ছন্দ ও অলংকার

একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি - বাংলা - বাংলা ২য় পত্র | NCTB BOOK
2.4k

ছন্দ ও অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের পারিভাষিক শব্দ ।বাংলা ব্যাকরণে এটি আলোচনা করা হলে ও এর পরিধি অনেক ব্যাপক। তাই আমরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য যতটুকু জানা প্রয়োজন তা সংক্ষেপে আলোচনা করেছি।

Content added By

ছন্দ প্রকরণ

1.4k

ছন্দ কাব্যতত্ত্বের একটি পরিভাষা। রবীন্দ্রনাথের মতে, 'কথাকে তার জড়ধর্ম থেকে মুক্তি দেবার জন্যই ছন্দ।' ছন্দ কাব্যে এনে দেয় সংগীতের সুর লহরি। মাত্রা-নিয়মের যে বিচিত্রতায় কাব্যের ইচ্ছাটি বিশেষভাবে ধ্বনি-রূপময় হয়ে উঠে তাকেই ছন্দ বলে।

পঙ্ক্তি:

কবিতার প্রত্যেকটি লাইনকেই ভিন্ন ভিন্ন পঙ্ক্তি হিসেবে ধরা হয়, এতে অর্থের পরিসমাপ্তি ঘটুক আর নাই ঘটুক। যেমন-

'বুলেট ছুঁড়ে বুদ্ধিজীবী ছাত্র মারা

কৃষক বণিক দোকানী আর মজুর মারা

ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ মারা খুবই সহজ।'

- মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

(এখানে ৪টি পঙ্ক্তি)

অক্ষর:

বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর। যেমন- 'মা' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ; 'মামা' দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কিন্তু 'মাঠ' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কারণ মাঠ ব্যঞ্জনাত্মক শব্দ এবং তা ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না।

মুক্তাক্ষর: স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া বা স্বরধ্বনি যুক্ত অক্ষরকে মুক্তাক্ষর বলে। যেমন- মামা, বাবা, মারা ইত্যাদি।

বদ্ধাক্ষর: ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বদ্ধাক্ষর বলে। যেমন- বন, মাঠ, গাছ ইত্যাদি।

ছন্দ:

সংস্কৃত ভাষায় 'ছন্দ' শব্দের অর্থ কাব্যের মাত্রা। কোনো কিছুর মধ্যে পরিমিত ও শৃঙ্খলার সুষম ও যৌক্তিক বিন্যাসকে ছন্দ বলে।

বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ:

বাংলা ছন্দ তিন প্রকার। যথা: ১. স্বরবৃত্ত, ২. মাত্রাবৃত্ত, ৩. অক্ষরবৃত্ত।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

গদ্যছন্দ
স্বরবৃত্ত ছন্দ
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
মাত্রাবৃত্ত ছন্দ

অক্ষরবৃত্ত ছন্দ

1.2k
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ

যে ছন্দে সকল প্রকার মুক্তাক্ষর একমাত্রাবিশিষ্ট এবং বদ্ধাক্ষর শব্দের শেষে দুই মাত্রা, কিন্তু শব্দের আদিতে এবং মধ্যে একমাত্রা ধরা হয়, তাঁকে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বলে। একে যৌগিক বা কলামাত্রিক ছন্দ বলে।

উদাহরণ:

মরিতে চাহিনা আমি / সুন্দর ভুবনে (৮+৬)

মানবের মাঝে আমি / বাঁচিবারে চাই (৮+৬)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য

ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৮ বা ১০ মাত্রার হয়।

খ. এ ছন্দে লয় ধীর বা মধ্যম।

গ. এ ছন্দে শব্দের আদি ও মধ্যে বদ্ধাক্ষর একমাত্রা এবং শব্দের শেষে দুই মাত্রা হয়।

ঘ. এ ছন্দে সংযুক্ত বা অসংযুক্ত অক্ষর সমান ধরা হয়।

উদাহরণ: কেষ্টা = কে (১) + ষ্টা (১) = ২ অক্ষর।

বিভিন্ন ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর এর মাত্রা:

ছন্দ

মুক্তাক্ষর

বদ্ধাক্ষর

স্বরবৃত্তএকমাত্রাএকমাত্রা
মাত্রাবৃত্তদুইমাত্রা
অক্ষরবৃত্তদুইমাত্রা। তবে শব্দের প্রথমে ও মধ্যে থাকলে একমাত্রা।
Content added By

মাত্রাবৃত্ত ছন্দ

1.2k

অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কৌষিতকী উপনিষদে প্রথম অলঙ্কার শব্দটি পাওয়া যায়: 'ব্রহ্মালঙ্কারেণ অলঙ্কৃত'। ষষ্ঠ শতাব্দীতে আচার্য দণ্ডী প্রথম অলঙ্কারের সংজ্ঞা দেন। তাঁর মতে, 'কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত অভীষ্ঠ অর্থ সংবলিত পদ বিন্যাসই অলঙ্কার।' যা দ্বারা সজ্জিত করা হয় বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়।

অলঙ্কার:

কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাব্যিক উপাদান ব্যবহার করে কাব্যকে গুণান্বিত করাই অলঙ্কার।

অলঙ্কার এর প্রকারভেদঃ

অলঙ্কার দুই প্রকার। যথা:

১. শব্দালঙ্কার,

২. অর্থালঙ্কার।

Content added || updated By

স্বরবৃত্ত ছন্দ

1.1k

স্বরবৃত্ত ছন্দ:

যে ছন্দ রীতিতে উচ্চারণের গতিবেগ বা লয় দ্রুত অক্ষরমাত্রেই এক মাত্রার হয়, তাঁকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে। এ ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। এ ছন্দকে দলবৃত্ত বা লৌকিক ছন্দ বা শ্বাসাঘাত ছন্দ বা ছড়ার ছন্দ বলে।

উদাহরণ-

বৃষ্টি পড়ে / টাপুর টুপুর / নদেয় এল / বান

(মাত্রা - ৪/৪/৪/১)

শিব ঠাকুরের / বিয়ে হলো / তিন কন্যে / দান

(মাত্রা - ৪/৪/৪/১)।

স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য:

ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৪।

খ. এ ছন্দের লয় দ্রুত।

গ. যে কোনো অক্ষর (মুক্তাক্ষর বা বদ্ধাক্ষর) একমাত্রার।

উদাহরণ: আড়াল = আ (১) + ড়াল (১) = ২ স্বর।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অলংকার প্রকরণ

1.5k

অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কৌষিতকী উপনিষদে প্রথম অলঙ্কার শব্দটি পাওয়া যায়: 'ব্রহ্মালঙ্কারেণ অলঙ্কৃত'। ষষ্ঠ শতাব্দীতে আচার্য দণ্ডী প্রথম অলঙ্কারের সংজ্ঞা দেন। তাঁর মতে, 'কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত অভীষ্ঠ অর্থ সংবলিত পদ বিন্যাসই অলঙ্কার।' যা দ্বারা সজ্জিত করা হয় বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়।

অলঙ্কার:

কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাব্যিক উপাদান ব্যবহার করে কাব্যকে গুণান্বিত করাই অলঙ্কার।

অলঙ্কার এর প্রকারভেদঃ

অলঙ্কার দুই প্রকার। যথা:

১. শব্দালঙ্কার,

২. অর্থালঙ্কার।

Content added || updated By

শব্দালংকার

1.3k

শব্দালঙ্কার:

শব্দের ধ্বনিরূপের আশ্রয়ে যে সমস্ত অলঙ্কারের সৃষ্টি হয়, তাকে শব্দালঙ্কার বলে। অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ, বক্রোক্তি ইত্যাদি শব্দালঙ্কার।

Content added By

অনুপ্রাস

1.2k

অনুপ্রাস: একই বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার বিন্যাসকে অনুপ্রাস বলে। যেমন- 'কাক কালো কোকিল কালো কালো কন্যার কেশ।' (এখানে 'ক' বার বার ধ্বনিত হয়েছে।)

সরল অনুপ্রাস: কবিতার কোনো ছত্রে এক বা দুটি বর্ণ একাধিকবার ধ্বনিত হলে, তাকে সরল অনুপ্রাস বলে। যেমন-

'পেলব প্রাণের প্রথম পশরা নিয়ে।' - রবীন্দ্রনাথ।

(এখানে 'প' একাধিকবার ধ্বনিত হয়েছে।')

Content added || updated By

অন্ত্যানুপ্রাস

1.1k

অন্ত্যানুপ্রাস: কবিতার এক চরণের শেষে যে শব্দধ্বনি থাকে অন্য চরণের শেষে তারই পুনরাবৃ্ত্তিতে যে অনুপ্রাস অলঙ্কারের সৃষ্টি হয় তার নাম অন্ত্যানুপ্রাস। অর্থাৎ কবিতার দু’টি চরণের শেষে যে শব্দধ্বনির মিল থাকে তাকেই অন্ত্যানুপ্রাস বলে। একে অন্ত্যমিলও বলা হয়ে থাকে।

যেমন: কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা,

দাড়ি মুখে সারি গান লা-শরীক আল্লাহ।

Content added By

শ্রুত্যনুপ্রাস

1.1k

গুচ্ছানুপ্রাস: একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি যখন দুয়ের বেশি বার একই ছত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে গুচ্ছানুপ্রাস বলে। যেমন-

'না মানে শাসন, বসন বাসন অশন আসন যত।' - রবীন্দ্রনাথ।

('সন' ধ্বনির গুচ্ছানুপ্রাস)

Content added || updated By

সর্বানুপ্রাস

1.2k
Content added || updated By

ছেকানুপ্রাস

1k
Content added || updated By

বৃত্ত্যনুপ্রাস

1.1k
Content added || updated By

লাটানুপ্রাস

1.2k
Content added || updated By

যমক

1.2k

যমক: যমক শব্দের অর্থ যুগ্ম। একই শব্দে একই স্বরধ্বনিসমেত একই ক্রমানুসারে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে একাধিকবার ব্যবহৃত হলে, তাকে যমক বলে। যেমন-

‘ভারত ভারত খ্যাত আপনার গুণে।’

(এখানে প্রথম ভারত হলো ভারতচন্দ্র এবং দ্বিতীয় ভারত হলো ভারতবর্ষ)

Content added By

আদ্য যমক

1.2k
Content added By

মধ্য যমক

1.1k
Content added By

অন্ত্য যমক

1k
Content added By

সর্বযমক

1k
Content added By

সার্থক যমক অলংকার

1.1k
Content added By

নিরর্থক যমক অলংকার

1.2k
Content added By

শ্লেষ

1.2k

শ্লেষ: একটি শব্দ একবার ব্যবহৃত হয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ বলে। যেমন-

'কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ব্যাপ্ত চরাচর,

যাহার প্রভায় প্রভা পায় প্রভাকর।'

(এখানে প্রথম প্রভাকর হলো সূর্য এবং দ্বিতীয় প্রভাকর হলো সংবাদ প্রভাকর)

Content added By

অভঙ্গ শ্লেষ

1.2k
Content added By

সভঙ্গ শ্লেষ

1.1k
Content added By

বক্রোক্তি

1.1k

বক্রোক্তি: সোজাসুজি না বলে বাঁকা ভাবে কোনো বক্তব্য প্রকাশ পেলে তাকে বলে বক্রোক্তি। যেমন-

'গৌরিসেনের আবার টাকার অভাব কী।'

(এখানে টাকার অভাব নেই ভাবটি বাঁকা ভাবে ব্যক্ত হয়েছে)

Content added By

শ্লেষ বক্রোক্তি

1.1k
Content added By

কাকু বক্রোক্তি

1.2k
Content added By

পুনরুক্তবদাভাস

1.2k
Content added By

অর্থালংকার

1.2k

অর্থালঙ্কার:

অর্থের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য বিধায়ক অলঙ্কারকে বলা হয় অর্থালঙ্কার। উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি ইত্যাদি অর্থালঙ্কার।

Content added By

উপমা

1.3k

উপমা: একই বাক্যে ভিন্ন জাতীয় অথচ সাদৃশ্য বা সমান গুণবিশিষ্ট দুটি বস্তুর মধ্যকার সাদৃশ্য উল্লেখকে উপমা বলে।

উপমা অলঙ্কারের সাধারণত চারটি অঙ্গ থাকে। যথা:

ক. উপমেয় : যাকে তুলনা করা হয়।

খ. উপমান : যার সাথে তুলনা করা হয়।

গ. সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা করা হয়।

ঘ. সাদৃশ্যবাচক শব্দ: মত, সম, হেন, সদৃশ, প্রায় ইত্যাদি।

উদাহরণ-

‘বেতের ফলের মত তার মান চোখ মনে আসে।’

-জীবনানন্দ।

(এখানে উপমান- বেতের ফল, উপমেয়- চোখ, সাধারণ ধর্ম- মান এবং সাদৃশ্যবাচক শব্দ- মত)

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং এর উত্তর দাও:

আশ্বিন এলেই মনে সেই ছোট্ট বেলা- কাশফুল, নদতীর, দশভুজা আর অসুর-বধের পালা। যা দেবীসর্ব্বভূতেষু শক্তিরূপেণসংস্থিতা। পাড়ায় পাড়ায় উৎসব। আলো, ধুপ, ধুনো, ঢাকের শব্দ। বিসর্জনের সন্ধ্যায় সেকিমন- খারাপ করা অনুভূতি। আজ এই মেট্রোপলিটন মনে ইট-চাপা ঘাসের মতো ইহলদে হয়ে জেগে আছে কিছু স্মৃতি। আশ্বিন এলে মায়ের মুখের মতোই মনে পড়ে তার মুখ।

পূর্ণোপমা

1k
Content added By

লুপ্তোপমা

1.1k
Content added By

মালোপমা

1.1k
Content added By

স্মরণোপমা

1k
Content added By

বস্তু-প্রতিবস্তুভাবের উপমা

1k
Content added By

বিম্ব প্রতিবিম্বভাবের উপমা

1k
Content added By

রূপক আলংকার

1.1k

রূপক: উপমেয়ের সাথে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে, তাকে রূপক অলঙ্কার বলে। যেমন-

‘জীবন-সিন্ধু মথিয়া যে কেহ আনিবে অমৃত বারি।’

-কাজী নজরুল ইসলাম।

(এখানে জীবন হলো উপমেয়, আর সিন্ধু হলো উপমান)

Content added By

নিরঙ্গরূপক

1k
Content added By

কেবল নিরঙ্গ

1.1k
Content added By

মালা নিরঙ্গ

1k
Content added By

সাঙ্গরূপক

1k
Content added By

পরম্পরিতরূপক

1.1k
Content added By

অধিকাররূঢ় বৈশিষ্ট্য রূপক

1k
Content added By

ব্যতিরেক অলংকার

1.1k

যে সাদৃশ্যমূলক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে ব্যতিরেক অলংকার বলে ।

শ্রেণিবিভাগ :

ব্যতিরেক অলংকার দুই প্রকার উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক ও অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক।

উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :

যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে উৎকৃষ্ট হিসেবে দেখানো হয় তাকে উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলে ।

উদাহরণ :

১।যে জন না দেখিয়াছে বিদ্যার চলন

সেই বলে ভালো চলে মরাল বারণ ।

২। নবীন নবনী নিন্দিত করে দোহন করিছ দুগ্ধ।

অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক :

যে ব্যতিরেক অলংকারে উপমেয়কে উপমানের চেয়ে নিকৃষ্ট করে দেখানো হয় তাকে অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক অলংকার বলা হয় ।

উদাহরণ :

১। এ পুরির পথমাঝে যত আছে শিলা

কঠিন শ্যামার মতো কেহ নহে আর ।

২। কণ্ঠস্বরে বজ্র লজ্জাহত।

৩। কিসের এত গরব প্রিয়া

কথায় কথায় মান অভিমান

এবার এসো ত্যাগ করিয়া

ভাটায় ক্ষীণা তরঙ্গিনী

ফের জোয়ারে দুকূল ভাঙে

জোয়ার গেলে আর কি ফেরে

নারী তোমার জীবন গাঙে।

Content added By

উৎকর্ষাত্মক ব্যতিরেক

1k
Content added By

অপকর্ষাত্মক ব্যতিরেক

1.1k
Content added By

সমাসোক্তি অলংকার

1.2k

সমাসোক্তি: উপমেয়র উপর উপমানের ব্যবহার সমারোপিত হলে তাকে সমাসোক্তি অলঙ্কার বলে। যেমন-

'পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ।'

রবীন্দ্রনাথ।

(এখানে নিশ্চল পর্বতে চলিষ্ণু মেঘের গতিময়তা আরোপিত)

Content added By

প্রতিশব্দ/সমার্থক শব্দ

2.6k
সমার্থক শব্দ

সমার্থক শব্দের অর্থ হলো সমার্থবোধক বা একার্থবিশিষ্ট শব্দ। বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে কিছু শব্দ আছে যা অন্য একটি শব্দের প্রতিশব্দ অর্থাৎ অন্য একটি শব্দের অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করে, এরূপ সম-অর্থ জ্ঞাপক ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বলে। প্রতিটি সমার্থক শব্দেই থাকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যঞ্জনা, ভিন্ন ভিন্ন ইতিহাস। সমার্থক শব্দের মাধ্যমে শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং রচনায় শব্দ বৈচিত্র্য আসে।

মূল শব্দ

সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ

মূল শব্দ

সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ

আল্লাহ্অন্তর্যামী, ঈশ্বর, খোদা, জগদীশ্বর, জগন্নাথ, দেব, ধাতা, প্রভু, বিধাতা, বিশ্বপতি, ভগবান, পরমাত্মা, মনিব, সুর, সৃষ্টিকর্তা, স্রষ্টাঅগ্নিঅনল, আগুন, কৃশানু, দহন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, শিখা, সর্বভুক, সর্বশুচি, পাবন।
অন্ধকারঅমা, অমানিশা, আঁধার, আঁধিয়ার, তম, তমঃ, তমসা, তিমির, তমিগ্র, শর্বরঅশ্রুঅশ্রুবারি, আঁখি-নীর, চোখের জল, নয়নজল, নেত্রজল, লোর
আলোউদ্ভাস, আভা, জ্যোতি, দীপ্তি, দ্যুতি, নূর, প্রভা, বিভা, ভাতিআনন্দআহলাদ, আমোদ, খুশি, পুলক, সুখ, প্রমোদ, প্রীতি, ফুর্তি, হর্ষ, হরষ
আকাশঅন্তরীক্ষ, অম্বর, অভ্র, অনন্ত, আসমান, গগন, ব্যোম, নীলিমা, দ্যুলোক, শূন্য, নভঃইচ্ছাঅভিপ্রায়, অভিলাষ, আগ্রহ, আকাঙ্ক্ষা, কামনা, বাঞ্ছা, বাসনা, মনোরথ, সাধ
ইতিঅবসান, অন্তিম, অন্ত্য, বিরাম, যবনিকা, শেষ, সমাপ্তিঊর্মিকল্লোল, জোয়ার, ঢেউ, তরঙ্গ, বীচি, লহর, লহরী, হিল্লোল
উচ্ছ্বাসউল্লাস, বিকাশ, স্ফূর্তি, স্ফুরণঋণকর্জ, দেনা, ধার, হাওলাত
কন্যামেয়ে, তনয়া, নন্দিনী, সুতা, দুহিতা, আত্মজা, দরিকা, পুত্রী, ঝি, বালাকুহকমায়া, ছলনা, ভেল্কি, ইন্দ্রজাল, প্রতারণা, ধোঁকা, ভ্রম, জাদু
কবুতরকপোত, পায়রা, পারাবাত, নোটন, লোটনকটিকোমর, কাঁকাল, মাজা
কুলজাতি, জাত, প্রবর, গোত্র, বংশ, সমাজ, বর্ণ, গোষ্ঠী, কৌলীন্যকোকিলপরভূত, পিক, কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, বসন্তদূত, মধুবন
কূলতীর, তট, সৈকত, কিনারা, ধার, পুলিন, আশ্রয়, পাড়কান্নাকাঁদা, রোদন, রোনাজারি, ক্রন্দন, কাঁদন, অশ্রুপাত
কাকবায়স, পরভূৎকানকর্ণম, শ্রবণ, শ্রুতি, শ্রবণেন্দ্রিয়
কেশচুল, অলক, কুন্তল, চিকুর, শিরোজ, শিরসিজকপালললাট, ভাগ্য, ভাল, অদৃষ্ট, নিয়তি, নসিব, অলিক, বরাত
কপোলগাল, গণ্ড (গণ্ডদেশ)কলহঝগড়া, বিবাদ, বিরোধ, কোন্দল, দ্বন্দ্ব, ঝগড়া-ঝাঁটি
ক্রোধরাগ, রোষ, গোসা, কোপ, উম্মা, উত্তেজনাকুঁড়িকোরক, মুকুল, কলিকা, কলি, অফোটা ফুল
কলাকদলী, রম্ভা, পত্রগোটাকুটুম্বআত্মীয়, জ্ঞাতি, স্বগোত্রজ ব্যক্তি
কালোঅসিত, কৃষ্ণ, শ্যাম, শ্যামল, কানাইখবরসংবাদ, সন্দেশ, বার্তা, ফরমান, তথ্য, সমাচার, তালাস
কথাবাণী, উক্তি, বচন, কথন, বচঃ, বাক্য, ভাষা, জবান, বাক্, বুলি, বোলগঙ্গাজাহ্নবী, ভাগীরথী, গোমতী, কাবেরী, সুরধনী
কেশববিষ্ণু, কৃষ্ণ, গোপাল, জনার্দনগন্তব্যঅভীষ্ট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, মনজিল
খড়গকৃপাণ, অসি, তরবারি, তলোয়ারঘোড়াঘোটক, বাজী, অশ্ব, তুরগ, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, হয়
খ্যাতিযশ, প্রসিদ্ধি, সুনাম, কীর্তি, সুখ্যাতি, অনিন্দ্য, নন্দিতচোখঅক্ষি, চক্ষু, নয়ন, নেত্র, লোচন, আঁখি, সিডর
গরুগো, গাভী, ধেনু, পয়স্বিনীজ্যোৎস্নাচন্দ্রিমা, চন্দ্রিকা, কৌমুদী, জোছনা, চন্দ্রালোক, চাঁদনী (কবিতায়)
ঘরগৃহ, আলয়, আবাস, নিকেতন, নিবাস, আগার, বাটি, সদন, ভবন, ধামজিজ্ঞাসাপ্রশ্ন, শুধানো, পুছা, জেরা
চাঁদচন্দ্র, চন্দ্রমা, ইন্দু, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, হিমকর, বিধু, নিশাপতি, নিশাকর, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, সোম, মৃগাঙ্ক, দ্বিজরাজ, রজনীকান্ত, সিতকর, কলানাথ, কলানিধি, কুমুদনাথ, রাকেশ, সুধাময়জল/পানিঅম্বু, অপ, নীর, পানি, সলিল, বারি, উদক, পয়, পয়ঃ, তোয়, প্রাণদ, বারুণ
ঢেউঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী, উর্মিলহরী, জোয়ার, বীচি, কল্লোল, উল্লোল, হিল্লোলঝড়ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা, তুফান, বাত্যা
তীরতট, শর, বাণ, শায়ক, অবধি, পুলিন, আশ্রয়দেহঅঙ্গ, গাত্র, গা, গতর, কায়া, কলেবর, তনু, শরীর
দোকানআপণ, বিপণি, পণ্য-বিচিত্রা, পণ্যগৃহ, পণ্যশালাদিনদিবস, দিবা, বাসর, অহ, অহ্ন, বার, রোজ
দক্ষনিপুণ, পটু, পারদর্শী, কর্মঠ, কর্মণ্যদরিদ্রনির্ধন, দীন, বিত্তহীন, কাতরহীন, গরিব, অসহায়
দর্পদম্ভ, অহংকার, গর্ব, আস্ফালন, বড়াইধনঅর্থ, বিত্ত, সম্পদ, সম্পত্তি, বিভব, বৈভব, ঐশ্বর্য, দৌলত
নদীতটিনী, সরিৎ, শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, প্রবাহিনী, গিরি নিঃস্রাব, গাঙ, মন্দাকিনী, কূলবর্তী, স্রোতোবহা, সমুদ্রবল্পতা, সমুদ্রকান্তা, কল্লোলিনী, কলম্বিনীনারীস্ত্রী, স্ত্রীলোক, মেয়ে, রমণী, মহিলা, কামিনী, ভামিনী, অঙ্গনা, রামা, বামা, ললনা, অবলা, আওরত, সামন্তিনী, মানবী, জেনানা, কান্তা
নরপুরুষ, মর্দ, মানুষ, মানুষ্য, মানব, লোক, জনপিতাবাবা, আব্বা, জনক, জন্মদাতা, পিতৃ
পাখিপক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গম, দ্বিজ, খেচর, খগ, গরুড়পুষ্পকুসুম, রঙ্গন, ফুল, প্রসূন
পুকুরপুষ্করিণী, জলাশয়, দীঘি, সরোবরপেষণদলন, মর্দন, বাটা, চূর্ণন
পতাকাকেতন, নিশান, ধ্বজা, ঝাণ্ডা, বৈজয়ন্তীপ্রাসাদঅট্টালিকা, দালান, বালাখানা
পাথরপাষাণ, প্রস্তর, মণি, অশ্বা, শিল, শিলা, কাঁকরপয়জারপাদুকা, জুতা, চর্মপাদুকা
পৃথিবীবসুমতী, বসুন্ধরা, বসুধা, বসুমাতা, ধরা, ধরিত্রী, ধরাতল, মেদিনী, মহি, পৃথ্বী, অদিতি, অবনি, অখিল, ভূ, ভূলোক, ভুবন, ভূতল, উর্বী, বিশ্ব, জগৎ, ক্ষিতি, ক্ষিতিতল, মর্ত্য, দুনিয়া, জাহান, ধরণি, ধরাধামপদ্মপঙ্কজ, রাজীব, উৎপল, কমল, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, তামরস, নলিনী, কোকনদ, সরোজ, সরসিজ, পুষ্কর
পুত্রছেলে, তনয়, নন্দন, সুত, আত্মজ, তনুজ, পুত, দুলাল, দারকপ্রভাতঊষা, ভোর, প্রত্যূষ
পর্বতঅদ্রি, অচল, গিরি, পাহাড়, শৈল, নগ, ভূধর, মহীধর, মেদিনীধর, ক্ষিতিধর, শৃঙ্গীপথরাস্তা, মার্গ, অয়ন, সরণি, সড়ক, নিগম, নির্গমন, রাহা, বাট
বিদ্যুৎতড়িৎ, সৌদামিনী, বিজলী, দামিনী, ক্ষণপ্রভা, অণুপ্রভা, চপলা, চঞ্চলা, শম্পাবনঅরণ্য, অরণ্যানী, অটবি, জঙ্গল, কানন, বিপিন, বনানী, কুঞ্জ, কান্তার, গহন
পাপদ, পাদ, চরণবজ্রবাজ, অশনি, কুলিশ, দম্ভোলি, কঠিন, দৃঢ়
বায়ুঅনিল, বাতাস, বাত, বায়, পবন, সমীর, সমীরণ, মরণত, হাওয়া, গন্ধবহ, মরুৎ, মারুত, প্রভঞ্জন, শব্দবহ, জগদ্বল, জগৎপ্রাণ, সদাগতি, মাতরিশ্বাবিজ্ঞবুধ, মনীষী, জ্ঞানী, পণ্ডিত, বিদ্বান, প্রতিভাধর, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ
ব্যবসায়ীব্যবসাদার, বেনে, বানিয়া, বণিক, সওদাগর, দোকানিবিবরগর্ত, গহ্বর, ছিদ্র, রন্ধ্র, বিল
ভ্রমরমধুকর, মধুলেহ, মধুপ, ভোমরা, মৌমাছি, অলি, ভূঙ্গ, ষত্পদ, শিলীমুখ, দ্বিরেফভয়ানকভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ, অত্যন্ত, অতিশয়, ভীতিজনক
বানরশাখামৃগ, বাঁদর, বান্দরভয়ডর, ভীতি, ত্রাস, দর, শঙ্কা, আতঙ্ক
মনচিত্ত, অন্তর, দিল, হিয়া, হৃদয়, পরাণ, মানসলোক, চিত্তপট, মনোজগৎমনোযোগঅভিনিবেশ, মনোনিবেশ, প্রণিধান, একাগ্রতা, মনঃসংযোগ
মাতামা, জননী, গর্ভধারিণী, প্রসূতি, আম্মা, মাতৃ, জন্মদাত্রী, জনিকামেঘঅভ্র, জলদ, জলধর, বারিদ, নীরদ, জীমূত, বলাহক, তোয়দ, পয়োদ, কাদম্বিনী
মৃদুনরম, কোমল, হালকা, আলতো, অল্প, ধীর, হালকামৃত্যুইন্তেকাল, ইহলোকত্যাগ, সংবরণ, চিরবিদায়, জান্নাতবাসী হওয়া, দেহত্যাগ, প্রাণত্যাগ, পঞ্চত্বপ্রাপ্তি, পরলোকগমন, লোকান্তর গমন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা, স্বর্গলাভ, মরণ, নিপাত, মারা যাওয়া, পটল তোলা, মহাপ্রয়াণ
ময়ূরকলাপী, কেকা, কেকী, শিখী, শিখণ্ডী, শিখণ্ডক, বহী/বর্হী, বর্হিণরানিরাজ্ঞী, সম্রাজ্ঞী, সুলতানা, মহিষী, রাজপত্রী, বেগম।
মঙ্গলকল্যাণ, শুভদ, শুভ, সু, সুখ, সমৃদ্ধিরাজানরেন্দ্র, নরেশ, নৃপ, নৃপাল, নৃপেন্দ্র, নৃপতি, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল, মহীপাল, অধিরাজ, শাহ্, বাদশা।
যুদ্ধআহব, রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ, লড়াই, সংঘাত।লালরক্ত, লোহিত, অরুণ, শোণ, রাতুল।
রাত্রিরাত, শর্বরী, নিশি, নিশা, অমানিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, বিভাবরী, রজনী, যামিনী, ত্রিযামা, তামসী।সমুদ্রসাগর, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, উদধি, পয়োধি, পাথার, পারাবার, বারিধি, রত্নাকর, সিন্ধু, গাভ, নদীকান্ত, বারীশ, জীমূত, নীলাম্বু, অনুধি, দরিয়া।
রক্তরুধির, শোণিত, রাঙা, রক্তিম, রঞ্জিত, লাল, আবির, লহুসত্ত্বসত্তা, অস্তিত্ব, স্বত্ত্বগুণ, প্রকৃতি, স্বভাব, আত্মা, প্রাণ, পরাক্রম, সাহস, প্রাণী, নির্যাস।
সূর্যআদিত্য, তপন, দিবাকর, দিনকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা, অর্ক, দিনেশ, কিরণমালী, অংশুমালী, বিভাকর, বিভাবসু, মিহির, আফতাব, বিবস্বান, প্রভাকর, সুর, অরুণ।স্বামীনাথ, কান্ত, দয়িত, পতি, মনিব, প্রভু।
সাপসর্প, অহি, আশীবিষ, নাগ, ফণী, ভুজঙ্গ, ভুজঙ্গম, উরগ, পন্নগ, কাকোদর, বায়ুভূক, বিষধর, হরি।সিংহকেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, পারীন্দ্র, পশুরাজ, হরি, হর্যক্ষ।
সাদাশুক্ল, শুভ্র, শুচি, শ্বেত, সিত, বিশদ, গৌর, ধবল, সফেদস্বর্গদেবলোক, দ্যুলোক, বেহেশত, সুরলোক, ত্রিদিব, ত্রিদশালয়, অমরালয়, অমরা, অমরাবতী, ইন্দ্রলোক, বেহেশত (ফারসি), জান্নাত (আরবি)।
স্ত্রীভার্যা, পত্নী, সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিণী, দার, দারা, দয়িতা, জায়া, কলত্র, বনিতা, কান্তা, বন্ধু, বউ।সনাতননিত্য, চিরস্থায়ী, চিরন্তন, শাশ্বত।
সুন্দরমনোরম, মনোহর, শোভন, সুদৃশ্য, চারু, সুচারু, সুদর্শন, ললিত, সুশ্রী, সুকান্ত, রম্য, রমণীয়, কান্তিমান, শোভাময়, লাবণ্যময়, অপরূপ, অনুপম।শব্দধ্বনি, রব, নাদ, নিনাদ, স্বন, নিশ্বন, আবার, আরব, আওয়াজ, স্বর।
স্বর্ণসোনা, সুবর্ণ, কাঞ্চন, হেম, হিরণ, কবুর, মহাধাতু।হাতিহস্তী, কুঞ্জর, কর, করী, গজ, মাতঙ্গ, রদী, রদনী, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত, পিল।
শত্রুঅরি, দুশমন, অমিত্র, অবন্ধু, বিরোধী, রিপু, বৈরী, প্রতিপক্ষ।হাতকর, বাহু, ভুজ, হস্ত, পাণি, হস্তক।
শ্রীঘরজেল, জেলখানা, কারাগার, কারা, হাজতখানা, কয়েদখানা, বন্দিশালা।
হরিণমৃগ, কুরঙ্গ, ঋষ্য, শম্বর, সারঙ্গ, সুনয়ন।

