অনুপ্রাস

বাংলা ২য় পত্র - বাংলা - এইচএসসি | NCTB BOOK

1.4k

অনুপ্রাস: একই বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার বিন্যাসকে অনুপ্রাস বলে। যেমন- 'কাক কালো কোকিল কালো কালো কন্যার কেশ।' (এখানে 'ক' বার বার ধ্বনিত হয়েছে।)

সরল অনুপ্রাস: কবিতার কোনো ছত্রে এক বা দুটি বর্ণ একাধিকবার ধ্বনিত হলে, তাকে সরল অনুপ্রাস বলে। যেমন-

'পেলব প্রাণের প্রথম পশরা নিয়ে।' - রবীন্দ্রনাথ।

(এখানে 'প' একাধিকবার ধ্বনিত হয়েছে।')

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

(১) অনেকে বলে থাকে আমি আদ্যোপান্ত অনিকেত। (২) শুনতে পাই, আমি স্বপ্নের করতলে বন্দি, অথচ জীবনের করতাল বাজাতে বাজাতে আমি সুন্দরের বন্দনা গাই। (৩) একবার এক জোছনারাতে আমি বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলাম। (৪) ঝরে পড়া আলো আর বহমান জলের লুকোচুরি খেলায় চুপচাপ পা ভিজিয়ে বসেছিলাম ব্রহ্মপুত্রের তীরে। (৫) সারারাত পূর্ণিমার ভূবন-ভরা আলোয় তন্নতন্ন করে খোঁজা হল সমস্ত শহর। (৬) আমি লাপাত্তা, পাবে কী করে। (৭) শুক্লপক্ষের রাতে কবিরা পালায় গৃহত্যাগী সিদ্ধান্থের মতো। (৮) তাছাড়া, সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি। (৯) মানুষ, মনুষ্য-জনপদ আর পরমা প্রকৃতির প্রতি যদি অন্তগূঢ় সংবেদনা না থাকে তবে কে কবি হতে পারে? (১০) পেরেছিলেন শেলি, কীটস বা বায়রন? (১১) প্রকৃতির প্রলোভনে যদিও আমি শিল্পতীর্থমুখে নিরুপম যাত্রা করে থাকি, কিন্তু আমিও তো হতে পারি, নেরুদা, মায়াকোভস্কি বা নাজিম হিকমতের মতো সময়ের প্রতিস্পর্ধী। (১২) অপরপক্ষে নির্জনতা প্রত্যাখ্যানের ভাষা। (১৩) আমিও জানি জীবনের উপলখন্ড, কুজ্বিটিকা তিরোহিত করবার ভয় কবির কাঁধেও বর্তায়, ক্রান্তি কাল বিষয়ে কবি নিরুদ্বেদ নন। (১৪) রঘুবংশ বা রামচরিত্রমানসের কবিরা নির্ভার থাকতে পারেন না, যেম নির্ভার থাকতে পারেন না আধুনিক কালের বালজাক অথবা ভলতেয়ার। (১৫) চর্যাপদের গানগুলোতে প্রত্যক্ষ জীবন যে রাঙতা-মোড়া উপহার। (১৬) রাঙতার আবরণ খুলে ফেললেই কবিতার গভীর থেকে জীবন হাত নাড়িয়ে স্বাগত জানায়।

উপমান ও উপমেয়ের অভেদাত্মক বাক্য
কোনো বিশেষ শব্দের লোপ
উপমার পুনরাবৃত্তি
বাক্যে বিশেষ ধ্বনির উপর্যপরি পুনরাবৃত্তি

অন্ত্যানুপ্রাস: কবিতার এক চরণের শেষে যে শব্দধ্বনি থাকে অন্য চরণের শেষে তারই পুনরাবৃ্ত্তিতে যে অনুপ্রাস অলঙ্কারের সৃষ্টি হয় তার নাম অন্ত্যানুপ্রাস। অর্থাৎ কবিতার দু’টি চরণের শেষে যে শব্দধ্বনির মিল থাকে তাকেই অন্ত্যানুপ্রাস বলে। একে অন্ত্যমিলও বলা হয়ে থাকে।

যেমন: কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা,

দাড়ি মুখে সারি গান লা-শরীক আল্লাহ।

Content added By

গুচ্ছানুপ্রাস: একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি যখন দুয়ের বেশি বার একই ছত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে গুচ্ছানুপ্রাস বলে। যেমন-

'না মানে শাসন, বসন বাসন অশন আসন যত।' - রবীন্দ্রনাথ।

('সন' ধ্বনির গুচ্ছানুপ্রাস)

Content added || updated By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...