hsc

পাঠ-১২: উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার গুরুত্ব

ভূগোল ২য় পত্র - ভূগোল - এইচএসসি | NCTB BOOK

8

(Importance of Environment Friendly Planning in Development Activities)

বর্তমান সময়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার গুরুত্বসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

১. যেকোনো উন্নয়নকার্য পরিচালনার ফলে পরিবেশের ওপর কী কী বিরূপ প্রভাব পড়বে তা নির্ধারণ করা সম্ভব।
২. পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ বিশ্লেষণের পরে কোন কোন দিকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে তা নির্ধারণ করা সম্ভব।
৩. উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে যেন অধিক পরিমাণ পরিবেশ দূষণ না হয় এবং স্থানীয় বনভূমি, পানির উৎস, কৃষিজমি বা প্রাকৃতিক সম্পদ যেন নষ্ট না হয় তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

৪. পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হলে বা না হলে পরিবেশের ওপর কী প্রভাব পড়বে উভয়ই বিবেচনা করা হয়। ফলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ক্ষতিকর দিক থেকে পরিবেশকে রক্ষা করা সম্ভব।

৫. উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার ফলে যেন প্রাণিবৈচিত্র্য কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হয়।
৬. পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনায় প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
৭. পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনায় জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার আগে স্থানীয় জনগণের ভূমিকা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করে।
৮. উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন (Sustainable development) নিশ্চিত করে।
৯. পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনায় পরিবেশ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সংযোগ ঘটানো হয়।
১০. পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনের উপায়ও আলোচনা করা হয়ে থাকে।

দূষণ ও দুর্যোগ- প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী- স্যারে লেখা বই

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...