বিভিন্ন শব্দের প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

অরুম্ভদমর্মভেদীঅত্রএখানেঅনীকসৈনিক/সৈন্যদল
অরুণপ্রভাত সূর্যঅলীকঅসত্য/মিথ্যাঅপোগণ্ডনাবালক/অপদার্থ/অকর্মণ্য
অপলাপঅস্বীকারঅপাঙ্গদৃষ্টিকোণঅনুপমমনোরম
উচ্ছণ্ড্যউৎসর্গঅবিহিতঅনুচিতউচাটনউৎকণ্ঠা
অবিমিশ্রবিশুদ্ধঅবিহিতউত্তর দিকউচাটনমূর্খ/অপরিণত বুদ্ধি
অমরাবতীস্বর্গঅষ্টরম্ভাশূন্য বা ফাঁকিঅতিশয়সদাশয়
অত্যহিতসর্বনাশঅনন্তরঅতঃপরঅছিঅভিভাবক
অব্যূঢ়অবিবাহিতআদেশঅনুশাসনঅভিরামরমণীয়/মনোরম/সুন্দর
আশিষঅবিবাহিতআধেকঅর্ধেকঅগ্নি-সহযা আগুনে পোড়ে না
আমানতগচ্ছিতআভরণঅলংকারআসারপ্রবল বৃষ্টিপাত/জলকণা
ইত্তেফাকমিল/ঐক্যউপাধানবালিশইনকিলাববিপ্লব/আন্দোলন
উদ্যতবলিষ্ঠউপরোধঅনুরোধঊর্ণাজালমাকড়সার তৈরি জাল
উত্তমপ্রধানউপক্রমসূত্রপাতউৎকুণউকুন
এপিটাফসমাধি-লিপিঐকতানসমস্বরকালকূটতীব্রবিষ
কাদম্বিনীমেঘমালাকিরীটমুকুটকপর্দকহীননিঃস্ব
কুক্কুটমোরগকর্বূর/কর্বুররাক্ষসকানাসোঁআকানায় কানায় পূর্ণ
কুজ্বটিকাকুয়াশাকিণাঙ্ককড়াক্রোশতিন কিলোমিটার
কোষ্ঠীজন্মপত্রিকাখক্ষভল্লকার্তিকরূপবান/সুন্দর চেহারা
খাদিরখয়েরগলাধঃকরণগিলে ফেলাকেওয়াটদরজা বা কপাট
গৃধ্রশকুনগুবাকসুপারিকোন্দাতালগাছের নৌকা
জঙ্গমগতিশীলজাঙ্গালবাঁধমণ্ডুকভেক / ব্যাঙ
জুলমাতঅন্ধকারঝিকন্যামঙ্গাঅভাব
ঠোঁটচঞ্চুতক্ষকছুতাররাসভগাধা
তয়খানাভূগর্ভস্থ কক্ষদৌবারিকদারোয়ানশীকরজলকণা
তণ্ডুলচালপরাহতপরাজিতশকটগাড়ী
প্রথিতবিখ্যাতপ্রচুরভূয়িষ্ঠশিষ্টাচারসদাচার
প্রাংশুদীর্ঘকায়পর্যঙ্কপালঙ্কসম্মার্জনীঝাঁটা
পনসকাঁঠালপ্রতীতিবিশ্বাসসংহারকবিনাশকারী
প্রকৃতযথার্থপ্রাকারপ্রাচীরসেতারাতারকা
পোখরাজমণি বিশেষপরার্থপরোপকারসুপ্তনিদ্রিত
পেলবকোমল / মৃদুপ্রীণনপ্রীতিসম্পাদনস্বাক্ষরদস্তখত
পুন্ড্রইক্ষুপল্বলডোবালেফাফামোড়ক
প্রকর্ষউৎকর্ষবিধুরকাতরকপোলগাল
বদান্যতাদানশীলতাবিরাগীউদাসীনগুড়গুড়িফরসি/নলযুক্ত হুঁকা
বাতুলউন্মাদব্রাত্যপতিতগুমটি ঘরপ্রহরীদের থাকার অপ্রশস্ত কুঠুরি
ব্রততীলতাবামেতরডানজাফরিচৌকা ছিদ্রের বেড়া
বিসর্জনত্যাগভিষকচিকিৎসকজাহাকুল আবদগোলামের হাসি
পঞ্চম স্বরকোকিলের সুরলহরীমৃগয়াহরিণ শিকারটীকা ভাষ্যব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
প্রস্রবণঝরণা/ফোয়ারা/নির্ঝররোজনামচাদিনলিপিপ্রবীণঅভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি
বিজিতপরাজিতরসাতলধ্বংসপ্রতীকধর্মীনিদর্শন জ্ঞাপক
বানিগয়না তৈরির মজুরিশ্লাগাআত্মপ্রশংসা/গৌরবপল্লব গ্রাহিতাভাসা ভাসা জ্ঞান
বেসাতিকেনাবেচাশুক্তিঝিনুকপাণি গ্রহণবিবাহ/পরিণয়
মুখচোরালাজুকসঁপাসমর্পণপুষ্পারতিফুলের নিবেদন
সার্ধদেড়সপ্তম সুরেউচ্চ বা চড়া সুরেসপ্তসুরসাতটি সুর
সমসমানসন্তরিউত্তালসমভিব্যাহারেএকত্রে গমন
Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিপরীতার্থক শব্দ

2.1k

যদি একটি শব্দ অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ বা ভাবার্থবোধক হয়, তবে শব্দ দুটিকে পরস্পরের বিপরীত শব্দ বলে।

  • সাধারণত তিন উপায়ে বিপরীত শব্দ গঠন করা যায়। যথা:

ক. উপসর্গ যোগে: সুসময়-দুঃসময়।

খ. সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যোগে আলো-অন্ধকার।

গ. একটি শব্দের শেষে অন্য একটি শব্দ যোগ করে পুণ্যবান-পুণ্যহীন।

মূল শব্দ

বিপরীত শব্দ

মূল শব্দ

বিপরীত শব্দ

মূল শব্দ

বিপরীত শব্দ

মূল শব্দ

বিপরীত শব্দ

অকর্মকসকর্মকঅকৃত্রিমকৃত্রিমঅক্ষাংশদ্রাঘিমাংশঅখ্যাতিসুখ্যাতি
অগ্রিমবকেয়াঅর্জনবর্জনঅঢেলসামান্য/কমঅচেতনচেতন/সচেতন
অতীতভবিষ্যৎঅদৃশ্যদৃশ্যমানঅধমউত্তমঅধঃঊর্ধ্ব
অশান্তিশান্তি/প্রশান্তিঅন্তঃবহিঃঅক্ষমসক্ষমঅনুরোধপ্রত্যাখ্যান
অনুতপ্তঅননুতপ্তঅনুমেয়অননুমেয়অন্তর্জগৎবহির্জগৎঅন্তরিন্দ্রিয়বহিরিন্দ্রিয়
অন্তর্মুখীবহির্মুখীঅন্তর্বাসবহির্বাসঅন্বয়অনন্বয়অপ্রতিভসপ্রতিভ
অপরাধীনিরপরাধঅবলম্বনিরবলম্বঅপচয়উপচয়/সঞ্চয়অবনতউন্নত
অবকাশঅনবকাশঅবসরঅনবসরঅবহিতঅনবহিতঅর্বাচীনপ্রাচীন
অভিজ্ঞঅনভিজ্ঞঅভিপ্রেতঅনভিপ্রেতঅভ্যাসঅনভ্যাসঅবিকল্পসবিকল্প
অভিমানীনিরভিমানীঅভ্যস্তঅনভ্যস্তঅমরমরণশীলঅবনতিউন্নতি
অম্লমধুরঅলংকৃতঅনলংকৃতঅল্পতাআধিক্যঅলসপরিশ্রমী/কর্মঠ
অল্পপ্রাণমহাপ্রাণঅহিংসসহিংসঅসুরসুরঅকর্মণ্যকর্মঠ
অস্তগামীউদীয়মানঅস্তিনাস্তিঅতিকায়ক্ষুদ্রকায়অলীকবাস্তব/সত্য
অনন্তঅন্ত/সান্তঅনুরক্তবিরক্তঅনুরাগবিরাগঅজ্ঞাতজ্ঞাত/বিদিত
অধিত্যকাউপত্যকাঅনাবিলআবিলঅচলসচলঅজ্ঞবিজ্ঞ/প্রাজ্ঞ/জ্ঞানী
অজ্ঞানজ্ঞান/সজ্ঞানঅতিবৃষ্টিঅনাবৃষ্টিঅর্থঅনর্থঅন্ধচক্ষুষ্মান
অর্থীপ্রত্যর্থীঅধিকঅল্পঅন্ধকারআলোকঅন্তরঙ্গবহিরঙ্গ
অধমর্ণউত্তমর্ণঅণুবৃহৎঅনুগ্রহনিগ্রহঅর্পণপ্রত্যর্পণ/গ্রহণ
অনুলোমপ্রতিলোমঅনুমোদিতঅননুমোদিতঅনুকূলপ্রতিকূলঅমৃতগরল/বিষ
অগ্রপশ্চাৎঅগ্রজঅনুজঅনাস্থাআস্থাঅবতরণআরোহন/উত্তরণ
অতুলনীয়অপাংক্তেয়অনির্বাণনির্বাণঅভয়ভয়অমরাবতী/স্বর্গনরক
অগ্রগামীপশ্চাৎগামীঅনশনঅশনঅবিরলবিরলঅন্ত্যআদ্য
অহ্ন/দিনরাত্রিঅন্তরবাহিরঅসীমসসীমআঁটসাঁটঢলঢলে/ঢিলেঢালা
আকুঞ্চনপ্রসারণআদিষ্টনিষিদ্ধআগতঅনাগতআয়ত্তঅনায়ত্ত
আকাশপাতালআদায়অনাদায়আত্মপরআহতঅনাহত
আমিরফকিরআবিষ্কৃতঅনাবিষ্কৃতআপ্যায়নপ্রত্যাখ্যানআর্যঅনার্য
আশীর্বাদঅভিশাপআসমানজমিনআস্তৃতঅনাস্তৃতআলস্যশ্রম/অনালস্য
আলসেখাটিয়েআপদনিরাপদআসলনকলআবাসিকঅনাবাসিক
আসামিফরিয়াদিআবশ্যিকঐচ্ছিকআগ্রহঅনাগ্রহআকস্মিকচিরন্তন/স্থায়ী
আদেশনিষেধআনন্দনিরানন্দআবাহনবিসর্জনআসক্তঅনাসক্ত
আঁটিশাঁসআগাগোড়াআপনপরআক্রমণপ্রতিরক্ষা/প্রতিরোধ
আচারঅনাচারআটকছাড়া/মুক্তআস্তীর্ণঅনাস্তীর্ণআগমননির্গমন/প্রস্থান
আস্বাদিতঅনাস্বাদিতআহূতঅনাহুতআত্মীয়অনাত্মীয়আধুনিকপ্রাচীন/অনাধুনিক
আদিঅন্তআকর্ষণবিকর্ষণঅভয়ভয়আর্দ্র/সিক্তশুষ্ক
আদানপ্রদান/দানআদরঅনাদরআশ্লেষবিশ্লেষআগমলোপ/নির্গম
আশুবিলম্বআকর্ষণবিকর্ষণআবির্ভাবতিরোভাবআপদ/বিপদসম্পদ
আমদানিরপ্তানিআয়ব্যয়আবশ্যকঅনাবশ্যকআবদ্ধউন্মুক্ত/মুক্ত
আলসেচটপটেআশ্রয়নিরাশ্রয়আশানিরাশাআলোঅন্ধকার/তিমির
আস্তিকনাস্তিকআনকোরাপুরানোআহারঅনাহারআবৃতঅনাবৃত/উন্মুক্ত
আদৃতঅনাদৃতইতরভদ্রআদিমঅন্তিমআসক্তিবৈরাগ্য/নিরাসক্তি
ইতিবাচকনেতিবাচকইহকালপরকালইস্তফাযোগদানইষ্টঅনিষ্ট
ইতিআরম্ভইচ্ছাঅনিচ্ছাইন্দ্রিয়অতীন্দ্রিয়ইজ্জতবেইজ্জত
ইদানিংতদানিংইদানীন্তনতদানীন্তনইহাউহাইহলোকপরলোক
ঈশ্বরনিরীশ্বরঈশাননৈর্ঝতঈদৃশতাদৃশঈষৎঅধিক/প্রচুর
ঈপ্সাঅনীপ্সাঈপ্সিতঅনীন্সিতউঁচুনিচুঈর্ষাপ্রীতি/প্রশংসা
উঠন্তপরন্তউত্তরায়ণদক্ষিণায়নউত্তলঅবতলউদ্যতিপ্রীতি/প্রশংসা
উপকৃতঅপকৃতউৎকণ্ঠাস্বস্তিউদ্যতবিরতউদারঅনুদার/সংকীর্ণ
উন্মুখবিমুখউপগতঅপগতউত্তরীয়অন্তরীয়উদ্বৃত্তঘাটতি
উদ্যমঅনুদ্যমউত্তরদক্ষিণউত্থিতপতিতউত্তাপ/তাপনিরুত্তাপ/শৈত্য
উন্মীলননিমীলনউল্লেখঅনুল্লেখউদ্ধারহরণউগ্র/করালসৌম্য/কোমল
উদিতঅস্তমিতউদয়অস্তউদ্দিষ্টনিরুদ্দিষ্টউত্তপ্ত/উষ্ণশীতল
উজানভাটিউজারভরপুরউচিতঅনুচিতউর্বরঅনুর্বর/ঊষর
উত্তমর্ণঅধমর্ণউতরানোতলানোউচ্চনিচউদ্ধতবিনীত/নম্র
উক্তঅনুক্তউচাটনপ্রশান্তউৎকর্ষঅপকর্ষউদীয়মানঅপস্রিয়মাণ
উন্নীতঅবনমিতউপকারঅপকারউপচিকীর্ষাঅপচিকীর্ষাউৎকৃষ্ট/প্রকৃষ্টঅপকৃষ্ট/নিকৃষ্ট
উত্থানপতনউপস্থিতঅনুপস্থিতউপরোধঅনুরোধউন্নতঅবনত/অনুন্নত
ঊর্ধ্বঅধঃ/নিম্নউহ্যস্পষ্টউৎপত্তিবিনাশউজ্জ্বলঅনুজ্জ্বল/ম্লান
একবহুঋজুবক্র/বঙ্কিমউৎসাহনিরুৎসাহঊষাগোধূলি/সন্ধ্যা
একান্নপৃথগন্নএ যুগসে যুগঊর্ধ্বতনঅধস্তনঊর্ধ্বগামীঅধোগামী/নিম্নগামী
এরূপওরূপ/সেরূপএকূলওকূলএকতাবিচ্ছিন্নতাএপিঠওপিঠ
একালসেকালএঁড়েবকনাএকাসম্মিলিতএলোমেলোগোছানো
ঐহিকপারত্রিকঐক্যবিভেদঐকমত্যমতভেদএকমতদ্বিমত/বহুমত
ঐশ্বর্যদারিদ্র্যঐচ্ছিকআবশ্যিকঐদাসীন্যআসক্তিঐতিহাসিকঅনৈতিহাসিক
ওঠানামা/বসাওস্তাদশাগরেদঔৎসুক্যঅনাগ্রহঔদ্ধত্যবিনয়
কুঁড়েকুঠি/কোঠাঔচিত্যঅনৌচিত্যঔদার্যকার্পণ্যঔজ্জ্বল্যম্লানিমা/অনৌজ্জ্বল্য
একবহুঋজুবক্র/বঙ্কিমউৎসাহনিরুৎসাহঊষাগোধূলি/সন্ধ্যা
একান্নপৃথগন্নএ যুগসে যুগঊর্ধ্বতনঅধস্তনঊর্ধ্বগামীঅধোগামী/নিম্নগামী
এরূপওরূপ/সেরূপএকূলওকূলএকতাবিচ্ছিন্নতাএপিঠওপিঠ
একালসেকালএঁড়েবকনাএকাসম্মিলিতএলোমেলোগোছানো
ঐহিকপারত্রিকঐক্যবিভেদঐকমত্যমতভেদএকমতদ্বিমত/বহুমত
ঐশ্বর্যদারিদ্র্যঐচ্ছিকআবশ্যিকঐদাসীন্যআসক্তিঐতিহাসিকদ্বিমত/বহুমত
ওঠানামা/বসাওস্তাদশাগরেদঔৎসুক্যঅনাগ্রহঔদ্ধত্যবিনয়
কুঁড়েকুঠি/কোঠাঔচিত্যঅনৌচিত্যঔদার্যকার্পণ্যঔজ্জ্বল্যম্লানিমা/অনৌজ্জ্বল্য
কল্যাণঅকল্যাণকড়িকড়িশূন্যকপটতাসরলতাকৃতঘ্নকৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী
কলুষনিষ্কলুষকার্যঅকার্যকুখ্যাতসুখ্যাতকেন্দ্রীকরণকৃতজ্ঞ/প্রত্যুপকারী
কল্পনাবাস্তবক্রেতাবিক্রেতাকুশাসনসুশাসনকলঙ্কসুনাম/খ্যাতি/অকলঙ্ক
কৃপণবদান্যকৃশাঙ্গীস্থুলাঙ্গীআকুঞ্চনপ্রসারণকেলেঙ্কারীখ্যাতি/সুনাম
কুৎসাপ্রশংসাকর্মকর্তাকর্মচারীকৌতূহলীনিস্পৃহক্রয়/কেনাখ্যাতি/সুনাম
কুসুকৃশস্থুলকদাচারসদাচারকদাচিৎঅনবরত/সর্বদা
কচিঝুনো/পাকাক্ষমাশাস্তিক্ষণস্থায়ীদীর্ঘস্থায়ীকাপুরুষবীরপুরুষ/সাহসী
কুৎসিতসুন্দরকনিষ্ঠজ্যেষ্ঠকুটিলসরলকৃষ্ণশুক্ল/ধবল/শুভ্র
কেলেঙ্কারিসুনামকুমেরুসুমেরুকালোয়াততালকানাকর্কশ/কঠিনকোমল
কুলীনঅন্ত্যজক্ষীয়মানবর্ধমানক্রোধপ্রীতিকৃতজ্ঞঅকৃতজ্ঞ/কৃতঘ্ন
ক্ষয়বৃদ্ধিক্ষতিলাভ/ফায়দাক্রন্দনহাস্যকৃত্রিমস্বাভাবিক/অকৃত্রিম
ক্ষুদ্রবৃহৎকুরুচিসুরুচিকেজোঅকেজোকপটঅকপট/সরল
ক্ষয়িষ্ণুবর্ধিষ্ণুক্ষীণপুষ্টকেন্দ্রাভিগকেন্দ্রাতিগকড়িকোমল/কড়িশূন্য
খ্যাতনামাঅখ্যাতনামাখানিকঅধিকক্ষিপ্রমন্থরক্ষিপ্তশান্ত/প্রকৃতিস্থ
খলসরলখালিভরাখরিদবিক্রিখিড়কিসিংহদ্বার/দেউড়ি
খাড়াশোয়া/বসাখাটুনিআলসেমিখালুখালাখুচরাপাইকারী
খাঁটিভেজালখুঁতনিখুঁতখ্যাতিঅখ্যাতিখোঁজনিখোঁজ
খেদঅখেদখাতকমহাজনখরাবাদলখ্যাতঅখ্যাত
খুবঅল্পখানিকঅধিকগদ্যপদ্যখোলাঢাকা
গরিষ্ঠলঘিষ্ঠগুণদোষগ্রহণীয়বর্জনীয়গরীয়ানলঘীয়ান
গ্রহীতাদাতাগরমিলমিলগণ্যনগণ্যগরিমালঘিমা
গূঢ়ব্যক্তগ্রাহ্যঅগ্রাহ্যগোপনপ্রকাশগোছালোঅগোছালো
গাঢ়পাতলাগোরাকালাগরমঠাণ্ডাগম্ভীরচপল/সহাস্য
গৃহীতবর্জিতগ্রহণবর্জনগেঁয়োশহুরেগুপ্তব্যক্ত/প্রকাশিত
গ্রাম্যনাগরিক/বন্যগাম্ভীর্যচাপল্যগৌণমুখ্যগৌরবঅগৌরব/লজ্জা
গৃহীসন্ন্যাসীগ্রীষ্মশীতগুরুলঘু/শিষ্যগতিস্থিতি
গঞ্জনাপ্রশংসাগলগ্রহপ্রতিপাল্যগতঅনাগতগভীরঅগভীর
ঘুমন্তজাগ্রতঘৃণিতসমাদৃতঘাটআঘাটঘোষধ্বনিঅঘোষধ্বনি
ঘটনঅঘটনঘৃণাভালোবাসাঘরোয়াঅঘরোয়াঘাতকপালক
ঘোষিতঅঘোষিতঘাতপ্রতিঘাতঘরবাহিরঘোলাস্বচ্ছ/পরিষ্কার
ঘরেবাইরেচিন্তনীয়অচিন্তনীয়ঘাটতিবাড়তিঘনতরল
চৌকসহাবা/হাঁদাচোখাভোঁতাচূর্ণঅচূর্ণচয়/সঞ্চয়অপচয়
চোরসাধুচপলগম্ভীরচক্ষুষ্মাণঅন্ধচলঅচল
চালকচালিতচঞ্চলস্থির/নিশ্চলকমজোরক্ষণকালচটুলগম্ভীর/শান্ত
চলিতসাধুচড়াইউৎরাইচালুঅচলচেতনঅচেতন/জড়
চিরন্তনক্ষণকালীনচেনাঅচেনাচিন্ময়মৃন্ময়চতুরনির্বোধ/বোকা
চাক্ষুসঅগোচরচরিত্রবানচরিত্রহীনচ্যুতঅচ্যুতচিরায়তকদাচিৎ/সাময়িক
চমৎকারকুৎসিতছেলেবুড়োছটফটেশান্তছেলেমিবুড়োমি/পাকামি/জ্যাঠামি
ছোকরাবুড়াছাড়াধরাছলনাসততাছেঁড়াআছেঁড়া
জমাখরচছায়ারৌদ্রছানাধাড়িছদ্মসত্য/আসল
জাহান্নামবেহেশতজলস্থলজলচরস্থলচরজান্নাতদোজখ
জ্বলননির্বাপণজৈবঅজৈবজ্ঞাতঅজ্ঞাতজ্ঞেয়অজ্ঞেয়
জ্ঞানঅজ্ঞানজড়চেতনজয়ীপরাজিতজ্ঞাতসারেঅজ্ঞাতসারে
জুলুমদয়াজোরকমজোরজ্বলানেভাজেতাহারা/ঠকা
জনবহুলজনবিরলজোড়বিজোড়জিন্দামুর্দাজ্ঞাতমূলঅজ্ঞাতমূল
জ্যেষ্ঠাকনিষ্ঠাজোয়ানবুড়ামৃত্যুজন্মজাগ্রতনিদ্রিত/সুপ্ত
জাগরণনিদ্রা/তন্দ্রাজরাযৌবনজনাকীর্ণজনবিরলজ্যোৎস্নাঅমাবস্যা
জীবিতমৃত/হতজীবনমরণজয়পরাজয়জোয়ারভাটা
জ্বলন্তনিভন্তজঙ্গমস্থাবরজিন্দাবাদমুর্দাবাদজালিয়াতসজ্জন
জিতহারজ্যোতিঅন্ধকারঝাপসপরিষ্কারঝানুঅপটু/আনাড়ি
জ্ঞানীমূর্খজরিমানাবখশিশঝগড়াভাবঝটিতিবিলম্ব
ঝুনাকচি/কাঁচাঝালমিষ্টিঝঞ্ঝাটনির্ঝঞ্ঝাটঝলমলেমিটমিটে/ম্যাড়মেড়ে
টাটকাবাসিটানঢিলাঝিবেটা/চাকরটকমিষ্টি
টিলাখন্দটিমটিমজ্বলজ্বলটানাপোড়েনটগবগেমেদা
ঠিকবেঠিকঠাণ্ডাগরমঠিকাস্থায়ীঠগসাধু
ডুবাভাসাডাগরছোট/বেঁটেডাঙাজলঠুনকোমজবুত
ডাবনারকেলডানবামডানপিঠেশান্তডগমগমনমরা
ঢোসাহাল্কাঢলঢলেআঁটসাঁটডুবন্তভাসন্তঢ্যাঙাখাটো/বেঁটে
ঢেরঅল্পঢাকাখোলাঢোলাআঁটসাঁটঢালুসমতল/সমান/উঁচু
তিক্তমধুর/মিষ্টতলদেশঊর্ধ্বদেশতরলকঠিনতরুণবৃদ্ধ
তৃরাবিলম্ব/ধীরতাতোয়াজতাচ্ছিল্যততযততিরস্কারপুরস্কার/প্রশংসা
তফাতকাছেতোলানামানোতাজাবাসিত্রাসসাহস
ত্যাজ্যগ্রাহ্যতস্করসাধুতৃপ্তঅতৃপ্ততুষ্টরুষ্ট
তদীয়মদীয়তুলনীয়অতুলনীয়তীব্রমৃদুতাপশৈত্য/নিস্তাপ
তীক্ষ্ণস্থুলত্বরিতশ্লথতালাচাবিতেলতেলেখসখসে
তেজস্বীতেজোহীনতুহিনউষ্ণতাতালবেতালতিরষ্কারপুরষ্কার
তপ্তশীতলতন্ময়মন্ময়তদ্রূপযদ্রূপতিমিরআলো/প্রভা
তারুণ্যবার্ধক্যতরুণবৃদ্ধ/প্রবীণতিক্তমধুর/মিষ্টতীব্রক্ষীণ/লঘু/মৃদু
ত্যাগভোগতির্যকঋজু/সরলতেজীমেদা/মন্দাতেজনিস্তেজ
থামাচলাতামসিকরাজসিকত্বরান্বিতবিলম্বিততুখোড়ভোঁতা/বোকা
থোড়াজিয়াদা/বহুতথেঁতোআস্তথাকাযাওয়াথিরঅথির (অস্থির)
দক্ষঅদক্ষদিনরাত্রিদীর্ঘায়ুস্বল্পায়ুথোকা থোকাএকটা একটা
দেনাদারপাওনাদারদুষ্করসুকরদুরূহসহজদুর্বিষহসুসহ
দাসপ্রভুদেবরভাসুরদর্শকপ্রদর্শকদুর্গমসুগম
দুর্মতিসুমতিদামিসস্তাদখলবেদখলদারস্বামী
দাহশান্তিদারিদ্র্যঐশ্বর্যদণ্ডপুরস্কারদিবসরজনী
দুর্বুদ্ধিসুবুদ্ধিদ্বিতীয়অদ্বিতীয়দ্বৈতঅদ্বৈতদ্রুতমন্থর
দোজখবেহেশতদাবিছাড়দলীয়নির্দলীয়দুর্নামসুনাম
দৃশ্যঅদৃশ্যদুর্যোগসুযোগদীনধনীদিবাকরনিশাকর
দরাজদিলকঞ্জুসদমনপ্রশ্রয়দুর্ভাগ্যসৌভাগ্যদক্ষিণায়নউত্তরায়ণ
দিগ্‌গজমহামূর্খদুর্জনসজ্জনদুর্বিনীতভদ্র/বিনীতদয়ানিষ্ঠুরতা/নির্দয়তা
দুরাচারসদাচারদেহীবিদেহীদেবদৈত্যদিশাবিদিশা/দিশাহারা
দেশপ্রেমীদেশদ্রোহীদৈবদুর্দৈবদুষ্কৃতিসুকৃতিদারক/পুত্রবিদিশা/দিশাহারা
দীর্ঘহ্রস্বদূরনিকটদুরন্তশান্তদয়ালুনির্দয়/নিষ্ঠুর
দাতাগ্রহীতাদ্যুলোকভূলোকদোষীনির্দোষদানগ্রহণ/প্রতিদান
দ্বিধানির্দ্বিধাদুর্লভসুলভদোষগুণদিবা/দিবসনিশি/রাত্রি
দুষ্টশিষ্টদেনাপাওনাদস্যুঋষিদুর্বলসবল/প্রবল
ধ্রুবঅধ্রুবধৈর্যঅধৈর্যদৃঢ়শিথিলদরদিনির্দয়/বেদরদি
ধনিকশ্রমিকধরাঅধরাধীরগতিদ্রুতগতিধার্মিকনির্দয়/বেদরদি
ধৃষ্টনম্র/বিনয়ীধোয়াআধোয়াধৃতমুক্তধারালোভোঁতা
ধেড়েকচিধনাত্মকঋণাত্মকধূর্তসরল/বোকাধনীনির্ধন/দীন/দরিদ্র
ধাত্রীধাত্রানাবালকসাবালকধবলকৃষ্ণধুপ (রৌদ্র)ছায়া
ধন্যবাদার্হনিন্দাইনিয়ন্ত্রিতঅনিয়ন্ত্রিতধ্বংসসৃষ্টিধনবানধনহীন
নিরক্ষরসাক্ষরধীরঅধীরধর্মঅধর্মনিঃশ্বাসপ্রশ্বাস
নিরবয়বসাবয়বনিরীহদুর্দান্তনিকৃষ্টউৎকৃষ্টনিরপেক্ষসাপেক্ষ/অনিরপেক্ষ
নৈঃশব্দ্যসশব্দনীরসসরসনির্গুণগুণীনির্দেশকঅনির্দেশক
নিষ্ঠুরদয়ালুনম্রউদ্ধতনানাএকনিমীলিতউন্মীলিত
নীরোগরুগ্‌ণনিন্দাপ্রশংসানিষেধআদেশনিদ্রাজাগরণ
নিরাপদবিপন্ননামাওঠানিরতবিরতনিঃশেষঅনিঃশেষ
নরনারীনিরবকাশসাবকাশনিরাশ্রয়সাশ্রয়নিরূপিতঅনিরূপিত
নিরবলম্বসাবলম্বনিশ্চয়তাঅনিশ্চয়তানৈতিকতাঅনৈতিকতান্যূনঅধিক/অন্যূন
নির্দিষ্টঅনির্দিষ্টনিগ্রহঅনুগ্রহনম্রতাঔদ্ধত্যনিঃস্ব/ফতুরধনিক/বিত্তবান
নিরর্থকসার্থকনিশ্চেষ্টসচেষ্টনিরাশাআশানতুনপুরোনো/পুরাতন
নির্মলপঙ্কিলনিত্যনৈমিত্তিকনির্জনজনাকীর্ণনিন্দুক/নিন্দকস্তাবক
নির্ভরঅনির্ভরনরমশক্ত/কঠিননিন্দুকতোষামুদেনিন্দা/নিন্দিতপ্রশংসা/প্রশংসিত
নিরাকারসাকারনির্বারদুর্বারনন্দিতনিন্দিতনিমগ্নউদাসীন/নির্লিপ্ত
নৈসর্গিককৃত্রিমন্যায়অন্যায়নাস্তিকআস্তিকনশ্বরশাশ্বত/অবিনশ্বর
নগরগ্রামনকলআসলনিজস্বপরস্বনেতিবাচকইতিবাচক
প্রসন্নবিষণ্ণনির্দয়সদয়নির্লজ্জসলজ্জনগণ্যগণ্য
পক্বঅপক্বপরার্থস্বার্থপুরোভাগপশ্চাদ্‌ভাগপূর্বাহ্ণপরাহ্ণ/অপরাহ্ণ
প্রকৃষ্টনিকৃষ্টপ্রজ্বলননির্বাপণপুষ্টঅপুষ্টপ্রকাশিতঅপ্রকাশিত/গুপ্ত
প্রত্যর্থীঅর্থীপ্রবেশপ্রস্থানপাকাকাঁচাপ্রমাণিতঅনুমিত/অপ্রমাণিত
প্রভাতসন্ধ্যাপ্রবিষ্টপ্রস্থিতপণ্ডিতমূর্খপ্রীতিঅপ্রীতি
পক্ষপ্রতিপক্ষপাওনাদেনাপ্রায়শকদাচিৎপ্রস্থানআগমন/প্রবেশ
প্রবণতাউদাসীনতাপতনউত্থানপ্রবলদুর্বলপরিশ্রমীঅলস
পূর্ণশূন্য/অপূর্ণপ্রসারিতসংকুচিতপ্রাথর্যস্নিগ্ধতাপ্রকাশ্যগোপনীয়/অপ্রকাশ্য
প্রাতিকূল্যআনুকূল্যপ্রচ্ছন্নব্যক্ত/প্রকটপ্রবীণনবীনপারলৌকিকইহলৌকিক
প্রসারণসংকোচনপরকীয়স্বকীয়প্রারম্ভসমাপ্তিপ্রত্যক্ষঅপ্রত্যক্ষ/পরোক্ষ
পরকালইহকালপার্থিবঅপার্থিবপড়াওঠাপ্রীতিকরঅপ্রীতিকর
পতিপত্নীপুরোভাগপশ্চাদ্‌ভাগপূর্বপশ্চিমপড়তিউঠতি
পরিকল্পিতঅপরিকল্পিতপূর্ববর্তীপরবর্তীপূর্ণিমাঅমাবস্যাপ্রকাশগোপন
পার্থিবঅপার্থিবপরিত্যক্তাগৃহীতাপার্বত্যসমতলপ্রকাশ্যেনেপথ্যে/পরোক্ষে
পূর্বসূরিউত্তরসূরিপ্রচুরস্বল্পপাপপুণ্যপাকনাপাক
প্রধানঅপ্রধানফুটন্তঠাণ্ডাপাইকারিখুচরাপাপীনিষ্পাপ
পাইকারফড়িয়াপালকপালিতপথবিপথপ্রশান্তিঅশান্তি
পটুঅপটুপরার্থস্বার্থপরাধীনস্বাধীনপূজকপূজিত
প্রফুল্লবিমর্ষ/ম্লানপুণ্যবানপুণ্যহীনপ্রবেশপ্রস্থানপ্রতিভাবানপ্রতিভাহীন
প্রশংসাকুৎসা/নিন্দাপ্রভুভৃত্যপ্রবৃত্তিনিবৃত্তিপ্রকৃতবিকৃত/অপ্রকৃত
ফেলপাসফালতুআসলপ্রাচীপ্রতীচীপ্রাচ্যপ্রতীচ্য/পাশ্চাত্য
ফাজিলচুপচাপফাঁপানিরেটফরিয়াদিআসামিফলন্তঅফলা/নিষ্ফলা
ফরসাকালোফলনিস্ফলফকিরআমিরফতে (জয়)পরাজয়
বয়োজ্যেষ্ঠবয়ঃকনিষ্ঠবলিষ্ঠদুর্বলবহির্ভূতঅন্তর্ভূতফলবানফলহীন/নিষ্ফল
বিজনজনবহুলবিতর্কিততর্কাতীতবক্তাশ্রোতাবিকাশবিলয়/বিনাশ
বিফলতাসফলতাবিয়োগান্তমিলনান্তবিধর্মীসধর্মীবিপন্নতানিরাপত্তা
বন্দনাগঞ্জনাবাদপ্রতিবাদবিশিষ্টসাধারণবিনয়ঔদ্ধত্য/অবিনয়
বক্রসরলবাল্যবার্ধক্যব্যর্থসার্থকবৈধঅবৈধ
বরবধূবিকলসচলবিকর্ষণআকর্ষণবিরহমিলন
বামনলম্বা/ঢ্যাঙাবলীদুর্বলবাঁচামরাবার্ধক্যতারুণ্য/শৈশব
বিন্দুরাশিবাধাবাধাহীনতাবিলাপহাস্যবন্দিমুক্তি
বর্ধিষ্ণুক্ষয়িষ্ণুবহালবরখাস্তবামপন্থীডানপন্থীবিকিকিনি
বিদ্যমানঅন্তর্হিতবিরাগঅনুরাগবিরক্তঅনুরক্তবিশ্লেষণসংশ্লেষণ
বিদ্বানমূর্খবহিরঙ্গঅন্তরঙ্গবাহ্যআভ্যন্তরবিষণ্ণপ্রসন্ন
বাউন্ডুলেসংসারীবাধ্যঅবাধ্যবৃদ্ধিহ্রাসবিপথসুপথ
বদভালোবহুলবিরলবৃহৎক্ষুদ্রবরণবিসর্জন/বিদায়
বিজয়ীবিজিতবহিদৃষ্টিঅন্তর্দৃষ্টিবাড়তিকমতিবিষ/গরলঅমৃত
বিকল্পঅবিকল্পবিবাদবন্ধুতাবাদলাশুকনাবন্যগৃহপালিত/পোষা
বিমলসমলবিস্তৃতসংক্ষিপ্তবন্ধুশত্রুবিলম্বিতত্বরান্বিত
বাহুল্যসংক্ষেপবালকবৃদ্ধবর্জনগ্রহণবারিঅগ্নি
বাচালস্বল্পভাষীবিষাদআনন্দবন্ধমুক্তবিশ্রীশ্রী/সুশ্রী
বিবাদমিত্রতাবাদীবিবাদীবিজ্ঞঅজ্ঞবন্দোবস্তবেবন্দোবস্ত
বিধিনিষেধবিরলবহুলবিদ্বানমুর্খবিজেতাবিজিত
বেহেশতদোজখবাঁকাসোজাবন্ধনমুক্তিবিনীতঅবিনীত/উদ্ধত
বিশেষসামান্যবোকাচালাকবন্ধুরমসৃণবিরতরত/নিরত
ব্যর্থসার্থকবুদ্ধিমানবুদ্ধিহীনভাটাজোয়ারবিপন্ন/বিপদনিরাপদ
ভাসাডোবাভদ্রইতরভুলশুদ্ধ/নির্ভুলভূতভাবী/ভবিষ্যৎ
ভরাখালি/ফাঁকাভাবনানির্ভাবনাভেজালখাঁটিভোঁতাধারাল/চোখা
ভাঙাগড়া/আস্তভাবিতঅভাবিতভগ্নপূর্ণ/অভগ্নভক্তবিরাগী/অভক্ত
ভেজাশুকনোভিন্নঅভিন্নভরন্তখালিভূমিকাউপসংহার
ভুয়াখাঁটিভোরসাঁঝভর্ৎসনাপ্রশংসাভৃত্যপ্রভু
ভব্যঅভব্যভোজনউপবাসভালোমন্দভক্তিঅভক্তি/ঘৃণা
ভূস্বামীভূমিহীনভাবঅভাবভাটিউজানমধুরতিক্ত
ভয়সাহসভেদঅভেদভীরুনির্ভীকভীতুসাহসী
মানীমানহীনভর্তিউন/খালিমনীষানির্বোধমানঅপমান
মহৎনীচ/ক্ষুদ্রমৃদুউগ্র/প্রবলমহাত্মানীচাত্মামিলগরমিল/অমিল
মৌনমুখরমঞ্জুরনামঞ্জুরমেঘলাফরসামূর্তবিমূর্ত
মুখরতামৌনমূর্তবিমূর্তমহাপ্রাণঅল্পপ্রাণমনোযোগঅমনোযোগ
মজবুতঠুনকোমাখাআমাখামিথ্যাসত্যমিষ্টিতেতো/টক/কষা
মন্থরদ্রুত/ত্বরিতমারাআদর করামতিদুর্মতিমিত্রতা/মৈত্রীশত্রুতা
মতৈক্যমতানৈক্যমরাবাঁচামরমিনিষ্ঠুরমালিকমজুর/চাকর
মিতব্যয়ীঅমিতব্যয়ীমুখরমৌনীমুখ্যগৌণমৌলিকযৌগিক/সাধিত
মূর্খজ্ঞানীমুক্তবন্দিমনোনীতঅমনোনীতমেঘাচ্ছন্নমেঘমুক্ত/নির্মেঘ
মৃত্যুজন্মমিত্রশত্রুমৃতজীবিতমত্তনির্লিপ্ত
মসৃণবন্ধুরমাগনাকষ্টার্জিতমলিনউজ্জ্বলমিঠাতিতা
মন্দভালোযোজকবিয়োজকযশঅপযশ/কলঙ্কযুক্তবিযুক্ত/মুক্ত
যথাতথাযুদ্ধশান্তিযাদৃশতাদৃশযতিসংযতী/যতিহীন
যৌবনবার্ধক্যযাবৎতাবৎযতততযখনতখন
যৌথএককযাত্রাঅযাত্রাযেমনতেমনযজমানতখন
যোগবিয়োগযাচিতঅযাচিতসংযমীঅসংযমীযোজনবিয়োজন
যাযাবরগৃহীযুগলএককযুগ্মঅযুগ্মযত্নঅযত্ন/অবহেলা
রসালশুকনোরোগগ্রস্তরোগমুক্তরোদবৃষ্টিরমণীয়কুৎসিত
রাজারাণী/প্রজারতবিরতরুদ্ধমুক্তরাজিনারাজ/গররাজি
রক্ষকভক্ষকরাত্রিদিবস/দিনরুষ্টতুষ্টরজত/রৌপ্যস্বর্ণ
রুগ্‌ণসুস্থরাগবিরাগরোগীনিরোগরোগনিরোগ/স্বাস্থ্য
রামছাগলপাতিছাগলরোষপ্রসাদরদচালুরাহুগ্রস্তরাহুমুক্ত
রুষ্টতুষ্টলেজমাথারিক্তপূর্ণরসিকবেরসিক
লেখকপাঠকলোভীনির্লোভলেশযথেষ্টলালকাল/নীল/সবুজ
লঘিষ্ঠগরিষ্ঠলাজুকনির্লজ্জলিপ্তনির্লিপ্তলাভক্ষতি/লোকসান
শত্রুমিত্রলগ্নচ্যুতলক্ষ্মীঅলক্ষ্মীলেখ্য/লেখাকথ্য/বলা
শ্রীযুক্তশ্রীহীনশ্রদ্ধাঘৃণালায়েকনালায়েকলুপ্তসৃষ্ট/অস্তিত্ববান
শান্তদুরন্তশহিদগাজীশিষ্টঅশিষ্টশাসকশাসিত
শাগরেদওস্তাদশয়নউত্থানশ্রেষ্ঠনিকৃষ্টশীঘ্রবিলম্ব
শুকনোভেজাশ্বেতকায়কৃষ্ণকায়শর্তাধীননিঃশর্তশারীরিকমানসিক
শোকহর্ষ/আনন্দশিবঅশিবশঠসাধুশালীনঅশালীন
শিষ্যগুরুশীতগ্রীষ্ম/গরমশীতলউষ্ণশ্রমবিশ্রাম/আলস্য
শ্যামলগৌরাঙ্গশক্তিদুর্বলতাশায়িতউত্থিতশ্রীকুশ্রী/বিশ্রী/শ্রীহীন
শিশুবৃদ্ধশিখরনিম্নদেশশূন্যপূর্ণশবল (বিচিত্র)একবর্ণা
শ্লীলঅশ্লীলশুভঅশুভশয়তানফেরেশতাশর্বরী (রাত)দিবস
শ্বাসপ্রশ্বাসশীর্ণস্থূলশুষ্কসিক্তশর্তসাপেক্ষশর্তহীন/নিঃশর্ত
শহুরেগেঁয়োশুভ্রকৃষ্ণশিক্ষকছাত্রশাক্তঅশাক্ত
শাসনসোহাগশিরোদেশপাদদেশশড়াটাটকাশুচিঅশুচি
শ্রমিকমালিকশোভনঅশোভনশিথিলসুদৃঢ়ষাঁড়গাভি/গাই
ষণ্ডাদুর্বলসহযোগীপ্রতিযোগীসবাকনির্বাকসওয়ালজবাব
সংস্কৃতিঅপসংস্কৃতিসংগতঅসংগতসংযমঅসংযমসংশ্লিষ্টবিশ্লিষ্ট
সচেষ্টনিশ্চেষ্টসকর্মকঅকর্মকসক্ষমঅক্ষমসচলনিশ্চল
সত্বরমন্থর/অত্বরসচ্ছলঅসচ্ছলসজীবনির্জীবসঠিকবেঠিক
সমবেতছত্রভঙ্গসদরঅন্দরসদৃশবিসদৃশসম্পদবিপদ/দারিদ্র্য/অভাব
সমাপ্তআরম্ভসরবতানীরবতাসাদৃশ্যবৈসাদৃশ্যসপ্রতিভঅপ্রতিভ
সম্মুখেপশ্চাতেসাফল্যব্যর্থতাসাচ্চাভুয়াসাম্প্রদায়িকঅসাম্প্রদায়িক
সাবালিকানাবালিকাসুষমঅসমসুদর্শনকুদর্শনসাহসিকতাভীরুতা
শৌখিনপেশাদারসৌরমাসচান্দ্রমাসস্বমতপরমতস্থলভাগজলভাগ
স্বাভাবিকঅস্বাভাবিকসাকারনিরাকারসুগমদুর্গমসফলবিফল
সন্নিকৃষ্টবিপ্রকৃষ্টসঞ্চয়অপচয়স্বার্থপরার্থস্থাবরজঙ্গম/অস্থাবর
সার্থকনিরর্থক/ব্যর্থসান্তঅনন্তস্বাধীনপরাধীনসুখদুঃখ/দুখ
সহিষ্ণুঅসহিষ্ণুসুধাবিষ/গরলসবলদুর্বলসুখ্যাতিনিন্দা/কুখ্যাতি
সুকৃতিদুষ্কৃতিসন্ধ্যাপ্রভাতসহযোগঅসহযোগসাক্ষরনিরক্ষর
সচ্চরিত্রদুশ্চরিত্রসংকোচনপ্রসারণসংযুক্তবিযুক্তসংশ্লেষণবিশ্লেষণ
সদয়নির্দয়সক্রিয়নিষ্ক্রিয়সচরাচরকদাচিৎসংহতবিভক্ত/অসংহত
সমার্থকভিন্নার্থকসজাগনিদ্রিতসজ্জনদুর্জনসচেতনঅচেতন
সম্প্রসারণসংকোচনসধবাবিধবাসবীজনির্বীজসমাপিকাঅসমাপিকা
সাঁঝসকালসসীমঅসীমসতীঅসতীসাম্যঅসাম্য/বৈষম্য
সিক্তশুষ্কসাবালকনাবালকসশস্ত্রনিরস্ত্রসাধুতস্কর/অসাধু
স্তুতিনিন্দাস্তাবকনিন্দুকস্বর্গনরকস্বাতন্ত্র্যসাধারণত্ব/অস্বাতন্ত্র্য
স্ববাসপ্রবাসসমীচীনঅসমীচীনস্বল্পভাষীবাচালস্থূলসূক্ষ্ম/কৃশ/তীক্ষ্ণ
সুপ্তজাগ্রতস্নিগ্ধরুক্ষস্নেহবিরাগসমক্ষেপরোক্ষে/অসমক্ষে
স্বল্পবাক্মিতবাক্সমস্তঅংশসদাচারকদাচারসংক্ষেপবিস্তার/বাহুল্য
সংযোজনবিয়োজনসুলভদুর্লভসলজ্জনির্লজ্জসিদ্ধনিষিদ্ধ/অসিদ্ধ
সংক্ষিপ্তবিস্তৃতসত্যমিথ্যাসজ্ঞানঅজ্ঞানসমতলবন্ধুর/অসমতল
সঙ্কুচিতপ্রসারিতসদর্থকনঞর্থকসিধাউল্টাসাম্যঅসাম্য/বৈষম্য
সংশয়প্রত্যয়সংশ্লেষণবিশ্লেষণসুশীলদুঃশীলসহোদরবৈমাত্রেয়
সরসনীরসসরবনিরবস্বকীয়পরকীয়সৃষ্টিধ্বংস/লয়
স্বতন্ত্রপরতন্ত্রসারঅসারসচেষ্টনিশ্চেষ্টসাধুতস্কর/চোর
স্থিরচঞ্চলসম্বলনিঃসম্বলসংকোচনিঃসঙ্কোচসৌম্যউগ্র/করাল
সংকীর্ণপ্রশস্তসরলকুটিলসুরভিপুতিসুধা/অমৃতহলাহল/বিষ
স্মরণবিস্মরণসাদাকালোসমষ্টিব্যষ্টিসুবহদুর্বহ
সহযোগঅসহযোগসফলবিফলস্বনামীবেনামীসুন্দরকুৎসিত
সুনজরকুনজরসমৃদ্ধিশালীসমৃদ্ধিহীনসাফল্যব্যর্থতাসন্ধিবিগ্রহ/বিবাদ
হারজিতহাস্যক্রন্দনহরদমকালেভদ্রেহিংসাঅহিংসা
হর্ষবিষাদ/শোকহালকাভারীহিতঅহিতহাজিরগরহাজির
হর্তাকর্তাহতবুদ্ধিস্থিতবুদ্ধিহুঁশবেহুঁশহালবেহাল/সাবেক
হকনাহকহাসিকান্নাহরণপূরণহৃদ্যঘৃণা
হ্রাসবৃদ্ধিহৃদ্যতাকপটতাহতনিহতহিসেবিবেহিসেবি

