উৎপ্রেক্ষা

বাংলা ২য় পত্র - বাংলা - এইচএসসি | NCTB BOOK

34

উৎপ্রেক্ষা: প্রবল সাদৃশ্যের জন্য উপমেয়কে যদি উপমান বলে ভুল বা সংশয় হয়, তবে তাকে উৎপ্রেক্ষা বলে। যেমন-'আগে পিছে পাঁচটি মেয়ে, পাঁচটি রঙের ফুল।' - জসীমউদ্দীন।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও

(১) অনেকে বলে থাকে আমি আদ্যোপান্ত অনিকেত। (২) শুনতে পাই, আমি স্বপ্নের করতলে বন্দি, অথচ জীবনের করতাল বাজাতে বাজাতে আমি সুন্দরের বন্দনা গাই। (৩) একবার এক জোছনারাতে আমি বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলাম। (৪) ঝরে পড়া আলো আর বহমান জলের লুকোচুরি খেলায় চুপচাপ পা ভিজিয়ে বসেছিলাম ব্রহ্মপুত্রের তীরে। (৫) সারারাত পূর্ণিমার ভূবন-ভরা আলোয় তন্নতন্ন করে খোঁজা হল সমস্ত শহর। (৬) আমি লাপাত্তা, পাবে কী করে। (৭) শুক্লপক্ষের রাতে কবিরা পালায় গৃহত্যাগী সিদ্ধান্থের মতো। (৮) তাছাড়া, সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি। (৯) মানুষ, মনুষ্য-জনপদ আর পরমা প্রকৃতির প্রতি যদি অন্তগূঢ় সংবেদনা না থাকে তবে কে কবি হতে পারে? (১০) পেরেছিলেন শেলি, কীটস বা বায়রন? (১১) প্রকৃতির প্রলোভনে যদিও আমি শিল্পতীর্থমুখে নিরুপম যাত্রা করে থাকি, কিন্তু আমিও তো হতে পারি, নেরুদা, মায়াকোভস্কি বা নাজিম হিকমতের মতো সময়ের প্রতিস্পর্ধী। (১২) অপরপক্ষে নির্জনতা প্রত্যাখ্যানের ভাষা। (১৩) আমিও জানি জীবনের উপলখন্ড, কুজ্বিটিকা তিরোহিত করবার ভয় কবির কাঁধেও বর্তায়, ক্রান্তি কাল বিষয়ে কবি নিরুদ্বেদ নন। (১৪) রঘুবংশ বা রামচরিত্রমানসের কবিরা নির্ভার থাকতে পারেন না, যেম নির্ভার থাকতে পারেন না আধুনিক কালের বালজাক অথবা ভলতেয়ার। (১৫) চর্যাপদের গানগুলোতে প্রত্যক্ষ জীবন যে রাঙতা-মোড়া উপহার। (১৬) রাঙতার আবরণ খুলে ফেললেই কবিতার গভীর থেকে জীবন হাত নাড়িয়ে স্বাগত জানায়।

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...