শেখা: নামমাত্র খরচ |
| ধড়া-চূড়া: সাজপোশাক | ধোপার গাধা: ভারবাহী | ধোপা নাপিত বন্ধ করা: একঘরে করা |
| ধর্মের কল: সত্য | ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির: অত্যন্ত ধার্মিক | ধরি মাছ না ছুই পানি: কৌশলে কার্যোদ্ধার |
| ধাষ্টামি: দুঃসাহস / আস্পর্ধা | ধামাধরা: চাটুকারিতা/তোষামোদকারী | ধর্মের ষাঁড়: স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি/অপদার্থ/অকর্মণ্য |
| ধুন্ধুমার: তুমুল কাণ্ড | ধিনিকেষ্ট: দায়িত্বপালনহীন ব্যক্তি | ধুমুল দেয়া / ধুমুল পেটানো: প্রচার করা |
| ধ্যাড়ানো: কাজ পণ্ড করা | ধুমড়ো লোচন: কিম্ভুত ধরনের লোক | ধোঁকার টাটি: প্রতারণার উপরের আবরণ |
| ধোয়ানো: তিরস্কার ও গালমন্দ করা | ধেবড়ে যাওয়া: অবিন্যস্ত হয়ে যাওয়া | ধোপে টেকা: সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া |
| ধনুর্ভঙ্গ পণ: কঠোর প্রতিজ্ঞা | ধানাই-পানাই: আবোল তাবোল কথা | ধেয়ে নাচনি: কোনো কাজ করে না এমন স্ত্রীলোক |
| ধান ভানতে শিবের গীত: অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা | ধরাকে সরা জ্ঞান করা: অহঙ্কারে সব কিছুকে তুচ্ছ মনে করা | |
বাগধারা : ন | ||
| ন কড়া ছ কড়া: হেলাফেলা | নেই আঁকড়া: একগুঁয়ে | নাক ডুবানো: গৌরব বিসর্জন দেওয়া |
| নয় ছয়: অপচয় / অপব্যয় | ননীর পুতুল: শ্রমবিমুখ | নদের চাঁদ: সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ |
| নাক সিটকানো: অবজ্ঞা করা | নবমী দশা: মূর্ছা | নিরানব্বইয়ের ধাক্কা: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি |
| নাটের গুরু: মূলনায়ক | নাড়াবুনে: মূর্খ | নরক গুলজার: অনেকে জুটে সরগরম |
| ন-দুয়ারি: দ্বারে দ্বারে | নখদর্পণে: পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আয়ত্ত | ন মাসে-ছ মাসে: কালে-ভদ্রে |
| নাচতে নেমে ঘোমটা: বৃথা লজ্জা | নারদের ঢেঁকি: বিবাদের বিষয় | নুড়ো জ্বেলে দেওয়া: মৃত্যু কামনা করা |
| নোলা বাড়ানো: লোভ করা | নগদ নারায়ণ: নগদ অর্থ | নকশা করা: তামাশা করা / ন্যাকামি করা |
| নজর দেওয়া: কুদৃষ্টি | নিমরাজি: আংশিক স্বীকার করা | নিজের ঢাক নিজে পেটানো: আত্মপ্রকাশ |
| নটখট / নটখটি: গোলমাল | নটঘট / নটঘটি: কেলেঙ্কারি / নষ্টামি | নিজের কোলে ঝোল টানা চরম: স্বার্থপরতা |
| নন্দভূঙ্গি: আদুরে / অকর্মণ্য | ননদী ভূলী: কুকর্মের সাথী | নয়দুয়ারি: দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে এমন |
| নাক উঁচানো: অবজ্ঞা প্রকাশ করা | নব কার্তিক: সুদর্শন কিন্তু অকর্মণ্য | নবমীর পাঁঠা: প্রাণভয়ে ভীত ব্যক্তি |
| নাকাল হওয়া: জব্দ হওয়া | নাগাড় মারা: শেষ করা | নাদাপেটা: মস্ত ভুঁড়িওয়ালা |
| নাড় গোপাল: আদুরে ছেলে | নালায়েক: অক্ষম / অপদার্থ | নিকুচি করা: শেষ করা / দফারফা |
| ন্যাতপ্যাত: নরম | নেংটি পড়া: অত্যন্ত দরিদ্র | নাম কাটা সেপাই: কর্মচ্যুত ব্যক্তি |
| নবাবী চাল: অতিরিক্ত বিলাসিতা | নিশপিশ করা: অস্থির বা চঞ্চল হওয়া | নিজের চরকায় তেল দেওয়া: নিজের কাজে মন দেওয়া |
| নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা: নিজের অনিষ্ট করেও পরের ব্যাপক ক্ষতি করা | ||
বাগধারা : প | ||
| পুকুর চুরি: বড় রকমের চুরি | পগার পার হওয়া: পলায়ন করা | পঞ্চমুখ: প্রশংসায় মুখরিত হওয়া |
| পটল তোলা: মারা যাওয়া | পাথরে পাঁচ কিল: সুখের সময় | পরশুরামের কুঠার: সর্বসংহারক অস্ত্র |
| পেটে ভাতে: শুধু আহার্য | পি পু ফি শু: অত্যন্ত অলস | পান থেকে চুন খসা: সামান্য ত্রুটি হওয়া |
| পান্তা ভাতে ঘি: অপব্যবহার | পায়াভারী: অহংকার | পুঁটি মাছের প্রাণ: ক্ষুদ্র প্রাণ / ক্ষীণজীবী |
| পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হওয়া: মারা যাওয়া | পোয়াবারো: সুসময় | পুরনো কাসুন্দি ঘাটা: অপ্রীতিকর আলোচনা |
| পালের গোদা: দলপতি | পশ্চিমদিকে সূর্য উঠা: অসম্ভব ব্যাপার | পাণ্ডবর্জিত: সভ্য লোকের বাসের অযোগ্য |
| পত্রপাঠ: তৎক্ষণাৎ / অবিলম্বে | পরঘড়ি পান্তা মারি: হাড়হাভাতে লোক | পাষাণ ভাঙা: দাঁড়িপাল্লায় ফের ভাঙা |
| পয়লা নম্বর: অতি চমৎকার | পায়ে রাখা: আশ্রয় দেওয়া | পট্টি দেয়া / পট্টি মারা: বাজে কথা বলা |
| পাকে-প্রকারে: কলে-কৌশলে | পুঁথি বাড়ানো: ফেনিয়ে বর্ণনা করা | পারের কড়ি: পরকালের জন্য সঞ্চিত সম্বল |
| পটের বিবি: সুসজ্জিত | পয়মন্ত: সুলক্ষণযুক্ত | পেটের শত্রু: যে সন্তান মায়ের দুঃখের কারণ |
| পাঁকে পড়া: বিপদে পড়া | পয়মাল হওয়া: নষ্ট হয়ে যাওয়া | পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা: বিনা পরিশ্রমে প্রাপ্ত |
| পাঁচ কথা: কটু কথা | পাঁচকান করা: প্রচার করা | পিঁপড়ের পেট টেপা: অত্যধিক হিসাব করে চলা |
| পাঁতা করা বা দেয়া: আড়িপাতা | পাট তোলা: কারবার গুটানো | পুঁইয়ে পাওয়া: শীর্ণতা / রোগগ্রস্ত |
| পাথালিকোলা: আড়তোলা | পিণিগেলা: অনিচ্ছায় খাওয়া | পর্বতের মূষিক প্রসব: বিরাট সম্ভাবনার সামান্য প্রাপ্তি |
| পেটের কথা: মনের কথা | পেঁয়াজি করা: ফাজলামো করা | পাকা চুলে সিঁদুর পরা: বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত সধবা থাকা |
বাগধারা : ফ | ||
| ফপর দালালি: অতিরিক্ত চালবাজি | ফাঁদে পা দেয়া: ষড়যন্ত্রে পড়া | ফেউ লাগা: কাউকে ক্রমাগত বিরক্ত করা |
| ফেঁপে ওঠা: ধনবান হওয়া | ফোঁড়ন দেওয়া: টিপ্পনী কাটা | ফুলের আঘাত: সামান্য দুঃখ কষ্ট |
| ফেকলু পার্টি: কদরহীন লোক | ফুটিফাটা: চৌচির | ফতো নবাব: সম্বলহীনের বড়লোকিভাব |
| ফোঁস মনসা: ক্রোধী লোক | ফরদা ফাঁই: ছিন্নভিন্ন | ফক্কা করা: নিঃশেষ করা / অপচয় করা |
| ফাঁটা কপাল: মন্দভাগ্য | ফেউ লাগা: পিছনে লেগে বিরক্ত করা | ফিকির খোঁজা: উপায় বা সুযোগ খোঁজা |
| ফেরফার: কৌশল / মারপ্যাঁচ | ফেলাছড়া: অপচয় / অপব্যয় | ফোঁড়ন দেয়া বা কাটা: উত্তেজনাকর টিপ্পনী কাটা |
| ফোর টুয়েন্টি: ধাপ্পাবাজ | ফুলবাবু: বিলাসী বা সৌখিন লোক | ফুটো পয়সার লড়াই: সামান্য বিষয় নিয়ে বিবাদ |
| ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যাওয়া: সামান্য পরিশ্রমে কাতর | ফোপর-দালাল: উপযাচক হয়ে অন্যের ব্যাপারে কথা বলা | |
বাগধারা : ব | ||
| বিন্দু বিসর্গ: সামান্যতম | বাঘের মাসি: আরামপ্রিয় ব্যক্তি | বিনা মেঘে বজ্রপাত: আকস্মিক বিপদ |
| বইয়ের পোকা: পড়ুয়া | বারো ভূত: আত্মীয় লোকজন | বাঘের আড়ি: নাছোড়বান্দা / দুশমনি |
| বাঁ হাতের ব্যাপার: ঘুষ গ্রহণ | বাঘের দুধ (চোখ): দুঃসাধ্য বস্তু | বাঘের আড়ি: গোয়ার্তুমি / প্রবল জেদ |
| বারো মাস ত্রিশদিন: প্রতিদিন | বিষের পুঁটলি: হিংসুটে / বিদ্বেষী | বক ধার্মিক / বিড়াল তপস্বী: ভণ্ড সাধু |
| বাড়া ভাতে ছাই: আশা ভঙ্গ | বক দেখানো: অশোভন বিদ্রুপ করা | বিসমিল্লায় গলদ: গোড়ায় গলদ/শুরুতে ভুল |
| ব্যাঙের সর্দি: অসম্ভব ঘটনা | বড়র পিরীতি বালির বাঁধ: ভঙ্গুর | ব্যাঙের আধুলি: সামান্য ধনে অহংকার |
| বালির বাঁধ: ক্ষণস্থায়ী বস্তু | বর্ণচোরা: কপটচারী | বুদ্ধির ঢেঁকি: নিরেট মূর্খ / নির্বোধ লোক |
| বর্ণচোরা আম: কপট ব্যক্তি | বসন্তের কোকিল: সুসময়ের বন্ধু | বিড়ালের খুদ: শ্রদ্ধার সামান্য উপহার |
| বউ-কাঁটকি: পুত্রবধূকে যন্ত্রণা দেয় | বচনবাগীশ: কথায় পটু | বয়সের গাছ-পাথর না থাকা: অত্যন্ত বৃদ্ধ |
| বারো সতেরো : খুঁটিনাটি | বাহাত্তরে ধরা: মতিচ্ছন্ন হওয়া | বেগার ঠেলা: বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করা |
| বিরাশি সিক্কা ওজন: বিপুল ওজন | বগল বাজানো: আনন্দ প্রকাশ করা | বারো মাসে তেরো পার্বণ: উৎসবের আধিক্য |
| বুড়ো বয়সে চূড়াকরণ: খোকামি | বুড়ি ছোঁয়া: নামমাত্র নিয়ম পালন | বানরের গলায় মুক্তার হার: অপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান |
| বরাখুরে বদমাশ: / শুয়োরখেকো | বয়ে যাওয়া: ক্ষতিবৃদ্ধি জ্ঞান না করা | বামনের গরু: যে অল্প পারিশ্রমিকে বেশি কাজ করে |
| বড় মিঞা: বাঘ | বলিহারি: অপূর্ব / চমৎকার | বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধা: বিপদের ঝুঁকি নেয়া |
| বাঘে ছুলে আঠার ঘা: মারধর | বুকের পাটা: সাহস | বেনাবনে মুক্তো ছড়ানো: অপাত্রে মূল্যবান জিনিস |
| বাগে পাওয়া: কায়দায় পাওয়া | বাঘা-বাঘা: বিরাট | বামন হয়ে চাঁদে হাত: অসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা |
| বারফট্টাই: বড়াই | বাপান্ত করা: গালাগালি করা | ব্যাঙের লাথি: নগণ্য লোকের দ্বারা অপমান |
| বাস্তুঘুঘু: অতি ধূর্ত লোক | বেলেল্লাপনা: অসভ্য আচরণ | বুকে চড়া: আক্রমণ করা |
| বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো: সরল লোককে প্রতারিত করা | বয়স ফোঁড়া: যৌবনের সূচনালগ্নে যে ব্রণ দেখা যায় | ব্রজের গোপাল বা দুলাল: আদুরে এবং অকর্মণ্য ছেলে |
| বিড়ালের আড়াই পা: বেহায়াপনা / ক্ষণস্থায়ী রাগ | বিন্দেদূতী: যে পরস্পরের মধ্যে কথা চালাচালি করে | বোঝার উপর শাকের আঁটি: অতিরিক্তের অতিরিক্ত |
| বাজখাঁই আওয়াজ: অত্যন্ত কর্কশ / গম্ভীর গলার আওয়াজ | বিষ নেই তার কুলোপনা চক্কর: অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালন | বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো: বাইরে আড়ম্বর ভেতরে শূন্যতা |
| বরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসী: উভয় কুল রক্ষা করে চলা | বিদুরের খুদ: গরিব ভক্তের সামান্য উপহার | বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়া: ক্ষমতা প্রদর্শন |
| বিড়ালের ভাগ্য শিকা ছেঁড়া: ভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে কাঙ্খিত বস্তু লাভ | বেল পাকলে কাকের কি: উপভোগ করতে অক্ষম ব্যক্তির উৎকৃষ্ট সামগ্রীর প্রতি লোভ করা | বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে: জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর |
বাগধারা : ভ | ||
| ভুঁইফোড় : অর্বাচীন / নতুন | ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ: অপব্যয় | ভানুমতির খেল: যাদুবিদ্যা / ভেলকিবাজি |
| ভাগার ফলা: অনুর্বর | ভরাডুবি: সর্বনাশ | ভিটেয় ঘুঘু চরানো: সর্বস্বান্ত করা |
| ভিজে বিড়াল: কপটচারী | ভেরেণ্ডা ভাজা: অকাজের কাজ | ভাগ্যের দোহাই দেয়া: কপালে হাত দেওয়া |
| ভাড়ে মা ভবানী: রিক্ত হস্ত | ভূষণ্ডির কাক: দীর্ঘায়ু ব্যক্তি | ভয়ে কেঁচো হয়ে থাকা: ভয়ে জড়সড় হওয়া |
| ভস্মে ঘি ঢালা: নিষ্ফল কাজ | ভেড়ার পাল: অন্ধ অনুকরণ | ভুশুড়ি ভাঙা: ক্রমাগত গল্প করে যাওয়া |
| ভেড়াকান্ত: শ্রেষ্ঠ বোকা | ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা: অনড় সংকল্প | ভূতছাড়া করা: মারধর করে শায়েস্তা করা |
| ভক্তবিটেল: ভণ্ড | ভালুক জ্বর: এই আসে এই যায় | ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ: অত্যধিক ব্যয় |
| ভাদ্র মাসের তাল: প্রচণ্ড কিল | ভূতের ব্যাগার: অযথা শ্রম | ভুলচুক / ভুল কাটকা: ছোটখাটো ভুল |
| ভক্তি দেয়া: ফাঁকি দেয়া | ভজকট: ঝঞ্ঝাট / ঝামেলা | ভাতে মারা: অন্ন সংস্থান বন্ধ করা |
| ভিতর বার এক: অকপট | ভুষ্টিনাশ করা: ধ্বংস করা | ভূত ঝাড়া: নির্দয়ভাবে প্রহার বা গালি দেওয়া |
| ভুসিমাল: বাজে জিনিস | ভোগা দেয়া: ফাঁকি দেয়া | ভীমরুলের চাকে খোঁচা দেওয়া: উস্কানি দেওয়া |
| ভ্যাবা গঞ্জারাম: নিরেট বোকা | ভরাডুবির মুষ্টিলাভ: শেষ সম্বল | ভবী ভোলবার নয়/ ভবী ভোলে না: নাছোড়বান্দা |
| ভিদভিদে: চাপা স্বভাবের | ভিরমি খাওয়া: মূর্ছা যাওয়া | ভাঁড়ের কলসী: স্বার্থসিদ্ধির উপায় |
| ভাগের মা গঙ্গা পায় না: ভাগাভাগির কাজ সিদ্ধ হয় না | ভূতের মুখে রাম নাম: নিজের স্বভাবের বিরুদ্ধে কথা বলা / অসম্ভব ব্যাপার | |
বাগধারা : ম | ||
| মাছের মা: নির্মম / নিষ্ঠুর | মানিকজোড়: অন্তরঙ্গ বন্ধু | মান্ধাতার আমল: অতি প্রাচীনকাল |
| মাটির মানুষ: নিরীহ ব্যক্তি | মেনিমুখো: সলজ্জ | মটকা মারা: ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকা |
| মন না মতি: অস্থির মানব মন | মন আনচান করা: অস্থির হওয়া | মণিহারী ফণী: প্রিয়জনের জন্য অস্থির ব্যক্তি |
| মামদোবাজি: প্রতারণা | মাকাল ফল: অন্তঃসারশূন্য | মাছের মায়ের পুত্রশোক: কপট বেদনাবোধ |