বাক্যে বিপরীতার্থক শব্দের প্রয়োগ:

  • যুদ্ধে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে।
  • ব্যবসায়ে লাভ-ক্ষতি আছেই।
  • জীবনে হাসি-কান্না পর্যায়ক্রমে আসে।
  • সাগরে জোয়ার-ভাটায় পানির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।
  • হালকা আর ভারি যন্ত্রগুলো ধোয়ামোছা কর।
  • ‘কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?’
  • এ জগৎ হরণ-পূরণের মেলা।
  • খেলায় হার-জিত আছেই।
  • পরাধীন হয়ে সুখভোগের চেয়ে স্বাধীন হয়ে দুঃখ ভোগ করাও ভাল।
  • ছেলেটি বড়ই চঞ্চল, কিন্তু মেয়েটি কেমন ধীর-স্থির
  • সবলের সদম্ভ অত্যাচার দুর্বল আর কত দিন সইবে?
  • সাহস দিয়ে ভয়কে জয় কর।
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পরিভাষা

1.8k

পারিভাষিক শব্দ

প্রতিটি শাস্ত্রের নিজস্ব শব্দ আছে যা তার পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে।

নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা উল্লেখ করা হলো:

বিদেশি শব্দ

বিদেশি শব্দ

বিদেশি শব্দ

বিদেশি শব্দ

বিদেশি শব্দ

বিদেশি শব্দ

AboriginalআদিবাসীA to Zসম্পূর্ণভাবেArmourবর্ম
Abbreviationসংক্ষেপণAnalogyউপমাAssassinationগুপ্তহত্যা
Abstractবিমূর্তAnarchyনৈরাজ্যAutonomousস্বায়ত্তশাসিত
AnonymousঅনামাAnatomyশরীরবিদ্যাAmicus Curiaeআদালতের বন্ধু
AffidavitহলফনামাAnnotationটীকাAutobiographyআত্মজীবনী
Amplitudeবিস্তারAllegoryরূপকArchitectস্থপতি
Amplificationপরিবর্ধনAttestedসত্যায়িতAliasওরফে
ArchetypeআদিরূপAnticipationপ্রাকচিন্তনAmbiguousদ্ব্যর্থক
Agoraমুক্তাঞ্চলBribeউৎকোচ/ঘুষBackgroundপটভূমি
Bondপ্রতিজ্ঞাপত্রBiographyকড়চাBuggerজঘন্য ব্যক্তি
BlockadeঅবরোধBoycottবর্জনBailজামিন
Blue Printপ্রতিচিত্রBarrenঊষরCaretakerতত্ত্বাবধায়ক
Cancerকর্কট রোগCabinetমন্ত্রিপরিষদCoupঅভ্যুত্থান
Curtailসংক্ষিপ্ত করাCoattingআবরণCartoonব্যঙ্গচিত্র
Civil Societyসুশীল সমাজChancellorআচার্যCease Fireঅস্ত্র সংবরণ
Covenantচুক্তিপত্রCircularপ্রচারপত্রConstipationকোষ্ঠকাঠিন্য
Current Accountচলতি হিসাবCurfewসান্ধ্যআইনConsumer goodsভোগ্যপণ্য
Co-optedসহযোজিতCurriculumপাঠ্যক্রমConsumer goodsসহকর্মী
Climaxমহামুহূর্তDilly dallyঅযথা দেরি করাEquationসমীকরণ
Defenceপ্রতিরক্ষাDeadlockঅচলাবস্থাEradicaitonউচ্ছেদ
Divulgeপ্রকাশ করাExecutiveনির্বাহীEpicurismভোগবাদ
Exhibitionপ্রদর্শনীExcise Dutyআবগারী শুল্কExtensionসম্প্রসারণ
EmbassyদূতাবাসEpicমহাকাব্যEditionসংস্করণ
Finalসমাপ্তিFloraউদ্ভিদকুলFor Goodচিরতরে
FileনথিFilingনথিভুক্তিForgeryজালিয়াতি
General Managerমহাব্যবস্থাপকGlossaryটীকাপঞ্জিHydrogenউদ্‌জান
Graduateস্নাতকGenocideগণহত্যাHousingআবাসন
Guidelineনির্দেশনাGazetteঘোষণাপত্রHierarchyআধিপত্য পরম্পরা
Handyব্যবহারে সুবিধাজনকHypothesisঅনুমানHightideজোয়ার
Hybridসঙ্করHomicideনরহত্যাHand billপ্রচারপত্র
HorizontalঅনুভূমিকIndustriousপরিশ্রমীIssueপ্রচার
Intellectualবুদ্ধিজীবীIn abeyanceস্থগিত করাLoggerheadsদা-কুমড়া সম্পর্ক
Indigenousস্বদেশীIndexসূচকLyricগীতিকবিতা
Jerhinআটসাট জামাJobচাকরিLeaseইজারা
Justification forসমর্থনJail codeকারাবিধিLassবালিকা
Key-noteমূলভাবKnaveryপ্রতারণাMinceকিমা করা
Managerব্যবস্থাপকModernismআধুনিকতাবাদMigratory birdঅতিথি পাখি
Microbiologyঅনুজীব বিজ্ঞানMeteorউল্কাPhonologyভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান
NebulaনীহারিকাNationalismজাতীয়তাবাদPayerদাতা
Null and voidবাতিলNota Bene (N.B)লক্ষণীয়Pactচুক্তি
Oxygenঅম্লজানOdds and endsএটা সেটাPensiveবিষণ্ণ
Overruleবাতিল করাObligatoryবাধ্যতামূলকPostageডাকমাশুল
Post graduateস্নাতকোত্তরProvokeউস্কানি দেওয়াPolygamyবহুবিবাহ
Post graduateসাময়িকীParoleসাময়িক মুক্তিQuarterlyত্রৈমাসিক
Periodicalপ্রখ্যাতPlay truantস্কুল থেকে পালানোQuorumগণপূর্তি
RadioবেতারRelevantপ্রাসঙ্গিকQuackহাতুড়ে
Reviewপুনঃনিরীক্ষণRangeএলাকাQuotationমূল্যজ্ঞাপন
Study Leaveশিক্ষাবকাশSurgeonশল্য চিকিৎসকsanctionমঞ্জুরি
SecretaryসচিবStigmaলজ্জা বা কলঙ্ক চিহ্নSummitশীর্ষ
Secretariatসচিবালয়Sleeping partnerনিষ্ক্রিয় অংশীদারSatelliteউপগ্রহ
SubjudiceবিচারাধীনSponsorপৃষ্ঠপোষকScriptহস্তলিপি
Scarcityস্বল্পতাSubconsciousঅবচেতনTrainingপ্রশিক্ষণ
Superstitiousকুসংস্কারাচ্ছন্নScrollলিপিTreasurerকোষাধ্যক্ষ
Transparentস্বচ্ছTransliterationপ্রতিবর্ণীকরণTake to taskতিরস্কার করা
Transparencyস্বচ্ছতাTrilogyত্রয়ীTime to againবারবার
United Kingdomযুক্তরাজ্যUnstampedসিলমোহরবিহীনWisdomপ্রজ্ঞা
United Statesযুক্তরাষ্ট্রUltimatumচরমপত্রWorshipপূজা
VirileপুরুষোচিতVerticalউল্লম্বWhirlpoolঘূর্ণি
Vividপ্রাণবন্তVocationবৃত্তিWesternপশ্চিমা
Zenithশীর্ষZoologyপ্রাণিবিদ্যাLegal statementজবানবন্দি
ReferendumগণভোটGratuityপারিতোষিক
সাহিত্য সম্পর্কিত শব্দ:

শব্দ

অর্থ

শব্দ

অর্থ

Alliterationঅনুপ্রাসAntithesisপরস্পরবিরোধী শব্দাবলি ব্যবহার
Allegoryরূপকধর্মী রচনাApostropheসম্বোধন অলঙ্কার
allusionপরোক্ষ উল্লেখ/ইঙ্গিতAssonanceস্বরানুপ্রাস
Blank Verseঅমিত্রাক্ষর ছন্দCoupletদ্বিপদী শ্লোক
BalladলোকগাঁথাChiasmasবাক্যালঙ্কার
Bibliographyগ্রন্থ ও রচনাবলির তালিকাEpistolary novelপত্রোপন্যাস/চিঠির আকারে রচিত উপন্যাস
Hyperboleঅতিশয়োক্তিLimericএক ধরনের ছোট কবিতা
Haikuবিশেষ আঙ্গিকের জাপানি কবিতাLimerickমজাদার ছড়া
Lingua Francaসংযোগ ভাষাLyricগীতি কবিতা
Ironyবিদ্রুপMagnum Opusবড় মাপের সাহিত্যকর্ম
Metaphorরূপকালঙ্কারMelodramaগীতি নাটক / অতিনাটক
Metonymyবাক্যালঙ্কারবিশেষ লক্ষণাParadoxআপাত বিরোধী হলেও সত্য
Onomatopoeiaঅনুকার শব্দPersonificationব্যক্তিরূপ দান
Oxymoronবিপরীতালঙ্কারPunশ্লেষালঙ্কার / দ্ব্যর্থক শব্দ প্রয়োগ
Synecdocheলক্ষণাSimileসুস্পষ্ট তুলনামূলক
Understatementন্যূনোক্তিSatireসুস্পষ্ট তুলনামূলক
Anecdoteকোনো ব্যক্তি বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছোট-খাটো আকর্ষণীয় মজার গল্পAnaphoraকোনো বাণী অথবা কোনো বাক্যের মধ্যে একই শব্দ বা শব্দাংশের বারবার উচ্চারণ বা ছন্দ অনুপ্রাস
Epitaphসমাধিফলকে খোদিত করার মতো উপযুক্ত সাহিত্যিক রচনাEuphemismশ্রুতিকটু পদের পরিবর্তে কোমলতর পদের প্রয়োগ
Litotesএক জাতীয় অর্থালঙ্কার যাতে নঞর্থক শব্দের সাহায্যে তার বিপরীত সদর্থক ভাবটিকেই জোরালোভাবে প্রকাশ করা হয়
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সত্যায়িত
প্রত্যায়িত
সত্যয়ন
প্রত্যয়ন
সত্যায়িত
প্রত্যায়িত
সত্যয়ন
প্রত্যয়ন
টীকা
স্বরবিন্যাস
বিরক্তি
সংযোজন
অনুলিপি
শিলালিপি
পান্ডুলিপি
স্বরলিপি

বাগধারা

3.2k

বাগধারা শব্দের অর্থ কথা বলার "বিশেষ ঢং বা রীতি " । এটা এক ধরনের গভীর ভাব ও অর্থবোধক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ । বাগধারা বা বাগ্বিধি কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশকরে থাকে তাঁকে বাগ্বিধি বা বাগধারা বলে । যেমন- অরণ্যে রোদন- অর্থ : নিষ্ফল আবেদন = কৃপণের কাছে চাঁদ চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।

বাগধারা : অ

অ আ ক খ: প্রাথমিক জ্ঞানঅতি দর্পে হত লঙ্কা: অহংকারের পতনঅকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ / অকেজো
অথৈ জলে পড়া: দিশেহারা হওয়াঅকাল বোধন: অসময়ে আবির্ভাবঅন্ধকারে ঢিল মারা: আন্দাজে কাজ করা
অকূল পাথার: ভীষণ বিপদঅগ্নিশর্মা: নিরতিশয় ক্রুদ্ধ / ক্ষিপ্তঅগাধ (গভীর) জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি
অর্ধচন্দ্র: গলাধাক্কাঅগত্যা মধুসূদন: অনন্যোপায় হয়েঅনধিকার চর্চা: সীমার বাইরে পদক্ষেপ
অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়াঅজগর বৃত্তি: আলসেমিঅদৃষ্টের পরিহাস: ভাগ্যের বিড়ম্বনা
অন্ধকার দেখা: হতবুদ্ধিঅষ্টরম্ভা: কাঁচকলা / ফাঁকিঅন্তর টিপুনি: গোপন ব্যথা / মর্মপীড়াদায়ক
অগ্নিপরীক্ষা: কঠিন পরীক্ষাঅমাবস্যার চাঁদ: দুর্লভ বস্তুঅলক্ষ্মীর দশা: শ্রীহীনতা / দারিদ্র্য
অঞ্চল প্রভাব: স্ত্রীর প্রভাবঅক্ষরে অক্ষরে: সম্পূর্ণভাবেঅহিনকুল সম্বন্ধ: ভীষণ শত্রুতা
অস্থির পঞ্চক: কিংকর্তব্যবিমূঢ়অকালের বাদলা: অপ্রত্যাশিত বাধাঅরণ্যে রোদন: নিষ্ফল আবেদন / বৃথা চেষ্টা
অক্ষয় বট: প্রাচীন ব্যক্তিঅলছ-তলছ: উদ্দাম, বাধাহীনঅন্নজল ওঠা: আয়ু বা সময় শেষ হওয়া
অশ্বমেধ যজ্ঞ: বিপুল আয়োজনঅকড়িয়া: ধনহীনঅষ্টমঙ্গলা: আনন্দের রেশ থাকাবস্থা
অষ্টকপাল: হতভাগ্যঅকালপক্ব: ইঁচড়ে পাকাঅন্ধিসন্ধি: ফাঁকফোকর/গোপন তথ্য
অকালকুসুম: অসম্ভব জিনিসঅপোগণ্ড: অকর্মণ্য / অপ্রাপ্ত বয়স্কঅমৃতে অরুচি: পছন্দসই খাবারে অনিচ্ছা
অঙ্কুশ তাড়না: অন্তর্গত আঘাতঅসূর্যম্পশ্যা: গৃহে অন্তরীণঅসার-সুসার: সুবিধা-অসুবিধা
অবরে-সবরে: কালে-ভদ্রেঅনন্তশয্যা: শেষ শয্যাঅন্নপ্রাশনের ভাত: উঠে আসা
অঙ্গ জল হওয়া: শীতলঅথৈ জল: ভীষণ বিপদঅগতির গতি: নিরুপায়ের সহায়
অক্ষর পরিচয়: সামান্য বিদ্যাঅকট বিকট: ছটফটানিঅম্বল চাখা: ক্রমাগত জায়গা বদল
অগ্নিবান: তীক্ষ্ম ও যন্ত্রণাদায়কঅঙ্গের ভূষণ: স্বভাবের বৈশিষ্ট্যঅনুনয়-বিনয়: সনির্বন্ধ অনুরোধ
অকর্মার ধাড়ি: অত্যন্ত অলসঅগ্নিগর্ভ: বলিষ্ঠ / তেজঃপূর্ণঅপাট করা: বিশৃঙ্খলা করা
অভদ্রা লাগা: পড়াঅস্তব্যস্ত: অতি ব্যস্তঅষ্টাবক্র : কুৎসিত
অসাজন্ত: বেমানানঅন্ধের যষ্ঠি বা অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বনঅস্থির পাজক: কিংকর্তব্যবিমূঢ়
অগাকাণ্ড / অঘাচণ্ডি / অঘারাম: নির্বোধ / বোকাঅগস্ত্য যাত্রা: শেষ বিদায় / চির দিনের জন্য প্রস্থানঅগা মেরে যাওয়া: বোকা হয়ে যাওয়া / অকর্মণ্য হয়ে যাওয়া
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা: অনুরোধে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু করাঅষ্টবজ্র সম্মিলন: প্রতিভাবান ব্যক্তিদের একত্র সমাবেশঅক্ষয়ভাণ্ডার: যে ভাণ্ডারের ধন কখনো ফুরোয় না
অক্ষয় অব্যয়: কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তন হয় নাঅকূলে কূল পাওয়া: নিরূপায় অবস্থা থেকে উদ্ধার পাওয়াঅতি চালাকের গলায় দড়ি: বেশি চালাকির অশুভ পরিণাম
অগড়-বগড় / অগড়ম-বগড়ম: অর্থহীন বা আবোল তাবোল কথা / পাগলের প্রলাপ

