মুহম্মদ আবদুল হাই

বাংলা ১ম প্রত্র (অ্যাডমিশন) - বাংলা - এইচএসসি | NCTB BOOK

971

মুহম্মদ আবদুল হাই (১৯১৯-১৯৬৯)

বাংলা ভাষার অন্যতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক আবদুল হাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বাংলা বিভাগের প্রথম মুসলিম ছাত্র। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর শাসকশ্রেণীর বিরূপ মনোভাবের কারণে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সঙ্কটের মধ্যে পড়ে। আরবি হরফে বাংলা লেখন, আরবি-ফারসি-উর্দু শব্দের অধিক প্রয়োগ, বাংলা সাহিত্য থেকে 'হিন্দুয়ানী' বিষয় বর্জন, ১৯৬৭ সালে রেডিও, টেলিভিশনে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রচার বন্ধ, এমনকি কাজী নজরুল ইসলামের শ্যামা সঙ্গীত প্রচাররোধ ইত্যাদি বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শুরু হয়। আবদুল হাই পেশাগত দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার থেকে এসকল প্রতিরোধ করার প্রত্যয়ে এগিয়ে আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তিনিই ছিলেন প্রথম মুসলিম ছাত্র আবদুল হাই ২৬ নভেম্বর, ১৯১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার রানিনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

  • তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বাংলা বিভাগ থেকে প্রকাশিত 'সাহিত্য পত্রিকা' (১৯৫৬) এর সম্পাদক ছিলেন।
  • তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ধ্বনিবিজ্ঞান' (১৯৫২) নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল: A Study of Nasal and Nasalization in Bengali.
  • তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১) পান।
  • তিনি ৩ জুন, ১৯৬৯ সালে মালিবাগে রেল ক্রসিং এ কাটা পরে মারা যান।

তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থসমূহঃ

'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (১৯৬৮): এ গ্রন্থ তিনি সৈয়দ আলী আহসান সহযোগে রচনা করেন।

'সাহিত্য ও সংস্কৃতি' (১৯৫৪), 'তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা' (১৯৫৯), 'ভাষা ও সাহিত্য' (১৯৬০), 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' (১৯৬৪)।

তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি গ্রন্থের নাম 'বিলাতে সাড়ে সাত'শ দিন' (১৯৫৮)। এ ভ্রমণকাহিনির অংশবিশেষ 'বিলাতের প্রকৃতি'।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহাম্মদ আবদুল হাই
মুহাম্মদ আবদুল হাই ও আনিসুজ্জামান
মুহাম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
হৈমন্তী সঠিক বয়স বলায়
হৈমন্তী বয়স কমিয়ে বলায়
হৈমন্তী বয়স বাড়িয়ে বলায়
হৈমন্তী বয়স জেনে না বলায়
হৈমন্তী চুপ করে থাকায়
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...