| মগের মুল্লুক: অরাজক দেশ | মেঘ না চাইতেই জল: আশাতীত ফল | মহাভারত অশুদ্ধ: বড় রকমের অপরাধ |
| মুখচোরা: লাজুক | মাছি মারা কেরানি: অবিকল অনুসরণ | মাথায় আকাশ ভেঙে পড়া: আকস্মিক বিপদ |
| মণিকাঞ্চন যোগ: মানানসই হওয়া | মিছরির চুরি: মুখে মধু অন্তরে বিষ | মগজ ধোলাই: ধারণা পাল্টিয়ে দেওয়া |
| মকশো করা: অভ্যাস করা | মেঘে মেঘে বেলা হওয়া: বয়স বাড়া | মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত: সীমাবদ্ধতা |
| ম-ম করা: সুগন্ধে ভরে যাওয়া | মরার সময় মকরধ্বজ: শেষ প্রচেষ্টা | মশা মারতে কামান দাগানো: নিরর্থক অপব্যয় |
| মাথার দিব্যি: শপথ | ময়ূর ছাড়া কার্তিক: রূপবান পুরুষ | মই কেড়ে নেয়া: আশা দিয়ে নিরাশ করা |
| মানের গুড়ে বালি: সম্মানহানি | মৌমাত চড়ানো: নেশা করা | মুসকিল আসান: বিপদের শান্তি/বিপদমুক্তি |
| ম্যাও ধরা: দায়িত্ব নেওয়া | মনের আগুন: উত্তেজনা | মোটা ভাত-কাপড়: সাধারণ জীবন-যাপন |
| মনের কালি: পাপচিন্তা | মুচির কুকুর: হিংস্র ও একরোখা লোক | মেরাকান্ত: ভীরু এবং প্রতিবাদে অক্ষম |
| মরণ কামড়: মরণপণ প্রচেষ্টা | মাথা নিচু করা: হার মানা | মাটি খাওয়া: বোকার মতো কাজ করা |
| মুখ করা: তিরস্কার করা | মার্কা মারা: সুপরিচিত | মগজ খেলানো: বুদ্ধি চালান করা |
| মাথার মণি: শ্রদ্ধেয় | মেনতামুখো: মিনমিনে | মওকা পাওয়া: সুযোগ পাওয়া |
| মাথা খাওয়া: সর্বনাশ করা | মুণ্ডুপাত করা: গালমন্দ করা | মাথার ঘায়ে কুকুরে পাগল: ভীষণ বিপদে অস্থির অবস্থা |
| মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা: দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার | মুখে ফুল-চন্দন পড়া: ভবিষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা | |
বাগধারা : য | ||
| বনিকা পতন: পরিসমাপ্তি | যমের অরুচি: সহজে মরে না | যাহা বাহান্ন তাহা তিপ্পান্ন : খুব সামান্য তফাত |
| যম-যন্ত্রণা: মৃত্যু যন্ত্রণা | যমের দোসর: ভয়ানক লোক | যক্ষের ধন / কুবেরের ধন: কৃপণের ধন |
| যখন-তখন অবস্থা: মুমূর্ষু অবস্থা | যমের ভুল: যার মরণ হয় না | যশুরে কই: বেঢপ / স্ফীত মস্তক শীর্ণ দেহী |
| যো হুকুম: চাটুকার | যো সো করা: জোড়াতালি দিয়ে | যার লাঠি তার মাটি: জোর যার মুল্লুক তার |
| যোগসাজশ: জোট, পরামর্শ | যত গর্জে তত বর্ষে না: আড়ম্বরের তুলনায় কম কাজকর্ম | যদি হয় সুজন, তেতুল পাতায় ন'জন : মিলে মিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায় |
| যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয় : যেখানে ভয়, সেখানে বিপদ হয় | ||
বাগধারা : র | ||
| রাশভারী: গুরুগম্ভীর | রাহুর দশা: দুঃসময় | রাই কুড়িয়ে বেল: ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ |
| রাবণের চিতা: চির অশান্তি | রাবণের গোষ্ঠী: বড় পরিবার | রাম গরুড়ের ছানা: গোমড়ামুখো লোক |
| রাজা উজির মারা: বড় বড় গল্প | রক্তের টান: স্বজনপ্রীতি | রাম রাজত্ব: শান্তি-শৃঙ্খলাযুক্ত রাজ্য |
| রক্ত গঙ্গা করা: খুনাখুনি করা | রাজযোটক: চমৎকার মিল | রাঘব বোয়াল: সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি |
| রগচটা: অল্পেই রাগ | রক্তের অক্ষরে লেখা: সংগ্রামের কাহিনী | রাজ ভজি কি রহিম ভজি: উভয় সংকট |
| রাঙা শুক্রবার: কোনো দিনই নয় | না রাম না গঙ্গা: ভালো মন্দ কিছুই না | রগড়া-রগড়ি: কথা কাটাকাটি, দর কষাকষি |
| রক্তজল করা: প্রচুর পরিশ্রম করা | রাঙা মুলো: প্রিয়দর্শন কিন্তু গুণহীন | রায়বাঘিনী: উগ্রচণ্ডা নারী, দজ্জাল স্ত্রীলোক |
| রামাস্যামা: সাধারণ লোক | রাম ধোলাই: প্রচণ্ড পিটুনি | রাহা খরচ: পথের খরচ |
| রুই-কাতলা: নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি / ক্ষমতাশালী ব্যক্তি | রথ দেখা কলা বেঁচা: এক ঢিলে দুই পাখি মারা | |
বাগধারা : ল | ||
| লম্বা দেয়া: চম্পট দেয়া | লেজে গোবরে: বিশৃঙ্খলা | লেফাফা দুরস্ত: বাইরে পরিপাটি |
| লঙ্কা পায়রা: কুচক্রী | লালবাতি জ্বালানো: ধ্বংস হওয়া | লেজে পা পড়া: স্বার্থে আঘাত লাগা |
| লঙ্কাকাণ্ড: তুমুল কাণ্ড | লবেজান করা: নাজেহাল করা | লাট খাওয়া: উল্টে নিজের দিকে পড়া |
| লঙ্কা পায়রা: ফুলবাবু | লোটাকম্বল: সামান্য সংগতি | লেজ মোটা হওয়া: অহংকারী হওয়া |
| লোহার কার্তিক: কালো সুদর্শন | লগন চাঁদ: ভাগ্যবান | লঘুগুরু জ্ঞান: কে বড় কে ছোট এই জ্ঞান |
| লেখাজোখা: মাপজোক, হিসাব | লেজ গুটানো: হার মানা | লঘুপাপে গুরুদণ্ড: সামান্য অপরাধে গুরুতর শাস্তি |
| ল্যাগবেগে: রোগা | লেজে খেলা: চাতুরি করা | লক্ষ্মীর ভাণ্ডার: অফুরন্ত ভাণ্ডার |
| লবডঙ্কা: কিছু না | লক্ষ্মীছাড়া: হতভাগা | লক্ষ্মীর বরযাত্রী: সুসময়ের বন্ধু |
| লাগে টাকা দেবে গৌরিসেন: চাওয়া মাত্র যার কাছে টাকা পাওয়া যায় | ||
বাগধারা : শ | ||
| শকুনি মামা: কুচক্রী লোক | শিরে-সংক্রান্তি: আসন্ন বিপদ | শরতের শিশির: সুসময়ের বন্ধু/ ক্ষণস্থায়ী |
| শনির দশা: দুঃসময় | শিয়ালের যুক্তি: অকেজো যুক্তি | শুভঙ্করের ফাঁকি: ধোঁকা দিয়ে ফায়দা হাসিল |
| শ্রীঘর: জেলখানা | শনির দৃষ্টি: কুদৃষ্টি | শ্যাম রাখি না কুল রাখি: উভয় সংকট |
| শাপে বর: অনিষ্টে ইষ্ট লাভ | শিয়রে শমন: মৃত্যু আসন্ন | শবরীর প্রতীক্ষা: দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা |
| শুয়োরের গোঁ: ভয়ানক | শুঁড় বের করা: লোভ করা | শেওড়া গাছে পেতনি: অত্যন্ত কুৎসিত স্ত্রীলোক |
| শিকায় তোলা: স্থগিত | শ্মশান-বৈরাগ্য: সাময়িক বৈরাগ্য | শাঁখের করাত: উভয় সংকট / দু'দিকেই বিপদ |
| শোনা কথা: গুজব, উড়ো কথা | শতমারি: হাতুড়ে, রোগীমারা ডাক্তার | শিব গড়তে বাঁদর গড়া: ভালো করতে গিয়ে মন্দ করা |
| শূন্যে সৌধ নির্মাণ: অলীক কল্পনা | শ্রাদ্ধ গড়ানো: বিশ্রী ব্যাপার ঘটা | শিবরাত্রির সলতে: একমাত্র সন্তান / বংশধর |
| শাকের তেলে মাছ ভাজা: পরে পরে কার্যোদ্ধার | শালগ্রামের শোয়া বসা: নির্বিকার লোকের মনের অবস্থা | শ্বেতহস্তী পোষা: কর্মচারীদের জন্য অধিক অর্থব্যয় |
| শাক দিয়ে মাছ ঢাকা: দোষ গোপনের বৃথা চেষ্টা | গুঁড়ি সাক্ষী মাতাল: অসৎ বা মন্দ লোককে অসৎ বা মন্দ লোকই সমর্থন করে | |
বাগধারা : ষ | ||
| ষণ্ডামার্ক / ষণ্ডামার্কা: দুর্বৃত্ত | ষোলআনা: সম্পূর্ণ | ষাঁড়ের গোবর: অকেজো / অকর্মণ্য মানুষ |
| ষোলকলা: পরিপূর্ণ | ষত্ব ণত্ব জ্ঞান: কাণ্ডজ্ঞান | ষোলকড়াই কানা: সম্পূর্ণ বিনষ্ট |
| ষাটের কোলে: অধিক বয়স | ষাঁড়ের গোঁ: প্রবল জেদ | |
বাগধারা : স | ||
| সোনায় সোহাগা: মনিকাঞ্চন যোগ | সাপের ছুঁচো: গেলা উভয় সঙ্কটে পড়া | সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে: উভয়কুল রক্ষা |
| স্বখাত সলিল: নিজ বিপদ ডাকা | সাপে নেউলে: শত্রুভাবাপন্ন | সরফরাজি চাল: অনাবশ্যক মাতব্বরি |
| সাত সতেরো: অপ্রয়োজনীয় কথা | সাত পাঁচ ভাবা: নানারকম চিন্তা | সোনার কাঠি রুপার কাঠি: বাঁচা মরার বস্তু |
| সাতেও না পাঁচেও না: নির্লিপ্ত | সবে ধন নীলমণি: একমাত্র সন্তান | সাপের ছুঁচো পা দেখা: গর্বে অন্ধ হওয়া |
| সুখের পায়রা: সুসময়ের বন্ধু | সাত খুন মাফ: অত্যধিক প্রশ্রয় | হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা: সুযোগ হেলায় হারানো |
| সাক্ষী গোপাল: নিষ্ক্রিয় দর্শক | সোনার পাথরবাটি: অলীক বস্তু | সাত রাজার ধন: অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস |
| সপ্তমে চড়া: প্রচণ্ড উত্তেজনা | সুলুক-সন্ধান: খোঁজখবর | স্বর্গে বাতি দেওয়া: বংশ রক্ষা করা |
| সাতকাহন: প্রচুর পরিমাণ | সের দরে: নামমাত্র মূল্যে / সস্তায় | সাতকাণ্ড রামায়ণ: মস্তবড় ব্যাপার |
| সৃষ্টি ছাড়া: অদ্ভুত বা ব্যতিক্রম | সকার বকার করা: গালি দেয়া | সোঁতের শেওলা: সহায়-সম্বলহীন লোক |
| স্যাক দেওয়া : জব্দ করা | সুখে থাকতে ভুতে কিলায়: স্বেচ্ছায় দুঃখ বরণকারী | সংসার পাতা: বিবাহিত জীবনযাপন করতে শুরু করা |
| সস্তার তিন অবস্থা: সস্তার জিনিস প্রায়ই খারাপ থাকে | সাপের পাঁচ পা দেখা: দর্প/ অহংকারের বাড়াবাড়ি | সাজ করতে দোল ফুরানো: প্রস্তুতির জন্য অত্যধিক সময় নেওয়া |
| সবুরে মেওয়া ফলে: ধৈর্য ধরলে যথা সময়ে ফল পাওয়া যায় | সাত কাণ্ড রামায়ণ শুনে সীতা কার বাপ: চরম অমনোযোগ ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় | |
বাগধারা : হ | ||
| হ-য-ব-র-ল: বিশৃঙ্খলা | হস্তীমূর্খ: বোকা | হাটে হাঁড়ি ভাঙা: গোপন কথা প্রকাশ |
| হাড়হদ্দ: নাড়ি নক্ষত্র | হাড়ে হাড়ে চেনা: মর্মান্তিকভাবে চেনা | হালে পানি পাওয়া: বিপদমুক্ত হওয়া |
| হরিষে বিষাদ: আনন্দে বিষাদ | হাড়ে দুর্বা গজানো: অত্যন্ত কুঁড়ে | হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা: সুযোগ নষ্ট করা |
| হাড়ে বাতাস লাগা: শান্তি পাওয়া | হালে পানি পাওয়া: সুবিধা করা | হুঁকো-নাপিত বন্ধ করা: সমাজচ্যুত করা |
| হাড় হাভাতে: হতভাগ্য | হাড় জুড়ানো: শান্তি পাওয়া | হাতে পাঁজি মঙ্গলবার: প্রকৃত প্রমাণ দেওয়া |
| হরিহর আত্মা: অন্তরঙ্গ | হাত কামড়ানো : আফসোস করা | হাড়ে মাসে জ্বালানো: অত্যন্ত উত্যক্ত করা |
| হাত-ভারি: কৃপণ | হাত জোড়া থাকা: কর্মব্যস্ত থাকা | হদিস পাওয়া: সঠিক সংবাদ পাওয়া |
| হাতের পাঁচ: শেষ সম্বল | হাত চালাও: তাড়াতাড়ি করা | হলুদের গুড়া: সমস্ত ব্যাপারে যে উপস্থিত |
| হাত টান: চুরির অভ্যাস | হচ্ছে হবে: দীর্ঘসূত্রিতা | হাতির গলায় ঘণ্টা: বয়স্ক বরের বালিকা বধূ |
| হরিলুট: অপচয় | হাঁটুর বয়স: নিতান্ত শিশু | হাতে জল না গলা: অতিশয় কৃপণ |
| হেস্তনেস্ত: মীমাংসা | হাপিত্যেশ: ব্যাকুল কামনা | হাতির খোরাক: যে বেশি পরিমাণে আহার করে |
| হাত পাকান: দক্ষতা | হা-ঘরে: গৃহহীন | হাতে আকাশ পাওয়া: অভাবিতভাবে কিছু পাওয়া |
| হাঁড়ির হাল: মলিন | হ্রস্ব-দীর্ঘ জ্ঞান: সাধারণ জ্ঞান | হাত ধরা: বশীভূত হামবড়া ভাব: অহংকার |
| হালছাড়া: হতাশ হওয়া | হতচ্ছাড়া: লক্ষ্মীছাড়া | হরেদরে: মোটের ওপর |
| হরি ঘোষের গোয়াল: বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ | হাত দিয়ে হাতি ঠেলা: অসম্ভবকে সম্ভবপর করতে চেষ্টা করা | হাত ধুয়ে বসা: আশা ত্যাগ করা / সাধু সাজা / নিশ্চিত হওয়া |
| হাতির পাঁচ পা দেখা: অহংকারবোধ করা / দুঃসাহসী হওয়া | ||
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রবাদ-প্রবচন
লোক সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ প্রবাদ-প্রবচন। 'প্রবাদ' ও 'প্রবচন' মূলত একই অর্থ বহন করে। স্ববাদ হচ্ছে পরম্পরাগত বাক্য, জনশ্রুতি এবং 'প্রবচন' হচ্ছে প্রকৃষ্ট বচন, অর্থাৎ বহু প্রচলিত উক্তি। মানুষের দীর্ঘদিনের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ঐ সমাজের কোনো সৃষ্টিশীল ব্যক্তি যে চৌকস অভিব্যক্তি বাণীবদ্ধ করে, তাই কালে কালে প্রবাদে পরিণত হয়। যেমন- অতি চালাকের গলায় দড়ি, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না ইত্যাদি।
প্রবাদের বৈশিষ্ট্য:
ক. প্রবাদে জাতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পরিণত বুদ্ধি এবং লোকমনে প্রচলিত সত্য কথন প্রকাশিত হয়।
খ. প্রবাদের অবয়ব হলো একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য।
গ. উপমা, বক্রোক্তি, বিরোধাভাস প্রভৃতি অলংকারযোগে তা গঠিত হয়।
প্রবাদের শ্রেণিবিভাগ: অর্থ বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রবাদকে নানাভাবে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. সাধারণ অভিজ্ঞতাবাচক : চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
২. নীতিকথামূলক : ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
৩. ইতিকথামূলক : ধান ভানতে শিবের গীত।
৪. মানবচরিত্র সমালোচনামূলক : গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।
৫. সামাজিক রীতিনীতিজ্ঞাপক: মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
৬. প্রসিদ্ধ ঘটনামূলক : লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন:
প্রবাদ | অর্থ | প্রবাদ | অর্থ |
| অতি লোভে তাঁতি নষ্ট | বেশি লোভে ক্ষতি | ধর্মের ঢাক আপনি বাজে | পাপ কখনো চাপা থাকে না |
| অতি দর্পে হত লঙ্কা | অহংকার পতনের মূল | ধর্মের কল বাতাসে নড়ে | অপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই |
