(Use of Scale to Detect Location)
কোনো নকশা বা মানচিত্র থেকে স্কেল ব্যবহার করে খুব সহজেই তুমি কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে। যেমন- আমরা কোনো একটি অঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট পুকুর ঐ অঞ্চলের উত্তর বা দক্ষিণ সীমারেখা থেকে এবং পূর্ব-পশ্চিম সীমারেখা থেকে কত দূরে তা জানতে পারলে এর অবস্থান নির্ণয় করতে পারি। নিম্নের চিত্রে ABCD একটি অঞ্চল এবং এর উপর X স্থানে একটি পুকুর রয়েছে। পুকুরটির অবস্থান নির্ণয় করতে হবে। দেওয়া আছে, স্কেল: ১" = ৬ মাইল।
X থেকে BC রেখার উপর সমকৌণিক রেখা XE অঙ্কন করলাম। XE = ১"। অতএব, XE XE রেখার প্রকৃত ভূমি দূরত্ব ৬ কি.মি.; কিন্তু এতেও পুকুরটির প্রকৃত অবস্থান স্থির করা সম্ভব নয়।

কারণ, BC রেখা থেকে একই দূরত্বে অনেকগুলো পুকুর থাকতে পারে। এজন্য AB রেখা থেকে XF সমকৌণিক লম্ব অঙ্কন করে স্কেলের সাহায্যে এর প্রকৃত ভূমি দূরত্ব পেলাম ১০ কি. মি.। এখন সহজেই বোঝা যায় যে, অঞ্চলটির দক্ষিণ সীমারেখা থেকে ৬ এবং পশ্চিম সীমারেখা থেকে ১০ কি. মি. দূরে কেবল একটি পুকুর রয়েছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, কোন অঞ্চলের ভৌগোলিক কোনো উপাদানের অবস্থান নির্ধারণের জন্য স্কেলের ব্যবহার হয়ে থাকে।
ব্যবহারিক মানচিত্র ও স্কেল-কে. আশরাফুল আলম ও মো. শরিফুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই
Read more