স্বরধ্বনি

বাংলা ২য় পত্র - বাংলা - এইচএসসি | NCTB BOOK

1.9k

স্বরধ্বনি : যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস-তাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও কোনো প্রকার বাধা পায় না, তাদেরকে বলা হয় স্বরধ্বনি (Vowel sound) । স্বরবর্ণ : অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ(১১টি)

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

 হৃস্ব স্বরধ্বনি:

যে স্বরকে উচ্চারণ করতে কম সময় ও কম শ্বাসবায়ু লাগে, তাকে হ্রস্বস্বর বলে।

 হৃস্বস্বর কোনগুলি?

 অ, ই,উ,ঋ - বাংলা বর্ণমালার এই চারটি স্বর হ্রস্বস্বর।

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

দীর্ঘ স্বরধ্বনি:

যে স্বরকে উচ্চারণ করতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় ও বেশি শ্বাসবায়ু লাগে তাকে দীর্ঘস্বর বলে।

দীর্ঘস্বর কোনগুলি?

বাংলা বর্ণমালার আ, ঈ,ঊ, এ, ও – এইগুলি দীর্ঘস্বর।

সুতরাং বোঝা গেল বাংলা বর্ণমালায় যে ১১টি স্বর আছে, তার মধ্যে ৫টি দীর্ঘস্বর, ৪টি হ্রস্বস্বর ও ২টি যৌগিক স্বর। তবে মনে রাখতে হবে, বাংলা ভাষায় দীর্ঘ স্বরের প্রকৃত উচ্চারণ হয় না, সব স্বরই সাধারণ উচ্চারণে হ্রস্বস্বর হিসেবেই উচ্চারিত হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মৌলিক স্বরধ্বনি :

একটিমাত্র মূল স্বরধ্বনিকে মৌলিক স্বরধ্বনি বলে। মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি। যেমন : অ, আ, ই, উ, এ, এ্যা, ও। এগুলোকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাগ করা যায় না। বাংলা ভাষায় ‘এ্যা’ ধ্বনিটি থাকলেও তার জন্য কোনো বর্ণ নেই।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

যৌগিক স্বরধ্বনি : 

যদি পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারণের ফলে একটি যুক্তধ্বনিতে রূপ নেয়, তবে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। যেমন : অ + ই = ঐ, অ + উ = ঔ। এসব ধ্বনিকে দ্বিস্বর, সন্ধিস্বর বা যৌগিক স্বরও বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় শুধু ঐ এবং ঔ-এ দুটি যৌগিক বর্ণকে মৌলিক বর্ণের মতো স্থান দেওয়া হয়েছে। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি। অ + ই = অই (বই)

অ + য় = অয় (হয়, সয়)

আ + ই = আই (খাই, নাই, ভাই)

আ + এ = আয় (গায়, যায়)

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সম্মুখ :

এক্ষেত্রে জিহ্বার সামনের দিকটা তালুর দিকে উত্থিত হবে। এই জাতীয় মৌলিক স্বরবর্ণগুলো হলো- ই, এ এবং এ্যা ।

সম্মুখস্থ বা প্রসারিত স্বরধ্বনির বৈশিষ্ট্য:

  • জিহ্বার অবস্থান: উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ সামনের দিকে এগিয়ে তালুর কাছাকাছি চলে আসে।
  • ঠোঁটের আকৃতি: ঠোঁট প্রসারিত বা প্রসারিত হয়ে পার্শ্ববর্তী স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।
  • প্রধান উদাহরণ:
  • ই (i): সংবৃত সম্মুখ স্বরধ্বনি।
  • এ (e): উচ্চ-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।
  • অ্যা (æ): নিম্ন-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পশ্চাৎভাগস্থ স্বরধ্বনি কাকে বলে :-

যে সব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা পিছনের দিকে পিছিয়ে যায়, তাকে পশ্চাৎ ভাগস্থ স্বরধ্বনি বলে। যেমন- উ, ও, অ৷

পশ্চাৎ স্বরধ্বনিগুলোর শ্রেণিবিভাগ:

  • উচ্চ-পশ্চাৎ: উ
  • উচ্চ-মধ্য পশ্চাৎ: ও
  • নিম্ন-মধ্য/নিম্ন পশ্চাৎ: অ
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কুঞ্চিত স্বরধ্বনি কাকে বলে :-

যে সব স্বর ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি গোলাকার কুঞ্চিত হয়, তাকে কুঞ্চিত স্বরধ্বনি বলা হয়। যেমন- অ, উ, ও।

মূল বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ:

  • উচ্চারণ স্থান: সাধারণত পশ্চাৎ স্বরধ্বনিগুলো কুঞ্চিত হয়।
  • প্রধান ধ্বনি: উ, ও, অ।
  • বৈশিষ্ট্য: এই ধ্বনিগুলো বলার সময় মুখবিবরের সামনে ঠোঁটের গোল আকৃতি বজায় থাকে।
Content added By
Content updated By