| অতি মেঘে অনাবৃষ্টি | অতি আড়ম্বরে কাজ হয় না | ধরাকে সরা জ্ঞান করা | সকলকে তুচ্ছ ভাবা |
| অল্পজলের মাছ | নিতান্তই বোকা | ধরি মাছ না ছুঁই পানি | কৌশলে কার্যোদ্ধার |
| অন্ধকে দর্পণ দেখানো | নির্বোধকে জ্ঞান দান | নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো | নিশ্চিত কার্যোদ্ধার |
| অসারের তর্জন গর্জন সার | গুণহীনের বৃথা আস্ফালন | পাকা ধানে মই দেয়া | বিপুল ক্ষতি করা |
| ওঝার ব্যাটা বনগরু | পণ্ডিতের মূর্খ পুত্র | পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায় | অসদুপায়ে অর্জিত ধন নষ্ট হয় |
| কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ | কারো সুদিন, কারো দুর্দিন | পর্বতের মুষিক প্রসব | বিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ অর্জন |
| কপাল গুণে গোপাল ঠাকুর | অযোগ্যের ভাগ্যগুণে বড় হওয়া | বামন হয়ে চাঁদে হাত | অসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা |
| কাঁচা বাঁশে ঘুন | অল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়া | বারো মাস ত্রিশ দিন | প্রতিদিন |
| কত ধানে কত চাল | টের পাওয়ানো | বারো মাসে তেরো পার্বণ | উৎসবের আধিক্য |
| খাস তালুকের প্রজা | খুব অনুগত ব্যক্তি | বরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসী | কুল রক্ষা করে চলা |
| খিচুড়ি পাকানো | বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা | বজ্র আটুনি ফস্কা গেরো | বাহিরে আড়ম্বর ভিতরে শূন্য |
| গন্ধমাদন বয়ে আনা | প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু আনা | বোঝার উপর শাকের আঁটি | অতিরিক্তের অতিরিক্ত |
| গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল | পাওয়ার আগে ভোগের আয়োজন | বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়া | ক্ষমতা প্রদর্শন |
| ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে | অন্যের কষ্ট দেখে আনন্দ প্রকাশ | বিনা মেঘে বজ্রপাত | আকস্মিক বিপদ |
| চাল না চুলো ঢেঁকি না কুলো | নিতান্ত নিঃস্ব | বানরের গলায় মুক্তার হার | অপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান |
| জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ | ছোট বড় যাবতীয় কাজ করা | বাজারে কাটা | বিক্রি হওয়া |
| ঝোপ বুঝে কোপ মারা | সুযোগমত কাজ করা | ভদ্রতার বালাই | সাধারণ সৌজন্যবোধ |
| টো টো কোম্পানির ম্যানেজার | ভবঘুরে | মেঘের ছায়া | অশুভ লক্ষণ |
| ঢাক ঢাক গুড় গুড় | গোপন রাখার প্রয়াস | যত দোষ নন্দ ঘোষ | দুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ |
| তেলে মাথায় তেল দেয়া | যার আছে তাকে আরো | শিখণ্ডী খাড়া করা | যার আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা |
| দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষা | শত্রুকে সযত্নে লালন পালন করা | সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে | উভয় কুল রক্ষা |
| ধান ভানতে শিবের গীত | অপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারণা | হরি ঘোষের গোয়াল | অনেক লোকের কোলাহল |
প্রবাদ | অর্থ |
| অজার যুদ্ধে আটুনি সার | লঘু ফলাফলযুক্ত আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন |
| অতি দানে বলির পাতালে হলো ঠাঁই | অন্যের কৌশলে ভোগান্তির শিকার |
| অতি মন্থনে বিষ ওঠে | কোনো বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত আলোড়ন ক্ষতিকর |
| অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট | বেশি লোক কাজের বিশৃঙ্খলা ঘটায় |
| অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী | স্বল্পজ্ঞান নিয়ে বাড়াবাড়ি মূর্খতার পরিচয় |
| অন্ধের হাতি দেখা | অল্পজ্ঞান লাভ করে বিজ্ঞের মতো অভিমত |
| অশ্বত্থামা হত ইতি গজ | কোনো কথা সম্পূর্ণ পরিষ্কার না করে সত্য গোপন |
| আগ নাংলা যে দিকে যায়, পাছ নাংলা সে দিকে যায় | অন্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ |
| আসলে মুষল নাই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া | বাইরে বাবুগিরি অথচ ভিতরে সারশূন্য |
| ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয় | যেমন কর্ম তেমন ফল |
| ইল্লত যায়না ধুলে খাসলত যায়না মলে | স্বভাবদোষ হাজার সংশোধনের চেষ্টাতেও দূর হয়না |
| উনো বর্ষায় দুনো শীত | যে বছর কম বৃষ্টি হয়, সে বছরে শীত বেশি পড়ে |
| কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস | সময়ে কাজে না লাগালে অসময়ে পথে ফেরানো কঠিন |
| চকচক করলেই সোনা হয় না | চেহারাতে আসল গুণ ধরা পড়ে না |
| চেনা বামুনের পৈতা লাগে না | মানী ব্যক্তির পরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না |
| চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী | অসাধুকে উপদেশ দিয়ে সৎ করা যায় না |
| ঝিকে মেরে বৌকে শেখানো | একজনকে বকা দিয়ে অপরকে শিক্ষা দেয়া |
| ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার | যোগ্যতা বা ক্ষমতাহীনের আড়ম্বর |
| দশচক্রে ভগবান ভূত (ভগবান অর্থ- ঈশ্বর) | দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা |
| দেবতার বেলা লীলাখেলা, পাপ লিখেছে মানুষের বেলা | সামাজিক বিধি-বিধানের নিষ্ঠুর প্রয়োগ |
| নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙা (বাঁকা) | অকর্মণ্য ব্যক্তি কাজে অসফলতার পর অন্যের দোষ দেয় |
| নিজের চরকায় তেল দেয়া | অন্যের কাজে মাথা না ঘামিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেয়া |
| পরের ধনে পোদ্দারি / পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গা | অন্যের টাকায় বাহাদুরি / পরকে কষ্ট দিয়ে নিজের স্বার্থোদ্ধার |
| পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে | বিপদে পড়ে কাজ করা |
| পুরানো চাল ভাতে বাড়ে | অভিজ্ঞতা বা প্রবীণত্বের মূল্য বেশি |
| পান্তা ভাতে ঘি নষ্ট, বাপের বাড়ি ঝি নষ্ট | দরিদ্রের বড়লোক ভাব দেখানো/অপব্যবহার |
| বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে | জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর |
| বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়া | ভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে বাঞ্ছিত বস্তু লাভ |
| বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেকে চাঁদ | উচ্চস্তরের সঙ্গে সম্বন্ধ ক্ষণস্থায়ী |
| মারের ওপর ওষুধ নাই | সহজভাবে কোনো চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার উপর নিষ্ঠুর আচরণ |
| যদি হয় সুজন, তেঁতুল পাতায় ন জন | মিলেমিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায় |
| যে দামে কেনা সেই দামে বিক্রি | যা কিনতে অর্থ খরচ হয়নি, তা নষ্ট হলে লাভ ক্ষতির হিসাব চলে না |
| সাত নকলে আসল খাস্তা | নকলের নকলে মূল জিনিস হারিয়ে যায় |
| হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী | নির্বোধের পরামর্শে চলা নির্বোধ ব্যক্তি |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাক্য সংক্ষেপণ/সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ
একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংক্ষেপণ বলে। এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশেরই নামান্তর। বাক্য তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীপ্তিকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বহুপদকে একপদে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাক্য বা বাক্যাংশের সংকোচনের কাজ চলে।
ডাক | ||
| অশ্বের ডাক: হেষা | কোকিলের ডাক: কুহু | কুকুরের ডাক: বুক্কন |
| পাখির ডাক: কূজন / কাকলি | পেঁচা বা উল্লুকের ডাক: ঘৃৎকার | বাঘের ডাক: গর্জন |
| ময়ূরের ডাক: কেকা | মোরগের ডাক: শকুনিবাদ | রাজহাঁসের কর্কশ ডাক: ক্রেঙ্কার |
| সিংহের নাদ / ডাক: হুংকার | হাতির ডাক: বৃংহিত / বৃংহণ | |
ধ্বনি | ||
| অলংকারের ধ্বনি: শিঞ্জন | অব্যক্ত মধুর ধ্বনি: কলতান | আনন্দজনক ধ্বনি: নন্দিঘোষ |
| গম্ভীর ধ্বনি: মন্দ্র | ঝনঝন শব্দ : ঝনৎকার | আনন্দের আতিশয্যে সৃষ্ট কোলাহল: হর্রা |
| ধনুকের ধ্বনি: টংকার | বীরের গর্জন: হুংকার | বিহঙ্গের ধ্বনি: কাকলি |
| বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি: ঝংকার | ভ্রমরের শব্দ: গুঞ্জন | শুকনো পাতার শব্দ: মর্মর |
| সেতারের ঝংকার: কিঙ্কিনি | সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ: কল্লোল | |
খোলস / চামড়া / শাবক | ||
| বাঘের চামড়া: কৃত্তি | ব্যাঙের ছানা: ব্যাঙাচি | সাপের খোলস: নির্মোক / কুঞ্চক |
| হাতির শাবক (বাচ্চা): করভ | হরিণের চর্ম/ চামড়া: অজিন | হরিণের চামড়ার আসন: অজিনাসন |
ইচ্ছা | ||
| অনুকরণ করার ইচ্ছা: অনুচিকীর্ষা | অনুসন্ধান করার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা | অপকার করার ইচ্ছা: অপচিকীর্ষা |
| উপকার করার ইচ্ছা: উপচিকীর্ষা | উদক / জল পানের ইচ্ছা: উদন্যা | কুৎসা বা অপবাদ রটানোর ইচ্ছা- জুগুপ্সা |
| করার ইচ্ছা: চিকীর্ষা | ক্ষমা করার ইচ্ছা: চিক্ষমিষা | গোপন করার ইচ্ছা: জুগুপ্সু |
| খাইবার ইচ্ছা: ক্ষুধা | গমন করার ইচ্ছা: জিগমিষা | জানবার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা |
| জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা | ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা: তিতীর্ষা | দান করার ইচ্ছা: দিৎসা |
| দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা | নিন্দা করার ইচ্ছা: জুগুপ্সা | নির্মাণ করার ইচ্ছা: নির্মিৎসা |
| প্রবেশ করার ইচ্ছা: বিবিক্ষা | প্রতিকার করার ইচ্ছা: প্রতিচিকীর্ষা | পান করার ইচ্ছা: পিপাসা |
| প্রতিবিধান করার ইচ্ছা: প্রতিবিধিৎসা | পাওয়ার ইচ্ছা: ঈপ্সা | প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা: প্রিয়চিকীর্ষা |
| বলার ইচ্ছা: বিবক্ষা | বিজয় লাভের ইচ্ছা: বিজিগীষা | বাস করার ইচ্ছা: বিবৎসা |
| বমন করিবার ইচ্ছা: বিবমিষা | বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা | ভোজন করার ইচ্ছা: বুভুক্ষা |
| মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক: মুমুক্ষু | মুক্তি পেতে ইচ্ছা: মুমুক্ষা | মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুক্তিকামী |
| যেরূপ ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | যে রূপ করার ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা: রিরংসা |
| লাভ করার ইচ্ছা: লিপ্সা | সেবা করার ইচ্ছা: শুশ্রূষা | সৃষ্টি করার ইচ্ছা: সিসৃক্ষা |
| হিত করার ইচ্ছা: হিতৈষা | হরণ করার ইচ্ছা: জিহীর্ষা | হনন / হত্যা করার ইচ্ছা: জিঘাংসা |
পুরুষ | ||
| পুরুষের কর্ণভূষণ: বীরবৌলি | পুরুষের উদ্দাম নৃত্য: তাণ্ডব | পুরুষের কটিবন্ধ: সরাসন |
| যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেনি: অকৃতদার | যে পুরুষ বিয়ে করেনি: অকৃতদার | যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: কৃতদার |
| যে পুরুষ বিয়ে করেছে: কৃতদার | যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত: স্ত্রৈণ | যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর: সুদর্শন |
| যে পুরুষ পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যে পুত্রের মাতা কুমারী: কানীন | যে পুরুষের দাড়ি গোঁফ গজায়নি: অজাতশ্মশ্রু |
| যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে: প্রোষিতপত্নীক / প্রোষিতভার্য | ||
| যে পুরুষ প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: অধিবেত্তা / অধিবেদন | ||
নারী | ||
| কুমারীর পুত্র: কানীন | নারীর কটিভূষণ: রশনা | নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ: মেখলা |
| নারীর লীলাময়ী নৃত্য: লাস্য | প্রিয় বাক্য বলে যে: প্রিয়ভাষী | যে নারী প্রিয় কথা বলে: প্রিয়ংবদা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত: অবীরা | যে নারী সুন্দরী: রমা | যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা: মহাশ্বেতা |
| যে নারীর বিয়ে হয়নি: কুমারী | যে নারী বীর: বীরাঙ্গনা | যে নারীর পতি নেই, পুত্রও নেই: অবীরা |
