(Ecosystem)
কোনো স্থানের উদ্ভিদ, প্রাণী এবং এদের জড় পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে অবস্থান করে। জীব ও তার পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ার ফলে এদের গঠন ও কার্যের পরিবর্তন সাধিত হয়ে থাকে। কোনো স্থানের জীব ও এদের. পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়ার গতিময় পদ্ধতিকে ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্র বলে।

বিভিন্ন প্রকার ইকোসিস্টেম:ইকোসিস্টেম প্রধানত দু'প্রকার। যথা- ১. প্রাকৃতিক এবং ২. মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট।
১. প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম (Natural ecosystem): প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম আবার i. স্থলজ (terrestrial) এবং ii. জলজ (aquatic) এই দু'প্রকার। বনাঞ্চল, তৃণভূমি, মরুভূমি ইত্যাদি স্থলজ ইকোসিস্টেমের উদাহরণ। নদী, পুকুর, হ্রদ এগুলো জলজ মিঠা পানির ইকোসিস্টেম। এর মধ্যে পুকুর, হ্রদ হলো আবদ্ধ পানির ইকোসিস্টেম এবং নদী হলো প্রবাহমান পানির ইকোসিস্টেম। সাগর, মহাসাগর হলো লবণাক্ত পানির ইকোসিস্টেম। মোহনার ইকোসিস্টেম আবার বিভিন্ন ধরনের।
২. মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট ইকোসিস্টেম (Man made ecosystem): যেসব ইকোসিস্টেম মানুষের তত্ত্বাবধানে চালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় সেসব মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট ইকোসিস্টেম নামে পরিচিত। এগুলোর। মধ্যে বিভিন্ন প্রকার শস্যক্ষেত্র, পার্ক, বাগান, ডেইরিফার্ম, পোলট্রিফার্ম এবং পুকুর, হ্রদ, খাল-বিল, মৎস্য চাষ প্রকল্প উল্লেখযোগ্য।

ইকোসিস্টেমের উপাদান (Elements of ecosystem): গঠনগত দিক থেকে ইকোসিস্টেমের প্রধান উপাদান হচ্ছে দু'টি। যথা- ক. অজীব উপাদান ও খ. সজীব উপাদান। নিম্নে এসব উপাদান একটি ছকের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো-

জীবমণ্ডল - তাপস কুমার মজুমদার স্যার এর লেখা বই
Read more