hsc

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা (আল মাহমুদ)

একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি - বাংলা - সাহিত্যপাঠ | NCTB BOOK
4k
Summary

শেষ ট্রেন ধরতে ছুটতে গিয়ে স্টেশনে পৌঁছে দেখি ট্রেন ছেড়ে গেছে। যারা শহরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল, তারা উৎকণ্ঠিতভাবে আমাকে দেখছে এবং সান্ত্বনা দিচ্ছে। আব্বা এবং আম্মা বিভিন্নভাবে আমায় তাড়া করেছিলেন, কিন্তু আমি ট্রেনটি মিস করেছি। অন্যরা সময়মত পৌঁছালেও আমি তাদের মতো হতে পারলাম না এবং এখন আমি এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি

নীলবর্ণ আলোর সংকেত।

 হতাশার মতোন হঠাৎ দারুন হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। 

যাদের সাথে, শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।

আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই

তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি। 

আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক

কত রাত তো অমনি থাকিস।

আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।

অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ

আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। 

লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।

 নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত যেতে পারে না। আর আমি এদের ভাই

সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে

এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

উদ্দীপকটি পড়ো প্রশ্নের উত্তর দাও

সিয়াম পড়াশোনা শেষ করেছে। জীবিকার তাগিদে শহরে পাড়ি জমাতে চায়।
কিন্তু শহুরে জীবন তার পছন্দ নয়। তাই গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার সময় গ্রামের সেই নৈসর্গিক রূপ, তার শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান- এসব দেখে তার মন কাঁদে। কিছু দূর গিয়েও সে আবার মায়ের কোলেই ফিরে আসে।

বখতিয়ারের ঘোড়া
লোক-লোকান্তর
কালের কলস
সোনালী কাবিন
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...