| যে নারী বার (সমূহ) গামিনী : বারাঙ্গনা | যে নারীর পঞ্চ স্বামী: পঞ্চভর্তৃকা | যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র: দ্বিপুত্রিকা |
| যে নারী কলহপ্রিয়: খাপ্তানী | যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর : কন্যকা | যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত: শুচিস্মিতা |
| যে নারীর হাসি সুন্দর: সুস্মিতা | যে নারীর বিয়ে হয় না: অনূঢ়া | যে নারীর বিয়ে হয়েছে: ঊঢ়া |
| যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে: বীরপ্রসূ | যে নারীর সন্তান বাঁচে না: মৃতবৎসা | যে নারীর অসূয়া / হিংসা নাই: অনসূয়া |
| যে নারী আনন্দ দান করে: বিনোদিনী | যে নারীর সতীন / শত্রু নেই: নিঃসপ্ত | যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে: নবোঢ়া |
| যে নারীর কোনো সন্তান হয় না: বন্ধ্যা | যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না: অঙ্গনা | যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় : বিষকন্যকা |
| যে নারী সাগরে বিচরণ করে: সাগরিকা | যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী: পয়স্বিনী | অঘটন কাণ্ড ঘটাইতে অতিশয় পারদর্শী যে নারী: অঘটনঘটনপটিয়সী |
| উত্তম বস্ত্রালঙ্কারে সুসজ্জিত নটীগণর নৃত্য: যৌবত | যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা: বালপুত্রিকা | অবিবাহিতা জ্যেষ্ঠা থাকার পরও যে কনিষ্ঠার বিয়ে হয়: অগ্রোদিধিষু |
| যে নারীর চিত্রে অর্পিতা বা নিবন্ধা: চিত্রার্পিতা | যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় : স্বয়ংবরা | যে নারী (বিবাহিত / অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী: চিরণ্টা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত: বীরা / পুরন্ধ্রী | যে নারীর নখ শূর্পের (কুলা) মত: শূর্পণখা | যে নারী কখনো সূর্যকে দেখেনি: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী: অঘটনঘটনপটিয়সী | যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা : পরভৃতা / পরভূতিকা | যে নারীর সূর্যও মুখ দেখতে পারে না: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না: অনন্যা | যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে: কাকবন্ধ্যা | যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে: প্রোষিতভর্তৃকা |
| যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী / বাগদত্তা ছিল: অন্যপূর্বা | যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে: অধিবিন্না | |
পত্নী | ||
| একই স্বামীর পত্নী যাহারা: সপত্নী | পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যার স্ত্রী মারা গিয়েছে: বিপত্নীক |
কষ্টকর / সহজে না | ||
| যা কষ্টে নিবারণ করা যায়: দুর্নিবার | যা দমন করা কষ্টকর: দুর্দমনীয় | যা সহজে পাওয়া যায় না: দুষ্প্রাপ্য |
| যা সহ্য করা যায় না: দুর্বিষহ | যা সহজে দমন কর যায় না: দুর্দম | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় |
| যা সহজে মরে না: দুর্মর | যা কষ্টে অর্জন করা যায়: কষ্টার্জিত | যাহাতে সহজে গমন করা যায় না: দুর্গম |
| যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না: দুর্লঙ্ঘ্য | যা মুছে ফেলা যায় না: দুর্মোচ্য | যা সহজে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা সহজে জানা যায় না: দুর্জেয় | যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না: দুস্তর |
| যা কষ্টে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য | ||
যোগ্য | ||
| আরাধনা করিবার যোগ্য: আরাধ্য | ক্ষমার যোগ্য: ক্ষমার্হ | ঘৃণার যোগ্য: ঘৃণার্হ / ঘৃণ্য |
| ঘ্রাণের যোগ্য: ঘেয় | ক্ষমার অযোগ্য: ক্ষমার্য | জানিবার যোগ্য: জ্ঞাতব্য |
| ধন্যবাদের যোগ্য: ধন্যবাদার্হ | নৌ চলাচলের যোগ্য: নাব্য | প্রশংসার যোগ্য: প্রশংসার্হ |
| ফেলে দেবার যোগ্য: ফেল্না | বরণ করিবার যোগ্য: বরেণ্য | মান-সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য: মাননীয় |
| যা চুষে খাবার যোগ্য: চুষ্য | যা চেটে খাবার যোগ্য: লেহ্য | যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য: চর্ব্য |
| যা পান করার যোগ্য: পেয় | যা ক্রয় করার যোগ্য: ক্রেয় | যা বিক্রয় করার যোগ্য: বিক্রেয় |
| যা পাঠ করিবার যোগ্য: পাঠ্য | যা খাওয়ার যোগ্য: খাদ্য | রন্ধনের যোগ্য: পাচ্য |
| যা নিন্দার যোগ্য নয়: অনিন্দ্য | যা অন্তরে ঈক্ষণ যোগ্য: অন্তরিক্ষ | স্মরণের যোগ্য: স্মরণার্হ |
উপকার | ||
| যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে: কৃতজ্ঞ | উপকারীর অপকার করে যে : কৃতঘ্ন | যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না: অকৃতজ্ঞ |
বলা | ||
| যা বলা হয়নি: অনুক্ত | যা বলা হয়েছে: উক্ত | যা বলা হবে: বক্তব্য |
| যা বলা উচিত নয়: অকথ্য | যা বলা হচ্ছে: বক্ষ্যমাণ | যা প্রকাশ করা হয়নি: অব্যক্ত |
কথা | ||
| যে বেশি কথা বলে: বাচাল | যিনি কম কথা বলেন: স্বল্পভাষী | যা কথায় বর্ণনা করা যায় না: অবর্ণনীয় |
| যিনি অধিক কথা বলেন না: মিতভাষী | যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না: অনির্বচনীয় | |
ভবিষ্যৎ | ||
| যা হবে: ভাবি | যা ভবিষ্যতে ঘটবে: ভবিতব্য | যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না: অপরিণামদর্শী |
| যে ভবিষ্যত না ভেবেই কাজ করে: অবিমৃষ্যকারী | অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে কাজ করে না: অবিমৃষ্যকারী | |
নাই / যায় না | ||
| কষ্টে করা যায় যাহা: কষ্টকর | যা জয় করা যায় না: অজয় | কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না: অনিবার্য |
| যা প্রতিরোধ করা যায় না: অপ্রতিরোধ্য | যা অতিক্রম করা যায় না: অনতিক্রম্য | যার ঈহা (চেষ্টা) নাই: নিরীহ |
| যাহাতে গমন করা যায় না: অগম্য | যা নিবারণ করা যায় না: অনিবারিত | যা মূল্য দিয়ে বিচার করা যায় না: অমূল্য |
অক্ষি/চক্ষু | ||
| অক্ষির অগোচরে: পরোক্ষ | অক্ষির সমীপে: সমক্ষ | অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর): কামাক্ষী |
| অক্ষির অভিমুখে: প্রত্যক্ষ | চোখের কোণ: অপাঙ্গ | চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: চাক্ষুষ |
| চোখের নিমেষ না ফেলিয়া: অনিমেষ | চোখে দেখা যায় এমন: চক্ষুগোচর | পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ: পুণ্ডরীকাক্ষ |
| যার চক্ষু লজ্জা নেই: নির্লজ্জ / চশমখোর | অক্ষিপত্রের (চোখের পাতা) লোম: অক্ষিপক্ষ | |
জন্ম | ||
| অগ্রে জন্মেছে যে : অগ্রজ | জন্মে নাই যা: অজ | অনুতে বা পশ্চাতে / জন্মেছে যে : অনুজ |
| দুবার জন্মে যা: দ্বিজ | পড়ে জন্মে যা: পঙ্কজ | পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে যার: জাতিস্মর |
| যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না: ঊষর | যে জমির উৎপাদন শক্তি নেই: অনুর্বর | যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে : অন্ত্যজ |
| শুভক্ষণে জন্ম যার: ক্ষণজন্মা | সরোবরে জন্মায় যা: সরোজ | যে জমিতে দুবার ফসল জন্মে : দো-ফসলি |
| যে শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে: আটাসে | পিতার মৃত্যুর পর জন্ম হয়েছে যে সন্তানের: মরণোত্তর জাতক | |
জয়ন্তী | |
| কোনো ঘটনার ৬০ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠান: হীরক জয়ন্তী | জয়সূচক যে উৎসব: জয়ন্তী |
| কেনো ঘটনার ৫০ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: সুবর্ণ জয়ন্তী | একশত পঞ্চাশ বছর: সার্ধশতবর্ষ |
| কোনো ঘটনার ২৫ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: রজত জয়ন্তী | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়ন্তী |
দিন | ||
| দিনের সায় (অবসান) ভাগ: সায়াহ্ন | দিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ: গোধূলি | দিনের মধ্য ভাগ: মধ্যাহ্ন |
| প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন : প্রভাতকল্প | দিনের পূর্ব ভাগ: পূর্বাহ্ণ | দিনের অপর ভাগ: অপরাহ্ণ |
| দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন: গোধূলি | ||
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
স্থায়ী | ||
| ঘর নাই যার: হা-ঘরে | ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী: ক্ষণস্থায়ী | নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার: অবিনশ্বর |
| নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার: নশ্বর | যা কখনো নষ্ট হয় না: অবিনশ্বর | যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে: উদ্বাস্ত |
| যার বাসস্থান নেই: অনিকেত | যা চিরস্থায়ী নয়: নশ্বর | স্থায়ী ঠিকানা নেই যার: উদ্বাস্তু |
| যা স্থায়ী নয়: অস্থায়ী | যার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না: ক্ষণপ্রভা | |
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
পূর্বে | ||
| যা পূর্বে কখনো ঘটেনি: অভূতপূর্ব | যা পূর্বে শোনা যায়নি: অশ্রুতপূর্ব | যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব |
| যা পূর্বে দেখা যায়নি: অদৃষ্টপূর্ব | যা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি: অচিন্তিতপূর্ব | যা পূর্বে কখনো আস্বাদিত হয় নাই: অনাস্বাদিতপূর্ব |
রচনা | ||
| ইতিহাস রচনা করেন যিনি: ঐতিহাসিক | ব্যাকরণে পণ্ডিত যিনি: বৈয়াকরণ | ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি : ইতিহাসবেত্তা |
| যিনি ভালো ব্যাকরণ জানেন: বৈয়াকরণ | যিনি স্মৃতিশাস্ত্র জানেন: স্মার্ত | যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন: ব্যাকরণবিদ |
| স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি : শাস্ত্রজ্ঞ | স্মৃতিশাস্ত্র রচনা করেন যিনি: শাস্ত্রকার | |
গাছ | |
| একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায় : ওষধি | ফল পাকলে যে গাছ মারা যায়: ওষধি |
| যে গাছ কোনো কাজে লাগে না: আগাছা | যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না: বনস্পতি |
| যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয়: ঔষধি | যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে : পরগাছা |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
পর | ||
| পরকে আশ্রয় করিয়া বাঁচিয়া থাকে যে: পরজীবী | পরের অন্নে যে জীবন ধারণ করিয়া থাকে: পরান্নজীবী | পরের দ্বারা প্রতিপালিত যে: পরভূত (কোকিল) |
| পরের শ্রী (উন্নতি) দেখিয়া যাহার মন খারাপ হয়: পরশ্রীকাতর | পরকে প্রতিপালন করে যে: পরভৃৎ (কাক) | |
আপনা | ||
| আপনাকে হত্যা করে যে : আত্মঘাতী | আপনাকে ভুলে থাকে যে : আত্মভোলা | আপনার বর্ণ লুকায় যে : বর্ণচোরা |
| আত্মার সম্বন্ধীয় বিষয়: আধ্যাত্মিক | আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা: আত্মকেন্দ্রিক | আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে : পণ্ডিতম্মন্য |
| আত্মিক আপনাকে সর্বস্ব ভাবে যে : আত্মসর্বস্ব | আপনাকে অত্যন্ত হীন বলিয়া ভাবে যে : হীনমন্য | যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে: কৃতার্থম্মন্য |
| যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না: বর্ণচোরা | ||
মৃত | ||
| জীবিত থেকেও যে মৃত: জীবন্মৃত | মৃতের মত অবস্থা যার: মুমূর্ষু | মরিবেই যাহা: মরণশীল |
| মৃত জীবজন্তু ফেলা হয় যেখানে: ভাগাড় | ||
সমস্ত / সব | ||
| বিশ্বজনের হিতকর: বিশ্বজনীন | যিনি সব কিছুই জানেন: সর্বজ্ঞ | যিনি সর্বত্র ব্যাপিয়া থাকেন: সর্বব্যাপক |
| সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করে যে: সর্বভুক | সকলের জন্য প্রযোজ্য: সর্বজনীন | সর্বজনের হিতকর: সর্বজনীন |
| সকলের জন্য মঙ্গলকর: সর্বজনীন | সর্বজন সম্বন্ধীয়: সার্বজনীন | সকলের জন্য অনুষ্ঠিত: সার্বজনীন |
| সবকিছু গ্রাস করে যে: সর্বগ্রাসী | ||
ব্যয় | ||
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন যিনি: মিতব্যয়ী | যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: কৃপণ | যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় : ব্যয়বহুল |
