(Mineral & Energy Resources)
যে সমস্ত দ্রব্যের উপযোগ আছে, যোগান সীমাবদ্ধ, যা হস্তান্তরযোগ্য এবং যার বাহ্যিক রূপ আছে তাকে সম্পদ বলা হয়। সম্পদ বস্তুগত ও অবস্তুগত উভয়ই হতে পারে।
খনিজ সম্পদ: এটি এক ধরনের বস্তুগত সম্পদ। সাধারণভাবে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরভাগের শিলাস্তর হতে মাটি খুঁড়ে যে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করা হয় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। মূলত ভূঅভ্যন্তরস্ত এ সম্পদ আহরণপূর্বক পরিশোধন করে মানুষ তা ব্যবহার উপযোগী করে তোলে। কতগুলো মৌলিক উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে মিলিত হয়ে যে যৌগ গঠন করে তাই খনিজ। এটি অজৈব পদার্থ। শিলা হলো এক বা একাধিক খনিজের মিশ্রণ। তাই খনিজ সম্পদ হিসেবে আহরিত বস্তু শিলার ক্ষয়ীভূত পদার্থও হতে পারে। যেমন- সোনা, রূপা, তামা, কয়লা, লৌহ, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি।
শক্তি সম্পদ: এটি এক প্রকার প্রাকৃতিক সম্পদ। যে সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদ তাপ তথা শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তি সম্পদ বলে'। শক্তি সম্পদ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খনিজ সম্পদ হয়ে থাকে। তবে খনির বাইরেও শক্তি সম্পদ পাওয়া যায়। যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল প্রভৃতি খনিজাত শক্তি সম্পদ। আবার পানিবিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ, বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ ইত্যাদি খনি বহির্ভূত শক্তি সম্পদ।
সম্পদের আকার, গঠনগত উপাদান, ব্যবহার প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে খনিজ সম্পদকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা

বিশ্বের প্রধান খনিজ ও শক্তি সম্পদ: পৃথিবীর অনেক দেশ খনিজ ও শক্তি সম্পদে যথেষ্ট সমৃদ্ধ। পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও শক্তি সম্পদ পাওয়া যায়। তবে সব খনিজ সম্পদ আমাদের সমান কাজে লাগে না। আবার সব খনিজ সম্পদের আর্থিক মূল্যও এক রকম নয়। অর্থনৈতিক মূল্য এবং ব্যবহারগত গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে পৃথিবীর কতিপয় প্রধান খনিজ ও শক্তি সম্পদ হচ্ছে-
খনিজ সম্পদ: লৌহ আকরিক, গ্রাফাইট, স্বর্ণ, রৌপ্য, অভ্র, ম্যাঙ্গানিজ, হীরক, পান্না, তামা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
শক্তি সম্পদ: খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম, প্লুটোনিয়াম প্রভৃতি।
খনিজ ও শক্তি সম্পদ-মো: আবদুল কুদ্দুস স্যারে লেখা বই
Read more