বাগধারা : আ

আকাশের চাঁদ: দুর্লভ বস্তুআকাশ থেকে পড়া: অপ্রত্যাশিতআউলিয়া চাঁদ: যে অল্পেই আকুল হয়
আকাশ পাতাল: প্রচুর ব্যবধানআক্কেল সেলামি: নির্বুদ্ধিতার দণ্ডআকাশে তোলা: অতিরিক্ত প্রশংসা করা
আদায় কাঁচকলায়: শত্রুতাআক্কেল গুড়ুম : হতবুদ্ধি / স্তম্ভিতআকাশ ভেঙ্গে পড়া: হঠাৎ বিপদ হওয়া
আক্কেল দাঁত ওঠা: পাকা বুদ্ধিআগুনে ঘি ঢালা: রাগ বাড়ানোআকাশ কুসুম: অবাস্তব / অলীক ভাবনা
আদিখ্যেতা: ন্যাকামিসাপে নেউলে : শত্রুতাআদা জল খেয়ে লাগা : প্রাণপণ চেষ্টা করা
আট কপালে : হতভাগ্যআধা খেঁচড়া: বিশৃঙ্খলাআঙুল ফুলে কলাগাছ: হঠাৎ ধনী হওয়া
আবোল-তাবোল : বাজে কথাআঁতে ঘা: মনে ব্যথা দেয়াআদার ব্যাপারী: সামান্য বিষয়ে ব্যস্ত ব্যক্তি
আমড়া কাঠের ঢেঁকি: অপদার্থআষাঢ়ে গল্প: আজগুবি গল্পআমড়াগাছি করা: প্রতারণাপূর্ণ তোষামোদ
আমতা আমতা করা: ইতস্তত করাআড়ি পাতা: লুকিয়ে লুকিয়ে শোনাআচাতুয়ার বোম্বাচাক: অসম্ভব ব্যাপার
আহলাদে আটখানা: অত্যন্ত খুশীআকাশ ধরা: বৃষ্টি বন্ধ হওয়াআখাম্বা : বেখাপ্পা
আটাশে ছেলে: দুর্বল ছেলেআঠারো আনা: বাড়াবাড়ি / সম্ভাবনাআকাশে থুথু ফেলা: নিজেরই ক্ষতি করা
আতান্তরে পড়া: বিপদে পড়াআতারি কাতারি: ছটফটে ভাবআয়োসুয়ো: সধবা স্ত্রীলোকের দল
আদমের কাল: সুপ্রাচীন কালআদাড়ের হাঁড়ি: সামান্য লোকআঁজল-পাঁজল: ঝাঁকুনি দেওয়া
আমগন্ধি: কাঁচা গন্ধযুক্তআমি করা: আত্মপ্রশংসাআকালকেঁড়ে : দীনহীন / ভিখারি
আর আর: অন্যান্যআলেয়ার আলো: দুর্লভ বস্তুআগাগাছতলা: আগাগোড়া / আদ্যন্ত
আহ্লাদে ফুটকড়াই: হেসে কুটিকুটিআঁকুপাঁকু করা: ছটফটানিআনাই-ধানাই: আবোল-তাবোল
আঁচল ধরে বেড়ানো: ব্যক্তিত্বহীনআকাট মূর্খ: নিরেট বোকাআয়োমুয়ো: সবধা স্ত্রীলোকের দল
আহ্লাদি পুতুল: আদুরে অকর্মণ্যআনাড়ি: অপটু, অনভিজ্ঞআগড়ম বাগড়ম: অর্থহীন কথা / অনাবশ্যক বক্ বক্
আআঁটকুড়ো: নিঃসন্তানআউপাতালি: কাঁদুনেআলালের ঘরের দুলাল : অতি আদরে নষ্ট পুত্র
আওরানো: ব্যথা হওয়াআঁওল: প্রসব করাআঠার মাসে বছর: দীর্ঘসূত্রিতা / কুঁড়ে স্বভাব
আঁকড়া-আঁকড়ি: টানাটানিআটুবাঁটু: জড়োসড়োআদাড়ের হাঁড়ি: তুচ্ছ / অনাদৃত ব্যক্তি
আককুটে: অমিতব্যয়ী/বেহিসাবিআঞ্জাআঞ্জি: কোলাকুলিআক্কেলমন্ত / আক্কেলমন্দ: বিবেচনা করে এমন
আটুপাটু: অতি উৎসাহআদুড়চুলি: ঘোমটা খোলাআটখান করা/ আটখানা করা: টুকরো টুকরো করা
আধহারা: রোগাটেআপকেওয়ান্তে: চাটুকারআষাঢ়ান্ত বেলা: দীর্ঘস্থায়ী বেলা
আপনহারা: বিভোরআলুথালু: এলোমেলোআসরে নামা: আবির্ভূত হওয়া
আজবখানা / আজবঘর: জাদুঘরআষ্টেপৃষ্ঠে: সর্বাঙ্গেআস্তাকুঁড়ের পাতা: নিচ ব্যক্তি
আউছিয়া করা: নিন্দে করাআঁদরু পেঁদরু: ব্যঙ্গার্থেআগন্যাংলা: অগ্রবর্তী
আপন পায়ে কুড়াল মারা : নিজের অনিষ্ট নিজে করাআসলে মুষল নেই, ঢেঁকিঘরে চাঁদোয়া: ঠিকমতো ব্যবস্থা গ্রহণের অভাব

বাগধারা : ই

ইঁদুর কপালে: নিতান্ত মন্দ ভাগ্যইলশে গুঁড়ি : গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিইতর বিশেষ: পার্থক্য / ভেদাভেদ
ইঁচড়ে পাকা: অকালপক্বইতর: বদমেজাজীঈদের চাঁদ: অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
ইন্দ্রপতন: বিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যুইষ্টনাম জপা: স্রষ্টাকে স্মরণইন্দ্রের শচী: যিনি যখন যার কাছে থাকেন তখন তিনি তার
ইতুনিদকুঁড়ে: অলসইনিয়ে বিনিয়ে: ঘুরিয়ে ফিরিয়েইতিকথা: কাহিনী / ইতিহাস / উপকথা
ইটি-সিটি: এ জিনিস সে জিনিসইস্কুপের প্যাঁচ: কুটিল বুদ্ধিইকড়ি-মিকড়ি: ছোটদের খেলাবিশেষ
ইতস্তত করা: সংকোচ করাইয়ারবকসি: বন্ধুবান্ধব / রসিক লোকইল্লতে কাণ্ড: নোংরা ব্যাপার / নোংরা কাণ্ড

বাগধারা : উ

উলুখাগড়া: গুরুত্বহীন লোকউড়ো কথা: গুজবউঠে পড়ে লাগা: বিশেষভাবে চেষ্টা করা
উজানের কৈ: সহজলভ্যউড়ো চিঠি: বেনামি পত্রউড়নচণ্ডী: অমিতব্যয়ী / উচ্ছৃঙ্খল
উভয় সংকট: শাখের করাতউনিশ-বিশ: সামান্য পার্থক্যউত্তম মধ্যম: প্রহার / পিটুনি / মারা
উকর-ধাকর: এলোপাথাড়িউজলপাঁজল: উথাল-পাথালউড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা
উড়নপেকে: অপব্যয়ীউটকো লোক: অচেনা লোকউপোসি ছারপোকা: অভাবগ্রস্থ লোক
উসখুস করা: ছটফট করাউঁচু কপালে: ভাগ্যবানউদোমাদা: অতি সরল ও বোকাসোকা
উদোগেঁড়ে: আলসেউস্তন খুস্তন করা: জ্বালাতন করাউপুরহস্ত করা: দান করা
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে: একের অপরাধে অপরকে দায়ী করাউলু বনে মুক্তা ছড়ানো: অস্থানে মুল্যবান দ্রব্য প্রদান / সম্প্রদান করাউজুবাট: সোজা রাস্তা
উপরোধে ঢেঁকি গেলা: অনুরোধে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু করা

বাগধারা : ঊ

ঊনপঞ্চাশ বায়ু: পাগলামিঊর্মিমালী: সমুদ্রঊনপাঁজুরে: হতভাগ্য / অপদার্থ / দুর্বল
ঊনকোটি চৌষট্টি: প্রায় সম্পূর্ণঊরা: আবির্ভূত হওয়াঊর্ধ্বদেহ: মৃত্যুর পরে প্রাপ্ত শরীর
ঊরুস্তম্ভ: ফোঁড়া জাতীয় রোগঊর্জস্বল: বলবানঊর্ধ্ববাহ: হাত উপরে তুলে আছে এমন
ঊর্ধ্বচারী: উচ্চাকাঙ্ক্ষীঊর্ধ্বনেত্র: উদাস দৃষ্টিঊর্মিভঙ্গ: সমুদ্রাদির আছড়ে পড়া তরঙ্গ
ঊনো বর্ষায় দুনো শীত: যে বছর বৃষ্টি কম হয়, সে বছর শীত বেশি পড়েঊর্ধ্বলোক: স্বর্গ

বাগধারা : এ

এলেবেলে: নিকৃষ্টএক ডাকের পথ: কাছাকাছিএক চোখা: পক্ষপাতিত্ব / পক্ষপাতদুষ্ট
এক হাত লওয়া: প্রতিশোধ নেয়াএকা দোকা: নিঃসঙ্গএক গোয়ালের গরু: একই শ্রেণিভুক্ত
এলকুমি-বেলকুমি: অঙ্গভঙ্গিএলাহি কাণ্ড: বিরাট আয়োজনএক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো: একই স্বভাবের
এক বনে দুই বাঘ : প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীএণ্ডায় গণ্ডায়: গোঁজামিল দেওয়াএক কথার মানুষ: দৃঢ় সংকল্প ব্যক্তি
এক লহমায় : এক মুহূর্তেএক ছাঁচে ঢালা: সাদৃশ্যএককে একুশ করা: অযথা বাড়ানো
এসপার ওসপার: মীমাংসাএকা ঘরে গিন্নি: কর্তৃত্বএকাদশে বৃহস্পতি: সৌভাগ্যের বিষয় / সুসময়
এঁড়ে তর্ক: যুক্তিহীন তর্কএলতলা-বেলতলা: এদিক-ওদিকএলাকাঁড়ি: অমনোযোগ দেখানো
এক ঢিলে দু'পাখি: এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করাএক ঢিলে দু'পাখি: এক প্রচেষ্টায় উভয় উদ্দেশ্য সাধন করাএক যাত্রায় পৃথক ফল: একই কাজের ভিন্ন প্রাপ্তি
এলোপাতাড়ি/এলোপাথাড়ি/এলোধাবাড়ি: বিশৃঙ্খলাএক মাঘে শীত যায় না: বিপদ একবারই আসে না

বাগধারা : ও

ওষুধ পড়া: প্রভাব পড়াঔষধ ধরা: সক্রিয় হওয়াওজন বুঝে চলা: আত্মসম্মান রক্ষা করা
ওলা-ওঠা প্রতি ঘরে: মহামারিওষুধ করা: বশ করাওৎ পাতা: সুযোগের প্রতীক্ষায় থাকা
ওলা ওঠা: কলেরা রোগওঝার ঘাড়ে ভূত: বিপদগ্রস্থ কাণ্ডারী

বাগধারা : ক

কাগুজে বাঘ: মিথ্যা জুজুকাঁচা পয়সা : নগদ উপার্জনকলির সন্ধ্যা: দুর্দিনের সূত্রপাত হওয়া
কেবলা হাকিম: অনভিজ্ঞকাঁচা হাত: অপক্বকাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা: অল্প বয়সে বিগড়ানো
কল্কে পাওয়া: পাত্তা পাওয়াকাঠের পুতুল: নির্জীব / অসারকাঁঠালের আমসত্ত্ব: অসম্ভব বস্তু / ব্যাপার
করাতের দাঁত: উভয় সংকটকুনো ব্যাঙ: সীমিত জ্ঞানকৈ মাছের প্রাণ: দীর্ঘজীবী/ যা সহজে মরে না
কেতাদুরস্ত: পরিপাটিকাছা ঢিলা: অসাবধানকত ধানে কত চাল: টের পাওয়ানো
কাঁটার জ্বালা: অসহ্য দুঃখকথার কথা: গুরুত্বহীন কথাকান ভারী করা: কুপরামর্শ দেওয়া
কথা দেয়া: অঙ্গীকার করাকথা চালা: রটনা করাকুরুক্ষেত্রের কাণ্ড: মহাকলহ / তুলকালাম
কাক নিদ্রা: অগভীর সতর্ক নিদ্রাকেঁচে গণ্ডূষ: নতুন করে আরম্ভ করাকথা কাটাকাটি করা: বাদ-প্রতিবাদ করা
কলুর বলদ: একটানা খাটুনিকান পাতলা: সহজেই বিশ্বাসপ্রবণকোলে পিঠে মানুষ করা: লালন পালন করা
কালে ভদ্রে : কদাচিৎকানে তুলো দেয়া: ভ্রুক্ষেপ না করাকিল খেয়ে কিল চুরি: অপমান সয়ে চুপ থাকা
কান কাটা: বেহায়াকানে খাটো: যে কম শুনতে পায়কুলে কালি দেয়া: বংশে কলঙ্ক আনা
কুল কাঠের আগুন: তীব্র জ্বালাকান খাড়া করা: মনোযোগী হওয়াকুম্ভকর্ণের ঘুম / নিদ্রা: দীর্ঘদিনের আলস্য
কচ্ছপের কামড় : নাছোড়বান্দাকড়ায় গণ্ডায়: সম্পূর্ণ / পুরোপুরিকাকতালীয় ব্যাপার: কার্যকরণহীন ঘটনা
কুলোপনা চক্কর: সারহীন আড়ম্বরকলা দেখানো: ফাঁকি দেয়াকানে তোলা: কোনো কথা উত্থাপন করা
কুড়ের বাদশা: ভয়ানক অলসকংস মামা: নির্মম আত্মীয়কমলি ছাড়ে না: নাছোড়বান্দার পাল্লায় পড়া
কাকভূষণ্ডি: দীর্ঘায়ু ব্যক্তিকতশত: অসংখ্যকাঁচা ধানে মই দেয়া: তৈরি জিনিস নষ্ট করা
কথার ফুলঝুরি: বাকপটুতাকানি খাওয়া: পক্ষপাতিত্বক-অক্ষর গোমাংস: অশিক্ষিত ব্যক্তি/বর্ণ পরিচয়হীন
কলমির ঝাড়: বংশে বহু লোককচু পোড়া: অখাদ্যকাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা: শত্রু দিয়ে শত্রু নিধন
কড়ার ভিখারি: দীনকড়ি কপালে : ভাগ্যবানকিলিয়ে কাঁঠাল পাকানো: অসম্ভবকে সম্ভব করা
কথার মানুষ: কথা ঠিক রাখে এমনকপাল ঠুকে লাগা: প্রত্যয় নিয়েকড়িকাঠ গনা: কাজ না করে কালহরণ
কপোল-কল্পনা: মনগড়া কথাকরে খাওয়া: জীবিকা উপায় পাওয়াকিল খেয়ে কিল হজম : অপমান গোপন করা
কটু কাটব্য: তিরস্কারকলমি কাপ্তেন: দরিদ্র কিন্তু বিলাসীকচকচি/কচকচানি: তর্ক-বিতর্ক / বাদ-প্রতিবাদ
কাজের থই: কাজের সীমাকানখড়কে: যার কান খুব সজাগকানু ছাড়া গীত নাই: একমাত্র অবলম্বন
কায়দা হওয়া: বশে আসাকার্তিকে ঝড়: অসময়ে ঝড়কানাগরুর ভিন্ন পথ: অস্থানে সুনির্দেশনা
কাট-গোঁয়ার: অত্যন্ত একগুঁয়েকাটনার কড়ি: সামান্য উপার্জনকায়েতের ঘরের ঢেঁকি: অপদার্থ লোক
কাবুতে পাওয়া: বাগে পাওয়াকালাপানি পার: দ্বীপান্তরে যাওয়াকুমড়ো কাটা বটঠাকুর: অকর্মণ্য লোক
কিম্ভুতকিমাকার : অদ্ভুত ও কুৎসিতকাঁজি ভক্ষণ নামে গোয়ালা: হতভাগ্যকুমিরের সান্নিপাত: অসম্ভব ব্যাপার
কুঁচো বাসন: ছোটখাটো থালাবাটিকিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ড: তুমুল হট্টগোলকলি ফেরানো: দেয়ালে চুনকাম করা
কুঁজড়োপনা: ঝগড়াটে স্বভাবকুবেরের ভাণ্ডার: অফুরন্ত ঐশ্বর্যকেঁচো যাওয়া: পণ্ড হয়ে যাওয়া
কেস কেরোসিন: গুরুতর ব্যাপারকেল্লা ফতে: জয়লাভকপাল ফেরা: সৌভাগ্য লাভ
কেঁদো বাঘ: বিশাল বাঘকচু বনের কালাচাঁদ: অপদার্থকুম্ভীরাশ্রু: মায়াকান্না / কপট অশ্রু
কেষ্ট-বিষ্টু: বিশিষ্ট ব্যক্তিকাষ্ঠ হাসি: কপট হাসিকৃষ্ণের জীব: দুর্বল ও অসহায় প্রাণী
কাকস্নান: অসম্পূর্ণ গোসলকাজির বিচার: গোঁজামিল বিচারকপাল কাটা: অদৃষ্ট মন্দ হওয়া
কাজের কাজি: উপযুক্ত ব্যক্তিকাবু করা: শক্তিহীন করাকাশীলাভ: কাশীতে মৃত্যু এবং স্বর্গলাভ
কাটমোল্লা: ধর্মান্ধ মুসলমানকাঠখোট্টা: নিরসকরদানি করা: বাহাদুরি করা
কারিকুরি: প্রতারণাকালামুখো: নির্লজ্জকিপটের জাসু: অত্যন্ত কৃপণ
কুঁদু লেপনা: ঝগড়াটে স্বভাবকেন্নোর আড়ি: একরোখা ভাবকু ডাকা: অমঙ্গলের আশঙ্কা করা
কু চক্করে: কুটিলক্যাভাভ্যারাম: কদাকারকেউ কেটা: সামান্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি (নেতিবাচক)
কেঁচো খুঁড়তে সাপ: সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতিকথা দিয়ে কথা নেয়া : কৌশলে মনের কথা বের করাকলমের খোঁচা: অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে লিখিত আদেশ
কালনেমির লঙ্কাভাগ: মাত্রাতিরিক্ত আশা করে নিরাশ হওয়াকানা ছেলের নাম পদ্মলোচন: যার যে গুণ নেই সে গুণের ভান করাকুপমন্ডুক: সীমিত জ্ঞানের মানুষ / সংকীর্ণমনা ব্যক্তি / ঘরকুনো
কুনকি হাতি: যে পোষা হস্তিনী বণ্য হাতি ধরতে সাহায্য করে / কৌশলে অন্যকে বশ করা

বাগধারা : খ

খড়ে দজ্জাল: প্রচণ্ড অত্যাচারীখণ্ড প্রলয়: তুমুল কাণ্ডখেরো খাতা: বাজে হিসাবের খাতা
খণ্ড কপাল: দুর্ভাগ্যখাবি খাওয়া: ছটফট করাখোল নলচে বদলানো: আমুল পরিবর্তন
খিচুড়ি পাকানো: জটিল করাখেজুরে আলাপ: অকাজের কথাখোদার উপর খোদকারি: অসংগত হস্তক্ষেপ
খেউর গাওয়া: গালাগালি করাখ্যাংরাকাঠি: বিসদৃশরকম রোগাখইয়ের বন্ধনে পড়া: মুশকিলে পড়া
খামকাজ: ভুলকাজখুদে রাক্ষস: পেটুক মানুষখোদার খাসি: ভাবনা চিন্তাহীন / হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি
খুরে খুরে দণ্ডবৎ: হার স্বীকারখয়ের খাঁ: চাটুকারখাল কেটে কুমির আনা: নিজ দোষে বিপদে পড়া
খাতির জমা: নিরুদ্বিগ্নখাতা খোলা: লেনদেন শুরু করাখেলার ছলে: হালকাভাবে
খোসাপুরু: অনুভূতিহীন

বাগধারা : গ

গণেশ উল্টানো: ফেল মারাগা করা: উদ্যোগ নেয়াগজকচ্ছপের লড়াই: প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা
গলায় গলায় ভাব: সৌহার্দ্যগোকুলের ষাঁড়: স্বেচ্ছাচারী / ভবঘুরেগোদের উপর বিষফোড়াঁ : যন্ত্রণার উপর যন্ত্রণা
গা ঢাকা দেয়া: আত্মগোপন করাগড্ডলিকা প্রবাহ: অন্ধ অনুকরণগঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো : পরে পরে সমাধান
গো-মূর্খ: জড়বুদ্ধিগণ্ডায় আণ্ডা দেয়া: ফাঁকি দেয়াগলবস্ত্র হওয়া: বিনীতভাবে অনুরোধ
গৌরচন্দ্রিকা: ভূমিকা / ভণিতাগঙ্গা পাওয়া: মারা যাওয়াগোবরে পদ্মফুল: নীচ কুলে মহৎ ব্যক্তি
গোডিমওয়ালা শিশু: দুধের বাচ্চাগুণ গাওয়া: প্রশংসা করাগায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো: কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা
গয়ংগচ্ছ: ঢিলেমিগরজ বড় বালাই: প্রয়োজনে গুরুত্বগায়ে মানে না আপনি মোড়ল : স্বয়ংসিদ্ধ নেতা
গলায় পা দেওয়া: পীড়ন করাগা তোলা: উঠাগরিবের ঘোড়া রোগ: অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা
গুরুচণ্ডালী: উঁচু-নিচুর সহাবস্থানগৌরীসেনের টাকা: অফুরন্ত অর্থগোবর গণেশ: অকর্মণ্য / নিরেট মূর্খ
গণ্ডগ্রাম: বড়গ্রাম / অজপাড়াগাঁগোবৈদ্য: আনাড়ি চিকিৎসকগোঁয়ার গোবিন্দ: নির্বোধ অথচ হঠকারী
গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্যগায়ে হাত তোলা: প্রহার করাগেঁড়াকল: লোককে ঠকাবার কৌশল
গলাগলি: ঘনিষ্ঠতাগোল্লায় যাওয়া: অধঃপাতে যাওয়াগায়ে পড়া: অনধিকার চর্চা / অযাচিত
গোঁফ খেজুরে: নিতান্ত অলসগোড়ায় গলদ: শুরুতে ভুলগ্যাঁট হয়ে বসা: অনড় অটল হয়ে বসা
গাছপাথর: হিসাব নিকাশগলগ্রহ: পরের বোঝা হয়ে থাকাগঁদের গঁদ: অতিদূর সম্পর্কিত ব্যক্তি
গর্দভরাগিণী: কর্কশ সুরগণ্ডি লাগা: মোটা হওয়াগুলতানি করা: বাজে আড্ডা দেওয়া
গভীর গাড্ডা: গভীর সমস্যাগররাজি: অনিচ্ছুকগোষ্ঠির তুষ্টি করা: অনর্থক করা
গাঁতের মাল: চোরাই মালগাব করা: গায়েব করাগুবলেট করা: ভেস্তে দেওয়া
গুলপট্টি: অশোভন আচরণগুলি মারা: তোয়াক্কা না করাগোলে হরিবল: বিশৃঙ্খলা
গরু মেরে জুতো দান: বড় ক্ষতি করে সামান্য পূরণগায়ে কাঁটা দেয়া: ভয়ে শিউরে ওঠা / রোমাঞ্চ হওয়াগেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না: নিজ দেশে গুণীর কদর নেই
গাছে তুলে মই কাড়া : সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করাগাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: প্রাপ্তির পূর্বেই ভোগের আয়োজনগজেন্দ্রগমন বা গদাই লস্করি চাল: মৃদু মন্থর গমন বা আলসেমি
গাছে না উঠতে এক কাঁদি: কাজে অবতীর্ণ হওয়ামাত্র প্রাপ্তির আশাগোড়ায় কেটে আগায় জল ঢালা: জ্ঞাতসারে ক্ষতি করে পরে সংশোধনের প্রয়াস

বাগধারা : ঘ

ঘা খাওয়া: কষ্ট পাওয়াঘাঘু: অভিজ্ঞ / চালাকঘোড়া রোগ: সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ
ঘাটের মরা: অতি বৃদ্ধঘোড়ার ডিম: অলীক বস্তুঘরে আগুন দেয়া: সংসারে বিবাদ বাধানো
ঘটিরাম: অপদার্থ / অযোগ্যঘর ভাঙানো: সংসার বিনষ্ট করাঘরের শত্রু বিভীষণ: যে গৃহে বিবাদ করে
ঘরভেদী বিভীষণ: কপট স্বজনঘোড়ার ঘাস কাটা: বাজে কাজ করাঘর থাকতে বাবুই ভিজা : সুযোগ থাকতে নষ্ট
ঘুঘু চরানো: সর্বনাশ করাঘোড়ার ঘাস কাটা: বাজে কাজ করাঘাট মানা: অন্যায় স্বীকার করা
ঘুমগড়ে: ঘুমকাতুরেঘাড়ে-গর্দানে: অত্যন্ত মোটাঘুণ হওয়া: দক্ষতা লাভ করা
ঘা খাওয়া: আঘাত পাওয়াঘেঁষ দেয়া: আমল দেয়াঘণ্টাগরুড়: অকর্মণ্য লোক
ঘোড়ার কামড়: দৃঢ় পণঘরাঘরি: নিজেদের মধ্যেঘরের ঢেঁকি কুমীর: বলিষ্ঠ ও ভোজনপটু অথচ অলস
ঘরপোড়া গরু: বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিঘর জ্বালানো পর ভুলানো: আত্মীয়ের কষ্টদায়ক অথচ অপরের প্রিয়ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো: ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কর্ম করা
ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়া: আরামের সম্ভাবনা দেখে পরিশ্রম ত্যাগঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া: মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা

বাগধারা : চ

চিনির পুতুল: শ্রমকাতুরেচোখ কপালে তোলা: বিস্মিত হওয়াচিনির বলদ: নিম্ফল পরিশ্রম / পরিশ্রম কাতর
চুনকালি দেয়া: কলঙ্ক দেয়াচোখের মণি: অত্যন্ত প্রিয় বস্তুচোখের মাথা খাওয়া: না দেখতে পাওয়া
চোরাবালি: অদৃশ্য বিপদাশঙ্কাচোখের নেশা: রূপের মোহচশমখোর: সম্পূর্ণ বেহায়া / নির্লজ্জ
চোখ পাকানো: ক্রুদ্ধ হওয়াচটকের মাংস: সামান্য জিনিসচোখের চামড়া / পর্দা: চক্ষুলজ্জা
চড়কগাছ: অত্যন্ত দীর্ঘকায়চাঁদ কপালে : ভাগ্যবানচতুর্ভুজ হওয়া: উৎফুল্ল হওয়া
চর্বিত চর্বণ: পুনরাবৃত্তিচোদ্দবুড়ি: প্রচুরচড়ুই পাখির প্রাণ: ক্ষীণজীবী লোক
চোখ নাচা: শুভাশুভের লক্ষণচেটেনেটে: কমবয়সী বধূচুলের টিকি না দেখা যাওয়া: অদর্শন হওয়া
চাপান-উতোর: পারস্পরিক সন্দেহচোখের বালি: শত্রু / অপ্রিয় ব্যক্তিচক্ষুকর্ণের বিবাদ ভঞ্জন: নিঃসন্দেহ হওয়া
চক্ষের পুতলি: আদরের ধনচাচা আপন প্রাণ বাঁচা: স্বার্থপরচক্ষু চড়কগাছ: বিস্ময়ে চোখ বড় হওয়া
চাঁদের হাট: প্রিয়জনের সমাগমচুনোপুঁটি: সামান্য লোকচুল পাকানো: অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা
চক্ষুদান করা: চুরি করাচোখে ধুলো দেওয়া: ঠকানোচোরা রাত: চুরি করার পক্ষে প্রশস্ত
চিনে জোঁক: নাছোড়বান্দাচকরা কানা: চোখ থেকেও কানাচিচিং ফাঁক: গোপন রহস্যের প্রকাশ
চারা না থাকা: গতি না থাকাচণ্ডালের রাগ: অত্যন্ত রাগচোখে সরষে ফুল দেখা: বিপদে দিশেহারা হওয়া
চোখে ঠুলি পরা: উপেক্ষা করাচিত্রগুপ্তের খাতা: যে খাতায় সবকিছু পাওয়া যায়চড় মেরে গড় করা: আগে অপমান করে শেষে সম্মান

বাগধারা : ছ

ছ কড়া ন কড়া: সস্তা দরছারখার হওয়া: ধ্বংস হওয়াছাগল টাঙানো: লম্বা জায়গা নেওয়া
ছা-পোষা: অত্যন্ত গরিবছুঁচোর কেত্তন: অবিরাম কলহছয়কে নয় নয়কে ছয় : অপচয় করাছিনিমিনি
ছামনি নাড়া: দৃষ্টি বিনিময়ছিঁচ কাঁদুনে: অল্পেই কাঁদে এমনছেলের হাতের মোয়া: সহজলভ্য বস্তু
ছাঁদনা তলা: বিবাহের মণ্ডপছক কাটা: পূর্ব পরিকল্পনাছাতা দিয়ে মাথা রাখা : বিপদে সাহায্য করা
ছটকে পড়া: বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াছটফটানি: অস্থিরতা / উদ্বিগ্নছক্কা পাঞ্জা করা: লম্বা লম্বা কথা বলা
ছব্বা: রূপ / মুখশ্রীছরকট: বিশৃঙ্খলাছাতরা-ভাতরা: নোংরা / এলোমেলো
ছাই করা: কাজ পণ্ড করাছলাপাতা: ছলনা করাছাতি ফাটা: তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাওয়া
ছাতি ঠোকা: আস্ফালন করাছিরিছাঁদ: সৌন্দর্যছেঁড়া মামলা: তুচ্ছ কিন্তু ঝঞ্ঝাটপূর্ণ ব্যাপার
ছুট করানো: পরিশ্রম করানোছেঁকে ধরা: ঘিরে ধরাছেঁড়া চুলে খোঁপা বাধা: পরকে আপন করার চেষ্টা
ছেঁড়াখোঁড়া: ছিন্নবিচ্ছিন্নছেঁদো কথা: অসার বা বাজে কথাছেঁড়া কথা: বাজে কথা / অর্থহীন বা অসার কথা
ছেনালি: নারীর নষ্টামিছোটঘর: নীচ বংশছেঁদামালা: অপব্যয়ী লোক
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা: সামান্য স্বার্থে দুর্নামের অর্জনছাই ফেলতে ভাঙ্গা কুলো: সামান্যের বিশেষ প্রয়োজনছাই চাপা আগুন: অপ্রকাশিত প্রতিভা / গোপন গুণ

বাগধারা : জ

জগদ্দল পাথর: গুরুভারজিলাপির প্যাঁচ: কুটিলতাজগাখিচুড়ি পাকানো: গোলমাল বাধানো
জলাঞ্জলি দেয়া: বিসর্জন দেয়াজড়ভরত: নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিজাহান্নামে যাওয়া: গোল্লায় যাওয়া
জবড়জং: এলোমেলোজলভাত: সহজলভ্যজলে কুমির ডাঙায় বাঘ: উভয় সঙ্কট
জলযোগ: হালকা খাবারজলপান: হালকা খাবারজলগ্রহণ না করা: সম্পর্ক না রাখা
জলপানি: বৃত্তিজলের দাগ: ক্ষণস্থায়ীজাত খাওয়া: জাতিভ্রষ্ট করা / জাতি নষ্ট করা
জক (জগ) দেওয়া: ঠকানোজিগির তোলা: ধ্বনি দেওয়াজামাই আদর: প্রচুর আদর-যত্ন
জীয়ন্তে মারা: জীবনৃতজোড়ের পায়রা: ঘনিষ্ঠ বন্ধুজুয়াচুরি / জোচ্চরি: লোক ঠকানো
জান কবুল: প্রাণপণ চেষ্টাজরদগব: অপদার্থজো-হুকুম / জো-হুজুর: তোষামোদকারী
জেলঘুঘু: যে ব্যক্তি বারবার জেল খাটেজুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ: ছোটবড় সব কাজ

বাগধারা : ঝ

ঝাড়েবংশে: সবসুদ্ধঝালাপালা: কর্ণপীড়াঝড়ো কাক: দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তি / বিপর্যস্ত অবস্থা
ঝাঁকের কৈ: একই দলের লোকঝিঙেফুল ফোটা: আয়ু ফুরিয়ে আসাঝোলে অম্বলে এক করা: মিশিয়ে ফেলা
ঝাঁকি দর্শন: ক্ষণিক দেখাঝড়তি-পড়তি: ছোটখাটো অংশঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ মতো কাজ করা
ঝোলের লাউ অম্বলের কদু: সব পক্ষের মন জুগিয়ে চলাঝরাপাতা: জীর্ণশীর্ণ লোক / গুরুত্বহীন বা বাতিল হয়ে যাওয়া লোকঝিকে মেরে বউকে শেখানো : একজনের মাধ্যমে অপরকে শিক্ষাদান