সংবৃত (Close) :

জিহ্বা তালুর কাছাকাছি এনে বায়ু চলাচলের জন্য একটি সঙ্কীর্ণ পথ তৈরি করা হয়। এই অবস্থায় উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে সংবৃত বলা হয়। তালু সংলগ্ন ধ্বনি হিসাবে এদেরকে তালব্য বর্ণ বলা হয়। এক্ষেত্রে ঠোঁট প্রসারিত থাকে। পাশের চিত্রে সংবৃত উচ্চারণে জিহ্বার অবস্থান দেখানো হলো। লক্ষ্য করুন, এখানে ই ধ্বনিটির জন্য জিহ্বার সম্মুখভাগ প্রায় তালু সংলগ্ন হয়েছে এবং উ ধ্বনিটির জন্য জিহ্বার পশ্চাত্ভাগ প্রায় পশ্চাৎ তালুর সংলগ্ন হয়েছে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিবৃত (Open) :

এই জাতীয় ধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বা ও তালুর ভিতর সব চেয়ে বেশি ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি হয়। মুখ প্রসারিত করে এই ফাঁকা জায়গার পরিমাণকে আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বাংলাতে এই জাতীয় স্বরবর্ণটি হলো আ। এক্ষেত্রে জিহ্বা স্বাভাবিকভাবে নিম্ন চোয়াল বরাবর শায়িত থাকবে। দীর্ঘ বা হ্রস্ব আ হিসাবে এর কোন পরিবর্তন ঘটবে না। আরবি ভাষার গলকক্ষ থেকে উচ্চারিত আ ধ্বনিটির ক্ষেত্রেও একই রীতি অনুসৃত হবে। কখনো কখনো জিহ্বার পশ্চাৎ অংশ ভিতরের দিকে সংকুচিত করে আ ধ্বনিটি উচ্চারণ করা হয়। এই ধ্বনিটিও বাংলাতে নেই। পাশের চিত্রে বিবৃত অবস্থায় আ ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার অবস্থান দেখানো হল।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কণ্ঠ্যধ্বনি কি :-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কণ্ঠনালির উপরিভাগ বা জিহ্বামূল, তাদের কণ্ঠ্যধ্বনি বলে। যেমন- অ আ।

বাংলা বর্ণমালায় কণ্ঠ্য ধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি হলো ক-বর্গের বর্ণগুলো— ক, খ, গ, ঘ, ঙ। এছাড়া, স্বরধ্বনিগুলোর মধ্যে 'অ' এবং 'আ' কণ্ঠধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়।কণ্ঠ্য ধ্বনিসমূহ:ব্যঞ্জনবর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙস্বরবর্ণ: অ, আউচ্চারণ স্থান: জিহ্বার পেছনের অংশ + নরম তালু বা কণ্ঠনালী।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

তালব্যধ্বনি কি :-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান তালু, তাদের তালব্য ধ্বনি বলে। যেমন- ই, ঈ, তালব্যধ্বনি।

তালব্যধ্বনির তালিকা:

  • স্বরধ্বনি: ই, ঈ
  • ব্যঞ্জনবর্ণ (চ-বর্গ): চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
  • অন্যান্য বর্ণ: শ, য, য়

বৈশিষ্ট্য:

  • এগুলো উচ্চারণের সময় জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর (Hard Palate) কাছাকাছি পৌঁছায়।
  • বাংলা ব্যাকরণে এগুলোকে কণ্ঠ তালব্য ধ্বনি হিসেবেও শ্রেণিভুক্ত করা হয়।
Content added By
Content updated By

ওষ্ঠ্যধ্বনি:-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান ওষ্ঠ, তাদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে। যেমন:-

উ, ঊ,

এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণ করার সময় জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লাগে না, বরং ঠোঁটের বন্ধন ও খোলার মাধ্যমে শব্দগুলো তৈরি হয়

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

কণ্ঠ্যতালব্যধ্বনি :-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ এবং তালু উভয়ই, তাদের কণ্ঠ্যতালব্য ধ্বনি বলে। যেমন- এ ঐ কণ্ঠ্যতালব্য ধ্বনি।

Content added || updated By

কণ্ঠৌষ্ঠ্যধ্বনি :-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কণ্ঠ ও ওষ্ঠ, তাদের কণ্ঠৌষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন- ও, ঔ কণ্ঠৌষ্ঠ্য ধ্বনি।

Content added || updated By

মূর্ধন্য ধ্বনি :-

যে সমস্ত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান মূর্ধা বা তালুর অর্থভাগ, তাদের মূর্ধন্য ধ্বনি বলে। যেমন- ঋ

Content added || updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...