(Dealing with Natural Disasters)
বর্তমান বিশ্ব প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহকে এ কারণে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এর প্রশমনের জন্য বিশ্বব্যাপী ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস গড়ে উঠেছে। ১৯৬০ সাল থেকে দুর্যোগের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও প্রতিবছর দুর্যোগের ফলে মানুষের মৃত্যুর হার প্রায় ৬% হারে কমে এসেছে। একই সাথে সম্পদহানির পরিমাণও ক্রমান্বয়ে কমে এসেছে। কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং এ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা এর কারণ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা প্রায়শই ঘটছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা ইত্যাদিকে তাৎক্ষণিক মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আবহাওয়ার তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ। এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারি পেশাভিত্তিক দপ্তর হিসেবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কাজ করে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মূল্যায়নের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো-
ক. প্রাকৃতিক দুর্যোগে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয় তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা।
খ. অল্প সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে সকল প্রকার ত্রাণ পৌঁছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
গ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলাকে আমরা একটি চক্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধান চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যথা-
১. প্রতিরোধ (Prevention)
২. পূর্বপ্রস্তুতি (Preparedness)
৩. সাড়াদান (Response)
৪. পুনরুদ্ধার (Recovery)
নিম্নে এগুলো আলোচনা করা হলো:
১. প্রতিরোধ (Prevention): প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগের আগে বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় তবে এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে। দুর্যোগ প্রতিরোধে কাঠামোগত ও অবকাঠামোগত দুই ধরনেরই ব্যবস্থা নেয়া যায়। কাঠামোগত দুর্যোগ মোকাবিলা করা খুবই ব্যয়বহুল যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টকর। অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্বল্প ব্যয়ে গ্রহণ করা সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যেসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তা হচ্ছে:
ক. বেড়িবাঁধ নির্মাণ: সাধারণত নদী ও সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে বেশি পতিত হয়। তাই উপকূলবর্তী জনগণ, সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে দুর্যোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
খ. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ: দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে সাধারণত ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, বন্যা ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে স্থায়ীভাবে পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো উপায় নেই। তাই দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে এসব এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করে দুর্যোগ প্রতিরোধে সহায়তা করা যায়।
গ. ঘরবাড়ি নির্মাণ পদ্ধতি: ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে যেরকম বাড়ি তৈরি করা হবে বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে তেমন বাড়ি তৈরি করা ঠিক হবে না। ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে কাঠের বাড়ি নির্মাণ করা হয়। আবার আমাদের দেশ ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ বলে উপকূলীয় ও প্লাবন ভূমি এলাকায় বাড়ির ভিত অনেক উঁচু করে নির্মাণ করা হয় যেন বন্যার পানি ঘরে প্রবেশ করতে না পারে। তাই ঘরবাড়ি নির্মাণে কৌশল অবলম্বন করে দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
ঘ. নদী খনন: নদী খনন ব্যবস্থাটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা'র পূর্ববর্তী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। যেসব এলাকা প্রতিবছর বন্যার দ্বারা প্লাবিত হয়ে খাল-বিল, নদ-নদী, পলি-বালি, কাদায় ভরে যায় সেসব এলাকার নদ-নদী খনন বা ড্রেজিং করে নদীর প্রবাহ সচল রাখার ব্যবস্থা করতে হয় যেন বন্যার সময় নদী বেশি পানি ধারণ করতে পারে।
ঙ.প্রশিক্ষণ প্রদান: প্রতিরোধ একটি দুর্যোগ পূর্ববর্তী মোকাবিলা। তাই দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলের জনগণকে পূর্ব থেকেই দুর্যোগের ভয়াবহতা ও দুর্যোগসময়কালীন কী করণীয় সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়ে রাখা হয়, যেন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়।
এছাড়াও দুর্যোগ পূর্ববর্তী সময়ে যেসব প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তা হলো-
i. দুর্যোগপ্রবণ এলাকার লাইব্রেরি ও আর্কাইভের জন্য বীমা করে রাখা।
ii. প্রয়োজনীয় নথিপত্রের কপি নিরাপদে সংগ্রহ করে রাখা।
iii.ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পূর্বেই সংস্কার করা।
iv. স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ও পানি সেন্সিং এ্যালার্ম স্থাপন করা ইত্যাদি।
২. পূর্বপ্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি বলতে দুর্যোগপূর্ব সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসের ব্যবস্থাসমূহকে বোঝায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যেসব পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা যায় তা হলো:
ক. ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ: প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতিতে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি। এটা চিহ্নিত করতে পারলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হ্রাস করা যায় কেননা চিহ্নিত এলাকায় আগে থেকেই কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করলে দুর্যোগের ঝুঁকি কমে যায়।