বাগধারা : ট

টইটম্বুর: ভরপুরটাকার আন্ডিল: প্রভৃত বিত্তটক্কর দেয়া: প্রতিযোগিতা করা
টাকার গরম: ধনের অহংকারটনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়াটানাপোড়েন: দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থা / উভয়সঙ্কট
টীকাভাষ্য: দীর্ঘ আলোচনাটাকার কুমির: বিত্তশালীটিমে তেতালা: অতিশয় মন্থর গতি
টুলো পণ্ডিত: পুঁথিগত বিদ্যাসারটাকাটা সিকিটা: খুব সামান্য টাকাটেক্কা দেয়া / টেক্কা মারা : পরাজিত করা
টুপ ভুজঙ্গ: নেশায় বিভোরটেন্ডাই-মেন্ডাই: আস্ফালনচেংরাগেটে: বেঁটে ও মোটাসোটা
টেকে গোঁজা: আত্মসাৎ করাটুপি পরানো: খোসামোদ করাটাল সামলানো: বিপদ হতে মুক্তি
টনটনে: অত্যন্ত সতর্কটপ্পা মারা: দায়িত্বহীন জীবনটসকানো: স্বাস্থ্য খারাপ হওয়া
টাল যাওয়া: মৃতপ্রায় লোকটালাটালি: নাড়ানাড়িটাকার শ্রাদ্ধ: প্রচুর টাকা অপব্যয়
টুসকির মাল: ভঙ্গুর জিনিসটেরিয়ে যাওয়া: অবাক হওয়াটুকনি হাত করা: নিঃস্ব হওয়া
টেপাগোঁজা: চাপাচাপিটুলোপণ্ডিত: টোলের শিক্ষকটেরি কাটা: মাথার চুলে সিঁথি করা

বাগধারা : ঠ

ঠুটো জগন্নাথ: অকর্মণ্যঠোঁট ফুলানো: অভিমান করাঠেলার নাম বাবাজী: চাপ পড়ে কাবু
ঠেক খাওয়া: বাধা পাওয়াঠোঁট কাটা: স্পষ্টভাষীঠাট বজায় রাখা: অভাব চাপা রাখা
ঠোলাপাতি: বনভোজনঠারে ঠারে: ইঙ্গিতেঠেকা মেয়ে: চিরকুমারী
ঠাঁই নাড়া: জায়গা বদলঠাড়মোড়: ভয়ে আড়ষ্টঠোঁট উল্টানো: বড় করা / গর্ব করা
ঠাড়াঠাড়ি: চোখের ইশারাঠুকে দেওয়া: প্রহার করাঠাণ্ডা লড়াই: গোপনে বিরোধিতা
ঠোঁট টেপা: মুখ বন্ধ করাঠ্যাটা: একগুঁয়ে / অবাধ্যঠাটঠকম: হাবভাব / চালচলন
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় : পরিণামে শূন্য লাভ / আদর্শহীনতার প্রাচুর্য

বাগধারা : ড

ডাকাবুকো : দুরন্ত / নির্ভীকডামাডোল: গোলযোগডান (দক্ষিণ) হাতের ব্যাপার: ভোজন
ডুমুরের ফুল: বিরল বস্তুডকে ওঠা: নষ্ট হওয়াডুবে ডুবে জল খাওয়া: গোপনে কাজ করা
ডিমে রোগা : চির রুগ্নডকে তোলা: বাতিল বা নষ্ট করাডানাকাটা পরি: পরমা সুন্দরী (ব্যঙ্গার্থে)
ডঙ্কা মারা: বড় গলায় বলাডবকে ওঠা: যৌবনপ্রাপ্ত হওয়াডাকা দেওয়া / ডাকা মারা: ডাকাতি করা
ডানপিটে: দুরন্ত / দুঃসাহসিকডিগডিগে: অত্যন্ত কৃশ বা সরুডিমে রোগা: ছেলেবেলা থেকেই রোগা
ডাকের সুন্দরী: অত্যন্ত সুন্দরীডগিডগি: কচি বা জালি ডগাবিশিষ্টড্যাব ড্যাব: বড় বড় ও ভাষাহীন চোখের ভাব
ডাইনে আনতে বাঁয়ে কুলোয় না: আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশিডাইনির কোলে ছেলে সঁপা: ভক্ষককেই রক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া

বাগধারা : ঢ

ঢাক পেটানো: প্রচার করাঢেঁকির কচকচি: কলহঢাকের বাঁয়া: মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
ঢাকের কাঠি: তোষামুদেঢাকে কাঠি পড়া: সূচনা হওয়াঢলাঢলি: পরস্পর কেলেঙ্কারি
টেটরা পেটা: ব্যাপক প্রসারঢেঁকি অবতার: নির্বোধ লোকঢেরা সই: নিরক্ষর লোকের সই
ঢেউগোনা: অকাজে সময় নষ্টঢেঁকির কুমির: অপদার্থঢিমে তালে চলা: ধীরে ধীরে চলা
ঢি ঢি পড়া: কলঙ্কঢং টাঙাতি: লম্পট / প্রতারকঢাক পড়ে যাওয়া: চারদিকে প্রচার হওয়া
ঢনা-ধরা: অন্তঃসারশূন্যঢং করা: ন্যাকামি করাঢক্কা নিনাদ / ঢাক বাজানো : উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা
ঢুলুঢুলু: তন্দ্রালুতাঢিমে তেতালা: মৃদুগতিঢেপসা / ঢ্যাপসা : বেমানান রকমের মোটা
ঢাক ঢাক গুড় গুড়: লুকোচুরি / গোপন রাখার প্রয়াসঢেঁকি না কুলো / না ঢেঁকি না কুলো: অন্নসংস্থানের উপায় না থাকাঢিপির মাকাল: দেখতে সুন্দর বা হৃষ্ট হলেও আসলে অকর্মণ্য বা গুণহীন

বাগধারা : ঢ

তুর্কি নাচন: নাজেহাল অবস্থাতিলকে তাল করা: অতিরঞ্জিত করাতেলে বেগুনে জ্বলা: ক্রোধে অগ্নিশর্মা হওয়া
তাক লাগা: আশ্চর্য হওয়াত-খরচ: বাজে খরচতীর্থের কাক: সাগ্রহে প্রতীক্ষাকারী
তোলা হাঁড়ি: গম্ভীরতামার বিষ: অর্থের কুপ্রভাবতক্কে তক্কে থাকা: গোপনে সতর্ক থাকা
তুলসী বনের বাঘ: ভণ্ডতালকানা: বেতাল হওয়াতেল নুন লাকড়ি: মৌলিক প্রয়োজন
তয়নাত করা: স্থির করাতেল কাজলা: চকচকেতারে নাচন: দুরবস্থার একশেষ
তিনঠণ্ডে: লাঠিহাতে বুড়োতাসের ঘর: ক্ষণস্থায়ী বস্তুতালপাতার সেপাই: অতিশয় দুর্বল
তুষের আগুন: দগ্ধকারী দুঃখত্রিশম্ভুদশা: দোটানা অবস্থাতিন মাথা এক হওয়া: খুব বৃদ্ধ হওয়া
তুবড়ি ছোটা: বেশি কথা বলাতেল বাড়া: অহংকারতাথৈ তাথৈ নাচা: আনন্দে উদ্বেল হওয়া
তাল সামলানো: শেষ রক্ষাতেলও কম ভাজাও মচমচে অল্প উপকরণে ভালো ব্যবস্থাতরবেতর: নানারকম
তালগাছের আড়াই হাত: কোনো কাজের শেষ ও সবচেয়ে কঠিন অংশ

বাগধারা : ত

তুর্কি নাচন: নাজেহাল অবস্থাতিলকে তাল করা: অতিরঞ্জিত করাতেলে বেগুনে জ্বলা: ক্রোধে অগ্নিশর্মা হওয়া
তাক লাগা: আশ্চর্য হওয়াত-খরচ: বাজে খরচতীর্থের কাক: সাগ্রহে প্রতীক্ষাকারী
তোলা হাঁড়ি: গম্ভীরতামার বিষ: অর্থের কুপ্রভাবতক্কে তক্কে থাকা: গোপনে সতর্ক থাকা
তুলসী বনের বাঘ: ভণ্ডতালকানা: বেতাল হওয়াতেল নুন লাকড়ি: মৌলিক প্রয়োজন
তয়নাত করা: স্থির করাতেল কাজলা: চকচকেতারে নাচন: দুরবস্থার একশেষ
তিনঠঙে: লাঠিহাতে বুড়োতাসের ঘর: ক্ষণস্থায়ী বস্তুতালপাতার সেপাই: অতিশয় দুর্বল
তুষের আগুন: দগ্ধকারী দুঃখত্রিশঙ্কুদশা: দোটানা অবস্থাতিন মাথা এক হওয়া: খুব বৃদ্ধ হওয়া
তুবড়ি ছোটা: বেশি কথা বলাতেল বাড়া: অহংকারতাথৈ তাথৈ নাচা: আনন্দে উদ্বেল হওয়া
তাল সামলানো: শেষ রক্ষাতাল সামলানো: শেষ রক্ষাতেলও কম ভাজাও মচমচে: অল্প উপকরণে ভালো ব্যবস্থা
তরবেতর: নানারকমতালগাছের আড়াই হাত : কোনো কাজের শেষ ও সবচেয়ে কঠিন অংশ

বাগধারা : থ

থ বনে যাওয়া: স্তম্ভিত হওয়াথানা পুলিশ করা: নালিশ করাথতমত খাওয়া: কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া
থুরে দেওয়া: জব্দ করাথৈ পাওয়া: সীমা পাওয়াথোড়াই কেয়ার করা: গ্রাহ্য না করা
থরহরি কম্প: ভয়ে প্রচণ্ড কাঁপাথ পাতা: স্থায়ীভাবে কিছু করাথমক লাগা: থমকে যাওয়া / চমক লাগা
থাউকি বেলা: বিকালবেলাথোবড়া নাড়া: বিশ্রীভাবে মুখ নাড়াথাতামুতা / থাতামুতো: জোড়াতালি দেওয়া
থোর বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোর: একঘেয়ে ব্যাপার

বাগধারা : দ

দা-কুমড়া: অহিনকুল / শত্রুতাদস্ত-ব-দস্ত: হাতে-হাতেদুধে ভাতে থাকা: ভোগে বা ঐশ্বর্যে থাকা
দক্ষযজ্ঞ: ব্যাপক আয়োজনদুধের মাছি: সুসময়ের বন্ধুদাঁও মারা: মোটা অংক লাভ করা
দহরম মহরম: অন্তরঙ্গতাদু'কান কাটা: বেহায়াদৈত্যকুলে প্রেহ্লাদ: খারাপ বংশে ভালো মানুষ
দানোয় পাওয়া: ভুতে পাওয়াদড়ি-কলসি: আত্মহত্যার উপায়দিগ্ধেড়েঙ্গা: বেমানান রকমের লম্বা
দফা নিকেশ: সমূহ সর্বনাশদহলা-নহলা করা: ইতস্তত করাদাঁতে দড়ি দিয়ে পড়ে থাকা: অনাহারে থাকা
দেঁতো হাসি: কৃত্রিম হাসিদহলা-নহলা করা: ইতস্তত করাদুধে-ভাতে থাকা: ভালোভাবে থাকা
দিন ফুরানো: আয়ু শেষদু নৌকায় পা: উভয় সংকটদক্ষিণার জোরে: টাকা পয়সা দিয়ে
দঁক ভাঙা : জলকাঁদা ভাঙাদড়েবড়ে: তাড়াহুড়ো করে এমনদাঁতে কুটো করা: হীনভাবে জীবনযাপন করা
দলাই মলাই: অঙ্গমর্দনদশকথা: নানারকম কটু কথাদিন ঘনানো: সুখের দিন শেষ হওয়া
দশবাই চণ্ডী: রাগী স্ত্রীলোকদাতাকর্ণ: উদার ও দানশীলদেবদ্বিজ মানা: ধর্মে বিশ্বাস থাকা
দায়-দৈব: ছোট-বড় সমস্যাদিগ্‌গজ পণ্ডিত: বড় পণ্ডিতদয়ে মজানো: বিপদে ফেলা / সর্বস্বান্ত করা
দিশপাশ: কুলকিনারা / সীমাদুধের ছেলে: কচি ছেলেদিনগত পাপক্ষয়: গতানুগতিকভাবে দিনাতিপাত করা
দুয়ো দেয়া: তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাদুরমুশ করা: প্রহার করাদাঁড়কাকের ময়ূরপুচ্ছ: অনুকরণের হাস্যকর চেষ্টা
দন্তস্ফুট করা: কঠিন বিষয়ে প্রবেশদোল-দুর্গোৎসব: আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানদুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষা: যত্ন করে শত্রু পোষা
দোজবরে: দ্বিতীয়বার যে বিয়ে করতে চায় বা করেছেদুধের সাধ ঘোলে মিটানো : ভালোর অভাব মন্দ দিয়ে পূরণদু'মুখো সাপ: দু'জনকে দু'রকম কথা বলে শত্রুতা সৃষ্টিকারী
যেমন দান তেমন দক্ষিণা: কম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিকৃষ্ট কাজদোপড়া: এক জায়গায় বিয়ে স্থির হওয়ার পরে বা প্রাক্বিাহ অনুষ্ঠানের পর অন্য জায়গায় বিয়ে

বাগধারা : ধ

ধোপার গাধা: পরের জন্য খাটাধনুর্ভঙ্গ পণ: কঠিন প্রতিজ্ঞাধাপার মাঠ: আবর্জনা ফেলার স্থান
ধর লক্ষ্মণ: অতি অনুগতদুধে ধোয়া তুলসীপাতা: নির্দোষধড়ে প্রাণ আসা: বিপদ থেকে উদ্ধার
ধুয়ো তোলা: অজুহাত বের করাধরতাই বুলি: চালু কথাধান দিয়ে লেখাপড়া শেখা: নামমাত্র খরচ
ধড়া-চূড়া: সাজপোশাকধোপার গাধা: ভারবাহীধোপা নাপিত বন্ধ করা: একঘরে করা
ধর্মের কল: সত্যধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির: অত্যন্ত ধার্মিকধরি মাছ না ছুই পানি: কৌশলে কার্যোদ্ধার
ধাষ্টামি: দুঃসাহস / আস্পর্ধাধামাধরা: চাটুকারিতা/তোষামোদকারীধর্মের ষাঁড়: স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি/অপদার্থ/অকর্মণ্য
ধুন্ধুমার: তুমুল কাণ্ডধিনিকেষ্ট: দায়িত্বপালনহীন ব্যক্তিধুমুল দেয়া / ধুমুল পেটানো: প্রচার করা
ধ্যাড়ানো: কাজ পণ্ড করাধুমড়ো লোচন: কিম্ভুত ধরনের লোকধোঁকার টাটি: প্রতারণার উপরের আবরণ
ধোয়ানো: তিরস্কার ও গালমন্দ করাধেবড়ে যাওয়া: অবিন্যস্ত হয়ে যাওয়াধোপে টেকা: সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া
ধনুর্ভঙ্গ পণ: কঠোর প্রতিজ্ঞাধানাই-পানাই: আবোল তাবোল কথাধেয়ে নাচনি: কোনো কাজ করে না এমন স্ত্রীলোক
ধান ভানতে শিবের গীত: অপ্রাসঙ্গিক
বিষয়ের অবতারণা
ধরাকে সরা জ্ঞান করা: অহঙ্কারে সব কিছুকে তুচ্ছ মনে করা

বাগধারা : ন

ন কড়া ছ কড়া: হেলাফেলানেই আঁকড়া: একগুঁয়েনাক ডুবানো: গৌরব বিসর্জন দেওয়া
নয় ছয়: অপচয় / অপব্যয়ননীর পুতুল: শ্রমবিমুখনদের চাঁদ: সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ
নাক সিটকানো: অবজ্ঞা করানবমী দশা: মূর্ছানিরানব্বইয়ের ধাক্কা: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
নাটের গুরু: মূলনায়কনাড়াবুনে: মূর্খনরক গুলজার: অনেকে জুটে সরগরম
ন-দুয়ারি: দ্বারে দ্বারেনখদর্পণে: পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আয়ত্তন মাসে-ছ মাসে: কালে-ভদ্রে
নাচতে নেমে ঘোমটা: বৃথা লজ্জানারদের ঢেঁকি: বিবাদের বিষয়নুড়ো জ্বেলে দেওয়া: মৃত্যু কামনা করা
নোলা বাড়ানো: লোভ করানগদ নারায়ণ: নগদ অর্থনকশা করা: তামাশা করা / ন্যাকামি করা
নজর দেওয়া: কুদৃষ্টিনিমরাজি: আংশিক স্বীকার করানিজের ঢাক নিজে পেটানো: আত্মপ্রকাশ
নটখট / নটখটি: গোলমালনটঘট / নটঘটি: কেলেঙ্কারি / নষ্টামিনিজের কোলে ঝোল টানা চরম: স্বার্থপরতা
নন্দভূঙ্গি: আদুরে / অকর্মণ্যননদী ভূলী: কুকর্মের সাথীনয়দুয়ারি: দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে এমন
নাক উঁচানো: অবজ্ঞা প্রকাশ করানব কার্তিক: সুদর্শন কিন্তু অকর্মণ্যনবমীর পাঁঠা: প্রাণভয়ে ভীত ব্যক্তি
নাকাল হওয়া: জব্দ হওয়ানাগাড় মারা: শেষ করানাদাপেটা: মস্ত ভুঁড়িওয়ালা
নাড় গোপাল: আদুরে ছেলেনালায়েক: অক্ষম / অপদার্থনিকুচি করা: শেষ করা / দফারফা
ন্যাতপ্যাত: নরমনেংটি পড়া: অত্যন্ত দরিদ্রনাম কাটা সেপাই: কর্মচ্যুত ব্যক্তি
নবাবী চাল: অতিরিক্ত বিলাসিতানিশপিশ করা: অস্থির বা চঞ্চল হওয়ানিজের চরকায় তেল দেওয়া: নিজের কাজে মন দেওয়া
নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা: নিজের অনিষ্ট করেও পরের ব্যাপক ক্ষতি করা

বাগধারা : প

পুকুর চুরি: বড় রকমের চুরিপগার পার হওয়া: পলায়ন করাপঞ্চমুখ: প্রশংসায় মুখরিত হওয়া
পটল তোলা: মারা যাওয়াপাথরে পাঁচ কিল: সুখের সময়পরশুরামের কুঠার: সর্বসংহারক অস্ত্র
পেটে ভাতে: শুধু আহার্যপি পু ফি শু: অত্যন্ত অলসপান থেকে চুন খসা: সামান্য ত্রুটি হওয়া
পান্তা ভাতে ঘি: অপব্যবহারপায়াভারী: অহংকারপুঁটি মাছের প্রাণ: ক্ষুদ্র প্রাণ / ক্ষীণজীবী
পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হওয়া: মারা যাওয়াপোয়াবারো: সুসময়পুরনো কাসুন্দি ঘাটা: অপ্রীতিকর আলোচনা
পালের গোদা: দলপতিপশ্চিমদিকে সূর্য উঠা: অসম্ভব ব্যাপারপাণ্ডবর্জিত: সভ্য লোকের বাসের অযোগ্য
পত্রপাঠ: তৎক্ষণাৎ / অবিলম্বেপরঘড়ি পান্তা মারি: হাড়হাভাতে লোকপাষাণ ভাঙা: দাঁড়িপাল্লায় ফের ভাঙা
পয়লা নম্বর: অতি চমৎকারপায়ে রাখা: আশ্রয় দেওয়াপট্টি দেয়া / পট্টি মারা: বাজে কথা বলা
পাকে-প্রকারে: কলে-কৌশলেপুঁথি বাড়ানো: ফেনিয়ে বর্ণনা করাপারের কড়ি: পরকালের জন্য সঞ্চিত সম্বল
পটের বিবি: সুসজ্জিতপয়মন্ত: সুলক্ষণযুক্তপেটের শত্রু: যে সন্তান মায়ের দুঃখের কারণ
পাঁকে পড়া: বিপদে পড়াপয়মাল হওয়া: নষ্ট হয়ে যাওয়াপড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনা: বিনা পরিশ্রমে প্রাপ্ত
পাঁচ কথা: কটু কথাপাঁচকান করা: প্রচার করাপিঁপড়ের পেট টেপা: অত্যধিক হিসাব করে চলা
পাঁতা করা বা দেয়া: আড়িপাতাপাট তোলা: কারবার গুটানোপুঁইয়ে পাওয়া: শীর্ণতা / রোগগ্রস্ত
পাথালিকোলা: আড়তোলাপিণিগেলা: অনিচ্ছায় খাওয়াপর্বতের মূষিক প্রসব: বিরাট সম্ভাবনার সামান্য প্রাপ্তি
পেটের কথা: মনের কথাপেঁয়াজি করা: ফাজলামো করাপাকা চুলে সিঁদুর পরা: বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত সধবা থাকা

বাগধারা : ফ

ফপর দালালি: অতিরিক্ত চালবাজিফাঁদে পা দেয়া: ষড়যন্ত্রে পড়াফেউ লাগা: কাউকে ক্রমাগত বিরক্ত করা
ফেঁপে ওঠা: ধনবান হওয়াফোঁড়ন দেওয়া: টিপ্পনী কাটাফুলের আঘাত: সামান্য দুঃখ কষ্ট
ফেকলু পার্টি: কদরহীন লোকফুটিফাটা: চৌচিরফতো নবাব: সম্বলহীনের বড়লোকিভাব
ফোঁস মনসা: ক্রোধী লোকফরদা ফাঁই: ছিন্নভিন্নফক্কা করা: নিঃশেষ করা / অপচয় করা
ফাঁটা কপাল: মন্দভাগ্যফেউ লাগা: পিছনে লেগে বিরক্ত করাফিকির খোঁজা: উপায় বা সুযোগ খোঁজা
ফেরফার: কৌশল / মারপ্যাঁচফেলাছড়া: অপচয় / অপব্যয়ফোঁড়ন দেয়া বা কাটা: উত্তেজনাকর টিপ্পনী কাটা
ফোর টুয়েন্টি: ধাপ্পাবাজফুলবাবু: বিলাসী বা সৌখিন লোকফুটো পয়সার লড়াই: সামান্য বিষয় নিয়ে বিবাদ
ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যাওয়া: সামান্য পরিশ্রমে কাতরফোপর-দালাল: উপযাচক হয়ে অন্যের ব্যাপারে কথা বলা

বাগধারা : ব

বিন্দু বিসর্গ: সামান্যতমবাঘের মাসি: আরামপ্রিয় ব্যক্তিবিনা মেঘে বজ্রপাত: আকস্মিক বিপদ
বইয়ের পোকা: পড়ুয়াবারো ভূত: আত্মীয় লোকজনবাঘের আড়ি: নাছোড়বান্দা / দুশমনি
বাঁ হাতের ব্যাপার: ঘুষ গ্রহণবাঘের দুধ (চোখ): দুঃসাধ্য বস্তুবাঘের আড়ি: গোয়ার্তুমি / প্রবল জেদ
বারো মাস ত্রিশদিন: প্রতিদিনবিষের পুঁটলি: হিংসুটে / বিদ্বেষীবক ধার্মিক / বিড়াল তপস্বী: ভণ্ড সাধু
বাড়া ভাতে ছাই: আশা ভঙ্গবক দেখানো: অশোভন বিদ্রুপ করাবিসমিল্লায় গলদ: গোড়ায় গলদ/শুরুতে ভুল
ব্যাঙের সর্দি: অসম্ভব ঘটনাবড়র পিরীতি বালির বাঁধ: ভঙ্গুরব্যাঙের আধুলি: সামান্য ধনে অহংকার
বালির বাঁধ: ক্ষণস্থায়ী বস্তুবর্ণচোরা: কপটচারীবুদ্ধির ঢেঁকি: নিরেট মূর্খ / নির্বোধ লোক
বর্ণচোরা আম: কপট ব্যক্তিবসন্তের কোকিল: সুসময়ের বন্ধুবিড়ালের খুদ: শ্রদ্ধার সামান্য উপহার
বউ-কাঁটকি: পুত্রবধূকে যন্ত্রণা দেয়বচনবাগীশ: কথায় পটুবয়সের গাছ-পাথর না থাকা: অত্যন্ত বৃদ্ধ
বারো সতেরো : খুঁটিনাটিবাহাত্তরে ধরা: মতিচ্ছন্ন হওয়াবেগার ঠেলা: বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করা
বিরাশি সিক্কা ওজন: বিপুল ওজনবগল বাজানো: আনন্দ প্রকাশ করাবারো মাসে তেরো পার্বণ: উৎসবের আধিক্য
বুড়ো বয়সে চূড়াকরণ: খোকামিবুড়ি ছোঁয়া: নামমাত্র নিয়ম পালনবানরের গলায় মুক্তার হার: অপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান
বরাখুরে বদমাশ: / শুয়োরখেকোবয়ে যাওয়া: ক্ষতিবৃদ্ধি জ্ঞান না করাবামনের গরু: যে অল্প পারিশ্রমিকে বেশি কাজ করে
বড় মিঞা: বাঘবলিহারি: অপূর্ব / চমৎকারবিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধা: বিপদের ঝুঁকি নেয়া
বাঘে ছুলে আঠার ঘা: মারধরবুকের পাটা: সাহসবেনাবনে মুক্তো ছড়ানো: অপাত্রে মূল্যবান জিনিস
বাগে পাওয়া: কায়দায় পাওয়াবাঘা-বাঘা: বিরাটবামন হয়ে চাঁদে হাত: অসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা
বারফট্টাই: বড়াইবাপান্ত করা: গালাগালি করাব্যাঙের লাথি: নগণ্য লোকের দ্বারা অপমান
বাস্তুঘুঘু: অতি ধূর্ত লোকবেলেল্লাপনা: অসভ্য আচরণবুকে চড়া: আক্রমণ করা
বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো: সরল লোককে প্রতারিত করাবয়স ফোঁড়া: যৌবনের সূচনালগ্নে যে ব্রণ দেখা যায়ব্রজের গোপাল বা দুলাল: আদুরে এবং অকর্মণ্য ছেলে
বিড়ালের আড়াই পা: বেহায়াপনা / ক্ষণস্থায়ী রাগবিন্দেদূতী: যে পরস্পরের মধ্যে কথা চালাচালি করেবোঝার উপর শাকের আঁটি: অতিরিক্তের অতিরিক্ত
বাজখাঁই আওয়াজ: অত্যন্ত কর্কশ / গম্ভীর গলার আওয়াজবিষ নেই তার কুলোপনা চক্কর: অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালনবজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো: বাইরে আড়ম্বর ভেতরে শূন্যতা
বরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসী: উভয় কুল রক্ষা করে চলাবিদুরের খুদ: গরিব ভক্তের সামান্য উপহারবাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়া: ক্ষমতা প্রদর্শন
বিড়ালের ভাগ্য শিকা ছেঁড়া: ভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে কাঙ্খিত বস্তু লাভবেল পাকলে কাকের কি: উপভোগ করতে অক্ষম ব্যক্তির উৎকৃষ্ট সামগ্রীর প্রতি লোভ করাবন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে: জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর

বাগধারা : ভ

ভুঁইফোড় : অর্বাচীন / নতুনভূতের বাপের শ্রাদ্ধ: অপব্যয়ভানুমতির খেল: যাদুবিদ্যা / ভেলকিবাজি
ভাগার ফলা: অনুর্বরভরাডুবি: সর্বনাশভিটেয় ঘুঘু চরানো: সর্বস্বান্ত করা
ভিজে বিড়াল: কপটচারীভেরেণ্ডা ভাজা: অকাজের কাজভাগ্যের দোহাই দেয়া: কপালে হাত দেওয়া
ভাড়ে মা ভবানী: রিক্ত হস্তভূষণ্ডির কাক: দীর্ঘায়ু ব্যক্তিভয়ে কেঁচো হয়ে থাকা: ভয়ে জড়সড় হওয়া
ভস্মে ঘি ঢালা: নিষ্ফল কাজভেড়ার পাল: অন্ধ অনুকরণভুশুড়ি ভাঙা: ক্রমাগত গল্প করে যাওয়া
ভেড়াকান্ত: শ্রেষ্ঠ বোকাভীষ্মের প্রতিজ্ঞা: অনড় সংকল্পভূতছাড়া করা: মারধর করে শায়েস্তা করা
ভক্তবিটেল: ভণ্ডভালুক জ্বর: এই আসে এই যায়ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ: অত্যধিক ব্যয়
ভাদ্র মাসের তাল: প্রচণ্ড কিলভূতের ব্যাগার: অযথা শ্রমভুলচুক / ভুল কাটকা: ছোটখাটো ভুল
ভক্তি দেয়া: ফাঁকি দেয়াভজকট: ঝঞ্ঝাট / ঝামেলাভাতে মারা: অন্ন সংস্থান বন্ধ করা
ভিতর বার এক: অকপটভুষ্টিনাশ করা: ধ্বংস করাভূত ঝাড়া: নির্দয়ভাবে প্রহার বা গালি দেওয়া
ভুসিমাল: বাজে জিনিসভোগা দেয়া: ফাঁকি দেয়াভীমরুলের চাকে খোঁচা দেওয়া: উস্কানি দেওয়া
ভ্যাবা গঞ্জারাম: নিরেট বোকাভরাডুবির মুষ্টিলাভ: শেষ সম্বলভবী ভোলবার নয়/ ভবী ভোলে না: নাছোড়বান্দা
ভিদভিদে: চাপা স্বভাবেরভিরমি খাওয়া: মূর্ছা যাওয়াভাঁড়ের কলসী: স্বার্থসিদ্ধির উপায়
ভাগের মা গঙ্গা পায় না: ভাগাভাগির কাজ সিদ্ধ হয় নাভূতের মুখে রাম নাম: নিজের স্বভাবের বিরুদ্ধে কথা বলা / অসম্ভব ব্যাপার

বাগধারা : ম

মাছের মা: নির্মম / নিষ্ঠুরমানিকজোড়: অন্তরঙ্গ বন্ধুমান্ধাতার আমল: অতি প্রাচীনকাল
মাটির মানুষ: নিরীহ ব্যক্তিমেনিমুখো: সলজ্জমটকা মারা: ঘুমের ভান করে শুয়ে থাকা
মন না মতি: অস্থির মানব মনমন আনচান করা: অস্থির হওয়ামণিহারী ফণী: প্রিয়জনের জন্য অস্থির ব্যক্তি
মামদোবাজি: প্রতারণামাকাল ফল: অন্তঃসারশূন্যমাছের মায়ের পুত্রশোক: কপট বেদনাবোধ
মগের মুল্লুক: অরাজক দেশমেঘ না চাইতেই জল: আশাতীত ফলমহাভারত অশুদ্ধ: বড় রকমের অপরাধ
মুখচোরা: লাজুকমাছি মারা কেরানি: অবিকল অনুসরণমাথায় আকাশ ভেঙে পড়া: আকস্মিক বিপদ
মণিকাঞ্চন যোগ: মানানসই হওয়ামিছরির চুরি: মুখে মধু অন্তরে বিষমগজ ধোলাই: ধারণা পাল্টিয়ে দেওয়া
মকশো করা: অভ্যাস করামেঘে মেঘে বেলা হওয়া: বয়স বাড়ামোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত: সীমাবদ্ধতা
ম-ম করা: সুগন্ধে ভরে যাওয়ামরার সময় মকরধ্বজ: শেষ প্রচেষ্টামশা মারতে কামান দাগানো: নিরর্থক অপব্যয়
মাথার দিব্যি: শপথময়ূর ছাড়া কার্তিক: রূপবান পুরুষমই কেড়ে নেয়া: আশা দিয়ে নিরাশ করা
মানের গুড়ে বালি: সম্মানহানিমৌমাত চড়ানো: নেশা করামুসকিল আসান: বিপদের শান্তি/বিপদমুক্তি
ম্যাও ধরা: দায়িত্ব নেওয়ামনের আগুন: উত্তেজনামোটা ভাত-কাপড়: সাধারণ জীবন-যাপন
মনের কালি: পাপচিন্তামুচির কুকুর: হিংস্র ও একরোখা লোকমেরাকান্ত: ভীরু এবং প্রতিবাদে অক্ষম
মরণ কামড়: মরণপণ প্রচেষ্টামাথা নিচু করা: হার মানামাটি খাওয়া: বোকার মতো কাজ করা
মুখ করা: তিরস্কার করামার্কা মারা: সুপরিচিতমগজ খেলানো: বুদ্ধি চালান করা
মাথার মণি: শ্রদ্ধেয়মেনতামুখো: মিনমিনেমওকা পাওয়া: সুযোগ পাওয়া
মাথা খাওয়া: সর্বনাশ করামুণ্ডুপাত করা: গালমন্দ করামাথার ঘায়ে কুকুরে পাগল: ভীষণ বিপদে অস্থির অবস্থা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা: দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচারমুখে ফুল-চন্দন পড়া: ভবিষ্যদ্বানী বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা