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন না যিনি : অমিতব্যয়ী | যে অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: ব্যয়কুন্ঠ | |
তুল্য | ||
| আমার তুল্য (সদৃশ): মাদৃশ | ইহার তুল্য: ঈদৃশ | ঋষির তুল্য: ঋষিতুল্য |
| ঋষির ন্যায়: ঋষিকল্প | তার তুল্য: তাদৃশ | দেবতার তুল্য: দেবোপম |
জয় | ||
| ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি: ইন্দ্রজিৎ | ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি: জিতেন্দ্রিয় | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়োৎসব |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় | শত্রুকে জয় করেন যিনি : শত্রুজিৎ / পরঞ্জয় |
ক্রম | ||
| এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত: একাদিক্রমে | ক্রমকে বজায় রাখিয়া: যথাক্রমে | ক্রমে ক্রমে আসিয়াছে যাহা: ক্রমাগত |
| বিধিকে অতিক্রম না করে: যথাবিধি | যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে: ক্রমবিস্তার্যমান | যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে: ক্রমবর্ধমান / বর্ধিষ্ণু |
| যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে: ক্ষীয়মান | যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে : অপসৃয়মান | |
কুল | |
| কুলের কীর্তিতে কলঙ্ক লেপন করে যে: কুলাঙ্গার | কুলে কলঙ্ক লেপন করে যে : কুল কলঙ্ক |
| কুলের কীর্তি বর্ধনকারী যে সন্তান: কুলপ্রদীপ | কুলে বিশিষ্ট মর্যাদা আনয়ন করে যে : কুলতিলক |
গমন | ||
| ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল: বিসপী | জলে ও স্থলে চরে যে : উভচর | আকাশে গমন / বিচরণ করে যে: বিহগ (পাখি) |
| বাহুতে ভর করে চলে যে: ভুজঙ্গ | বুকে হেঁটে গমন করে যে : উরগ (সাপ) | ত্বরিত গমন করতে পারে যে: তুরগ (ঘোড়া) |
| যে গমন করে না: নগ (পাহাড়) | যে পা দিয়ে চলে না: পন্নগ (সর্প) | যে উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে: উরগ (সর্প) |
| সর্বত্র গমন করে যে : সর্বগ | লাফিয়ে চলে যে: প্লবগ (ব্যাঙ / বানর) | যে ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে: ভুজগ / ভুজঙ্গ (সর্প) |
পদ্ম | ||
| নীল বর্ণ পদ্ম: ইন্দিবর | পদ্মের ডাটা বা নাল: মৃণাল | পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ: মৃণালিনী |
| রক্ত বর্ণ পদ্ম: কোকনদ | শ্বেত বর্ণ পদ্ম: পুণ্ডরীক | |
ক্ষুদ্র | ||
| ক্ষুদ্র গ্রাম: পল্লীগ্রাম | ক্ষুদ্র রথ: রথার্ভক | ক্ষুদ্র জাতীয় বকের শ্রেণি: বলাকা |
| ক্ষুদ্র প্রলয়: খণ্ডপ্রলয় | ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র: ভাঁড় | ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র: নাকাড়া |
| ক্ষুদ্র নদী: সারণি | ক্ষুদ্র চিহ্ন: বিন্দু | ক্ষুদ্র নাটক: নাটিকা |
| ক্ষুদ্র বাগান: বাগিচা | ক্ষুদ্র নালা: নালি | ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড: নুড়ি |
| ক্ষুদ্র অঙ্গ: উপাঙ্গ | ক্ষুদ্র হাঁস: পাতিহাঁস | ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন: পিড়ি |
| ক্ষুদ্র শিয়াল: খেঁকশিয়াল | ক্ষুদ্রকায় ঘোড়া: টাট্টু | ক্ষুদ্র লেবু: পাতিলেবু |
| ক্ষুদ্র কূপ: পাতকুয়া | ক্ষুদ্র লতা: লতিকা | ক্ষুদ্র গাছ: গাছড়া |
| ক্ষুদ্র রাজ: রাজড়া | ক্ষুদ্র ফোঁড়া: ফুসকুড়ি | |
হাত | ||
| হাতের কব্জি: মণিবন্ধ | হাতের তেলো বা তালু: করতল | হাতের চতুর্থ আঙুল: অনামিকা |
| হাতের দ্বিতীয় আঙুল: তর্জনী | হাতের তৃতীয় আঙুল: মধ্যমা | হাতের পঞ্চম আঙুল: কনিষ্ঠা |
| হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল): অঙ্গুষ্ঠ | হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত: পাণি | |
বিবিধ বাক্য সংকোচন / সংক্ষেপণ
| অন্য ভাষায় রূপান্তর: অনুবাদ | অন্য ভাষায় রূপান্তরিত: অনূদিত | অন্য লিপিতে রূপান্তর: লিপ্যন্তর |
| অর্থ নাই যাহার: নিরর্থক | অনেকের মধ্যে একজন : অন্যতম | অনেকের মধ্যে প্রধান: শ্রেষ্ঠ |
| অহংকার নেই যার: নিরহংকার | অন্যদিকে মন যার: অন্যমনা | অরিকে / শত্রুকে দমন করে যে : অরিন্দম |
| অকালে পক্ক হয়েছে যা: অকালপক্ব | অরণ্যের অগ্নিকাণ্ড: দাবানল | অকালে উৎপন্ন কুমড়া: অকালকুষ্মাণ্ড |
| অসম সাহস যাহার: অসমসাহসিক | অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার: অনভিজ্ঞ | অতিশয় ঘটা বা জাঁকজমক: আড়ম্বর |
| অপর প্রান্তের হাসি: বক্রোষ্ঠিকা | অনশনে মৃত্যু: প্রায় | অভ্রান্ত জ্ঞান: প্রমা |
| অজকে (ছাগল) গ্রাস করে যা: অজগর | অন্য গতি নাই যার: অগত্যা | অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য: জলপান |
| অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি : উন্নাসিক | আদি নাই যাহার: অনাদি | আবক্ষ জলে নেমে স্নান: অবগাহন |
| আচরণে যার নিষ্ঠা আছে: নিষ্ঠাবান | আয়ুর পক্ষে হিতকর: আয়ুষ্য | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার: আস্তিক |
| আকাশ ও পৃথিবী: ক্রন্দসী | স্বর্গ ও মর্ত্য: রোদসী | আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরালোক: ক্রন্দসী |
| আচারে নিষ্ঠা আছে যার: আচারনিষ্ঠ | আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি: কোজাগর | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার: নাস্তিক |
| ইহলোক সম্পর্কিত: ইহলৌকিক | ইন্দ্রের অশ্ব: উচ্চৈঃশ্রবা | আকাশে (খ-তে) ওড়ে যে বাজি: খ-ধূপ |
| ঈষৎ কম্পিত: আধত | ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার: আঁষটে | ইন্দ্রজাল / যাদু জানেন যিনি: ঐন্দ্রজালিক |
| ঈষৎ উষ্ণ: কবোষ্ণ | উচ্চস্থানে অবস্থিত ক্ষুদ্র কুটির: টঙ্গি | উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার: প্রত্যুৎপন্নমতি |
| উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান: উপজ্ঞা | এখনও যার বালকত্ব যায়নি: নাবালক | উদয় হইতেছে এমন : উড্ডীন / উড্ডীয়মান |
| এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট: একাগ্রচিত্ত | এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা: অধ্যাস | ঐতিহাসিক কালেরও আগের: প্রাগৈতিহাসিক |
| কর দান করে যে : করদ | কামনা দূর হয়েছে যার: বীতকাম | কোথাও উঁচু কোথাও নিচু: বন্ধুর |
| ক্লান্তি নাই যার: অক্লান্ত | কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই: অক্লান্তকর্মী | কাচের তৈরি বাড়ি: শিশমহল |
| খেয়া পার করে যে : পাটনী | গলায় কাপড় দিয়া: গলবস্ত্র | কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে: করিতকর্মা |
| গাছে উঠতে পটু যে : গেছো | গ্রীবা সুন্দর যার: সুগ্রীব | গুরুর বাসগৃহ: গুরুকুল |
| গদ্যপদ্যময় কাব্য: চম্পু | গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান: গোষ্পদ | ঘুমে আচ্ছন্ন যে: ঘুমন্ত / সুপ্ত |
| ঘরের অভাব: হা-ঘর | চিন্তার অতীত: চিন্তাতীত | চৈত্র মাসের ফসল: চৈতালি |
| ছল/ ছলনা করিয়া কান্না: মায়াকান্না | জ্বল জ্বল করছে যা: জাজ্বল্যমান | ঠিকমতো নাম-ধাম আছে যাহাতে: ঠিকানা |
| ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা: ঠ্যাঙারে | ঢাকায় উৎপন্ন: ঢাকাই | তল স্পর্শ করা যায় না যার: অতলস্পর্শী |
| তৃণাচ্ছাদিত ভূমি: শাদ্বল | দর্শন করা হয়েছে এমন: প্রেক্ষিত | তিন মোহনার মিলন যেখানে: ত্রিমোহনা |
| দেহ সম্বন্ধীয়: দৈহিক | দ্বারে থাকে যে: দৌবারিক | দিনে একবার আহার করে যে: একাহারী |
| দমন করা যায় না যাকে :অদম্য | দমন করা কষ্টকর যাকে: দুর্দমনীয় | দুয়ের মধ্যে একটি: অন্যতর |
| ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে : ধুরন্ধর | নদী মাতা যার: নদীমাতৃক | ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ: প্রব্রজ্যা |
| নিজেকে বড় ভাবে যে: হামবড়া | ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন: পরিব্রাজন | নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ: নদী সিকস্তি |
| নদী মেখলা যে দেশের: নদীমেখলা | নিশাকালে চরে বেড়ায় যে: নিশাচর | নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে: নাবিক |
| ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি: নৈয়ায়িক | পা থেকে মাথা পর্যন্ত: আপাদমস্তক | পাঠ করিতে হইবে এমন: পঠিতব্য |
| পরকাল সম্পর্কিত: পারলৌকিক | পা ধুইবার জল: পাদ্য | প্রকাশিত হইবে এমন: প্রকাশিতব্য |
| পিতার ভ্রাতা: পিতৃব্য | পথ চলার খরচ: পাথেয় | পূর্ব ও পরের অবস্থা: পৌর্বাপর্য |
| পঙ্ক্তিতে বসার অনুপযুক্ত: অপাঙ্ক্তেয় | পরস্পর আঘাত: সংঘর্ষ | পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন: পুণ্যাহ |
| পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল: পৌষালি | ফুল হইতে তৈরি: ফুলেল | বাতাসে (ক-তে) চরে যে: কপোত |
| বুঝিতে পারা যায় এমন: বোধগম্য | বিদেশে থাকে যে: প্রবাসী | বেতন নেয়া হয় না যাতে: অবৈতনিক |
| বেলাকে অতিক্রান্ত: উদ্বেল | বৃষ্টির জল: শীকর | বহুর মধ্যে একটি: অন্যতম |
| ভুলহীন ঋষি বাক্য: আপ্তবাক্য | মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত বা তৈরি: মৃন্ময় | মর্মকে পীড়া দেয় যা: মর্মান্তিক / মর্মন্তুদ |
| মর্মভেদ করিয়া যায় যাহা: মর্মভেদী | মধু পান করে যে: মধুকর | মর্মকে স্পর্শ করে এমন: মর্মস্পর্শী |
| মোটাও নয়, রোগাও নয়: দোহারা | মাসের শেষ দিন: সংক্রান্তি | মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন : উপাবৃত্ত |
| মাটির মত রং যার: মেটে | মায়া (ছল) জানে না যে: অমায়িক | মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে: নির্মক্ষিক |
| যা স্থলে চরে: স্থলচর | যা জলে চরে : জলচর | যা জলে ও স্থলে চরে: উভচর |
| যা কাঁপছে: কম্পমান | যা গতিশীল: জঙ্গম | যা বার বার দুলছে: দোদুল্যমান |
| যা গতিশীল নয়: স্থাবর | যা বপন কর হয়েছে: উপ্ত | যা চিন্তা করা যায় না: অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য |
| যা লাভ করা দুঃসাধ্য: সাধ্যাতীত | যা অবশ্যই ঘটবে: অবশ্যম্ভাবী | যা আঘাত পায়নি: অনাহত |
| যা ধারণ বা পোষণ করে: ধর্ম | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয়: নাতিশীতোষ্ণ |
| যা অধ্যয়ন করা হয়েছে: অধীত | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে: অযত্নলব্ধ |
| যা বহুকাল হতে চলে আসছে : চিরন্তন | যা হেমন্তকালে জন্মে: হৈমন্তিক | যা সহজেই ভেঙ্গে যায়: ভঙ্গুর / ঠুনকো |
| যা বিশ্বাস করা যায় না: অবিশ্বাস্য | যা বালকের মধ্যেই সুলভ: বালসুলভ | যা মুষ্টি দ্বারা পরিমাণ করা যায়: মুষ্টিমেয় |
| যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘ | যা প্রমাণ করা যায় না: অপ্রমেয় | যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না: অনপনেয় |
| যা অস্ত যাচ্ছে: অস্তায়মান | যা উচ্চারণ করা যায় না: অনুচ্চার্য | যা উচ্চারণ করা কঠিন: দুরুচ্চার্য |
| যা আগুনে পোড়ে না: অগ্নিসহ | যা বহন করা হচ্ছে: নীয়মান | যা অনুভব করা হচ্ছে: অনুভূয়মান |
| যা উপলব্ধি করা হচ্ছে: উপলভ্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দুলছে: দোদুল্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান |
| যা দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান | যা নিজের দ্বারা অর্জিত: স্বোপার্জিত | যা মাটি ভেদ করিয়া উপরে উঠে: উদ্ভিদ |
| যার অন্য উপায় নাই: অনন্যোপায় | যার কিছুই নেই: নিঃস্ব | যা শল্য ব্যথা দূরীকৃত করে: বিশল্যকরণী |
| যার বিশেষ খ্যাতি আছে: বিখ্যাত | যার কোনো উপায় নাই: নিরুপায় | যার আগমনের কোনো তিথি নেই: অতিথি |
| যার খ্যাতি আছে: খ্যাতিমান | যার তুলনা নাই: অতুলনীয় | যার আকার কুৎসিত: কদাকার |
| যার দুই হাত সমান চলে: সব্যসাচী | যার উদ্দেশ্যে পত্রটি রচিত: প্রাপক | যার বরাহের (শূকর) মতো খুর: বরাখুর |
| যার বেশবাস সংবৃত নয়: অসংবৃত | যার পুত্র নেই: অপুত্রক | যার দাড়ি-গোঁফ উঠেনি: অজাতশ্মশ্রু |
| যার দুটি মাত্র দাঁত: দ্বিরদ (হাতি) | যার চার দিকে স্থল: হ্রদ | যার দুই দিক বা চার দিকে জল: দ্বীপ |
