hsc

পাঠ-৮: ব্যবহারিক: মেরুদেশীয় সমদূরবর্তী শীর্ষদেশীয় অভিক্ষেপ অঙ্কন

ভূগোল ২য় পত্র - ভূগোল - এইচএসসি | NCTB BOOK

23

(Practical: Drawing of Zenithal Equidistant Projection)

প্র.অ. ১ঃ ২০০,০০০,০০০ স্কেলে নিচে একটি মেরুদেশীয় সমদূরবর্তী অভিক্ষেপ অঙ্কন করা হলো-

মানচিত্রে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ =২৫০,০০০,০০০"২০০,০০০,০০০= ১.২৫" [আমরা জানি, পৃথিবীর প্রকৃত গড় ব্যাসার্ধ ২৫০,০০,০০০"।

মেরুদেশীয় সমদূরবর্তী শীর্ষদেশীয় অভিক্ষেপ

প্রথম চিত্র: ১.২৫" ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্তাংশ অংকন করি। চাঁদার সাহায্যে বৃত্তাংশে ০°, ১৫°এবং৯০° চিহ্নিত করি। ৯০° চিহ্নিত মেরুবিন্দুতে একটি স্পর্শক অংকন করা হলো। এরপর ১৫° এর রৈখিক ব্যবধান বা ০.৩২" পরিমাপ নিয়ে স্পর্শকটিকে মেরুদেশীয় শীর্ষক বিন্দু (৯০°) হতে ডান দিকে পরপর ৬টি অংশে ভাগ করে ৯০° হতে ৭৫°, ৬০°, ৪৫°, ৩০°, ১৫°, ০°অবস্থান নির্দেশ করতে হবে। এগুলো অক্ষরেখা অংকনের জন্য ব্যাসার্ধের পরিমাপ নির্দেশ করে।
দ্বিতীয় চিত্র: একটি উল্লম্ব রেখা নিতে হবে। এরপর উক্ত উল্লম্ব রেখার মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে প্রথম চিত্রের ৯০° হতে পর্যায়ক্রমে ৭৫°, ৬০°, ৪৫°, ৩০°, ১৫°, ০°এর দূরত্ব নিয়ে বৃত্ত এঁকে অক্ষরেখাগুলো অংকন করি। এরপর চাঁদার সাহায্যে ১৫° সমব্যবধানে কোণগুলো অংকন করে দ্রাঘিমারেখাগুলো নিতে হবে। দ্রাঘিমারেখাগুলোর মান লেখার সময় মূল মধ্যরেখার মান ০° ধরে যথাক্রমে পূর্ব দিকে ১৫°, ৩০° প্রভৃতি লিখে সবশেষে ১৮০° পূর্ব এবং মূলমধ্যরেখার পশ্চিম দিকে ১৫°, ৩০° প্রভৃতি লিখে সবশেষে ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা নির্দেশ করা হলো। অবশ্য ১৮০°পূর্ব এবং ১৮০° পশ্চিম একই দ্রাঘিমারেখা। সর্বশেষে অভিক্ষেপের উপরে অভিক্ষেপের নাম ও নিচে প্র. অ. ১: ২০০,০০০,০০০ লেখা হলো।

মানচিত্র অভিক্ষেপ- মোহা: আনিছুর রহমান ও মোঃ আব্দুর রাজ্জাক-স্যারে লেখা বই

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...