(Periodic Winds)
পার্বত্য ও উপত্যকা বায়ুপ্রবাহ (Mountain and valley winds): রাতে তাপ বিকিরণ হয়ে উপত্যকা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে
গেলে তখন পার্বত্য ঠাণ্ডা বায়ু ঢাল বেয়ে নিচে নামতে থাকে। দিনে উপত্যকার তলদেশ অপেক্ষা পর্বতের গা অধিকতর উষ্ণ হয় বলে পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে উপত্যকা বায়ু প্রবাহিত হয়। পার্বত্য অঞ্চলে এভাবে চক্রাকারে প্রতিদিন উষ্ণ উপত্যকা বায়ু ও শীতল পার্বত্য বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। যেমন- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার বায়ুপ্রবাহ।

সমুদ্র ও স্থলবায়ু (Sea and Land Breeze): দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি
হয়। কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপযুক্ত হয়। ফলে তখন জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে : বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
আবার রাত্রিকালে জলভাগের চেয়ে স্থলভাগ বেশি শীতল বলে স্থলভাগের বায়ু উচ্চচাপযুক্ত হয়। তখন স্থলভাগ থেকে জলভাগ বা সমুদ্রের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে স্থলবায়ু বলে। বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থানের কারণে সামুদ্রিক ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়।

মৌসুমি বায়ু (Monsoon): মৌসুমি বায়ুপ্রবাহকেও সাময়িক বায়ু বলা যেতে পারে। এটি ঋতুভিত্তিক সাময়িক বায়ুপ্রবাহ। দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শীত মৌসুমে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক (ভূভাগ) থেকে সমুদ্র অভিমুখে এবং গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম (সমুদ্রভাগ) থেকে ভূমি অভিমুখে প্রবাহিত হয়।
কাজ: নিচের ছকটি পূরণ করো।
| বায়ুপ্রবাহ | সময় | দিক |
| পার্বত্য | ||
| উপত্যকা | ||
| সমুদ্র | ||
| সমুদ্র |
জলবায়ুর উপাদান ও নিয়ামক কে. আশরাফুল আলম ও মো. শরিফুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই
Read more