| যার অর্থ নেই: অর্থহীন | যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয়: সংবর্ত | যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই: অকুতোভয় |
| যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়: সর্বংসহা | যে জয় লাভে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: সংশপ্তক | যে বিষয়ে মতভেদ নেই এমন: ঐকমত্য |
| যে শুনেই মনে রাখতে পারে: শ্রুতিধর | যে পরের গুণেও দোষ ধরে: অসূয়ক | যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ: শ্বাপদসংকুল |
| যে আকৃষ্ট হচ্ছে: কৃষ্যমাণ | যে তির নিক্ষেপে পটু: তিরন্দাজ | যে সুপথ থেকে কুপথে যায়: উন্মার্গগামী |
| যে অন্য দিকে মন দেয় না: অনন্যমনা | যে বিদ্যা লাভ করেছে: কৃতবিদ্য | যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে: ত্র্যহস্পর্শ |
| যে আলোতে কুমুদ ফোটে: কৌমুদ | যে প্রবীণ নয়: নবীন | যে গাঁজায় নেশা করে: গেঁজেল |
| যে রব শুনে এসেছে: রবাহুত | যিনি প্রথম পথ দেখান: পথিকৃৎ | যে বিবেচনা না করে কাজ করে: অবিবেচক |
| যেখানে মৃত জন্তু ফেলা হয়: ভাগাড় | যিনি সব জানেন: সবজান্তা | যে ক্রমাগত রোদন করেছে: রোরূদ্যমান |
| যিনি বক্তৃতা দানে পটু: বাগ্মী | যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি: যুধিষ্ঠির | যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না: সংশপ্তক |
| যিনি অতিশয় হিসাবি: পাটোয়ারি | রোদে শুকানো আম: আমশি | যুক্তি সংগত নয়: অযৌক্তিক |
| রাহ্ বা রাস্তায় ডাকাতি: রাহাজানি | রেশম দিয়ে নির্মিত: রেশমি | শ্রম করিতে কষ্টবোধ করে যে: শ্রমকাতর |
| লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন: আলুনি | শোনা যায় এমন: শ্রুতিগ্রাহ্য | শুনিতে পারা যায় এমন: শ্রবণীয়/ শ্রাব্য |
| শত্রুকে বধ করে যে: শত্রুঘ্ন | শত্রুকে পীড়া দেয় যে: পরন্তপ | শক্তিকে অতিক্রম না করিয়া: যথাশক্তি |
| শক্তির উপাসনা করে যে: শাক্ত | শ্রম করিতে চাহে না যে: শ্রমবিমুখ | সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা: প্রত্যুদগমন |
| শোনামাত্র যার মনে থাকে: শ্রুতিধর | শত্রুকে হত্যা করেন যিনি: শত্রুঘ্ন | সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ: ধারোষ্ণ |
| সমুদ্রের ঢেউ: ঊর্মি | সজ্ঞানে অন্যায় করে যে: জ্ঞানপাপী | সমুদ্র হতে হিমাচল পর্যন্ত: আসমুদ্রহিমাচল |
| সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির: স্কন্দাবার | স্তন পান করে যে: স্তন্যপায়ী | সবকিছু সহ্য করেন যিনি: সর্বংসহা |
| স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা: সহমরণ | স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন: স্বাদিত | হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান: হাওদা |
| হরেক রকম কথা বলে যে: হরবোলা | হিরণ্য / স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত: হিরন্ময় | হয়তো হবে: সম্ভাব্য |
| হাতির বাসস্থান: গজগৃহ | হিত ইচ্ছা করে যে: হিতৈষী | হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল: হৈমন্তিক |
| স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ): উপদা | সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত: সাবন | |
| অনায়াসে লাভ করা যায় যাহা: অনায়াসলভ্য | অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে: অনপেক্ষ | |
| অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান: পিঁজরাপোল | অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ: উপচার | |
| অষ্টপ্রহর (সারাদিন) ব্যবহার্য যা : আটপৌরে | অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা : অভ্রংলিহ | |
| অর্থ উপার্জন করা যায় যে ফসল হইতে : অর্থকরী | অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের): সেঁজুতি | |
| অহং বা আত্ম সম্পর্কে অতিশয় সচেতনতা: অহমিকা | অকালে যাকে জাগরণ করা হয় : অকালবোধন | |
| অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী): অন্তঃসলিলা | অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে: অন্নগত প্রাণ | |
| আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত: আদ্যন্ত / আদ্যোপান্ত | আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর: হিংটিংছট্ | |
| আকাশে (খ-তে) চড়ে বেড়ায় যে: আকাশচারী / খেচর | আশি বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি: অশীতিপর | |
| আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা: বরাভয় | আল্লাহর দ্বীন/ইসলাম কায়েম ও রক্ষার জন্য যিনি যুদ্ধে নিহত হন: শহিদ | |
| ইহলোকে যা সাধারণ / সামান্য নয়: অলোকসামান্য | ঋণ শোধের জন্য যে ঋণ করা হয় : ঋণার্ণ | |
| ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি: ঋত্বিক | এখনও শত্রু জন্মায় নাই যাহার: অজাতশত্রু | |
| কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়োগ: বুক্নি | কোনটা দিক / বিদিগ এই জ্ঞান নাই যাহার: দ্বিগ্বিদিগজ্ঞানশূন্য | |
| কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা: কিংকর্তব্যবিমূঢ় | কোনো কিছু থেকে যার ভয় নেই: অকুতোভয় | |
| কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ/পরিশ্রমী: কর্মঠ | জ্ঞান লাভ করা যায় যে ইন্দ্রিয় দ্বারা: জ্ঞানেন্দ্রিয় | |
| চারি শাখা- হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিক বিশিষ্ট সেনা: চতুরঙ্গ | দান গ্রহণ করা উচিৎ নয় যার থেকে: অপ্রতিগৃহ্য | |
| জলপানের জন্য দেয় অর্থ: জলপানি (বৃত্তি) | নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল): নিদাঘ | |
| ত্রিকালের ঘটনা জানেন যিনি: ত্রিকালদর্শী / ত্রিকালজ্ঞ | বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে: পরিবেদন | |
| প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতো অবস্থা: লবেজান | বহু দেখেছে যে / অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি: বহুদর্শী | |
| বহু ঘর থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা: মাধুকরী / মধুকরী | মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া: প্রত্যুদগমন | |
| বন্দুক বা তির ছোঁড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য: চাঁদমারি | মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া: অনুব্রজন | |
| যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর: দূরপনেয় | যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না: অনন্য সাধারণ | |
| যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে / যার কিছু নাই: সর্বহারা / হৃতসর্বস্ব | যা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না: অপ্রত্য | |
| যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক / বিরোধ নেই: অবিসংবাদী | যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না: অজ্ঞাতকুলশীল | |
| যে গাভী প্রসবও করে না, দুধও দেয় না : গোবশা | যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত: হাতুড়ে | |
| যে এক দরজা থেকে অন্য দরজায় ভিক্ষা করে: মাধুকরী | যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালোবাসে: বারমুখো | |
| যাহা লোকে প্রায় ভুলিয়া গিয়েছে: বিস্মৃতপ্রায় | যাদের বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষি জমি নেই: ভূমিহীন চাষী | |
| স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি-কান্না: দেয়ালা | স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে : স্বৈরাচারী | |
| সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ: অয়নাংশ | সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন: অসমীক্ষিত | |
| সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে: সততসঞ্চরমান | সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল: ব্রাহ্মমুহূর্ত | |
| জাগিয়া রহিয়াছে এমন: জাগন্ত / জাগরুক জ্বলছে যে অর্চি (শিখা): জ্বলদর্চি | মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন: অভিসার | |
| যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায়: কুম্ভীলক | ||
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ / শব্দজোড়
শব্দজোড়:
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন; এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। যেমন: অকুল (নীচ বংশ), অকূল (তীরহীন)।
মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ |
| অংশ | ভাগ | অভি | সম্মুখ/সমীপে | অটনি | ধনুকের অগ্রভাগ | অবদ্য | নিন্দনীয় |
| অংস | কাঁধ বা স্কন্ধ | অভী | ভয়হীন | অটবি | অরণ্য | অবধ্য | বধের অযোগ্য |
| অসুর | দানব/দৈত্য | অসার | বাজে | অনিষ্ট | অপকার | অশ্ব | ঘোড়া |
| অশূর | যে বীর নয় | অসাড় | সাড়হীন | অনিষ্ঠ | নিষ্ঠাহীন | অশ্ম | পাথর |
| অন্ত | মৃত্যু | অন্য | অপর | অণু | ক্ষুদ্রতম অংশ | অর্তি | পীড়া |
| অন্ত্য | শেষ | অন্ন | ভাত | অনু | পশ্চাৎ | অর্থী | ইচ্ছুক |
| অনুসৃতি | অনুসরণ | অর্ঘ | মূল্য | অনুপ | উপমাহীন | অশীতি | আশি, ৮০ |
| অনুস্মৃতি | স্মৃতিচারণ | অর্ঘ্য | পূজার উপকরণ | অনূপ | জলা, বিল | অসিত | কৃষ্ণবর্ণ |
| অন্নপুষ্ট | খাদ্যপুষ্ট | অনিল | বাতাস | অনুবাত | বায়ুর অনুকূল | অশন | ভোজন |
| অন্যপুষ্ট | কোকিল | অনীল | যা নীল নয় | অনুবাদ | ভাষান্তর | অসন | ত্যাগকরণ |
| অবদান | মহৎ কার্য | অরতি | বিরক্তি | অলিক | কপাল | অশীলতা | অভদ্রতা |
| অবধান | মনোনিবেশ | অরাতি | শত্রু | অলীক | মিথ্যা | অসিলতা | তরবারি |
| অকিঞ্চন | নিঃস্ব | অকুল | নীচ বংশ | অন্যান্য | অপরাপর | অপচয় | ক্ষতি |
| আকিঞ্চন | আকাঙ্ক্ষা | অকূল | তীরহীন | অনন্য | একক | অবচয় | চয়ন |
| অপত্য | সন্তান | অবগত | জানা | অবিনীত | উদ্ধত | অভিহিত | কথিত |
| অপথ্য | যা পথ্য নয় | অপগত | দূরীভূত | অভিনীত | অভিনয় করা | আভাস | ইঙ্গিত |
| অশক্ত | অক্ষম | আঁশ | তন্তু | আদা | মসলাবিশেষ | আবাস | বাসস্থান |
| অসক্ত | নির্লিপ্ত | আঁষ | আমিষ | আধা | অর্ধেক | আবির | রং |
| আহুতি | যজ্ঞের আগুনের যি | আধি | দুশ্চিন্তা | আশি | ৮০ সংখ্যা | আভীর | গোয়ালা |
| আহূতি | আহবান | আঁধি | ঝড়ো হাওয়া | আশী | সাপের দাঁত | আবরণ | আচ্ছাদন |
| আষাঢ় | মাসের নাম | আপন | নিজ | আসক্তি | অনুরাগ | আভরণ | অলংকার |
| আসার | প্রবল বর্ষণ | আপণ | দোকান | আসত্তি | নৈকট্য | ঈশ | ঈশ্বর, প্রভু |
| আশা | আকাঙ্ক্ষা | আবৃতি | আবরণ | ইস্ত্রি | ধোপার যন্ত্র | ঈষ | লাঙলের দণ্ড |
| আসা | আগমন | আবৃত্তি | কবিতাপাঠ | স্ত্রী | পত্নী | ঋতি | পথ, গতি |
| উৎপত | পাখি | উপাদান | উপকরণ | উদ্যত | প্রবৃত্ত | রীতি | প্রথা |
| উৎপথ | কুপথ | উপাধান | বালিশ | উদ্ধত | ধৃষ্ট/অবিনীত | অবিহিত | অন্যায় |
| এণ | হরিণ | ওষধি | একফলা গাছ | ওষ্ঠ | ওপরের ঠোঁট | কৃতি | কর্ম |
| এন | দোষ | ঔষধি | ভেষজ উদ্ভিদ | ওষ্ঠ্য | ঠোঁট সম্পর্কিত | কৃতী | কীর্তিমান |
| কটি | কোমর | কড়া | আংটা | কতক | কিছু | কপাল | ললাট |
| কোটি | শত লক্ষ | করা | কৃত | কথক | বক্তা | কপোল | গাল |
| করী | হাতি | কাঁচা | অপক্ব | কাঁচি | কাস্তে | কাঁটা | কণ্টক |
| কড়ি | অর্থ | কাচা | ধোয়া | কাছি | মোটা দড়ি | কাটা | কর্তন |
| কাক | পাখিবিশেষ | কাঁদা | ক্রন্দন | কি | ক্রিয়াবিশেষণ | কিল | মুষ্টির আঘাত |
| কাঁখ | কাঁখাল | কাদা | পাঁক | কী | বিশেষণ/সর্বনাম | কীল | খিল |
| কুজন | খারাপ লোক | কৃতি | কাজ | ক্রোড় | কোল | কীর্তিবাস | যশস্বী |
| কূজন | খারাপ লোক | কৃতী | কর্মকুশল | ক্রোর | কোটি | কৃত্তিবাস | শিব, মহাদেব |
| কুল | বংশ | কুঁড়ি | মুকুল | কন্দল | অঙ্কুর | কমল | পদ্ম |
| কূল | নদীর তীর | কুড়ি | বিশ (সংখ্যা) | কন্দাল | মিষ্টি আলু | কোমল | নরম |
| কবরী | খোঁপা | কপোত | পায়রা | কৃত | যা করা হয়েছে | জোর | শক্তি |
| করবী | ফুল বিশেষ | খপোত | আকাশযান | ক্রীত | ক্রয় করা হয়েছে | কুট | দুর্গ, পর্বত |
| কাদম্বরী | দেবী সরস্বতী | কু | পৃথিবী | কীর্তি | যশ | কূট | জটিল, বক্র |