খ. দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন: দুর্যোগের পূর্বে দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলে দুর্যোগের পরবর্তী কার্যক্রম সহজ হয়। তাই পরিকল্পনা এমনভাবে করা হয় যেন দুর্যোগের পরে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী দ্রুত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে।
গ. সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ: দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়। এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে গ্রহণ করা হয় যেন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সম্পদ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে আরো যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা হলো-
i. দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিকল্পনাগুলোর হালনাগাদ তথ্য রাখা ও মাঝে মাঝে তা পরীক্ষা করা হয়।
ii. পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি একত্রে রাখা যেন প্রয়োজনের সময় দ্রুত সরবরাহ করা যায়।
iii. প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে স্বেচ্ছাসেবক গ্রুপ। তৈরি করে তার সদস্যদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সংরক্ষণ করা।
iv. দুর্যোগ মোকাবিলায় যেসব প্রতিষ্ঠান সাহায্য করতে পারে এমন প্রতিষ্ঠান ও গ্রুপসমূহের নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বরের তালিকা তৈরি করে রাখা।
V. জরুরি প্রয়োজনে অর্থায়ন করা এবং বীমা নথির কপি নিরাপদে রাখা।
৩. সাড়াদান (Response): প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সাড়াদান একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। অতীতে দুর্যোগে সাড়াদান সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমানে সাড়াদান প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার একটি অংশ ধরা হয়। দুর্যোগের পরপরই উপযুক্ত সাড়াদানের প্রয়োজন হয়। সাড়াদানের কার্যক্রমগুলো হলো
ক. অপসারণ: ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া একটি অন্যতম সাড়াদান কার্যক্রম। দুর্যোগের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সম্পদ, জীবজন্তু ও মানুষের বিভিন্ন সাহায্যের প্রয়োজন হয়। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও জীবজন্তুকে আশ্রয়কেন্দ্রে বা দুর্যোগহীন অঞ্চলে সরিয়ে নেওয়া এক্ষেত্রে প্রধান কাজ।
খ . তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা: সাড়াদান প্রক্রিয়াতে মানুষ ও জীবজন্তু তল্লাশি করা হয়। বিপদগ্রস্ত মানুষ বন্যা
বা ঘূর্ণিঝড়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থলের খোঁজ না পেলে স্বেচ্ছাসেবক দল তল্লাশি চালিয়ে তাদেরকে একত্রিত করে। অনেক সময় মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় নিজ বাড়ির চালে বা ছাদে অথবা গাছে অবস্থান করে। এসব বিপদ থেকে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়।
গ. ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ: প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সাড়াদান বা প্রতিক্রিয়া কার্যক্রমে দুর্যোগ পরবর্তী
সময়ে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়। এতে কী পরিমাণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কত, কী পরিমাণ জীবজন্তু মারা গেছে, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত ইত্যাদি নিরূপণ করে তার তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
ঘ. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম: প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ সাড়াদান প্রক্রিয়া। এই কার্যক্রমে প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকার নির্দিষ্ট একটি স্থান থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয় এবং পুনর্বাসনের সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়।
উপরিউক্ত প্রক্রিয়াগুলো ছাড়াও সাড়াদান প্রক্রিয়া নিম্নোক্তভাবে হয়ে থাকে-
i. স্থানীয় প্রভাবশালীর মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে ডোনেশন সংগ্রহ করা হয়।
ii. দুর্যোগ এলাকার অর্থনীতি ভালো না হলে অর্থের ব্যবহার নমনীয় করে অর্থদান নিশ্চিত করা হয়।
iii. সাড়াদান প্রক্রিয়াতে পেশাদার স্বেচ্ছাসেবক দ্বারা উপহার রেজিস্ট্রি করে পাঠানো হয় আবার দাতাগণ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দুর্যোগপ্রবণ জনগণকে অর্থ সাহায্য করে থাকে। এই সাড়াদান পদ্ধতিটি উন্নত বিশ্বের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আক্রান্ত অঞ্চলে দেখা যায়।
৪. পুনরুদ্ধার (Recovery): প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে পুনরুদ্ধার পর্যায় আরম্ভ হয়। এই স্তরে দুর্যোগ অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ক্ষতি হয়ে থাকে তা পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে প্রভাবিত এলাকাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। দুর্যোগে যেসব সম্পদ, মানুষ, পরিবেশ, সামাজিক ও থেকে শুষ্ক খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, ভিটামিন, ওষুধপত্র ইত্যাদি সরবরাহ করা হয় যেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থা থেকে দ্রুত উদ্ধার পায়।
পুনরুদ্ধার বলে। পুনরুদ্ধার পর্যায়ে দুর্যোগ এলাকার মানুষের জন্য বিভিন্ন সংস্থা, সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া বা সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার এই চারটি কার্যক্রম ছাড়াও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশমন বা Mitigation কেও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগের প্রস্তুতিকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
যেসব এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয় সেসব এলাকায় প্রতিবছর বিভিন্ন দুর্যোগে নানা প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পূর্ণভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই মানুষকে এই দুর্যোগগুলোর সাথেই কম করতে হবে এবং উপরিউক্ত প্রক্রিয়াগুলো ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার চেষ্টা করতে হবে।
দূষণ ও দুর্যোগ- প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী- স্যারে লেখা বই
Read more