(Line Graph Using Rainfall Data)
বৃষ্টিপাতের উপাত্ত ব্যবহার করে রেখাচিত্র অঙ্কন করার জন্য কোনো একটি মাসের প্রতিদিনের বৃষ্টিপাত বা বছরের প্রতি মাসের গড় বৃষ্টিপাতের উপাত্ত সংগ্রহ করতে হবে। তারপর একটি গ্রাফ পেপারে বা সাদা কাগজের 'X' কলামে দিন বা মাস এবং 'Y' কলামে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেখাতে হবে। নিচে ঢাকা শহরের কোনো এক বছরের প্রতি মাসের গড় বৃষ্টিপাতের উপাত্ত থেকে একটি রেখাচিত্র অঙ্কন করে দেখানো হলো-

| মাস | গড় বৃষ্টিপাত (সে.মি.) |
| জানুয়ারি | ০.৮ |
| ফেব্রুয়ারি | ৩.২ |
| মার্চ | ৬.১ |
| এপ্রিল | ১৩.৭ |
| মে | ২৪.৫ |
| জুন | ৩১.৫ |
| জুলাই | ৩২.৯ |
| আগস্ট | ৩৩.৭ |
| সেপ্টেম্বর | ২৪.৮ |
| অক্টোবর | ১৩.৪ |
| নভেম্বর | ২.৪ |
| ডিসেম্বর | ০.৫ |
বিশ্লেষণ: উপরের লেখচিত্রটি লক্ষ করলে দেখা যায় যে, X অক্ষে মাস এবং Y অক্ষে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেখানো হয়েছে। X অক্ষে উল্লিখিত আগস্ট মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (৩৩.৭ সেমি.) এবং ডিসেম্বর মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে কম (০.৫ সে.মি.)। এ কারণে ডিসেম্বর মাসের উপর অঙ্কিত বিন্দুটি সবার নিচে এবং আগস্ট মাসের উপর অঙ্কিত বিন্দুটি সবার উপরে লক্ষণীয়। জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বর্ষাকাল হওয়ায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অন্য মাসগুলো অপেক্ষা বেশি থাকায় মান অনুযায়ী বিন্দুগুলোও উপরের দিকে রয়েছে। অন্যদিকে নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস শীতকাল থাকায় মান অনুযায়ী অঙ্কিত বিন্দুগুলো নিচের দিকে অবস্থান করে। কারণ শীতকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম থাকে। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল থাকায় বর্ষাকালের তুলনায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম এবং শীতকালের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাত হয়। এসময় বৃষ্টিপাত ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এর ফলে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের ওপর অঙ্কিত বিন্দুগুলো মান অনুযায়ী পাশাপাশি উচ্চতায় দেখা যাচ্ছে।
জলবায়ু অঞ্চল ও জলবায়ু পরিবর্তন-ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্যার এর লেখা বই
Read more