| কাদম্বিনী | মেঘমালা | ক্যু | সামরিক অভুত্থান | কৃত্তি | বাঘের চামড়া | খড় | তৃণ |
| খরা | রৌদ্র | খুর | পশুর পায়ের অংশ | খদ্দর | কাপড় বিশেষ | খর | তীব্র |
| ক্ষরা | ক্ষরণ | ক্ষুর | কামানোর অস্ত্র | খদ্দের | ক্রেতা | গণ্ডি | চৌহদ্দি |
| গর্ব | অহংকার | গা | শরীর | গাথা | কাহিনী | গণ্ডী | ধনুক |
| গর্ভ | পেট | গাঁ | গ্রাম | গাঁথা | গ্রন্থন | গাধা | গর্দভ |
| গোড়া | মূল অংশ | গড়া | তৈরি করা | গড় | তৈরি করা | গাঁদা | ফুলবিশেষ |
| গোঁড়া | রক্ষণশীল | ঘড়া | বড় কলসি | ঘর | বাসগৃহ | ঘোড়া | অশ্ব |
| চড় | চপেটাঘাত | চারা | ছোট গাছ | চুর | নেশাগ্রস্ত | ঘোড়া | ঘূর্ণন |
| চর | ভূমিবিশেষ | চাড়া | জেগে ওঠা | চূর | চূর্ণ | চির | চিরকাল |
| চূত | আম | ছাঁদ | আকৃতি | ছাড় | ত্যাগ | চীর | ছিন্নবস্ত্র |
| চ্যূত | ভ্রষ্ট / স্খলিত | ছাদ | চাল | ছার | অধম | ছোঁড়া | বালক |
| জড় | অচেতন | জমক | সমারোহ | জলা | জলাশয় | ছোরা | ছুরি |
| জ্বর | রোগবিশেষ | যমক | জোড়া | জ্বলা | পোড়া | জাম | ফলবিশেষ |
| জাল | ফাঁদ | জালা | মাটির বড় পাত্র | জিভ | জিহ্বা | যাম | প্রহর |
| জ্বাল | অগ্নিশিখা | জ্বালা | যন্ত্রণা | জীব | প্রাণী | জোড় | জোড়া |
| জ্যেষ্ঠ | বড় | জ্যোতি | আলো | ঝানু | পাকা | ঝুড়ি | চাঙাড়ি |
| জ্যৈষ্ঠ | বাংলা ২য় মাস | যতি | বিরাম | জানু | হাঁটু | ঝুরি | বটের শিকড় |
| টিকা | রোগ প্রতিরোধক | ঠোকা | মৃদু আঘাত | ডাকা | আহ্বান করা | ডাল | শাখা |
| টীকা | ব্যাখ্যা | ঠকা | প্রতারিত হওয়া | ঢাকা | আবৃত | ঢাল | বর্ম |
| ডোল | ধান রাখার পাত্র | ঢাক | বাদ্যযন্ত্র | তত্ত্ব | মূলকথা | ত্বরিত | দ্রুত |
| ঢোল | বাদ্যযন্ত্র | ডাক | যোগাযোগ ব্যবস্থা | তথ্য | সঠিক সংবাদ | তড়িৎ | বিদ্যুৎ |
| তরণী | নৌকা | তারা | নক্ষত্র | তোড়া | গুচ্ছ | তপসি | ছোট মাছ |
| তরুণী | যুবতী | তাড়া | তাড়না | তোরা | তোমরা | তপস্বী | সাধু |
| তির | বাণ, শর | দন্ত | দাঁত | দার | স্ত্রী | দারা | স্ত্রী |
| তীর | কূল, পাড় | দন্ত্য | দাঁতবিষয়ক | দ্বার | দরজা | দ্বারা | দিয়ে |
| দিন | দিবা | দীপ | প্রদীপ | দূতী | নারী সংবাদবাহক | দৃপ্ত | বলিষ্ঠ |
| দীন | দরিদ্র | দ্বীপ | জলবেষ্টিত স্থান | দ্যুতি | আলো | দীপ্ত | উজ্জ্বল |
| দেশ | রাজ্য | ধাপ | সিঁড়ির সোপান | ধরা | পৃথিবী | ধাতৃ | বিধাতা |
| দ্বেষ | হিংসা | দাপ | দাপট | ধড়া | কটিবাস | ধাত্রী | দাই |
| ধুম | প্রাচুর্য | ধোয়া | ধৌত | ধনি | সুন্দরী স্ত্রী | ধারি | সরু বারান্দা |
| ধূম | ধোঁয়া | ধোঁয়া | ধুম্র | ধনী | ধনবান | ধারী | ধারালো |
| নিরাশ | হতাশ | নিরস্ত্র | অস্ত্রহীন | নভ | আকাশ | নীর | পানি |
| নিরাস | দূরীকরণ | নিরস্ত | ক্ষান্ত | নব | নতুন | নীড় | পাখির বাসা |
| নারী | স্ত্রীলোক | নিতি | রোজ | নন্দি | আনন্দ | নাড়ী | শিরা |
| নাড়ি | শিরা | নীতি | নিয়ম | নন্দী | বটগাছ | নারি | পারি না |
| নিত্য | প্রতিদিন | নিবৃত | আবৃত | নিদান | শেষ | নীড় | পাখির বাসা |
| নৃত্য | নাচ | নিভৃত | গোপন | নিধান | আধার | নীর | পানি |
| নিবার | নিষেধ | নিশিত | ধারালো | পক্ষ | পাখা | পটল | অধ্যায় |
| নীবার | ধান বিশেষ | নিশীথ | মধ্যরাত্রি | পক্ষ্ম | চোখের পাতার লোম | পটোল | সবজিবিশেষ |
| পটাশ | রাসায়নিকবিশেষ | পদ্য | কবিতা | পরা | পরিধান করা | পরভৃত | কোকিল |
| পটাস | ধ্বন্যাত্মক শব্দ | পদ্ম | কমল | পড়া | পাঠ | পরভৃৎ | কাক |
| পাণি | হাত | প্রভাতি | প্রভাতের গান | প্রসাদ | অনুগ্রহ | পারি | সমর্থ/সক্ষম |
| পানি | জল | প্রভাতী | প্রভাতকালীন | প্রাসাদ | অট্টালিকা | পাড়ি | পারাপার |
| পরিষদ | সভা | পাট | উদ্ভিদবিশেষ | পার | তীর | পারা | পারদ |
| পারিষদ | সভাষদ | পাঠ | পড়া | পাড় | প্রান্ত | পাড়া | মহল্লা |
| পরিচর্চা | আলোচনা | পরিচ্ছদ | পোশাক | পূর্বাহ্ন | পূর্বদিন | প্রবুদ্ধ | জাগরিত |
| পরিচর্যা | সেবা | পরিচ্ছেদ | অংশ, অধ্যায় | পূর্বাহ্ণ | দিনের পূর্বভাগ | প্রবৃদ্ধ | অতিশয় বৃদ্ধ |
| পিঠ | পৃষ্ঠ | পিন | আলপিন | পুত | পবিত্র | পুরি | লুচি |
| পীঠ | স্থান | পীন | স্থূল | পূত | পবিত্র | পুরী | নিকেতন |
| পুরুষ | নর | পূর্বাভাষ | মুখবন্ধ | প্রকার | রকম | প্রকৃত | যথার্থ |
| পরুষ | কঠোর | পূর্বাভাস | পূর্বসংকেত | প্রাকার | দেয়াল | প্রাকৃত | স্বাভাবিক |
| ফোঁটা | বিন্দু | ফিক | মৃদু হাসি | বলি | উপহার | বাণ | শর, তির |
| ফোটা | প্রস্ফুটিত | ফীক | কোকিল | বলী | বলবান | বান | বন্যা |
| বর্ষা | ঋতু | বা | অথবা | বাক | কথা | বাণী | কথা |
| বর্শা | অস্ত্রবিশেষ | বাঁ | বাম | বাঁক | বাঁকা | বানি | গয়না তৈরির মজুরি |
| বাইশ | ২২ সংখ্যা | বেদ | গ্রন্থ বিশেষ | বিষ | হলাহল/গরল | বিবৃতি | বিস্তৃতি |
| বাইস | ধারালো যন্ত্র | বেধ | বিবর্তন | বিস | মৃণাল | বিত্তি | জীবিকা |
| বাধা | বিঘ্ন | বাড়ি | ঘর | বাদি | ফরিয়াদি | বাসি | টাটকা নয় |
| বাঁধা | বন্ধন | বারি | পানি | বাদী | মতাদর্শী | বাসী | বসবাসকারী |
| বিচি | বীজ | বিত্ত | ধন | বিনা | ব্যতীত | বিস্মিত | চমৎকৃত |
| বীচি | ঢেউ | বৃত্ত | গোলাকার | বীণা | বাদ্যযন্ত্র বিশেষ | বিস্মৃত | ভুলে যাওয়া |
| বৃন্ত | বোঁটা | বেশি | অনেক | বোঁজা | বন্ধ | ভূ | পৃথিবী |
| বৃন্দ | সমূহ | বেশী | বেশধারী | বোঝা | ভার | ভূধর | পর্বত |
| ভজন | প্রার্থনা | ভাষ | কথা | ভাসন | উজ্জ্বলতা | ভুঞ্জন | ভোগ করা |
| ভোজন | আহার | ভাস | দীপ্তি | ভাষণ | উক্তি | ভঞ্জন | ভোগ করা |
| মতি | বুদ্ধি | মরা | মৃত | মন | অন্তঃকরণ | শম | শান্তি |
| মোতি | মুক্তা | মড়া | মৃতদেহ | মণ | অন্তঃকরণ | সম | তুল্য |
| মাস | ৩০ দিন | মুখপত্র | ভূমিকা | মূর্খ | জ্ঞানহীন | মোড়ক | আচ্ছাদনী |
| মাষ | ডালবিশেষ | মূখপাত্র | প্রতিনিধি | মুখ্য | প্রধান | মড়ক | মহামারী |
| মুখ | বদন | যজ্ঞ | উৎসব | যুগ | কাল | রতি | পরিমাণ |
| মূক | বোবা | যোগ্য | উপযুক্ত | যোগ | মিলন | রথী | রথের আরোহী |
| রুক্স | স্বর্ণ | লণ্ঠন | বাতি | লেশ | সামান্য | লক্ষ | শত সহস্র |
| রুক্ষ | কর্কশ | লুণ্ঠন | লুটতরাজ | লেস | ফিতা | লক্ষ্য | উদ্দেশ্য |
| শক | জাতিবিশেষ | শুক | টিয়াপাখি | শিকড় | মূল | শর | তির |
| শখ | সাধ | শূক | শস্যের সূক্ষ্ম রোঁয়া | শীকর | জলকণা | সর | দুধের উপরিভাগ |
| শমন | যম | শব | মৃতদেহ | শিখণ্ডিক | মোরগ | শুক্তি | শ্রবণ |
| সমন | আদালতের ডাক | সব | সমস্ত | শিখণ্ডী | ময়ূর | সূক্তি | সৎকথা |
| শকল | মাছের আঁশ | শয্যা | বিছানা | শশা | ফল | শারদা | দুর্গা |
| সকল | সমস্ত | সজ্জা | সাজ | স্বসা | বোন | সারদা | সরস্বতী |
| শূর | বীর | শান্ত | ধীর | শবল | নানাবর্ণ যুক্ত | শমীর | বৃক্ষবিশেষ |
| সূর | সূর্য | সান্ত | সসীম | সবল | বলবান | সমীর | বাতাস |
| শুচি | পবিত্র | শপ্ত | অভিশপ্ত | শরণ | আশ্রয় | শঠ | প্রবঞ্চক |
| সূচি | ছুঁচ/তালিকা | সপ্ত | সাত | স্মরণ | স্মৃতি | ষট্ | ছয় |
| শশা | ফলবিশেষ | শাদী | বিয়ে | সর্গ | কাব্যের অধ্যায় | শম্বর | হরিণ |
| স্বসা | বোন | শাপ | অভিশাপ | স্বর্গ | সুরলোক | সম্বর | সংবরণ |
| সান্ত | সসীম | সাপ | সর্প | শারি | স্ত্রী শালিক | শিকার | মৃগয়া |
| শিল | পাথর | শীষ | ধানের মঞ্জরি | সারি | পঙ্ক্তি | স্বীকার | অঙ্গীকার |
| শীল | চরিত্র | শিস | ধ্বনিবিশেষ | শোনা | শ্রবণ করা | শ্রবণ | কান |
| শ্বশ্রূ | শাশুড়ি | সর্গ | অধ্যায় | সোনা | স্বর্ণ | স্রবণ | ক্ষরণ |
| শ্মশ্রু | দাড়ি | স্বাদ | আস্বাদ | সমর্থ | বলবান | সম্প্রতি | আজকাল |
| সাক্ষর | অক্ষর সম্বলিত | সাধ | ইচ্ছা | সামর্থ | যোগ্যতা | সম্প্রীতি | সম্ভাব |
| স্বাক্ষর | দস্তখত | সামি | অর্ধেক | সন | বছর | সত্ত্ব | গুণবিশেষ |
| সাধু | সৎ | স্বামী | প্রভু | স্বন | শব্দ | স্বত্ব | অধিকার |
| স্বাদু | স্বাদযুক্ত | হর্ম্য | দালান | স্তম্ব | কাণ্ডশূন্য বৃক্ষ | হাড় | অস্থি |
| হ্রদ | জলাশয় | হর্ম | হাই তোলা | স্তম্ভ | খুঁটি | হার | গলার মালা |
| হৃদ | মন |
ভাষা হচ্ছে বহমান নদীর মতো, যা নিরন্তর বয়ে চলেছে নানা যৌক্তিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। তাই বাংলা ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ তথা অপপ্রয়োগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য দরকার ভাষার উপর পরিপূর্ণ জ্ঞান। ইংরেজ সময়কালের বা পাকিস্তানি শাসনামলের মুদ্রা যেমন একালে অচল, তেমনি ইংরেজ-পাকিস্তানি আমল তো বটেই, এমন কি আশি বা নব্বই দশকের কিছু কিছু বানানও আজকাল পরিত্যক্ত হয়েছে।
বাংলা পৃথিবীর একটি মর্যাদাসম্পন্ন ভাষা। ২১ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়: অথচ খোদ বাংলাদেশেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন যেমন হয়নি, মর্যাদাও তেমন দেওয়া হয় না। সবচেয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা যায় বানান ও উচ্চারণে, যা রীতিমতো পীড়াদায়ক। সাহিত্যকর্মের বাইরে পোস্টারে, বিজ্ঞাপনে, সাইনবোর্ডে, সংবাদপত্রের পাতায়, বেতার-টেলিভিশনে এই ভুলের ছড়াছড়ি। বাংলা ভাষায় ভুলের সীমাহীন যে নৈরাজ্য চলছে, তাতে কেবল ভাষার প্রতি অবহেলাই প্রকাশ পায় না, ভাষার নিয়ম-শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিপুল অজ্ঞতাও প্রকট হয়ে দেখা দেয়।
ভাষাজ্ঞান এবং বানান পরিবর্তনের চলমান ধারার সাথে সংলগ্ন থাকতে পারলে, ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটানো সম্ভবপর হবে। উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলোঃ
ঈদ, নবী, পরী, পীর, পূর্ব, বীমা, রানী, লীগ, শহীদ শব্দগুলোর বানান কিন্তু অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানানগুলো অশুদ্ধ মনে হওয়ার কারণ হচ্ছে এ বানানগুলো বিভিন্ন সরলীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংস্কার করে গৃহীত হয়েছে। পুরনো বানানগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন প্রচলিত ছিল, তাই সেগুলো এখনো চোখকে বিভ্রান্ত করতে চায়। এ নিয়ে যে দ্বিধা, তা দূর হতে পারে শুধু একটি নিয়ম জানা থাকলে। এ শব্দগুলোর শুদ্ধরূপের নিয়মটি হলো:
- যে শব্দটি তৎসম নয় অর্থাৎ সংস্কৃত নয়, সে শব্দটির বানানে কোথাও ঈ-কার, উ-কার দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে সর্বদাই ই- কার, উ- কার বসবে। যেমন- ইদ, নবি, পরি, পির, পুব, বিমা, রানি, লিগ, শহিদ ইত্যাদি। এখানে ই-কার, উ-কার বসার কারণ হলো যে, এ শব্দগুলোর কোনোটিই সংস্কৃত নয়। পূর্বে এ বানানগুলোতে ঈ-কার, উ-কার বসতো, বর্তমানে বানান পরিমার্জন করে সরল করা হয়েছে।
নিচে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগের বিস্তারিত বর্ণনা উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:
১. ই-কার / ঈ- কার এর প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ: ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে এবং ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। উভয় নিয়মেই যাবতীয় অতৎসম (অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি) শব্দে কেবল হ্রস্বধ্বনি (ই, ই- কার, উ. উ- কার) ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। নিম্নে এর কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো :
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| ঈদ | ইদ | এজেন্সী | এজেন্সি |
| একাডেমী | একাডেমি | কাজী | কাজি |
| কলোনী | কলোনি | কোরবানী | কোরবানি |
| কেরানী | কেরানি | কোম্পানী | কোম্পানি |
| গ্যালারী | গ্যালারি | গরীব | গরিব |
| গীটার | গিটার | চাকরী | চাকরি |
| জরুরী | জরুরি | জানুয়ারী | জানুয়ারি |
| টিউশনী | টিউশনি | ডায়েরী | ডায়েরি |
| ডিগ্রী | ডিগ্রি | তসবী | তসবি |
| দরদী | দরদি | নবী | নবি |
| নানী | নানি | নেভী | নেভি |
| নার্সারী | নার্সারি | বীমা | বিমা |
| ভাবী | ভাবি | মামী | মামি |
| রেফারী | রেফারি | লীগ | লিগ |
| লটারী | লটারি | লাইব্রেরী | লাইব্রেরি |
| শাশুড়ী | শাশুড়ি | ল্যাবরেটরী | ল্যাবরেটরি |
| শহীদ | শহিদ | সতীন | সতিন |
| সরকারী | সরকারি | সীলমোহর | সিলমোহর |