বাগধারা : য

বনিকা পতন: পরিসমাপ্তিযমের অরুচি: সহজে মরে নাযাহা বাহান্ন তাহা তিপ্পান্ন : খুব সামান্য তফাত
যম-যন্ত্রণা: মৃত্যু যন্ত্রণাযমের দোসর: ভয়ানক লোকযক্ষের ধন / কুবেরের ধন: কৃপণের ধন
যখন-তখন অবস্থা: মুমূর্ষু অবস্থাযমের ভুল: যার মরণ হয় নাযশুরে কই: বেঢপ / স্ফীত মস্তক শীর্ণ দেহী
যো হুকুম: চাটুকারযো সো করা: জোড়াতালি দিয়েযার লাঠি তার মাটি: জোর যার মুল্লুক তার
যোগসাজশ: জোট, পরামর্শযত গর্জে তত বর্ষে না: আড়ম্বরের তুলনায় কম কাজকর্মযদি হয় সুজন, তেতুল পাতায় ন'জন : মিলে মিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়
যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয় : যেখানে ভয়, সেখানে বিপদ হয়

বাগধারা : র

রাশভারী: গুরুগম্ভীররাহুর দশা: দুঃসময়রাই কুড়িয়ে বেল: ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ
রাবণের চিতা: চির অশান্তিরাবণের গোষ্ঠী: বড় পরিবাররাম গরুড়ের ছানা: গোমড়ামুখো লোক
রাজা উজির মারা: বড় বড় গল্পরক্তের টান: স্বজনপ্রীতিরাম রাজত্ব: শান্তি-শৃঙ্খলাযুক্ত রাজ্য
রক্ত গঙ্গা করা: খুনাখুনি করারাজযোটক: চমৎকার মিলরাঘব বোয়াল: সর্বগ্রাসী ক্ষমতাসীন ব্যক্তি
রগচটা: অল্পেই রাগরক্তের অক্ষরে লেখা: সংগ্রামের কাহিনীরাজ ভজি কি রহিম ভজি: উভয় সংকট
রাঙা শুক্রবার: কোনো দিনই নয়না রাম না গঙ্গা: ভালো মন্দ কিছুই নারগড়া-রগড়ি: কথা কাটাকাটি, দর কষাকষি
রক্তজল করা: প্রচুর পরিশ্রম করারাঙা মুলো: প্রিয়দর্শন কিন্তু গুণহীনরায়বাঘিনী: উগ্রচণ্ডা নারী, দজ্জাল স্ত্রীলোক
রামাস্যামা: সাধারণ লোকরাম ধোলাই: প্রচণ্ড পিটুনিরাহা খরচ: পথের খরচ
রুই-কাতলা: নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি / ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরথ দেখা কলা বেঁচা: এক ঢিলে দুই পাখি মারা

বাগধারা : ল

লম্বা দেয়া: চম্পট দেয়ালেজে গোবরে: বিশৃঙ্খলালেফাফা দুরস্ত: বাইরে পরিপাটি
লঙ্কা পায়রা: কুচক্রীলালবাতি জ্বালানো: ধ্বংস হওয়ালেজে পা পড়া: স্বার্থে আঘাত লাগা
লঙ্কাকাণ্ড: তুমুল কাণ্ডলবেজান করা: নাজেহাল করালাট খাওয়া: উল্টে নিজের দিকে পড়া
লঙ্কা পায়রা: ফুলবাবুলোটাকম্বল: সামান্য সংগতিলেজ মোটা হওয়া: অহংকারী হওয়া
লোহার কার্তিক: কালো সুদর্শনলগন চাঁদ: ভাগ্যবানলঘুগুরু জ্ঞান: কে বড় কে ছোট এই জ্ঞান
লেখাজোখা: মাপজোক, হিসাবলেজ গুটানো: হার মানালঘুপাপে গুরুদণ্ড: সামান্য অপরাধে গুরুতর শাস্তি
ল্যাগবেগে: রোগালেজে খেলা: চাতুরি করালক্ষ্মীর ভাণ্ডার: অফুরন্ত ভাণ্ডার
লবডঙ্কা: কিছু নালক্ষ্মীছাড়া: হতভাগালক্ষ্মীর বরযাত্রী: সুসময়ের বন্ধু
লাগে টাকা দেবে গৌরিসেন: চাওয়া মাত্র যার কাছে টাকা পাওয়া যায়

বাগধারা : শ

শকুনি মামা: কুচক্রী লোকশিরে-সংক্রান্তি: আসন্ন বিপদশরতের শিশির: সুসময়ের বন্ধু/ ক্ষণস্থায়ী
শনির দশা: দুঃসময়শিয়ালের যুক্তি: অকেজো যুক্তিশুভঙ্করের ফাঁকি: ধোঁকা দিয়ে ফায়দা হাসিল
শ্রীঘর: জেলখানাশনির দৃষ্টি: কুদৃষ্টিশ্যাম রাখি না কুল রাখি: উভয় সংকট
শাপে বর: অনিষ্টে ইষ্ট লাভশিয়রে শমন: মৃত্যু আসন্নশবরীর প্রতীক্ষা: দীর্ঘকাল ধরে প্রতীক্ষা
শুয়োরের গোঁ: ভয়ানকশুঁড় বের করা: লোভ করাশেওড়া গাছে পেতনি: অত্যন্ত কুৎসিত স্ত্রীলোক
শিকায় তোলা: স্থগিতশ্মশান-বৈরাগ্য: সাময়িক বৈরাগ্যশাঁখের করাত: উভয় সংকট / দু'দিকেই বিপদ
শোনা কথা: গুজব, উড়ো কথাশতমারি: হাতুড়ে, রোগীমারা ডাক্তারশিব গড়তে বাঁদর গড়া: ভালো করতে গিয়ে মন্দ করা
শূন্যে সৌধ নির্মাণ: অলীক কল্পনাশ্রাদ্ধ গড়ানো: বিশ্রী ব্যাপার ঘটাশিবরাত্রির সলতে: একমাত্র সন্তান / বংশধর
শাকের তেলে মাছ ভাজা: পরে পরে কার্যোদ্ধারশালগ্রামের শোয়া বসা: নির্বিকার লোকের মনের অবস্থাশ্বেতহস্তী পোষা: কর্মচারীদের জন্য অধিক অর্থব্যয়
শাক দিয়ে মাছ ঢাকা: দোষ গোপনের বৃথা চেষ্টাগুঁড়ি সাক্ষী মাতাল: অসৎ বা মন্দ লোককে অসৎ বা মন্দ লোকই সমর্থন করে

বাগধারা : ষ

ষণ্ডামার্ক / ষণ্ডামার্কা: দুর্বৃত্তষোলআনা: সম্পূর্ণষাঁড়ের গোবর: অকেজো / অকর্মণ্য মানুষ
ষোলকলা: পরিপূর্ণষত্ব ণত্ব জ্ঞান: কাণ্ডজ্ঞানষোলকড়াই কানা: সম্পূর্ণ বিনষ্ট
ষাটের কোলে: অধিক বয়সষাঁড়ের গোঁ: প্রবল জেদ

বাগধারা : স

সোনায় সোহাগা: মনিকাঞ্চন যোগসাপের ছুঁচো: গেলা উভয় সঙ্কটে পড়াসাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে: উভয়কুল রক্ষা
স্বখাত সলিল: নিজ বিপদ ডাকাসাপে নেউলে: শত্রুভাবাপন্নসরফরাজি চাল: অনাবশ্যক মাতব্বরি
সাত সতেরো: অপ্রয়োজনীয় কথাসাত পাঁচ ভাবা: নানারকম চিন্তাসোনার কাঠি রুপার কাঠি: বাঁচা মরার বস্তু
সাতেও না পাঁচেও না: নির্লিপ্তসবে ধন নীলমণি: একমাত্র সন্তানসাপের ছুঁচো পা দেখা: গর্বে অন্ধ হওয়া
সুখের পায়রা: সুসময়ের বন্ধুসাত খুন মাফ: অত্যধিক প্রশ্রয়হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা: সুযোগ হেলায় হারানো
সাক্ষী গোপাল: নিষ্ক্রিয় দর্শকসোনার পাথরবাটি: অলীক বস্তুসাত রাজার ধন: অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস
সপ্তমে চড়া: প্রচণ্ড উত্তেজনাসুলুক-সন্ধান: খোঁজখবরস্বর্গে বাতি দেওয়া: বংশ রক্ষা করা
সাতকাহন: প্রচুর পরিমাণসের দরে: নামমাত্র মূল্যে / সস্তায়সাতকাণ্ড রামায়ণ: মস্তবড় ব্যাপার
সৃষ্টি ছাড়া: অদ্ভুত বা ব্যতিক্রমসকার বকার করা: গালি দেয়াসোঁতের শেওলা: সহায়-সম্বলহীন লোক
স্যাক দেওয়া : জব্দ করাসুখে থাকতে ভুতে কিলায়: স্বেচ্ছায় দুঃখ বরণকারীসংসার পাতা: বিবাহিত জীবনযাপন করতে শুরু করা
সস্তার তিন অবস্থা: সস্তার জিনিস প্রায়ই খারাপ থাকেসাপের পাঁচ পা দেখা: দর্প/ অহংকারের বাড়াবাড়িসাজ করতে দোল ফুরানো: প্রস্তুতির জন্য অত্যধিক সময় নেওয়া
সবুরে মেওয়া ফলে: ধৈর্য ধরলে যথা সময়ে ফল পাওয়া যায়সাত কাণ্ড রামায়ণ শুনে সীতা কার বাপ: চরম অমনোযোগ ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয়

বাগধারা : হ

হ-য-ব-র-ল: বিশৃঙ্খলাহস্তীমূর্খ: বোকাহাটে হাঁড়ি ভাঙা: গোপন কথা প্রকাশ
হাড়হদ্দ: নাড়ি নক্ষত্রহাড়ে হাড়ে চেনা: মর্মান্তিকভাবে চেনাহালে পানি পাওয়া: বিপদমুক্ত হওয়া
হরিষে বিষাদ: আনন্দে বিষাদহাড়ে দুর্বা গজানো: অত্যন্ত কুঁড়েহাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা: সুযোগ নষ্ট করা
হাড়ে বাতাস লাগা: শান্তি পাওয়াহালে পানি পাওয়া: সুবিধা করাহুঁকো-নাপিত বন্ধ করা: সমাজচ্যুত করা
হাড় হাভাতে: হতভাগ্যহাড় জুড়ানো: শান্তি পাওয়াহাতে পাঁজি মঙ্গলবার: প্রকৃত প্রমাণ দেওয়া
হরিহর আত্মা: অন্তরঙ্গহাত কামড়ানো : আফসোস করাহাড়ে মাসে জ্বালানো: অত্যন্ত উত্যক্ত করা
হাত-ভারি: কৃপণহাত জোড়া থাকা: কর্মব্যস্ত থাকাহদিস পাওয়া: সঠিক সংবাদ পাওয়া
হাতের পাঁচ: শেষ সম্বলহাত চালাও: তাড়াতাড়ি করাহলুদের গুড়া: সমস্ত ব্যাপারে যে উপস্থিত
হাত টান: চুরির অভ্যাসহচ্ছে হবে: দীর্ঘসূত্রিতাহাতির গলায় ঘণ্টা: বয়স্ক বরের বালিকা বধূ
হরিলুট: অপচয়হাঁটুর বয়স: নিতান্ত শিশুহাতে জল না গলা: অতিশয় কৃপণ
হেস্তনেস্ত: মীমাংসাহাপিত্যেশ: ব্যাকুল কামনাহাতির খোরাক: যে বেশি পরিমাণে আহার করে
হাত পাকান: দক্ষতাহা-ঘরে: গৃহহীনহাতে আকাশ পাওয়া: অভাবিতভাবে কিছু পাওয়া
হাঁড়ির হাল: মলিনহ্রস্ব-দীর্ঘ জ্ঞান: সাধারণ জ্ঞানহাত ধরা: বশীভূত হামবড়া ভাব: অহংকার
হালছাড়া: হতাশ হওয়াহতচ্ছাড়া: লক্ষ্মীছাড়াহরেদরে: মোটের ওপর
হরি ঘোষের গোয়াল: বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশহাত দিয়ে হাতি ঠেলা: অসম্ভবকে সম্ভবপর করতে চেষ্টা করাহাত ধুয়ে বসা: আশা ত্যাগ করা / সাধু সাজা / নিশ্চিত হওয়া
হাতির পাঁচ পা দেখা: অহংকারবোধ করা / দুঃসাহসী হওয়া

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অসভ্য
বাহ্যিক সভ্য
মতলববাজ
উড়নচণ্ডী
অসৎ কাজ করা
খারাপ কাজে যাওয়া
দোষের কাজ করা
নষ্ট হওয়া
ঘরের চোর
মাছ চুরি
বড় রকমের চুরি
ছোট চুরি
খারাপ মতলব
অর্থের কুপ্রভাব
অর্থের অহংকার
অতিরিক্ত অর্থ
দুধের মাছি
বসন্তের কোকিল
সুখের পায়রা
ননীর পুতুল

প্রবাদ-প্রবচন

1.9k

প্রবাদ-প্রবচন

লোক সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ প্রবাদ-প্রবচন। 'প্রবাদ' ও 'প্রবচন' মূলত একই অর্থ বহন করে। স্ববাদ হচ্ছে পরম্পরাগত বাক্য, জনশ্রুতি এবং 'প্রবচন' হচ্ছে প্রকৃষ্ট বচন, অর্থাৎ বহু প্রচলিত উক্তি। মানুষের দীর্ঘদিনের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ঐ সমাজের কোনো সৃষ্টিশীল ব্যক্তি যে চৌকস অভিব্যক্তি বাণীবদ্ধ করে, তাই কালে কালে প্রবাদে পরিণত হয়। যেমন- অতি চালাকের গলায় দড়ি, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না ইত্যাদি।

প্রবাদের বৈশিষ্ট্য:

ক. প্রবাদে জাতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পরিণত বুদ্ধি এবং লোকমনে প্রচলিত সত্য কথন প্রকাশিত হয়।

খ. প্রবাদের অবয়ব হলো একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য।

গ. উপমা, বক্রোক্তি, বিরোধাভাস প্রভৃতি অলংকারযোগে তা গঠিত হয়।

প্রবাদের শ্রেণিবিভাগ: অর্থ বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রবাদকে নানাভাবে ভাগ করা যায়। যেমন-

১. সাধারণ অভিজ্ঞতাবাচক : চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

২. নীতিকথামূলক : ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।

৩. ইতিকথামূলক : ধান ভানতে শিবের গীত।

৪. মানবচরিত্র সমালোচনামূলক : গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।

৫. সামাজিক রীতিনীতিজ্ঞাপক: মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।

৬. প্রসিদ্ধ ঘটনামূলক : লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন:

প্রবাদ

অর্থ

প্রবাদ

অর্থ

অতি লোভে তাঁতি নষ্টবেশি লোভে ক্ষতিধর্মের ঢাক আপনি বাজেপাপ কখনো চাপা থাকে না
অতি দর্পে হত লঙ্কাঅহংকার পতনের মূলধর্মের কল বাতাসে নড়েঅপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই
অতি মেঘে অনাবৃষ্টিঅতি আড়ম্বরে কাজ হয় নাধরাকে সরা জ্ঞান করাসকলকে তুচ্ছ ভাবা
অল্পজলের মাছনিতান্তই বোকাধরি মাছ না ছুঁই পানিকৌশলে কার্যোদ্ধার
অন্ধকে দর্পণ দেখানোনির্বোধকে জ্ঞান দাননাকে তেল দিয়ে ঘুমানোনিশ্চিত কার্যোদ্ধার
অসারের তর্জন গর্জন সারগুণহীনের বৃথা আস্ফালনপাকা ধানে মই দেয়াবিপুল ক্ষতি করা
ওঝার ব্যাটা বনগরুপণ্ডিতের মূর্খ পুত্রপাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায়অসদুপায়ে অর্জিত ধন নষ্ট হয়
কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশকারো সুদিন, কারো দুর্দিনপর্বতের মুষিক প্রসববিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ অর্জন
কপাল গুণে গোপাল ঠাকুরঅযোগ্যের ভাগ্যগুণে বড় হওয়াবামন হয়ে চাঁদে হাতঅসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা
কাঁচা বাঁশে ঘুনঅল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়াবারো মাস ত্রিশ দিনপ্রতিদিন
কত ধানে কত চালটের পাওয়ানোবারো মাসে তেরো পার্বণউৎসবের আধিক্য
খাস তালুকের প্রজাখুব অনুগত ব্যক্তিবরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসীকুল রক্ষা করে চলা
খিচুড়ি পাকানোবিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাবজ্র আটুনি ফস্কা গেরোবাহিরে আড়ম্বর ভিতরে শূন্য
গন্ধমাদন বয়ে আনাপ্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু আনাবোঝার উপর শাকের আঁটিঅতিরিক্তের অতিরিক্ত
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেলপাওয়ার আগে ভোগের আয়োজনবাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়াক্ষমতা প্রদর্শন
ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসেঅন্যের কষ্ট দেখে আনন্দ প্রকাশবিনা মেঘে বজ্রপাতআকস্মিক বিপদ
চাল না চুলো ঢেঁকি না কুলোনিতান্ত নিঃস্ববানরের গলায় মুক্তার হারঅপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান
জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠছোট বড় যাবতীয় কাজ করাবাজারে কাটাবিক্রি হওয়া
ঝোপ বুঝে কোপ মারাসুযোগমত কাজ করাভদ্রতার বালাইসাধারণ সৌজন্যবোধ
টো টো কোম্পানির ম্যানেজারভবঘুরেমেঘের ছায়াঅশুভ লক্ষণ
ঢাক ঢাক গুড় গুড়গোপন রাখার প্রয়াসযত দোষ নন্দ ঘোষদুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ
তেলে মাথায় তেল দেয়াযার আছে তাকে আরোশিখণ্ডী খাড়া করাযার আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা
দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষাশত্রুকে সযত্নে লালন পালন করাসাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গেউভয় কুল রক্ষা
ধান ভানতে শিবের গীতঅপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারণাহরি ঘোষের গোয়ালঅনেক লোকের কোলাহল

প্রবাদ

অর্থ

অজার যুদ্ধে আটুনি সারলঘু ফলাফলযুক্ত আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন
অতি দানে বলির পাতালে হলো ঠাঁইঅন্যের কৌশলে ভোগান্তির শিকার
অতি মন্থনে বিষ ওঠেকোনো বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত আলোড়ন ক্ষতিকর
অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টবেশি লোক কাজের বিশৃঙ্খলা ঘটায়
অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করীস্বল্পজ্ঞান নিয়ে বাড়াবাড়ি মূর্খতার পরিচয়
অন্ধের হাতি দেখাঅল্পজ্ঞান লাভ করে বিজ্ঞের মতো অভিমত
অশ্বত্থামা হত ইতি গজকোনো কথা সম্পূর্ণ পরিষ্কার না করে সত্য গোপন
আগ নাংলা যে দিকে যায়, পাছ নাংলা সে দিকে যায়অন্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ
আসলে মুষল নাই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়াবাইরে বাবুগিরি অথচ ভিতরে সারশূন্য
ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়যেমন কর্ম তেমন ফল
ইল্লত যায়না ধুলে খাসলত যায়না মলেস্বভাবদোষ হাজার সংশোধনের চেষ্টাতেও দূর হয়না
উনো বর্ষায় দুনো শীতযে বছর কম বৃষ্টি হয়, সে বছরে শীত বেশি পড়ে
কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাসসময়ে কাজে না লাগালে অসময়ে পথে ফেরানো কঠিন
চকচক করলেই সোনা হয় নাচেহারাতে আসল গুণ ধরা পড়ে না
চেনা বামুনের পৈতা লাগে নামানী ব্যক্তির পরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না
চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনীঅসাধুকে উপদেশ দিয়ে সৎ করা যায় না
ঝিকে মেরে বৌকে শেখানোএকজনকে বকা দিয়ে অপরকে শিক্ষা দেয়া
ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দারযোগ্যতা বা ক্ষমতাহীনের আড়ম্বর
দশচক্রে ভগবান ভূত (ভগবান অর্থ- ঈশ্বর)দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা
দেবতার বেলা লীলাখেলা, পাপ লিখেছে মানুষের বেলাসামাজিক বিধি-বিধানের নিষ্ঠুর প্রয়োগ
নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙা (বাঁকা)অকর্মণ্য ব্যক্তি কাজে অসফলতার পর অন্যের দোষ দেয়
নিজের চরকায় তেল দেয়াঅন্যের কাজে মাথা না ঘামিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেয়া
পরের ধনে পোদ্দারি / পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গাঅন্যের টাকায় বাহাদুরি / পরকে কষ্ট দিয়ে নিজের স্বার্থোদ্ধার
পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথেবিপদে পড়ে কাজ করা
পুরানো চাল ভাতে বাড়েঅভিজ্ঞতা বা প্রবীণত্বের মূল্য বেশি
পান্তা ভাতে ঘি নষ্ট, বাপের বাড়ি ঝি নষ্টদরিদ্রের বড়লোক ভাব দেখানো/অপব্যবহার
বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়েজীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়াভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে বাঞ্ছিত বস্তু লাভ
বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেকে চাঁদউচ্চস্তরের সঙ্গে সম্বন্ধ ক্ষণস্থায়ী
মারের ওপর ওষুধ নাইসহজভাবে কোনো চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার উপর নিষ্ঠুর আচরণ
যদি হয় সুজন, তেঁতুল পাতায় ন জনমিলেমিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়
যে দামে কেনা সেই দামে বিক্রিযা কিনতে অর্থ খরচ হয়নি, তা নষ্ট হলে লাভ ক্ষতির হিসাব চলে না
সাত নকলে আসল খাস্তানকলের নকলে মূল জিনিস হারিয়ে যায়
হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রীনির্বোধের পরামর্শে চলা নির্বোধ ব্যক্তি
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সত্যবাদিতা
সত্যবাদী
সত্যবাদিতার ভান করা
সত্যে একনিষ্ঠতা
ধৈর্য ধরলে ভালো ফল পাওয়া যায়
শত্রুকে অভ্যর্থনা জানানো
হঠাৎ বড়লোক হওয়া
একজনের শ্রমের ফসল অন্যজনে ভোগ করা
খুব অনুগত ব্যক্তি
সৎ ব্যক্তি
তোষামোদকারী
নিঃস্ব ব্যক্তি
খুব অনুগত ব্যক্তি
সৎ ব্যক্তি
তোষামোদকারী
নিঃস্ব ব্যক্তি
দুধের মাছি
খয়ের খাঁ
অকাল কুষ্মাণ্ড
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই

একই শব্দের বিন্নার্থক প্রয়োগ

1.1k

বাক্য সংক্ষেপণ/সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ

3.3k

বাক্য সংক্ষেপণ/সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ

একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংক্ষেপণ বলে। এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশেরই নামান্তর। বাক্য তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীপ্তিকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বহুপদকে একপদে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাক্য বা বাক্যাংশের সংকোচনের কাজ চলে।

ডাক

অশ্বের ডাক: হেষাকোকিলের ডাক: কুহুকুকুরের ডাক: বুক্কন
পাখির ডাক: কূজন / কাকলিপেঁচা বা উল্লুকের ডাক: ঘৃৎকারবাঘের ডাক: গর্জন
ময়ূরের ডাক: কেকামোরগের ডাক: শকুনিবাদরাজহাঁসের কর্কশ ডাক: ক্রেঙ্কার
সিংহের নাদ / ডাক: হুংকারহাতির ডাক: বৃংহিত / বৃংহণ

ধ্বনি

অলংকারের ধ্বনি: শিঞ্জনঅব্যক্ত মধুর ধ্বনি: কলতানআনন্দজনক ধ্বনি: নন্দিঘোষ
গম্ভীর ধ্বনি: মন্দ্রঝনঝন শব্দ : ঝনৎকারআনন্দের আতিশয্যে সৃষ্ট কোলাহল: হর্‌রা
ধনুকের ধ্বনি: টংকারবীরের গর্জন: হুংকারবিহঙ্গের ধ্বনি: কাকলি
বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি: ঝংকারভ্রমরের শব্দ: গুঞ্জনশুকনো পাতার শব্দ: মর্মর
সেতারের ঝংকার: কিঙ্কিনিসমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ: কল্লোল

খোলস / চামড়া / শাবক

বাঘের চামড়া: কৃত্তিব্যাঙের ছানা: ব্যাঙাচিসাপের খোলস: নির্মোক / কুঞ্চক
হাতির শাবক (বাচ্চা): করভহরিণের চর্ম/ চামড়া: অজিনহরিণের চামড়ার আসন: অজিনাসন

ইচ্ছা

অনুকরণ করার ইচ্ছা: অনুচিকীর্ষাঅনুসন্ধান করার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসাঅপকার করার ইচ্ছা: অপচিকীর্ষা
উপকার করার ইচ্ছা: উপচিকীর্ষাউদক / জল পানের ইচ্ছা: উদন্যাকুৎসা বা অপবাদ রটানোর ইচ্ছা- জুগুপ্সা
করার ইচ্ছা: চিকীর্ষাক্ষমা করার ইচ্ছা: চিক্ষমিষাগোপন করার ইচ্ছা: জুগুপ্সু
খাইবার ইচ্ছা: ক্ষুধাগমন করার ইচ্ছা: জিগমিষাজানবার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা
জয় করার ইচ্ছা: জিগীষাত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা: তিতীর্ষাদান করার ইচ্ছা: দিৎসা
দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষানিন্দা করার ইচ্ছা: জুগুপ্সানির্মাণ করার ইচ্ছা: নির্মিৎসা
প্রবেশ করার ইচ্ছা: বিবিক্ষাপ্রতিকার করার ইচ্ছা: প্রতিচিকীর্ষাপান করার ইচ্ছা: পিপাসা
প্রতিবিধান করার ইচ্ছা: প্রতিবিধিৎসাপাওয়ার ইচ্ছা: ঈপ্সাপ্রিয় কাজ করার ইচ্ছা: প্রিয়চিকীর্ষা
বলার ইচ্ছা: বিবক্ষাবিজয় লাভের ইচ্ছা: বিজিগীষাবাস করার ইচ্ছা: বিবৎসা
বমন করিবার ইচ্ছা: বিবমিষাবেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষাভোজন করার ইচ্ছা: বুভুক্ষা
মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক: মুমুক্ষুমুক্তি পেতে ইচ্ছা: মুমুক্ষামুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুক্তিকামী
যেরূপ ইচ্ছা: যদৃচ্ছাযে রূপ করার ইচ্ছা: যদৃচ্ছারমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা: রিরংসা
লাভ করার ইচ্ছা: লিপ্সাসেবা করার ইচ্ছা: শুশ্রূষাসৃষ্টি করার ইচ্ছা: সিসৃক্ষা
হিত করার ইচ্ছা: হিতৈষাহরণ করার ইচ্ছা: জিহীর্ষাহনন / হত্যা করার ইচ্ছা: জিঘাংসা

পুরুষ

পুরুষের কর্ণভূষণ: বীরবৌলিপুরুষের উদ্দাম নৃত্য: তাণ্ডবপুরুষের কটিবন্ধ: সরাসন
যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেনি: অকৃতদারযে পুরুষ বিয়ে করেনি: অকৃতদারযে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: কৃতদার
যে পুরুষ বিয়ে করেছে: কৃতদারযে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত: স্ত্রৈণযে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর: সুদর্শন
যে পুরুষ পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীকযে পুত্রের মাতা কুমারী: কানীনযে পুরুষের দাড়ি গোঁফ গজায়নি: অজাতশ্মশ্রু
যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে: প্রোষিতপত্নীক / প্রোষিতভার্য
যে পুরুষ প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: অধিবেত্তা / অধিবেদন

নারী

কুমারীর পুত্র: কানীননারীর কটিভূষণ: রশনানারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ: মেখলা
নারীর লীলাময়ী নৃত্য: লাস্যপ্রিয় বাক্য বলে যে: প্রিয়ভাষীযে নারী প্রিয় কথা বলে: প্রিয়ংবদা
যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত: অবীরাযে নারী সুন্দরী: রমাযে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা: মহাশ্বেতা
যে নারীর বিয়ে হয়নি: কুমারীযে নারী বীর: বীরাঙ্গনাযে নারীর পতি নেই, পুত্রও নেই: অবীরা
যে নারী বার (সমূহ) গামিনী : বারাঙ্গনাযে নারীর পঞ্চ স্বামী: পঞ্চভর্তৃকাযে নারীর দুটি মাত্র পুত্র: দ্বিপুত্রিকা
যে নারী কলহপ্রিয়: খাপ্তানীযে মেয়ের বয়স দশ বৎসর : কন্যকাযে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত: শুচিস্মিতা
যে নারীর হাসি সুন্দর: সুস্মিতাযে নারীর বিয়ে হয় না: অনূঢ়াযে নারীর বিয়ে হয়েছে: ঊঢ়া
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে: বীরপ্রসূযে নারীর সন্তান বাঁচে না: মৃতবৎসাযে নারীর অসূয়া / হিংসা নাই: অনসূয়া
যে নারী আনন্দ দান করে: বিনোদিনীযে নারীর সতীন / শত্রু নেই: নিঃসপ্তযে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে: নবোঢ়া
যে নারীর কোনো সন্তান হয় না: বন্ধ্যাযে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না: অঙ্গনাযে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় : বিষকন্যকা
যে নারী সাগরে বিচরণ করে: সাগরিকাযে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী: পয়স্বিনীঅঘটন কাণ্ড ঘটাইতে অতিশয় পারদর্শী যে নারী: অঘটনঘটনপটিয়সী
উত্তম বস্ত্রালঙ্কারে সুসজ্জিত নটীগণর নৃত্য: যৌবতযে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা: বালপুত্রিকাঅবিবাহিতা জ্যেষ্ঠা থাকার পরও যে কনিষ্ঠার বিয়ে হয়: অগ্রোদিধিষু
যে নারীর চিত্রে অর্পিতা বা নিবন্ধা: চিত্রার্পিতাযে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় : স্বয়ংবরাযে নারী (বিবাহিত / অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী: চিরণ্টা
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত: বীরা / পুরন্ধ্রীযে নারীর নখ শূর্পের (কুলা) মত: শূর্পণখাযে নারী কখনো সূর্যকে দেখেনি: অসূর্যম্পশ্যা
যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী: অঘটনঘটনপটিয়সীযে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা : পরভৃতা / পরভূতিকাযে নারীর সূর্যও মুখ দেখতে পারে না: অসূর্যম্পশ্যা
যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না: অনন্যাযে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে: কাকবন্ধ্যাযে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে: প্রোষিতভর্তৃকা
যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী / বাগদত্তা ছিল: অন্যপূর্বাযে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে: অধিবিন্না

পত্নী

একই স্বামীর পত্নী যাহারা: সপত্নীপত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীকযার স্ত্রী মারা গিয়েছে: বিপত্নীক

কষ্টকর / সহজে না

যা কষ্টে নিবারণ করা যায়: দুর্নিবারযা দমন করা কষ্টকর: দুর্দমনীয়যা সহজে পাওয়া যায় না: দুষ্প্রাপ্য
যা সহ্য করা যায় না: দুর্বিষহযা সহজে দমন কর যায় না: দুর্দমযা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয়
যা সহজে মরে না: দুর্মরযা কষ্টে অর্জন করা যায়: কষ্টার্জিতযাহাতে সহজে গমন করা যায় না: দুর্গম
যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না: দুর্লঙ্ঘ্যযা মুছে ফেলা যায় না: দুর্মোচ্যযা সহজে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য
যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভযা সহজে জানা যায় না: দুর্জেয়যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না: দুস্তর
যা কষ্টে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য

যোগ্য

আরাধনা করিবার যোগ্য: আরাধ্যক্ষমার যোগ্য: ক্ষমার্হঘৃণার যোগ্য: ঘৃণার্হ / ঘৃণ্য
ঘ্রাণের যোগ্য: ঘেয়ক্ষমার অযোগ্য: ক্ষমার্যজানিবার যোগ্য: জ্ঞাতব্য
ধন্যবাদের যোগ্য: ধন্যবাদার্হনৌ চলাচলের যোগ্য: নাব্যপ্রশংসার যোগ্য: প্রশংসার্হ
ফেলে দেবার যোগ্য: ফেল্‌নাবরণ করিবার যোগ্য: বরেণ্যমান-সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য: মাননীয়
যা চুষে খাবার যোগ্য: চুষ্যযা চেটে খাবার যোগ্য: লেহ্যযা চিবিয়ে খাবার যোগ্য: চর্ব্য
যা পান করার যোগ্য: পেয়যা ক্রয় করার যোগ্য: ক্রেয়যা বিক্রয় করার যোগ্য: বিক্রেয়
যা পাঠ করিবার যোগ্য: পাঠ্যযা খাওয়ার যোগ্য: খাদ্যরন্ধনের যোগ্য: পাচ্য
যা নিন্দার যোগ্য নয়: অনিন্দ্যযা অন্তরে ঈক্ষণ যোগ্য: অন্তরিক্ষস্মরণের যোগ্য: স্মরণার্হ

উপকার

যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে: কৃতজ্ঞউপকারীর অপকার করে যে : কৃতঘ্নযে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না: অকৃতজ্ঞ