| সেক্রেটারী | সেক্রেটারি | হাজী | হাজি |
ই-কার যুক্ত শব্দ:
| অগ্নিবীণা | অধিকারিণী | টিপ্পনী | তপস্বিনী |
| প্রাণিবিদ্যা | প্রতিদ্বন্দ্বিতা | প্রণয়িনী | প্রতিযোগিতা |
| প্রাণিবাচক | পুনর্মিলনী | ভবিষ্যদ্বাণী | মন্ত্রিপরিষদ |
| শিঞ্জিনী | সহযোগিতা | সহপাঠিনী | স্থায়িত্ব |
ঈ-কার যুক্ত শব্দ:
| অঙ্গীকার | অন্তরীণ | অলীক | অধীন |
| আভীর | আশীর্বাদ | ঈপ্সা | ঈপ্সিত |
| ঈর্ষা | ঈষৎ | উড্ডীন | উদীচী |
| উড়িয়া/উড়ীয়া | উন্মীলন | একান্নবর্তী | কালীন |
| কৃষিজীবী | কীর্তি | কীর্তন | কিরীট |
| ক্ষীণজীবী | ক্ষুৎপীড়িত | গরীয়সী | গীতিকা |
| গরীয়ান | গীতাঞ্জলি | গীষ্পতি | গ্রীষ্ম |
| চীন | চীর | টীকা | তীক্ষ্ণ |
| তরণী | তীব্র | দিলীপ | দীপ্ত |
| দধীচি | দ্বিতীয় | দ্বীপ (দ্বিপ-হস্তী) | নিপীড়িত |
| নিমীলিত | নিরীহ | নিশীথিনী | নীচ |
| নিবীত | নীরব | নীরন্ধ্র | পীড়া |
| পরীক্ষা | প্রতীক | প্রতীচ্য | পীযুষ |
| পিপীলিকা | প্রতীক্ষা | প্রতীতি | প্রতীয়মান |
| প্রীত | প্রবীণ | বল্মীক | বাণী |
| বিপরীত | বীথি | বীভৎস | ব্রীহি |
| বীচি | বিবাদী | বীর | বেণী |
| ব্যতীত | ভীত | ভীম | ভাগীরথী |
| ভীষণ | মরীচিকা | শীকর | শীতাতপ |
| শরীর | শ্রীপদ | শীঘ্র | শীর্ণ |
| শারীরিক | সুশ্রী | সম্মুখীন | সমীপ |
| সমীচীন | সরীসৃপ | সমীহ | সীমন্ত |
২.অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষণ দ্বিত্ব: বিশেষণ জাতীয় পদের সঙ্গে যদি পুনরায় বিশেষণবাচক উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে যেসব শব্দ গঠিত হয় তা ব্যাকরণ সম্মত নয়। তথাকথিত এই দূষিত শব্দগুলো অপপ্রয়োগের ফলে সৃষ্ট। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| সকাতর | কাতর | সবিনয়পূর্বক | বিনয়পূর্বক |
| সকৃতজ্ঞ | কৃতজ্ঞ | সানন্দিত | সানন্দ |
| সলজ্জিত | লজ্জিত/সলজ্জ | সচেষ্টিত | চেষ্টিত/সচেষ্ট |
| সচিত্রিত | চিত্রিত/ সচিত্র | সশঙ্কিত | শঙ্কিত/সশঙ্ক |
৩. অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষ্য / দ্বিত্ব: কোনো বিশেষ্য পদের সাথে আবার/-তা/ অথবা -ত্ব / প্রত্যয় যুক্ত করা হলে, যে শব্দটি গঠিত হয় তা ভুল শব্দ। এ জাতীয় শব্দের প্রয়োগ ব্যাকরণসম্মত নয় বলে এগুলো অপপ্রয়োগ। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অপকর্ষতা | অপকর্ষ | অপ্রতুলতা | অপ্রতুল |
| আব্রুতা | আব্রু | প্রসারতা | প্রসার |
| মৌনতা | মৌন | উৎকর্ষতা | উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা |
৪. বিশেষণের সাথে দুইবার প্রত্যয় যোগ করার কারণে অপপ্রয়োগ: সাধারণত বিশেষণ পদের শেষে /-য/ অথবা /-তা/ প্রত্যয় যোগ করা হলে, বিশেষণ পদটি বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়; পুনরায় ওই বিশেষ পদের সাথে যদি আবার প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে অপপ্রয়োগ ঘটে। যেমন: 'দরিদ্র' একটি বিশেষণ পদ। 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে /-য/প্রত্যয় যোগ করলে গঠিত হয় (দরিদ্র + য) দারিদ্র্য। 'দারিদ্র্য' একটি বিশেষ্য পদ। এবার 'দারিদ্র্য'র সাথে যদি /-তা/ যোগ করা হয়, তাহলে গঠিত হয় (দারিদ্র্য+তা) দারিদ্র্যতা। 'দারিদ্র্যতা' গঠনে একই সঙ্গে /-য/ এবং /-তা/প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ শব্দ। অপপ্রয়োগ ঘটেছে, এমন কিছু তথাকথিত শব্দের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| আতিশয্যতা | আতিশয্য | ঐক্যতা | ঐক্য/একতা |
| কার্পণ্যতা | কার্পণ্য | গাম্ভীর্যতা | গাম্ভীর্য |
| চাঞ্জল্যতা | চাঞ্জল্য | চাতুর্যতা | চাতুর্য/চতুরতা |
| চাপল্যতা | চাপল্য | দারিদ্র্যতা | দারিদ্র্য/দরিদ্রতা |
| বাহুল্যতা | বাহুল্য | দৈন্যতা | দৈন্য/ দীনতা |
| ভারসাম্যতা | ভারসাম্য | সখ্যতা | সখ্য |
| সৌজন্যতা | সৌজন্য | সৌহার্দ্যতা | সৌহার্দ্য |
৫. সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ: কখনও কখনও বাংলায় কোনো কোনো শব্দে সমার্থবোধক একাধিক শব্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের প্রয়োগের ফলে শব্দ ব্যাকরণগতভাবে দূষিত হয়ে পড়ে। সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে সৃষ্ট অপপ্রয়োগের উদাহরণ হলো-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অশ্রুজল | অশ্রু | আরক্তিম | আরক্ত/রক্তিম |
| আয়ত্তাধীন | আয়ত্ত/অধীন | শুধুমাত্র | শুধু / মাত্র |
| কদাপিও | কদাপি | কেবলমাত্র | কেবল / মাত্র |
| সমূলসহ | সমূল / মূলসহ | বিবিধপ্রকার | বিবিধ |
| সময়কাল | সময় / কাল | সুস্বাগত | স্বাগত |
৬. সন্ধিজাত শব্দে বানান ভুলের জন্য অপপ্রয়োগ: সন্ধিজাতশব্দে পাশাপাশি দুই বা তার চেয়ে বেশি ধ্বনি মিলিত হয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে ধ্বনিটি কী হবে, তা সন্ধির সূত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে কোনো রকম স্বাধীনতা গ্রহণ করা চলে না। আমরা অনেকেই সন্ধিজাত শব্দের বানান লেখার সময় বানানে স্বেচ্ছাচার করে থাকি, যার ফলে শব্দে অপপ্রয়োগ ঘটে থাকে। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অদ্যবধি | অদ্যাবধি | উপরোক্ত | উপর্যুক্ত |
| তরুছায়া | তরুচ্ছায়া | দুরাবস্থ | দুরবস্থা |
| দুরাদৃষ্ট | দুরদৃষ্ট | প্রাত:রাশ | প্রাতরাশ |
| বক্ষোপরি | বক্ষ-উপরি | বিপদোদ্ধার | বিপদুদ্ধার |
| মুখছবি | মুখচ্ছবি |
৭. সমাসঘটিত শব্দে অপপ্রয়োগ: ব্যাসবাক্য থেকে সমস্তপদ যখন গঠিত হয়, তা সমাসের নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে। শব্দ গঠন অনুযায়ী ব্যাসবাক্য থেকে কখনও কখনও তা ভিন্নরূপ লাভ করে। যেমন: মহান যে মানব = 'মহানমানব' নয়- 'মহামানব'; জায়া ও পতি = ‘জায়াপতি’ নয়- 'দম্পতি'।
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অহোরাত্রি | অহোরাত্র | অহর্নিশি | অহর্নিশ |
| দিবারাত্রি | দিবারাত্র | নীরোগী | নীরোগ |
| নিজ্ঞানী | নির্জ্ঞান | নির্বিরোধী | নির্বিরোধ |
| নিরভিমানী | নিরভিমানী | নিরপরাধী | নিরপরাধ |
| নির্দোষী | নির্দোষ | দিনরাত্র | দিনরাত্রি/দিবারাত্র |
| মধ্যরাত্রি | মধ্যরাত্র | সুবুদ্ধিমান | সুবুদ্ধি |
৮. প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগ: প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়যুক্ত হয়ে যখন শব্দ গঠিত হয়, তখন সংগত কারণেই তার বানানে কিছুটা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। সচেতন না থাকলে এসব ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অধীনস্থ | অধীন | অসহ্যনীয় | অসহনীয়/অসহ্য |
| আবশ্যকীয় | আবশ্যক | একত্রিত | একত্র |
| চোষ্য | চূষ্য | লব্ধপ্রতিষ্ঠিত | লব্ধপ্রতিষ্ঠ |
| সাধ্যাতীত | অসাধ্য | সত্বা | সত্তা |
| স্বত্ত্ব | স্বত্ব | সম্ভ্রান্তশালী | সম্ভ্রমশালী/সম্ভ্রান্ত |
| সিঞ্চন | সেচন | সিঞ্চিত | সিক্ত |
৯. উৎকর্ষবাচক- তর, তম প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ: উৎকর্ষবাচক শব্দ ব্যবহারে, আমরা কী রকম অজ্ঞানতার মধ্যে ডুবে আছি যেটি খুব অল্প কথায় ড. মাহবুবুল হক বিশ্লেষণ করেছেন। আমরা সরাসরি তাঁর বই থেকে একটি অংশ তুলে ধরছি: 'বাংলায় উৎকর্ষের সর্বাধিক্য বোঝাতে গুণবাচক শব্দের সঙ্গে /-ইষ্ঠ/ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: কনিষ্ঠ, গরিষ্ঠ, জ্যেষ্ঠ, পাপিষ্ঠ্য, বলিষ্ঠ, লঘিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি। এসব শব্দের সঙ্গে ভুলবশত অনেকে দুইয়ের মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তর/এবং বহুর মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তম/ প্রত্যয় যুক্ত করে থাকেন। যেমন: কনিষ্ঠর/ কনিষ্ঠতম, বলিষ্ঠতম/ বলিষ্ঠতম, শ্রেষ্ঠতম ইত্যাদি। এরকম প্রয়োগ অশুদ্ধ।
১০. বহুল প্রচলিত বানানের প্রভাবে অপপ্রয়োগ: বাংলা বানানে বহুলপ্রচলিত শব্দগুলি তুলনামূলক কম প্রচলিত শব্দের বানানের ওপর প্রবল প্রভাব ফেলে। ফলে অপপ্রয়োগ দেখা যায়। কিছু উদাহরণ দেয়া হলো: 'ভূগোল' বানানে উ-কার আছে কিন্তু এর প্রভাবে 'ভূবন' বানানে উ-কার দেওয়া হলো, যা অপপ্রয়োগ। 'স্বাধীনতা' বানানের প্রভাবে যদি লেখা হয় 'স্বাধীকার' তাহলে অপপ্রয়োগ হবে। শুদ্ধ শব্দটি হচ্ছে সাধীকার। এরূপ 'বিবাদ' শুদ্ধ, কিন্তু 'বিবাদমান' শুদ্ধ নয়, শুদ্ধ প্রয়োগ করতে হলে ব্যবহার করতে হবে 'বিবদমান'।
১১. সমাসঘটিত শব্দের বানানে অশুদ্ধি: 'সমাস' (সম্- √অস্ +অ) শব্দের অর্থই হচ্ছে সংক্ষেপণ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, “পরস্পর অর্থ-সঙ্গতিবিশিষ্ট দুই বা বহু পদকে লইয়া একপদ করার নাম সমাস।”
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একাধিক শব্দ একত্র জুড়িয়া একটি বৃহৎ শব্দ সৃষ্টি করাকে সমাস বলে।”
বাংলা একাডেমি প্রণীত ও প্রকাশিত "প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ" গ্রন্থে সমাসের সংজ্ঞার্থ নিরূপিত হয়েছে এভাবে: "সমাস অভিধানের শব্দ নির্মাণের একটি প্রক্রিয়া যাতে দুই বা তার চেয়ে বেশি শব্দ যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড শব্দ তৈরি করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি সম্মিলিত ধারণা প্রকাশ করে।" সমাসবদ্ধ শব্দ তাই একত্রে লিখতে হয়- নতুবা অপপ্রয়োগ হবে। কিছু উদাহরণ হলো:
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| আপন জন | আপনজন | ক্রয় ক্ষমতা | ক্রয়ক্ষমতা |
| জীবন ধারা | জীবনধারা | দৃঢ় প্রতিজ্ঞ | দৃঢ়প্রতিজ্ঞ |
| দৃষ্টি প্রতিবন্ধী | দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী | ধর্ম ব্যবসায়ী | ধর্ম ব্যবসায়ী |
| বিপথ গামী | বিপথগামী | প্রচার মাধ্যম | প্রচার মাধ্যম |
| পূর্ব প্রস্তুতি | পূর্বপ্রস্তুতি | প্রবাস জীবন | প্রবাসজীবন |
| বাস্তব সম্মত | বাস্তবসম্মত | যুক্ত বিবৃতি | যুক্তবিবৃতি |
| যুদ্ধ বিধ্বস্ত | যুদ্ধবিধ্বস্ত | মৎস্য সম্পদ | মৎস্যসম্পদ |
অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অকাল প্রায়াত | অকালপ্রায়াত |
| অনন্য সাধারণ | অনন্যসাধারণ |
| অনুমান নির্ভর | অনুমাননির্ভর |
| জমিদার বাড়ি | জমিদারবাড়ি |
| জীবন সংগ্রাম | জীবনসংগ্রাম |
| জীবন সঙ্গিনী | জীবনসংগ্রাম |
| দল নিরপেক্ষে | দলনিরপেক্ষে |
| নীতি নির্ধারক | নীতিনির্ধারক |
| পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া | পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া |
| বেকার সমস্যা | বেকারসমস্যা |
| ব্যক্তি মালিকানা | ব্যক্তিমালিকানা |
| ভাব বিনিময় | ভাববিনিময় |
| শোক সংবাদ | শোকসংবাদ |
| শিক্ষা ব্যবস্থা | শিক্ষাব্যবস্থা |
| সমাজ সেবা | সমাজসেবা |
| সমুদ্র সৈকত | সমুদ্রসৈকত |
| সর্বজন শ্রদ্ধেয় | সর্বজনশ্রদ্ধেয় |
| সাহায্য সংস্থা | সাহায্যসংস্থা |
১২. অর্থগত অপপ্রয়োগ: (সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অর্থপার্থক্যজনিত অপপ্রয়োগ)
প্রতিটি ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে থাকে অজগ্র শব্দ, তবু থেকে যায় অনেক সীমাবদ্ধতা। ওই ভাষাগোষ্ঠীর মানুষ তখন কখনও বানানে, কখনও উচ্চারণে কিছুটা রদবদল করে নতুন নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করে। অনেক সময় এত সব করেও তার প্রয়োজন মেটে না; তার প্রয়োজন পড়ে আরও অজস্র শব্দ। তখন একই বানানে, একই উচ্চারণে তারা ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। এই তিনটি উপায়ে গঠিত শব্দসমূহ সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ হিসেবে পরিচিত। যেমন:
ক. যুগল: দিন: দিবস, দীন: দরিদ্র পরিবর্তন কেবল বানানে, উচ্চারণে কোনো পার্থক্য নেই।
খ. যুগল চুড়ি: অলংকার বিশেষ, চুরি: চৌর্যবৃত্তি (একটি অপরাধকর্ম) [পরিবর্তন একই সঙ্গে বানানে ও উচ্চারণে]
গ. যুগল চাল চাউল, চাল কৌশল বানান বা উচ্চারণে কোনো পার্থক্য ঘটছে না, অথচ ভিন্ন অর্থবোধক নতুন শব্দ সৃষ্টি হচ্ছে।। যেমন: আমাদের বাসায় আজ চাল নেই।
তোমার চাল ধরতে পারছি না।
বাংলা অভিধানে এমন অসংখ্য শব্দ রয়েছে যেগুলোর জন্য আমরা পদে পদে বিড়ম্বনার মুখোমুখি হই। বানান একই, অথচ অর্থের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more