বলা

যা বলা হয়নি: অনুক্তযা বলা হয়েছে: উক্তযা বলা হবে: বক্তব্য
যা বলা উচিত নয়: অকথ্যযা বলা হচ্ছে: বক্ষ্যমাণযা প্রকাশ করা হয়নি: অব্যক্ত

কথা

যে বেশি কথা বলে: বাচালযিনি কম কথা বলেন: স্বল্পভাষীযা কথায় বর্ণনা করা যায় না: অবর্ণনীয়
যিনি অধিক কথা বলেন না: মিতভাষীযা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না: অনির্বচনীয়

ভবিষ্যৎ

যা হবে: ভাবিযা ভবিষ্যতে ঘটবে: ভবিতব্যযে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না: অপরিণামদর্শী
যে ভবিষ্যত না ভেবেই কাজ করে: অবিমৃষ্যকারীঅগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে কাজ করে না: অবিমৃষ্যকারী

নাই / যায় না

কষ্টে করা যায় যাহা: কষ্টকরযা জয় করা যায় না: অজয়কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না: অনিবার্য
যা প্রতিরোধ করা যায় না: অপ্রতিরোধ্যযা অতিক্রম করা যায় না: অনতিক্রম্যযার ঈহা (চেষ্টা) নাই: নিরীহ
যাহাতে গমন করা যায় না: অগম্যযা নিবারণ করা যায় না: অনিবারিতযা মূল্য দিয়ে বিচার করা যায় না: অমূল্য

অক্ষি/চক্ষু

অক্ষির অগোচরে: পরোক্ষঅক্ষির সমীপে: সমক্ষঅক্ষিতে কাম যার (যে নারীর): কামাক্ষী
অক্ষির অভিমুখে: প্রত্যক্ষচোখের কোণ: অপাঙ্গচক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: চাক্ষুষ
চোখের নিমেষ না ফেলিয়া: অনিমেষচোখে দেখা যায় এমন: চক্ষুগোচরপদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ: পুণ্ডরীকাক্ষ
যার চক্ষু লজ্জা নেই: নির্লজ্জ / চশমখোরঅক্ষিপত্রের (চোখের পাতা) লোম: অক্ষিপক্ষ

জন্ম

অগ্রে জন্মেছে যে : অগ্রজজন্মে নাই যা: অজঅনুতে বা পশ্চাতে / জন্মেছে যে : অনুজ
দুবার জন্মে যা: দ্বিজপড়ে জন্মে যা: পঙ্কজপূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে যার: জাতিস্মর
যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না: ঊষরযে জমির উৎপাদন শক্তি নেই: অনুর্বরযে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে : অন্ত্যজ
শুভক্ষণে জন্ম যার: ক্ষণজন্মাসরোবরে জন্মায় যা: সরোজযে জমিতে দুবার ফসল জন্মে : দো-ফসলি
যে শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে: আটাসেপিতার মৃত্যুর পর জন্ম হয়েছে যে সন্তানের: মরণোত্তর জাতক

জয়ন্তী

কোনো ঘটনার ৬০ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠান: হীরক জয়ন্তীজয়সূচক যে উৎসব: জয়ন্তী
কেনো ঘটনার ৫০ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: সুবর্ণ জয়ন্তীএকশত পঞ্চাশ বছর: সার্ধশতবর্ষ
কোনো ঘটনার ২৫ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: রজত জয়ন্তীজয়ের জন্য যে উৎসব: জয়ন্তী

দিন

দিনের সায় (অবসান) ভাগ: সায়াহ্নদিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ: গোধূলিদিনের মধ্য ভাগ: মধ্যাহ্ন
প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন : প্রভাতকল্পদিনের পূর্ব ভাগ: পূর্বাহ্ণদিনের অপর ভাগ: অপরাহ্ণ
দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন: গোধূলি

রাত

গভীর রাত্রি: নিশীথরাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্ররাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা
রাতের শিশির: শবনমরাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্ররাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা

স্থায়ী

ঘর নাই যার: হা-ঘরেক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী: ক্ষণস্থায়ীনষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার: অবিনশ্বর
নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার: নশ্বরযা কখনো নষ্ট হয় না: অবিনশ্বরযে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে: উদ্বাস্ত
যার বাসস্থান নেই: অনিকেতযা চিরস্থায়ী নয়: নশ্বরস্থায়ী ঠিকানা নেই যার: উদ্বাস্তু
যা স্থায়ী নয়: অস্থায়ীযার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না: ক্ষণপ্রভা

রাত

গভীর রাত্রি: নিশীথরাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্ররাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা
রাতের শিশির: শবনমরাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্ররাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা

পূর্বে

যা পূর্বে কখনো ঘটেনি: অভূতপূর্বযা পূর্বে শোনা যায়নি: অশ্রুতপূর্বযা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব
যা পূর্বে দেখা যায়নি: অদৃষ্টপূর্বযা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি: অচিন্তিতপূর্বযা পূর্বে কখনো আস্বাদিত হয় নাই: অনাস্বাদিতপূর্ব

রচনা

ইতিহাস রচনা করেন যিনি: ঐতিহাসিকব্যাকরণে পণ্ডিত যিনি: বৈয়াকরণইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি : ইতিহাসবেত্তা
যিনি ভালো ব্যাকরণ জানেন: বৈয়াকরণযিনি স্মৃতিশাস্ত্র জানেন: স্মার্তযিনি ব্যাকরণ রচনা করেন: ব্যাকরণবিদ
স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি : শাস্ত্রজ্ঞস্মৃতিশাস্ত্র রচনা করেন যিনি: শাস্ত্রকার

গাছ

একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায় : ওষধিফল পাকলে যে গাছ মারা যায়: ওষধি
যে গাছ কোনো কাজে লাগে না: আগাছাযে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না: বনস্পতি
যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয়: ঔষধিযে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে : পরগাছা

একই

একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থএকই সময়ে: যুগপৎএকই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত
একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িকএকই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর

একই

একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থএকই সময়ে: যুগপৎএকই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত
একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িকএকই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর

পর

পরকে আশ্রয় করিয়া বাঁচিয়া থাকে যে: পরজীবীপরের অন্নে যে জীবন ধারণ করিয়া থাকে: পরান্নজীবীপরের দ্বারা প্রতিপালিত যে: পরভূত (কোকিল)
পরের শ্রী (উন্নতি) দেখিয়া যাহার মন খারাপ হয়: পরশ্রীকাতরপরকে প্রতিপালন করে যে: পরভৃৎ (কাক)

আপনা

আপনাকে হত্যা করে যে : আত্মঘাতীআপনাকে ভুলে থাকে যে : আত্মভোলাআপনার বর্ণ লুকায় যে : বর্ণচোরা
আত্মার সম্বন্ধীয় বিষয়: আধ্যাত্মিকআপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা: আত্মকেন্দ্রিকআপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে : পণ্ডিতম্মন্য
আত্মিক আপনাকে সর্বস্ব ভাবে যে : আত্মসর্বস্বআপনাকে অত্যন্ত হীন বলিয়া ভাবে যে : হীনমন্যযে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে: কৃতার্থম্মন্য
যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না: বর্ণচোরা

মৃত

জীবিত থেকেও যে মৃত: জীবন্মৃতমৃতের মত অবস্থা যার: মুমূর্ষুমরিবেই যাহা: মরণশীল
মৃত জীবজন্তু ফেলা হয় যেখানে: ভাগাড়

সমস্ত / সব

বিশ্বজনের হিতকর: বিশ্বজনীনযিনি সব কিছুই জানেন: সর্বজ্ঞযিনি সর্বত্র ব্যাপিয়া থাকেন: সর্বব্যাপক
সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করে যে: সর্বভুকসকলের জন্য প্রযোজ্য: সর্বজনীনসর্বজনের হিতকর: সর্বজনীন
সকলের জন্য মঙ্গলকর: সর্বজনীনসর্বজন সম্বন্ধীয়: সার্বজনীনসকলের জন্য অনুষ্ঠিত: সার্বজনীন
সবকিছু গ্রাস করে যে: সর্বগ্রাসী

ব্যয়

আয় অনুসারে ব্যয় করেন যিনি: মিতব্যয়ীযে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: কৃপণযা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় : ব্যয়বহুল
আয় অনুসারে ব্যয় করেন না যিনি : অমিতব্যয়ীযে অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: ব্যয়কুন্ঠ

তুল্য

আমার তুল্য (সদৃশ): মাদৃশইহার তুল্য: ঈদৃশঋষির তুল্য: ঋষিতুল্য
ঋষির ন্যায়: ঋষিকল্পতার তুল্য: তাদৃশদেবতার তুল্য: দেবোপম

জয়

ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি: ইন্দ্রজিৎইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি: জিতেন্দ্রিয়জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়োৎসব
যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভযা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয়শত্রুকে জয় করেন যিনি : শত্রুজিৎ / পরঞ্জয়

ক্রম

এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত: একাদিক্রমেক্রমকে বজায় রাখিয়া: যথাক্রমেক্রমে ক্রমে আসিয়াছে যাহা: ক্রমাগত
বিধিকে অতিক্রম না করে: যথাবিধিযা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে: ক্রমবিস্তার্যমানযা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে: ক্রমবর্ধমান / বর্ধিষ্ণু
যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে: ক্ষীয়মানযা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে : অপসৃয়মান

কুল

কুলের কীর্তিতে কলঙ্ক লেপন করে যে: কুলাঙ্গারকুলে কলঙ্ক লেপন করে যে : কুল কলঙ্ক
কুলের কীর্তি বর্ধনকারী যে সন্তান: কুলপ্রদীপকুলে বিশিষ্ট মর্যাদা আনয়ন করে যে : কুলতিলক

গমন

ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল: বিসপীজলে ও স্থলে চরে যে : উভচরআকাশে গমন / বিচরণ করে যে: বিহগ (পাখি)
বাহুতে ভর করে চলে যে: ভুজঙ্গবুকে হেঁটে গমন করে যে : উরগ (সাপ)ত্বরিত গমন করতে পারে যে: তুরগ (ঘোড়া)
যে গমন করে না: নগ (পাহাড়)যে পা দিয়ে চলে না: পন্নগ (সর্প)যে উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে: উরগ (সর্প)
সর্বত্র গমন করে যে : সর্বগলাফিয়ে চলে যে: প্লবগ (ব্যাঙ / বানর)যে ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে: ভুজগ / ভুজঙ্গ (সর্প)

পদ্ম

নীল বর্ণ পদ্ম: ইন্দিবরপদ্মের ডাটা বা নাল: মৃণালপদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ: মৃণালিনী
রক্ত বর্ণ পদ্ম: কোকনদশ্বেত বর্ণ পদ্ম: পুণ্ডরীক

ক্ষুদ্র

ক্ষুদ্র গ্রাম: পল্লীগ্রামক্ষুদ্র রথ: রথার্ভকক্ষুদ্র জাতীয় বকের শ্রেণি: বলাকা
ক্ষুদ্র প্রলয়: খণ্ডপ্রলয়ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র: ভাঁড়ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র: নাকাড়া
ক্ষুদ্র নদী: সারণিক্ষুদ্র চিহ্ন: বিন্দুক্ষুদ্র নাটক: নাটিকা
ক্ষুদ্র বাগান: বাগিচাক্ষুদ্র নালা: নালিক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড: নুড়ি
ক্ষুদ্র অঙ্গ: উপাঙ্গক্ষুদ্র হাঁস: পাতিহাঁসক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন: পিড়ি
ক্ষুদ্র শিয়াল: খেঁকশিয়ালক্ষুদ্রকায় ঘোড়া: টাট্টুক্ষুদ্র লেবু: পাতিলেবু
ক্ষুদ্র কূপ: পাতকুয়াক্ষুদ্র লতা: লতিকাক্ষুদ্র গাছ: গাছড়া
ক্ষুদ্র রাজ: রাজড়াক্ষুদ্র ফোঁড়া: ফুসকুড়ি

হাত

হাতের কব্জি: মণিবন্ধহাতের তেলো বা তালু: করতলহাতের চতুর্থ আঙুল: অনামিকা
হাতের দ্বিতীয় আঙুল: তর্জনীহাতের তৃতীয় আঙুল: মধ্যমাহাতের পঞ্চম আঙুল: কনিষ্ঠা
হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল): অঙ্গুষ্ঠহাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত: পাণি
বিবিধ বাক্য সংকোচন / সংক্ষেপণ
অন্য ভাষায় রূপান্তর: অনুবাদঅন্য ভাষায় রূপান্তরিত: অনূদিতঅন্য লিপিতে রূপান্তর: লিপ্যন্তর
অর্থ নাই যাহার: নিরর্থকঅনেকের মধ্যে একজন : অন্যতমঅনেকের মধ্যে প্রধান: শ্রেষ্ঠ
অহংকার নেই যার: নিরহংকারঅন্যদিকে মন যার: অন্যমনাঅরিকে / শত্রুকে দমন করে যে : অরিন্দম
অকালে পক্ক হয়েছে যা: অকালপক্বঅরণ্যের অগ্নিকাণ্ড: দাবানলঅকালে উৎপন্ন কুমড়া: অকালকুষ্মাণ্ড
অসম সাহস যাহার: অসমসাহসিকঅভিজ্ঞতার অভাব আছে যার: অনভিজ্ঞঅতিশয় ঘটা বা জাঁকজমক: আড়ম্বর
অপর প্রান্তের হাসি: বক্রোষ্ঠিকাঅনশনে মৃত্যু: প্রায়অভ্রান্ত জ্ঞান: প্রমা
অজকে (ছাগল) গ্রাস করে যা: অজগরঅন্য গতি নাই যার: অগত্যাঅন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য: জলপান
অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি : উন্নাসিকআদি নাই যাহার: অনাদিআবক্ষ জলে নেমে স্নান: অবগাহন
আচরণে যার নিষ্ঠা আছে: নিষ্ঠাবানআয়ুর পক্ষে হিতকর: আয়ুষ্যআল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার: আস্তিক
আকাশ ও পৃথিবী: ক্রন্দসীস্বর্গ ও মর্ত্য: রোদসীআকাশ ও পৃথিবীর অন্তরালোক: ক্রন্দসী
আচারে নিষ্ঠা আছে যার: আচারনিষ্ঠআশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি: কোজাগরআল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার: নাস্তিক
ইহলোক সম্পর্কিত: ইহলৌকিকইন্দ্রের অশ্ব: উচ্চৈঃশ্রবাআকাশে (খ-তে) ওড়ে যে বাজি: খ-ধূপ
ঈষৎ কম্পিত: আধতঈষৎ আমিষ গন্ধ যার: আঁষটেইন্দ্রজাল / যাদু জানেন যিনি: ঐন্দ্রজালিক
ঈষৎ উষ্ণ: কবোষ্ণউচ্চস্থানে অবস্থিত ক্ষুদ্র কুটির: টঙ্গিউপস্থিত বুদ্ধি আছে যার: প্রত্যুৎপন্নমতি
উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান: উপজ্ঞাএখনও যার বালকত্ব যায়নি: নাবালকউদয় হইতেছে এমন : উড্ডীন / উড্ডীয়মান
এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট: একাগ্রচিত্তএক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা: অধ্যাসঐতিহাসিক কালেরও আগের: প্রাগৈতিহাসিক
কর দান করে যে : করদকামনা দূর হয়েছে যার: বীতকামকোথাও উঁচু কোথাও নিচু: বন্ধুর
ক্লান্তি নাই যার: অক্লান্তকর্মে যাহার ক্লান্তি নাই: অক্লান্তকর্মীকাচের তৈরি বাড়ি: শিশমহল
খেয়া পার করে যে : পাটনীগলায় কাপড় দিয়া: গলবস্ত্রকাজে যার অভিজ্ঞতা আছে: করিতকর্মা
গাছে উঠতে পটু যে : গেছোগ্রীবা সুন্দর যার: সুগ্রীবগুরুর বাসগৃহ: গুরুকুল
গদ্যপদ্যময় কাব্য: চম্পুগরুর খুরে চিহ্নিত স্থান: গোষ্পদঘুমে আচ্ছন্ন যে: ঘুমন্ত / সুপ্ত
ঘরের অভাব: হা-ঘরচিন্তার অতীত: চিন্তাতীতচৈত্র মাসের ফসল: চৈতালি
ছল/ ছলনা করিয়া কান্না: মায়াকান্নাজ্বল জ্বল করছে যা: জাজ্বল্যমানঠিকমতো নাম-ধাম আছে যাহাতে: ঠিকানা
ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা: ঠ্যাঙারেঢাকায় উৎপন্ন: ঢাকাইতল স্পর্শ করা যায় না যার: অতলস্পর্শী
তৃণাচ্ছাদিত ভূমি: শাদ্বলদর্শন করা হয়েছে এমন: প্রেক্ষিততিন মোহনার মিলন যেখানে: ত্রিমোহনা
দেহ সম্বন্ধীয়: দৈহিকদ্বারে থাকে যে: দৌবারিকদিনে একবার আহার করে যে: একাহারী
দমন করা যায় না যাকে :অদম্যদমন করা কষ্টকর যাকে: দুর্দমনীয়দুয়ের মধ্যে একটি: অন্যতর
ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে : ধুরন্ধরনদী মাতা যার: নদীমাতৃকধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ: প্রব্রজ্যা
নিজেকে বড় ভাবে যে: হামবড়াধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন: পরিব্রাজননদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ: নদী সিকস্তি
নদী মেখলা যে দেশের: নদীমেখলানিশাকালে চরে বেড়ায় যে: নিশাচরনৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে: নাবিক
ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি: নৈয়ায়িকপা থেকে মাথা পর্যন্ত: আপাদমস্তকপাঠ করিতে হইবে এমন: পঠিতব্য
পরকাল সম্পর্কিত: পারলৌকিকপা ধুইবার জল: পাদ্যপ্রকাশিত হইবে এমন: প্রকাশিতব্য
পিতার ভ্রাতা: পিতৃব্যপথ চলার খরচ: পাথেয়পূর্ব ও পরের অবস্থা: পৌর্বাপর্য
পঙ্ক্তিতে বসার অনুপযুক্ত: অপাঙ্ক্তেয়পরস্পর আঘাত: সংঘর্ষপুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন: পুণ্যাহ
পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল: পৌষালিফুল হইতে তৈরি: ফুলেলবাতাসে (ক-তে) চরে যে: কপোত
বুঝিতে পারা যায় এমন: বোধগম্যবিদেশে থাকে যে: প্রবাসীবেতন নেয়া হয় না যাতে: অবৈতনিক
বেলাকে অতিক্রান্ত: উদ্বেলবৃষ্টির জল: শীকরবহুর মধ্যে একটি: অন্যতম
ভুলহীন ঋষি বাক্য: আপ্তবাক্যমৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত বা তৈরি: মৃন্ময়মর্মকে পীড়া দেয় যা: মর্মান্তিক / মর্মন্তুদ
মর্মভেদ করিয়া যায় যাহা: মর্মভেদীমধু পান করে যে: মধুকরমর্মকে স্পর্শ করে এমন: মর্মস্পর্শী
মোটাও নয়, রোগাও নয়: দোহারামাসের শেষ দিন: সংক্রান্তিমাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন : উপাবৃত্ত
মাটির মত রং যার: মেটেমায়া (ছল) জানে না যে: অমায়িকমাছিও প্রবেশ করে না যেখানে: নির্মক্ষিক
যা স্থলে চরে: স্থলচরযা জলে চরে : জলচরযা জলে ও স্থলে চরে: উভচর
যা কাঁপছে: কম্পমানযা গতিশীল: জঙ্গমযা বার বার দুলছে: দোদুল্যমান
যা গতিশীল নয়: স্থাবরযা বপন কর হয়েছে: উপ্তযা চিন্তা করা যায় না: অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য
যা লাভ করা দুঃসাধ্য: সাধ্যাতীতযা অবশ্যই ঘটবে: অবশ্যম্ভাবীযা আঘাত পায়নি: অনাহত
যা ধারণ বা পোষণ করে: ধর্মযা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুতযা খুব শীতল বা উষ্ণ নয়: নাতিশীতোষ্ণ
যা অধ্যয়ন করা হয়েছে: অধীতযা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুতযা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে: অযত্নলব্ধ
যা বহুকাল হতে চলে আসছে : চিরন্তনযা হেমন্তকালে জন্মে: হৈমন্তিকযা সহজেই ভেঙ্গে যায়: ভঙ্গুর / ঠুনকো
যা বিশ্বাস করা যায় না: অবিশ্বাস্যযা বালকের মধ্যেই সুলভ: বালসুলভযা মুষ্টি দ্বারা পরিমাণ করা যায়: মুষ্টিমেয়
যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘযা প্রমাণ করা যায় না: অপ্রমেয়যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না: অনপনেয়
যা অস্ত যাচ্ছে: অস্তায়মানযা উচ্চারণ করা যায় না: অনুচ্চার্যযা উচ্চারণ করা কঠিন: দুরুচ্চার্য
যা আগুনে পোড়ে না: অগ্নিসহযা বহন করা হচ্ছে: নীয়মানযা অনুভব করা হচ্ছে: অনুভূয়মান
যা উপলব্ধি করা হচ্ছে: উপলভ্যমানযা পুনঃ পুনঃ দুলছে: দোদুল্যমানযা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান
যা দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমানযা নিজের দ্বারা অর্জিত: স্বোপার্জিতযা মাটি ভেদ করিয়া উপরে উঠে: উদ্ভিদ
যার অন্য উপায় নাই: অনন্যোপায়যার কিছুই নেই: নিঃস্বযা শল্য ব্যথা দূরীকৃত করে: বিশল্যকরণী
যার বিশেষ খ্যাতি আছে: বিখ্যাতযার কোনো উপায় নাই: নিরুপায়যার আগমনের কোনো তিথি নেই: অতিথি
যার খ্যাতি আছে: খ্যাতিমানযার তুলনা নাই: অতুলনীয়যার আকার কুৎসিত: কদাকার
যার দুই হাত সমান চলে: সব্যসাচীযার উদ্দেশ্যে পত্রটি রচিত: প্রাপকযার বরাহের (শূকর) মতো খুর: বরাখুর
যার বেশবাস সংবৃত নয়: অসংবৃতযার পুত্র নেই: অপুত্রকযার দাড়ি-গোঁফ উঠেনি: অজাতশ্মশ্রু
যার দুটি মাত্র দাঁত: দ্বিরদ (হাতি)যার চার দিকে স্থল: হ্রদযার দুই দিক বা চার দিকে জল: দ্বীপ
যার অর্থ নেই: অর্থহীনযে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয়: সংবর্তযার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই: অকুতোভয়
যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়: সর্বংসহাযে জয় লাভে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: সংশপ্তকযে বিষয়ে মতভেদ নেই এমন: ঐকমত্য
যে শুনেই মনে রাখতে পারে: শ্রুতিধরযে পরের গুণেও দোষ ধরে: অসূয়কযে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ: শ্বাপদসংকুল
যে আকৃষ্ট হচ্ছে: কৃষ্যমাণযে তির নিক্ষেপে পটু: তিরন্দাজযে সুপথ থেকে কুপথে যায়: উন্মার্গগামী
যে অন্য দিকে মন দেয় না: অনন্যমনাযে বিদ্যা লাভ করেছে: কৃতবিদ্যযে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে: ত্র্যহস্পর্শ
যে আলোতে কুমুদ ফোটে: কৌমুদযে প্রবীণ নয়: নবীনযে গাঁজায় নেশা করে: গেঁজেল
যে রব শুনে এসেছে: রবাহুতযিনি প্রথম পথ দেখান: পথিকৃৎযে বিবেচনা না করে কাজ করে: অবিবেচক
যেখানে মৃত জন্তু ফেলা হয়: ভাগাড়যিনি সব জানেন: সবজান্তাযে ক্রমাগত রোদন করেছে: রোরূদ্যমান
যিনি বক্তৃতা দানে পটু: বাগ্মীযুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি: যুধিষ্ঠিরযুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না: সংশপ্তক
যিনি অতিশয় হিসাবি: পাটোয়ারিরোদে শুকানো আম: আমশিযুক্তি সংগত নয়: অযৌক্তিক
রাহ্ বা রাস্তায় ডাকাতি: রাহাজানিরেশম দিয়ে নির্মিত: রেশমিশ্রম করিতে কষ্টবোধ করে যে: শ্রমকাতর
লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন: আলুনিশোনা যায় এমন: শ্রুতিগ্রাহ্যশুনিতে পারা যায় এমন: শ্রবণীয়/ শ্রাব্য
শত্রুকে বধ করে যে: শত্রুঘ্নশত্রুকে পীড়া দেয় যে: পরন্তপশক্তিকে অতিক্রম না করিয়া: যথাশক্তি
শক্তির উপাসনা করে যে: শাক্তশ্রম করিতে চাহে না যে: শ্রমবিমুখসম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা: প্রত্যুদগমন
শোনামাত্র যার মনে থাকে: শ্রুতিধরশত্রুকে হত্যা করেন যিনি: শত্রুঘ্নসদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ: ধারোষ্ণ
সমুদ্রের ঢেউ: ঊর্মিসজ্ঞানে অন্যায় করে যে: জ্ঞানপাপীসমুদ্র হতে হিমাচল পর্যন্ত: আসমুদ্রহিমাচল
সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির: স্কন্দাবারস্তন পান করে যে: স্তন্যপায়ীসবকিছু সহ্য করেন যিনি: সর্বংসহা
স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা: সহমরণস্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন: স্বাদিতহাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান: হাওদা
হরেক রকম কথা বলে যে: হরবোলাহিরণ্য / স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত: হিরন্ময়হয়তো হবে: সম্ভাব্য
হাতির বাসস্থান: গজগৃহহিত ইচ্ছা করে যে: হিতৈষীহেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল: হৈমন্তিক
স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ): উপদাসূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত: সাবন
অনায়াসে লাভ করা যায় যাহা: অনায়াসলভ্যঅন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে: অনপেক্ষ
অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান: পিঁজরাপোলঅন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ: উপচার
অষ্টপ্রহর (সারাদিন) ব্যবহার্য যা : আটপৌরেঅভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা : অভ্রংলিহ
অর্থ উপার্জন করা যায় যে ফসল হইতে : অর্থকরীঅগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের): সেঁজুতি
অহং বা আত্ম সম্পর্কে অতিশয় সচেতনতা: অহমিকাঅকালে যাকে জাগরণ করা হয় : অকালবোধন
অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী): অন্তঃসলিলাঅন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে: অন্নগত প্রাণ
আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত: আদ্যন্ত / আদ্যোপান্তআভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর: হিংটিংছট্
আকাশে (খ-তে) চড়ে বেড়ায় যে: আকাশচারী / খেচরআশি বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি: অশীতিপর
আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা: বরাভয়আল্লাহর দ্বীন/ইসলাম কায়েম ও রক্ষার জন্য যিনি যুদ্ধে নিহত হন: শহিদ
ইহলোকে যা সাধারণ / সামান্য নয়: অলোকসামান্যঋণ শোধের জন্য যে ঋণ করা হয় : ঋণার্ণ
ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি: ঋত্বিকএখনও শত্রু জন্মায় নাই যাহার: অজাতশত্রু
কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়োগ: বুক্‌নিকোনটা দিক / বিদিগ এই জ্ঞান নাই যাহার: দ্বিগ্বিদিগজ্ঞানশূন্য
কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা: কিংকর্তব্যবিমূঢ়কোনো কিছু থেকে যার ভয় নেই: অকুতোভয়
কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ/পরিশ্রমী: কর্মঠজ্ঞান লাভ করা যায় যে ইন্দ্রিয় দ্বারা: জ্ঞানেন্দ্রিয়
চারি শাখা- হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিক বিশিষ্ট সেনা: চতুরঙ্গদান গ্রহণ করা উচিৎ নয় যার থেকে: অপ্রতিগৃহ্য
জলপানের জন্য দেয় অর্থ: জলপানি (বৃত্তি)নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল): নিদাঘ
ত্রিকালের ঘটনা জানেন যিনি: ত্রিকালদর্শী / ত্রিকালজ্ঞবড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে: পরিবেদন
প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতো অবস্থা: লবেজানবহু দেখেছে যে / অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি: বহুদর্শী
বহু ঘর থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা: মাধুকরী / মধুকরীমান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া: প্রত্যুদগমন
বন্দুক বা তির ছোঁড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য: চাঁদমারিমান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া: অনুব্রজন
যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর: দূরপনেয়যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না: অনন্য সাধারণ
যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে / যার কিছু নাই: সর্বহারা / হৃতসর্বস্বযা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না: অপ্রত্য
যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক / বিরোধ নেই: অবিসংবাদীযার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না: অজ্ঞাতকুলশীল
যে গাভী প্রসবও করে না, দুধও দেয় না : গোবশাযে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত: হাতুড়ে
যে এক দরজা থেকে অন্য দরজায় ভিক্ষা করে: মাধুকরীযে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালোবাসে: বারমুখো
যাহা লোকে প্রায় ভুলিয়া গিয়েছে: বিস্মৃতপ্রায়যাদের বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষি জমি নেই: ভূমিহীন চাষী
স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি-কান্না: দেয়ালাস্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে : স্বৈরাচারী
সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ: অয়নাংশসম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন: অসমীক্ষিত
সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে: সততসঞ্চরমানসূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল: ব্রাহ্মমুহূর্ত
জাগিয়া রহিয়াছে এমন: জাগন্ত / জাগরুক জ্বলছে যে অর্চি (শিখা): জ্বলদর্চিমিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন: অভিসার
যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায়: কুম্ভীলক
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

শব্দজোড়

1.1k

প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ / শব্দজোড়

শব্দজোড়:

বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন; এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। যেমন: অকুল (নীচ বংশ), অকূল (তীরহীন)।

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

মূলশব্দ

প্রতিশব্দ

অংশভাগঅভিসম্মুখ/সমীপেঅটনিধনুকের অগ্রভাগঅবদ্যনিন্দনীয়
অংসকাঁধ বা স্কন্ধঅভীভয়হীনঅটবিঅরণ্যঅবধ্যবধের অযোগ্য
অসুরদানব/দৈত্যঅসারবাজেঅনিষ্টঅপকারঅশ্বঘোড়া
অশূরযে বীর নয়অসাড়সাড়হীনঅনিষ্ঠনিষ্ঠাহীনঅশ্মপাথর
অন্তমৃত্যুঅন্যঅপরঅণুক্ষুদ্রতম অংশঅর্তিপীড়া
অন্ত্যশেষঅন্নভাতঅনুপশ্চাৎঅর্থীইচ্ছুক
অনুসৃতিঅনুসরণঅর্ঘমূল্যঅনুপউপমাহীনঅশীতিআশি, ৮০
অনুস্মৃতিস্মৃতিচারণঅর্ঘ্যপূজার উপকরণঅনূপজলা, বিলঅসিতকৃষ্ণবর্ণ
অন্নপুষ্টখাদ্যপুষ্টঅনিলবাতাসঅনুবাতবায়ুর অনুকূলঅশনভোজন
অন্যপুষ্টকোকিলঅনীলযা নীল নয়অনুবাদভাষান্তরঅসনত্যাগকরণ
অবদানমহৎ কার্যঅরতিবিরক্তিঅলিককপালঅশীলতাঅভদ্রতা
অবধানমনোনিবেশঅরাতিশত্রুঅলীকমিথ্যাঅসিলতাতরবারি
অকিঞ্চননিঃস্বঅকুলনীচ বংশঅন্যান্যঅপরাপরঅপচয়ক্ষতি
আকিঞ্চনআকাঙ্ক্ষাঅকূলতীরহীনঅনন্যএককঅবচয়চয়ন
অপত্যসন্তানঅবগতজানাঅবিনীতউদ্ধতঅভিহিতকথিত
অপথ্যযা পথ্য নয়অপগতদূরীভূতঅভিনীতঅভিনয় করাআভাসইঙ্গিত
অশক্তঅক্ষমআঁশতন্তুআদামসলাবিশেষআবাসবাসস্থান
অসক্তনির্লিপ্তআঁষআমিষআধাঅর্ধেকআবিররং
আহুতিযজ্ঞের আগুনের যিআধিদুশ্চিন্তাআশি৮০ সংখ্যাআভীরগোয়ালা
আহূতিআহবানআঁধিঝড়ো হাওয়াআশীসাপের দাঁতআবরণআচ্ছাদন
আষাঢ়মাসের নামআপননিজআসক্তিঅনুরাগআভরণঅলংকার
আসারপ্রবল বর্ষণআপণদোকানআসত্তিনৈকট্যঈশঈশ্বর, প্রভু
আশাআকাঙ্ক্ষাআবৃতিআবরণইস্ত্রিধোপার যন্ত্রঈষলাঙলের দণ্ড
আসাআগমনআবৃত্তিকবিতাপাঠস্ত্রীপত্নীঋতিপথ, গতি
উৎপতপাখিউপাদানউপকরণউদ্যতপ্রবৃত্তরীতিপ্রথা
উৎপথকুপথউপাধানবালিশউদ্ধতধৃষ্ট/অবিনীতঅবিহিতঅন্যায়
এণহরিণওষধিএকফলা গাছওষ্ঠওপরের ঠোঁটকৃতিকর্ম
এনদোষঔষধিভেষজ উদ্ভিদওষ্ঠ্যঠোঁট সম্পর্কিতকৃতীকীর্তিমান
কটিকোমরকড়াআংটাকতককিছুকপালললাট
কোটিশত লক্ষকরাকৃতকথকবক্তাকপোলগাল
করীহাতিকাঁচাঅপক্বকাঁচিকাস্তেকাঁটাকণ্টক
কড়িঅর্থকাচাধোয়াকাছিমোটা দড়িকাটাকর্তন
কাকপাখিবিশেষকাঁদাক্রন্দনকিক্রিয়াবিশেষণকিলমুষ্টির আঘাত
কাঁখকাঁখালকাদাপাঁককীবিশেষণ/সর্বনামকীলখিল
কুজনখারাপ লোককৃতিকাজক্রোড়কোলকীর্তিবাসযশস্বী
কূজনখারাপ লোককৃতীকর্মকুশলক্রোরকোটিকৃত্তিবাসশিব, মহাদেব
কুলবংশকুঁড়িমুকুলকন্দলঅঙ্কুরকমলপদ্ম
কূলনদীর তীরকুড়িবিশ (সংখ্যা)কন্দালমিষ্টি আলুকোমলনরম
কবরীখোঁপাকপোতপায়রাকৃতযা করা হয়েছেজোরশক্তি
করবীফুল বিশেষখপোতআকাশযানক্রীতক্রয় করা হয়েছেকুটদুর্গ, পর্বত
কাদম্বরীদেবী সরস্বতীকুপৃথিবীকীর্তিযশকূটজটিল, বক্র
কাদম্বিনীমেঘমালাক্যুসামরিক অভুত্থানকৃত্তিবাঘের চামড়াখড়তৃণ
খরারৌদ্রখুরপশুর পায়ের অংশখদ্দরকাপড় বিশেষখরতীব্র
ক্ষরাক্ষরণক্ষুরকামানোর অস্ত্রখদ্দেরক্রেতাগণ্ডিচৌহদ্দি
গর্বঅহংকারগাশরীরগাথাকাহিনীগণ্ডীধনুক
গর্ভপেটগাঁগ্রামগাঁথাগ্রন্থনগাধাগর্দভ
গোড়ামূল অংশগড়াতৈরি করাগড়তৈরি করাগাঁদাফুলবিশেষ
গোঁড়ারক্ষণশীলঘড়াবড় কলসিঘরবাসগৃহঘোড়াঅশ্ব
চড়চপেটাঘাতচারাছোট গাছচুরনেশাগ্রস্তঘোড়াঘূর্ণন
চরভূমিবিশেষচাড়াজেগে ওঠাচূরচূর্ণচিরচিরকাল
চূতআমছাঁদআকৃতিছাড়ত্যাগচীরছিন্নবস্ত্র
চ্যূতভ্রষ্ট / স্খলিতছাদচালছারঅধমছোঁড়াবালক
জড়অচেতনজমকসমারোহজলাজলাশয়ছোরাছুরি
জ্বররোগবিশেষযমকজোড়াজ্বলাপোড়াজামফলবিশেষ
জালফাঁদজালামাটির বড় পাত্রজিভজিহ্বাযামপ্রহর
জ্বালঅগ্নিশিখাজ্বালাযন্ত্রণাজীবপ্রাণীজোড়জোড়া
জ্যেষ্ঠবড়জ্যোতিআলোঝানুপাকাঝুড়িচাঙাড়ি
জ্যৈষ্ঠবাংলা ২য় মাসযতিবিরামজানুহাঁটুঝুরিবটের শিকড়
টিকারোগ প্রতিরোধকঠোকামৃদু আঘাতডাকাআহ্বান করাডালশাখা
টীকাব্যাখ্যাঠকাপ্রতারিত হওয়াঢাকাআবৃতঢালবর্ম
ডোলধান রাখার পাত্রঢাকবাদ্যযন্ত্রতত্ত্বমূলকথাত্বরিতদ্রুত
ঢোলবাদ্যযন্ত্রডাকযোগাযোগ ব্যবস্থাতথ্যসঠিক সংবাদতড়িৎবিদ্যুৎ
তরণীনৌকাতারানক্ষত্রতোড়াগুচ্ছতপসিছোট মাছ
তরুণীযুবতীতাড়াতাড়নাতোরাতোমরাতপস্বীসাধু
তিরবাণ, শরদন্তদাঁতদারস্ত্রীদারাস্ত্রী
তীরকূল, পাড়দন্ত্যদাঁতবিষয়কদ্বারদরজাদ্বারাদিয়ে
দিনদিবাদীপপ্রদীপদূতীনারী সংবাদবাহকদৃপ্তবলিষ্ঠ
দীনদরিদ্রদ্বীপজলবেষ্টিত স্থানদ্যুতিআলোদীপ্তউজ্জ্বল
দেশরাজ্যধাপসিঁড়ির সোপানধরাপৃথিবীধাতৃবিধাতা
দ্বেষহিংসাদাপদাপটধড়াকটিবাসধাত্রীদাই
ধুমপ্রাচুর্যধোয়াধৌতধনিসুন্দরী স্ত্রীধারিসরু বারান্দা
ধূমধোঁয়াধোঁয়াধুম্রধনীধনবানধারীধারালো
নিরাশহতাশনিরস্ত্রঅস্ত্রহীননভআকাশনীরপানি
নিরাসদূরীকরণনিরস্তক্ষান্তনবনতুননীড়পাখির বাসা
নারীস্ত্রীলোকনিতিরোজনন্দিআনন্দনাড়ীশিরা
নাড়িশিরানীতিনিয়মনন্দীবটগাছনারিপারি না
নিত্যপ্রতিদিননিবৃতআবৃতনিদানশেষনীড়পাখির বাসা
নৃত্যনাচনিভৃতগোপননিধানআধারনীরপানি
নিবারনিষেধনিশিতধারালোপক্ষপাখাপটলঅধ্যায়
নীবারধান বিশেষনিশীথমধ্যরাত্রিপক্ষ্মচোখের পাতার লোমপটোলসবজিবিশেষ
পটাশরাসায়নিকবিশেষপদ্যকবিতাপরাপরিধান করাপরভৃতকোকিল
পটাসধ্বন্যাত্মক শব্দপদ্মকমলপড়াপাঠপরভৃৎকাক
পাণিহাতপ্রভাতিপ্রভাতের গানপ্রসাদঅনুগ্রহপারিসমর্থ/সক্ষম
পানিজলপ্রভাতীপ্রভাতকালীনপ্রাসাদঅট্টালিকাপাড়িপারাপার
পরিষদসভাপাটউদ্ভিদবিশেষপারতীরপারাপারদ
পারিষদসভাষদপাঠপড়াপাড়প্রান্তপাড়ামহল্লা
পরিচর্চাআলোচনাপরিচ্ছদপোশাকপূর্বাহ্নপূর্বদিনপ্রবুদ্ধজাগরিত
পরিচর্যাসেবাপরিচ্ছেদঅংশ, অধ্যায়পূর্বাহ্ণদিনের পূর্বভাগপ্রবৃদ্ধঅতিশয় বৃদ্ধ
পিঠপৃষ্ঠপিনআলপিনপুতপবিত্রপুরিলুচি
পীঠস্থানপীনস্থূলপূতপবিত্রপুরীনিকেতন
পুরুষনরপূর্বাভাষমুখবন্ধপ্রকাররকমপ্রকৃতযথার্থ
পরুষকঠোরপূর্বাভাসপূর্বসংকেতপ্রাকারদেয়ালপ্রাকৃতস্বাভাবিক
ফোঁটাবিন্দুফিকমৃদু হাসিবলিউপহারবাণশর, তির
ফোটাপ্রস্ফুটিতফীককোকিলবলীবলবানবানবন্যা
বর্ষাঋতুবাঅথবাবাককথাবাণীকথা
বর্শাঅস্ত্রবিশেষবাঁবামবাঁকবাঁকাবানিগয়না তৈরির মজুরি
বাইশ২২ সংখ্যাবেদগ্রন্থ বিশেষবিষহলাহল/গরলবিবৃতিবিস্তৃতি
বাইসধারালো যন্ত্রবেধবিবর্তনবিসমৃণালবিত্তিজীবিকা
বাধাবিঘ্নবাড়িঘরবাদিফরিয়াদিবাসিটাটকা নয়
বাঁধাবন্ধনবারিপানিবাদীমতাদর্শীবাসীবসবাসকারী
বিচিবীজবিত্তধনবিনাব্যতীতবিস্মিতচমৎকৃত
বীচিঢেউবৃত্তগোলাকারবীণাবাদ্যযন্ত্র বিশেষবিস্মৃতভুলে যাওয়া
বৃন্তবোঁটাবেশিঅনেকবোঁজাবন্ধভূপৃথিবী
বৃন্দসমূহবেশীবেশধারীবোঝাভারভূধরপর্বত
ভজনপ্রার্থনাভাষকথাভাসনউজ্জ্বলতাভুঞ্জনভোগ করা
ভোজনআহারভাসদীপ্তিভাষণউক্তিভঞ্জনভোগ করা
মতিবুদ্ধিমরামৃতমনঅন্তঃকরণশমশান্তি
মোতিমুক্তামড়ামৃতদেহমণঅন্তঃকরণসমতুল্য
মাস৩০ দিনমুখপত্রভূমিকামূর্খজ্ঞানহীনমোড়কআচ্ছাদনী
মাষডালবিশেষমূখপাত্রপ্রতিনিধিমুখ্যপ্রধানমড়কমহামারী
মুখবদনযজ্ঞউৎসবযুগকালরতিপরিমাণ
মূকবোবাযোগ্যউপযুক্তযোগমিলনরথীরথের আরোহী
রুক্সস্বর্ণলণ্ঠনবাতিলেশসামান্যলক্ষশত সহস্র
রুক্ষকর্কশলুণ্ঠনলুটতরাজলেসফিতালক্ষ্যউদ্দেশ্য
শকজাতিবিশেষশুকটিয়াপাখিশিকড়মূলশরতির
শখসাধশূকশস্যের সূক্ষ্ম রোঁয়াশীকরজলকণাসরদুধের উপরিভাগ
শমনযমশবমৃতদেহশিখণ্ডিকমোরগশুক্তিশ্রবণ
সমনআদালতের ডাকসবসমস্তশিখণ্ডীময়ূরসূক্তিসৎকথা
শকলমাছের আঁশশয্যাবিছানাশশাফলশারদাদুর্গা
সকলসমস্তসজ্জাসাজস্বসাবোনসারদাসরস্বতী
শূরবীরশান্তধীরশবলনানাবর্ণ যুক্তশমীরবৃক্ষবিশেষ
সূরসূর্যসান্তসসীমসবলবলবানসমীরবাতাস
শুচিপবিত্রশপ্তঅভিশপ্তশরণআশ্রয়শঠপ্রবঞ্চক
সূচিছুঁচ/তালিকাসপ্তসাতস্মরণস্মৃতিষট্‌ছয়
শশাফলবিশেষশাদীবিয়েসর্গকাব্যের অধ্যায়শম্বরহরিণ
স্বসাবোনশাপঅভিশাপস্বর্গসুরলোকসম্বরসংবরণ
সান্তসসীমসাপসর্পশারিস্ত্রী শালিকশিকারমৃগয়া
শিলপাথরশীষধানের মঞ্জরিসারিপঙ্ক্তিস্বীকারঅঙ্গীকার
শীলচরিত্রশিসধ্বনিবিশেষশোনাশ্রবণ করাশ্রবণকান
শ্বশ্রূশাশুড়িসর্গঅধ্যায়সোনাস্বর্ণস্রবণক্ষরণ
শ্মশ্রুদাড়িস্বাদআস্বাদসমর্থবলবানসম্প্রতিআজকাল
সাক্ষরঅক্ষর সম্বলিতসাধইচ্ছাসামর্থযোগ্যতাসম্প্রীতিসম্ভাব
স্বাক্ষরদস্তখতসামিঅর্ধেকসনবছরসত্ত্বগুণবিশেষ
সাধুসৎস্বামীপ্রভুস্বনশব্দস্বত্বঅধিকার
স্বাদুস্বাদযুক্তহর্ম্যদালানস্তম্বকাণ্ডশূন্য বৃক্ষহাড়অস্থি
হ্রদজলাশয়হর্মহাই তোলাস্তম্ভখুঁটিহারগলার মালা
হৃদমন
Content added By

শূন্যস্থান পূরণ

1k
Content added By

প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ

1.5k

ভাষা হচ্ছে বহমান নদীর মতো, যা নিরন্তর বয়ে চলেছে নানা যৌক্তিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। তাই বাংলা ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ তথা অপপ্রয়োগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য দরকার ভাষার উপর পরিপূর্ণ জ্ঞান। ইংরেজ সময়কালের বা পাকিস্তানি শাসনামলের মুদ্রা যেমন একালে অচল, তেমনি ইংরেজ-পাকিস্তানি আমল তো বটেই, এমন কি আশি বা নব্বই দশকের কিছু কিছু বানানও আজকাল পরিত্যক্ত হয়েছে।

বাংলা পৃথিবীর একটি মর্যাদাসম্পন্ন ভাষা। ২১ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়: অথচ খোদ বাংলাদেশেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন যেমন হয়নি, মর্যাদাও তেমন দেওয়া হয় না। সবচেয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা যায় বানান ও উচ্চারণে, যা রীতিমতো পীড়াদায়ক। সাহিত্যকর্মের বাইরে পোস্টারে, বিজ্ঞাপনে, সাইনবোর্ডে, সংবাদপত্রের পাতায়, বেতার-টেলিভিশনে এই ভুলের ছড়াছড়ি। বাংলা ভাষায় ভুলের সীমাহীন যে নৈরাজ্য চলছে, তাতে কেবল ভাষার প্রতি অবহেলাই প্রকাশ পায় না, ভাষার নিয়ম-শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিপুল অজ্ঞতাও প্রকট হয়ে দেখা দেয়।

ভাষাজ্ঞান এবং বানান পরিবর্তনের চলমান ধারার সাথে সংলগ্ন থাকতে পারলে, ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটানো সম্ভবপর হবে। উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলোঃ

ঈদ, নবী, পরী, পীর, পূর্ব, বীমা, রানী, লীগ, শহীদ শব্দগুলোর বানান কিন্তু অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানানগুলো অশুদ্ধ মনে হওয়ার কারণ হচ্ছে এ বানানগুলো বিভিন্ন সরলীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংস্কার করে গৃহীত হয়েছে। পুরনো বানানগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন প্রচলিত ছিল, তাই সেগুলো এখনো চোখকে বিভ্রান্ত করতে চায়। এ নিয়ে যে দ্বিধা, তা দূর হতে পারে শুধু একটি নিয়ম জানা থাকলে। এ শব্দগুলোর শুদ্ধরূপের নিয়মটি হলো:

  • যে শব্দটি তৎসম নয় অর্থাৎ সংস্কৃত নয়, সে শব্দটির বানানে কোথাও ঈ-কার, উ-কার দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে সর্বদাই ই- কার, উ- কার বসবে। যেমন- ইদ, নবি, পরি, পির, পুব, বিমা, রানি, লিগ, শহিদ ইত্যাদি। এখানে ই-কার, উ-কার বসার কারণ হলো যে, এ শব্দগুলোর কোনোটিই সংস্কৃত নয়। পূর্বে এ বানানগুলোতে ঈ-কার, উ-কার বসতো, বর্তমানে বানান পরিমার্জন করে সরল করা হয়েছে।

নিচে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগের বিস্তারিত বর্ণনা উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:

১. ই-কার / ঈ- কার এর প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ: ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে এবং ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। উভয় নিয়মেই যাবতীয় অতৎসম (অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি) শব্দে কেবল হ্রস্বধ্বনি (ই, ই- কার, উ. উ- কার) ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। নিম্নে এর কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো :

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

ঈদইদএজেন্সীএজেন্সি
একাডেমীএকাডেমিকাজীকাজি
কলোনীকলোনিকোরবানীকোরবানি
কেরানীকেরানিকোম্পানীকোম্পানি
গ্যালারীগ্যালারিগরীবগরিব
গীটারগিটারচাকরীচাকরি
জরুরীজরুরিজানুয়ারীজানুয়ারি
টিউশনীটিউশনিডায়েরীডায়েরি
ডিগ্রীডিগ্রিতসবীতসবি
দরদীদরদিনবীনবি
নানীনানিনেভীনেভি
নার্সারীনার্সারিবীমাবিমা
ভাবীভাবিমামীমামি
রেফারীরেফারিলীগলিগ
লটারীলটারিলাইব্রেরীলাইব্রেরি
শাশুড়ীশাশুড়িল্যাবরেটরীল্যাবরেটরি
শহীদশহিদসতীনসতিন
সরকারীসরকারিসীলমোহরসিলমোহর
সেক্রেটারীসেক্রেটারিহাজীহাজি

ই-কার যুক্ত শব্দ:

অগ্নিবীণাঅধিকারিণীটিপ্পনীতপস্বিনী
প্রাণিবিদ্যাপ্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রণয়িনীপ্রতিযোগিতা
প্রাণিবাচকপুনর্মিলনীভবিষ্যদ্বাণীমন্ত্রিপরিষদ
শিঞ্জিনীসহযোগিতাসহপাঠিনীস্থায়িত্ব

ঈ-কার যুক্ত শব্দ:

অঙ্গীকারঅন্তরীণঅলীকঅধীন
আভীরআশীর্বাদঈপ্সাঈপ্সিত
ঈর্ষাঈষৎউড্ডীনউদীচী
উড়িয়া/উড়ীয়াউন্মীলনএকান্নবর্তীকালীন
কৃষিজীবীকীর্তিকীর্তনকিরীট
ক্ষীণজীবীক্ষুৎপীড়িতগরীয়সীগীতিকা
গরীয়ানগীতাঞ্জলিগীষ্পতিগ্রীষ্ম
চীনচীরটীকাতীক্ষ্ণ
তরণীতীব্রদিলীপদীপ্ত
দধীচিদ্বিতীয়দ্বীপ (দ্বিপ-হস্তী)নিপীড়িত
নিমীলিতনিরীহনিশীথিনীনীচ
নিবীতনীরবনীরন্ধ্রপীড়া
পরীক্ষাপ্রতীকপ্রতীচ্যপীযুষ
পিপীলিকাপ্রতীক্ষাপ্রতীতিপ্রতীয়মান
প্রীতপ্রবীণবল্মীকবাণী
বিপরীতবীথিবীভৎসব্রীহি
বীচিবিবাদীবীরবেণী
ব্যতীতভীতভীমভাগীরথী
ভীষণমরীচিকাশীকরশীতাতপ
শরীরশ্রীপদশীঘ্রশীর্ণ
শারীরিকসুশ্রীসম্মুখীনসমীপ
সমীচীনসরীসৃপসমীহসীমন্ত

২.অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষণ দ্বিত্ব: বিশেষণ জাতীয় পদের সঙ্গে যদি পুনরায় বিশেষণবাচক উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে যেসব শব্দ গঠিত হয় তা ব্যাকরণ সম্মত নয়। তথাকথিত এই দূষিত শব্দগুলো অপপ্রয়োগের ফলে সৃষ্ট। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

সকাতরকাতরসবিনয়পূর্বকবিনয়পূর্বক
সকৃতজ্ঞকৃতজ্ঞসানন্দিতসানন্দ
সলজ্জিতলজ্জিত/সলজ্জসচেষ্টিতচেষ্টিত/সচেষ্ট
সচিত্রিতচিত্রিত/ সচিত্রসশঙ্কিতশঙ্কিত/সশঙ্ক

৩. অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষ্য / দ্বিত্ব: কোনো বিশেষ্য পদের সাথে আবার/-তা/ অথবা -ত্ব / প্রত্যয় যুক্ত করা হলে, যে শব্দটি গঠিত হয় তা ভুল শব্দ। এ জাতীয় শব্দের প্রয়োগ ব্যাকরণসম্মত নয় বলে এগুলো অপপ্রয়োগ। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অপকর্ষতাঅপকর্ষঅপ্রতুলতাঅপ্রতুল
আব্রুতাআব্রুপ্রসারতাপ্রসার
মৌনতামৌনউৎকর্ষতাউৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা

৪. বিশেষণের সাথে দুইবার প্রত্যয় যোগ করার কারণে অপপ্রয়োগ: সাধারণত বিশেষণ পদের শেষে /-য/ অথবা /-তা/ প্রত্যয় যোগ করা হলে, বিশেষণ পদটি বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়; পুনরায় ওই বিশেষ পদের সাথে যদি আবার প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে অপপ্রয়োগ ঘটে। যেমন: 'দরিদ্র' একটি বিশেষণ পদ। 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে /-য/প্রত্যয় যোগ করলে গঠিত হয় (দরিদ্র + য) দারিদ্র্য। 'দারিদ্র্য' একটি বিশেষ্য পদ। এবার 'দারিদ্র্য'র সাথে যদি /-তা/ যোগ করা হয়, তাহলে গঠিত হয় (দারিদ্র্য+তা) দারিদ্র্যতা। 'দারিদ্র্যতা' গঠনে একই সঙ্গে /-য/ এবং /-তা/প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ শব্দ। অপপ্রয়োগ ঘটেছে, এমন কিছু তথাকথিত শব্দের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

আতিশয্যতাআতিশয্যঐক্যতাঐক্য/একতা
কার্পণ্যতাকার্পণ্যগাম্ভীর্যতাগাম্ভীর্য
চাঞ্জল্যতাচাঞ্জল্যচাতুর্যতাচাতুর্য/চতুরতা
চাপল্যতাচাপল্যদারিদ্র্যতাদারিদ্র্য/দরিদ্রতা
বাহুল্যতাবাহুল্যদৈন্যতাদৈন্য/ দীনতা
ভারসাম্যতাভারসাম্যসখ্যতাসখ্য
সৌজন্যতাসৌজন্যসৌহার্দ্যতাসৌহার্দ্য

৫. সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ: কখনও কখনও বাংলায় কোনো কোনো শব্দে সমার্থবোধক একাধিক শব্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের প্রয়োগের ফলে শব্দ ব্যাকরণগতভাবে দূষিত হয়ে পড়ে। সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে সৃষ্ট অপপ্রয়োগের উদাহরণ হলো-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশ্রুজলঅশ্রুআরক্তিমআরক্ত/রক্তিম
আয়ত্তাধীনআয়ত্ত/অধীনশুধুমাত্রশুধু / মাত্র
কদাপিওকদাপিকেবলমাত্রকেবল / মাত্র
সমূলসহসমূল / মূলসহবিবিধপ্রকারবিবিধ
সময়কালসময় / কালসুস্বাগতস্বাগত

৬. সন্ধিজাত শব্দে বানান ভুলের জন্য অপপ্রয়োগ: সন্ধিজাতশব্দে পাশাপাশি দুই বা তার চেয়ে বেশি ধ্বনি মিলিত হয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে ধ্বনিটি কী হবে, তা সন্ধির সূত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে কোনো রকম স্বাধীনতা গ্রহণ করা চলে না। আমরা অনেকেই সন্ধিজাত শব্দের বানান লেখার সময় বানানে স্বেচ্ছাচার করে থাকি, যার ফলে শব্দে অপপ্রয়োগ ঘটে থাকে। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অদ্যবধিঅদ্যাবধিউপরোক্তউপর্যুক্ত
তরুছায়াতরুচ্ছায়াদুরাবস্থদুরবস্থা
দুরাদৃষ্টদুরদৃষ্টপ্রাত:রাশপ্রাতরাশ
বক্ষোপরিবক্ষ-উপরিবিপদোদ্ধারবিপদুদ্ধার
মুখছবিমুখচ্ছবি

৭. সমাসঘটিত শব্দে অপপ্রয়োগ: ব্যাসবাক্য থেকে সমস্তপদ যখন গঠিত হয়, তা সমাসের নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে। শব্দ গঠন অনুযায়ী ব্যাসবাক্য থেকে কখনও কখনও তা ভিন্নরূপ লাভ করে। যেমন: মহান যে মানব = 'মহানমানব' নয়- 'মহামানব'; জায়া ও পতি = ‘জায়াপতি’ নয়- 'দম্পতি'।

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অহোরাত্রিঅহোরাত্রঅহর্নিশিঅহর্নিশ
দিবারাত্রিদিবারাত্রনীরোগীনীরোগ
নিজ্ঞানীনির্জ্ঞাননির্বিরোধীনির্বিরোধ
নিরভিমানীনিরভিমানীনিরপরাধীনিরপরাধ
নির্দোষীনির্দোষদিনরাত্রদিনরাত্রি/দিবারাত্র
মধ্যরাত্রিমধ্যরাত্রসুবুদ্ধিমানসুবুদ্ধি

৮. প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগ: প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়যুক্ত হয়ে যখন শব্দ গঠিত হয়, তখন সংগত কারণেই তার বানানে কিছুটা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। সচেতন না থাকলে এসব ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধীনস্থঅধীনঅসহ্যনীয়অসহনীয়/অসহ্য
আবশ্যকীয়আবশ্যকএকত্রিতএকত্র
চোষ্যচূষ্যলব্ধপ্রতিষ্ঠিতলব্ধপ্রতিষ্ঠ
সাধ্যাতীতঅসাধ্যসত্বাসত্তা
স্বত্ত্বস্বত্বসম্ভ্রান্তশালীসম্ভ্রমশালী/সম্ভ্রান্ত
সিঞ্চনসেচনসিঞ্চিতসিক্ত

৯. উৎকর্ষবাচক- তর, তম প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ: উৎকর্ষবাচক শব্দ ব্যবহারে, আমরা কী রকম অজ্ঞানতার মধ্যে ডুবে আছি যেটি খুব অল্প কথায় ড. মাহবুবুল হক বিশ্লেষণ করেছেন। আমরা সরাসরি তাঁর বই থেকে একটি অংশ তুলে ধরছি: 'বাংলায় উৎকর্ষের সর্বাধিক্য বোঝাতে গুণবাচক শব্দের সঙ্গে /-ইষ্ঠ/ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: কনিষ্ঠ, গরিষ্ঠ, জ্যেষ্ঠ, পাপিষ্ঠ্য, বলিষ্ঠ, লঘিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি। এসব শব্দের সঙ্গে ভুলবশত অনেকে দুইয়ের মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তর/এবং বহুর মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তম/ প্রত্যয় যুক্ত করে থাকেন। যেমন: কনিষ্ঠর/ কনিষ্ঠতম, বলিষ্ঠতম/ বলিষ্ঠতম, শ্রেষ্ঠতম ইত্যাদি। এরকম প্রয়োগ অশুদ্ধ।

১০. বহুল প্রচলিত বানানের প্রভাবে অপপ্রয়োগ: বাংলা বানানে বহুলপ্রচলিত শব্দগুলি তুলনামূলক কম প্রচলিত শব্দের বানানের ওপর প্রবল প্রভাব ফেলে। ফলে অপপ্রয়োগ দেখা যায়। কিছু উদাহরণ দেয়া হলো: 'ভূগোল' বানানে উ-কার আছে কিন্তু এর প্রভাবে 'ভূবন' বানানে উ-কার দেওয়া হলো, যা অপপ্রয়োগ। 'স্বাধীনতা' বানানের প্রভাবে যদি লেখা হয় 'স্বাধীকার' তাহলে অপপ্রয়োগ হবে। শুদ্ধ শব্দটি হচ্ছে সাধীকার। এরূপ 'বিবাদ' শুদ্ধ, কিন্তু 'বিবাদমান' শুদ্ধ নয়, শুদ্ধ প্রয়োগ করতে হলে ব্যবহার করতে হবে 'বিবদমান'।

১১. সমাসঘটিত শব্দের বানানে অশুদ্ধি: 'সমাস' (সম্- √অস্ +অ) শব্দের অর্থই হচ্ছে সংক্ষেপণ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, “পরস্পর অর্থ-সঙ্গতিবিশিষ্ট দুই বা বহু পদকে লইয়া একপদ করার নাম সমাস।”

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একাধিক শব্দ একত্র জুড়িয়া একটি বৃহৎ শব্দ সৃষ্টি করাকে সমাস বলে।”

বাংলা একাডেমি প্রণীত ও প্রকাশিত "প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ" গ্রন্থে সমাসের সংজ্ঞার্থ নিরূপিত হয়েছে এভাবে: "সমাস অভিধানের শব্দ নির্মাণের একটি প্রক্রিয়া যাতে দুই বা তার চেয়ে বেশি শব্দ যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড শব্দ তৈরি করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি সম্মিলিত ধারণা প্রকাশ করে।" সমাসবদ্ধ শব্দ তাই একত্রে লিখতে হয়- নতুবা অপপ্রয়োগ হবে। কিছু উদাহরণ হলো:

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

আপন জনআপনজনক্রয় ক্ষমতাক্রয়ক্ষমতা
জীবন ধারাজীবনধারাদৃঢ় প্রতিজ্ঞদৃঢ়প্রতিজ্ঞ
দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদৃষ্টিপ্রতিবন্ধীধর্ম ব্যবসায়ীধর্ম ব্যবসায়ী
বিপথ গামীবিপথগামীপ্রচার মাধ্যমপ্রচার মাধ্যম
পূর্ব প্রস্তুতিপূর্বপ্রস্তুতিপ্রবাস জীবনপ্রবাসজীবন
বাস্তব সম্মতবাস্তবসম্মতযুক্ত বিবৃতিযুক্তবিবৃতি
যুদ্ধ বিধ্বস্তযুদ্ধবিধ্বস্তমৎস্য সম্পদমৎস্যসম্পদ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অকাল প্রায়াতঅকালপ্রায়াত
অনন্য সাধারণঅনন্যসাধারণ
অনুমান নির্ভরঅনুমাননির্ভর
জমিদার বাড়িজমিদারবাড়ি
জীবন সংগ্রামজীবনসংগ্রাম
জীবন সঙ্গিনীজীবনসংগ্রাম
দল নিরপেক্ষেদলনিরপেক্ষে
নীতি নির্ধারকনীতিনির্ধারক
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াপার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
বেকার সমস্যাবেকারসমস্যা
ব্যক্তি মালিকানাব্যক্তিমালিকানা
ভাব বিনিময়ভাববিনিময়
শোক সংবাদশোকসংবাদ
শিক্ষা ব্যবস্থাশিক্ষাব্যবস্থা
সমাজ সেবাসমাজসেবা
সমুদ্র সৈকতসমুদ্রসৈকত
সর্বজন শ্রদ্ধেয়সর্বজনশ্রদ্ধেয়
সাহায্য সংস্থাসাহায্যসংস্থা

১২. অর্থগত অপপ্রয়োগ: (সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অর্থপার্থক্যজনিত অপপ্রয়োগ)

প্রতিটি ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে থাকে অজগ্র শব্দ, তবু থেকে যায় অনেক সীমাবদ্ধতা। ওই ভাষাগোষ্ঠীর মানুষ তখন কখনও বানানে, কখনও উচ্চারণে কিছুটা রদবদল করে নতুন নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করে। অনেক সময় এত সব করেও তার প্রয়োজন মেটে না; তার প্রয়োজন পড়ে আরও অজস্র শব্দ। তখন একই বানানে, একই উচ্চারণে তারা ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। এই তিনটি উপায়ে গঠিত শব্দসমূহ সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ হিসেবে পরিচিত। যেমন:

ক. যুগল: দিন: দিবস, দীন: দরিদ্র পরিবর্তন কেবল বানানে, উচ্চারণে কোনো পার্থক্য নেই।

খ. যুগল চুড়ি: অলংকার বিশেষ, চুরি: চৌর্যবৃত্তি (একটি অপরাধকর্ম) [পরিবর্তন একই সঙ্গে বানানে ও উচ্চারণে]

গ. যুগল চাল চাউল, চাল কৌশল বানান বা উচ্চারণে কোনো পার্থক্য ঘটছে না, অথচ ভিন্ন অর্থবোধক নতুন শব্দ সৃষ্টি হচ্ছে।। যেমন: আমাদের বাসায় আজ চাল নেই।

তোমার চাল ধরতে পারছি না।

বাংলা অভিধানে এমন অসংখ্য শব্দ রয়েছে যেগুলোর জন্য আমরা পদে পদে বিড়ম্বনার মুখোমুখি হই। বানান একই, অথচ অর্থের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সব শিক্ষার্থীগণ
স্বায়ত্তশাসন
বাগীশ্বরী
দরিদ্রতা
উপর্যুক্ত
মিথস্ক্রিয়া
একত্রিত
সপ্রাণ
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...